10/01/2026
# রাংতা পাড়ের দেশ
-------------------------
তড়িৎ রায়
এক কাম করো সাব
দো কদম হম বড়ে দো কদম আপ
আজ পুরি রাত কে লিয়ে রাখ্ লো
কোই দিককত? নেহি না? তো চলো
অভি ছোড়ো ইয়ে সব বাতেঁ
ভুল যায়েঁ গম, পুরানী ইয়াদেঁ
ডুবে দোনো নাশা মে,
চলো সিধা পার্ক স্ট্রিট
ক্যায়া করে মিঁয়া...
গম ভুলে না ভুলে
সালোঁ কা হ্যাবিট
****
এগ্ৰিমেন্ট সেরে ফুটপাত থেকে
সোজা পার্ক স্ট্রিট বার
লিপস্টিক আবদারে দু-পাত্তর আবার
দিব্যি লাগছে বেশ ঘোরঘোর পরিবেশ
চাঁদনী রাত আর এই বাদশাহী রেশ
চেয়ে থাকে লোকজন অবাক দোকানদার
যেন পৃথিবীর মানুষজন সব কন্ট্রোলে আমার
কিন্তু কী হবে আমার লেখা? আমার স্টোরি?
বসের নির্দেশ? —-“...এই যে ভাই
ছাইপাঁশ নয়, ভালো লেখা চাই -
রিমেমম্বার, ডেডলাইন ট্যু ডেজ, দিস ফেব্রুয়ারি "
ছদ্ম-সিঁদুর-সিঁথি সঙ্গীনি
তন্বী তিথি সুভাষিনী
বলল, নো প্রবলেম স্যার,
আমি তো আছি বাবু
বলিয়ে না যো ভি দুরকার
রোকড়া মিল যায়ে
তো কোই ভি কাম করা লে না
কোই মুশকিল নেহি , দেখ্ লে না
অব্ দের ফির কিঁউ
এবার সোজা চলো আমার ভ্যেনুউ...
*****
চাঁদ আলোয় সদর স্ট্রীট প্রকান্ড বাড়ি
সারি সারি অগুনতি ঘর অলৌকিক পুরী
মন্ত্রপূত রাত রাস্তা যেন স্বপ্নজাল
ধু ধু শূন্য চারিদিক রাস্তা টালমাটাল
বারান্দার অলিগলি কাঠের সিঁড়ি
দ্রুত পায়ে হাত ধ'রে রাংতা পাড় শাড়ি,
বারান্দা শেষে, অবশেষে, এক চিলতে রুম
তখন জ্যোৎস্না কাল, রাত নিঝ্ঝুম
নিভে যায় বাতি
রাত্র ঘনায় আদিম বিছানায়...
অন্ধকার নেমে আসে ঘরে
তবুও জ্যোৎস্না জাল প্রবেশ করে
তন্দ্রার মত করে
ধূসর বা হলুদ রং ধরে –
তারপর বিভাষিত হয়,
শরীরের গন্ধ পেয়ে হয়ে ওঠে বাঙ্ময়..
এবার তিথি শেষ ঢোঁকে সবটা গিলে
হঠাৎ গলা জড়িয়ে বলে উঠল-
" শুনো না আরে ইয়ার
ফির সে লা দো না বিয়ার
তুমি কেমন মানুষ যেন -- ভাব একটু বেশি
তোমায় খুব ভালোবাসি
দেবে পুজোর শাড়ি ? আর পাঁচশো বেশি?”
তিথি অবলীলায় একজন বেগানা
পুরুষের সামনে
বকফুলের মত নরম শরীরে
কলকা’র মত ঢেউ তুলে শুয়ে পড়ল…
খসে যায় আঁচল, বাহুল্য বসন
প্রকাশিত হয় অনেকটা গড়ন
খাজুরাহী আবেদন শরীর জুড়ে
যুবতী আলুথালু যৌবন ভারে
নয়ন রেখায় রূপটান হালকা কাজল
বিছানায় অধীশ্বরী তিথিই আসল
চুলোয় যাক লেখালেখি ফীচার স্টোরি
সামনে নড়ছে চড়ছে যা বরং পরখ করি
কীভাবে তিথি তার ভাষ্কর্য শরীরে
ধীরে ধীরে সুধা প্রান সঞ্চারিত ক'রে
দেহের চড়াই উৎরাই আর পাক দন্ডী শেষে,
নরম লতিকা বন বা গরম নিঃশ্বাসে
নতুন 'অন্যরকম ' মানুষ পেয়ে কেমনে
হারিয়ে গেল তিথি কে জানে
বোধহয় প্রেম, এই কি প্রথম?
মানুষের মনের কথার কত যে নিয়ম –
" বলতো লোকে বইয়ের পোকা
কলেজ পা, তবু মায়ের বকাঝকা
এদিকে আয় জুড়িয়ে যায় আয় বলছি তাড়াতাড়ি
আমি তখন অনেক দূরে কল্পনায় শহর পাড়ি
হঠাৎ এল উসকো চুল
পাঞ্জাবিতে, বই হাতে ,
বাড়িয়ে দিল গোলাপ ফুল –
“অনেক বই অনেক লেখক
ঘুরতে যাবি শহরটা? “
ভাসিয়ে দিয়ে আমার দু’ কুল
‘মরণ’ আমার লিখে গেল
নয়ন হরন সেই ছেলেটা
ভাসতে ভাসতে . চলে গেলাম.
কলকাতায়, বইমেলায়
ভীড়ের মধ্যে আলগা বাঁধন, হাতটা ছেড়ে চলে গেল প্রথম প্রনয় কালবেলায়
বুকের মধ্যে আর্তনাদ শূন্য মাঝে আমি একা
রাতের শহর কলকাতা
হাত ধরলো অন্য লোক, ‘সহৃদয়’প্রথম ক্রেতা
আবার আমি হারিয়ে গেলাম ফুরিয়ে গেলাম বা বিক্রি হলাম
এই শহর সেই শহর
কোথায় কোথায় কে জানে
এভাবেই নিখোঁজ হলাম
ফুলের সঙ্গে ছিল কাঁটাও
কাঁটায় কাঁটায় বিদ্ধ হলাম
কান্না জমল গলার কাছে
কান্না জমে পাথর হল
নিয়ম যেমন এই পেশায়
কেন এমন হয়! ভালো স্পর্শ পেলে জানো এখনও খুব কান্না পায় !
লেখক তুমি সেই তো এলে
কেমন হতো অনেক আগে তোমার সঙ্গে দেখা হলে …
এই রাত থাকুক আমার
তুমি তো আসবে না ফিরে বারবার…”
দেখো তো কত যে সময় নিলাম,
স্মৃতিদের কেন যে আসতে দিলাম
তুমি কী! তুমি তো থামাবে!
তোমার , কাজ কর্তব্য আগে
" দোহাই তোমার এগিও না আর
তোমার জন্য আছি আমি চিরটাকাল
এই ঘর দোর সব তোমার অবারিত দ্বার
একটি পয়সাও কোনোদিন নিতে পারবোনা আর
" চুক্তিবদ্ধ, যা বলবে বাধ্য আমি
কিন্তু কাতর অনুরোধ, আজ নয়,
আমার যা হয় হোক তোমার সাফল্য আগে
পুরুষের নাম যশ সাফল্য কী যে ভালো লাগে “
" তুমি লেখক,আমার ভ্যুলোক আমার দ্যুলোক
দেখতে চাই না ওগো একটা পথভ্রষ্ট লোক “
আজ নয়, আর নয়, আমি অসহায়
ভেঙোনা বিশ্বাস, ভেঙোনা হৃদয় “
মস্তিষ্কে জাগ্ৰত হয় রতি
রাংতা পাড়ে আগুন জ্বলে
কাঁহাতক সংযম সংগ্ৰামে থাকা যায়
কোথা গেল রিপোর্টারি কোথা গেল স্টোরি
আজ কোনো কথা নয় -- সব, সবটা হবে শরীরী
দেয়াল ছেড়ে মরালী গ্ৰীবা এখন আমার কোলে
ভেঙ্গে যাক ছুৎমার্গ ভেঙে যাক ক্লেদ
সামনে পড়ে থাকা গোটা শরীরে মন দিলাম
প্রতিটি রহস্য তিলে তিলে করতে হবে ভেদ
আমার আমার নিশ্চিন্ত ব্যবহার্থে রক্ষিত
বস্তটি এখন সামনে শায়িত সমাহিত
মনে হল চন্দ্রিমা তনয়া তিথি
নিজেকে করল সম্পূর্ণ পেশ
নিয়ে যাও মোরে
যেথা হবে সাধ পূর্ণ সব পথ শেষ
" সাংবাদিক এ কোন গভীর অতল
থেমে থাক সব শব্দ সব কোলাহল
প্রশ্ন ফুরিয়ে গেছে তোমার জানি আমি
কোথায় ডুবিয়ে দিলে এ কেমন মানুষ তুমি
চাই-না তোমার কাছে কিছু আর
বোঝো না কপট কলহ, নিছক আবদার
শীর্ণকায়ার সাদা জীর্ণ অন্তর্বাস ধরে টান মারতেই সামনে বিশ্ময় অপার,
শরীর সমুদ্র তলে নিবিড় অন্ধকার
জীর্ন বসন শীর্ন তলপেট গরীব গহ্বর
কী হল কেন হল জানি না,
মনে হল, হাতে উঠে আসল -- সত্যি! সত্যি!
তার দপদপিয়া হৃদয়,, ভুখা পেট,
হাড় পাঁজর মাস কিছু অস্থি ...
ভুত প্রেত মানিনা, কিন্তু ভুতগ্ৰস্থ আমি
ঘরের দেওয়াল জুড়ে জ্যান্ত চেয়ে থাকে --
ম্যুরালের মত দেয়ালে গাঁথা
বিদ্ধ , ব্যবহৃত বিগত দিনের অসংখ্য যোনি
তখন ঘরে অন্ধকারে
টুকটাক শীৎকার, আবিষ্ট গোঙানি..
কঙ্কন শব্দ তিথির.ঘনঘন বাজে ঘরময়
কে তুমি আসলে বল বারবনিতা ?
হৃদয়? নারী? তিথি? না ক্ষুধা?
কাঁহা সে আয়ি? যানা হ্যায় কাঁহা?
সেই কোন যুগ থেকে কেন
আজও এইখানে
সভয়ে ছিটকে পিছিয়ে এলাম
এবার পিছানোর পালা
হৃদয় থাক, অস্থি থাক ,
আমার তখন মরন বাঁচন
পলাতক ভীত শঙ্কিত প্রান
অছিলায় বিছানা ছেড়ে
দরজার দিকে এগোতেই বুঝলাম
পেছনে লম্বা হাতের এক টান -
"বসো বিছানায়
চারিদিকে পাহারায় লোক, পালাবে কোথায়?
“অসুবিধা কি বল ?
মি, ইউ, অর টাকায়?
কি! জবাব কোথায়?"
সুন্দরী ফর্সা মুখ গনগনে আঁচ
মুহুর্তে দখল নিল ঘরের রাজ্যপাট
চোখের জলগুলো
কাজল দুয়ারে এসে এখন বিন্দু বিন্দু কালো
আমার অধঃপতিত শরীরে তখন ভয় বিশ্ময় ,
' কাজ আছে.. তাড়াতাড়ি যেতে দাও আমায়'
তৎক্ষণাৎ তীক্ষ্ণ স্বরে
ধেয়ে আসা হুঙ্কার ধ্বনিত হয়,
" এই, এই, শোন্ , এদিকে আয়
" কি কাজ এত রাতে? সত্যি টা কি? ভয়?
কি জন্য এসেছিলি ? কোয়েশ্চন কোথায় ?
চান্স পেলি , লোভ হল, ঢুকে পড়লি শরীরী
গুহায়!
“ কিন্তু ভয় ! বীর পুরুষ যদি ধরা পরে যায়
নারীর আসল সময়...
লজ্জা লাগে না? বুঝিসনা সব বোঝা যায় ? "
“ ঘটা করে আসলি তবে কেন কাছে ?
সব কি তোর ছেলেখেলা আছে?
সাধ ছিল এই রাত, স্বপ্ন ছিল কত
জ্বালিয়ে দিলি পুড়িয়ে দিলি ওই ছেলেটার মত
" “ মহান দরদী, দ্রুত সাজালি নাটক
ওই মহার্ঘ সময়
এভাবে কি সব ঢাকা দেওয়া যায় ?
কে চায় তোর দরদ ? ফালতু বেকার লোক
তিথি তার বুকে জোরে জোরে আঘাত করতে থাকে,
" এই যে সাংবাদিক
বুকের নীচে কী আছে এইটা বুঝিস? “
ঘর জুড়ে বুকের শব্দ ছড়িয়ে পড়ে ,
জ্যান্ত ম্যুরালের মত মুখ গুলো হেসে ওঠে জোরে-
“ আহা আমার যাত্রার বিবেক গো
মার্কসের বংশধর আর গোর্কির পো
"আর আসবি বল কখনো এ পাড়ায়?
যদি আটক রাখি হোল নাইট
শালা দেখি কে ঠেকায়! "
মেঝেতে আমি স্থির দন্ডায়মান
বিছানা ছেড়ে মেঝেতে দেড় ফুট স্থান
কীভাবে পাই নিস্তার
দুজনের মাঝে ভাসমান শুধু আঁধারী বিস্তার
ঘড়ি, ফোন , পার্স, টাকার খাম
মনে মনে স্পর্শ করলাম
চুপচাপ চুক্তির এক গোছা নোট
বিছানায় রাখতেই তিথি বলল .." ফোট"
"শুন্ আমার নাম তিথি
মাগনা কে খায়, কৌন ?
তুঝসে ভিখ্ মাঙ্গা হ্যায় ক্যা?
ওযাক্ত বরবাদ, উঠা, উঠা,
আমার তরফে তোর বউকে দিস,
উঠা তোর টাকা “
বলে তর্জনীর ডগা দিয়ে টাকার গোছায় তাচ্ছিল্যে টোকা মারল, হাওয়ায়
টাকা ছড়িয়ে পড়ল মেঝেতে খানিক রয়ে গেল বিছানায়
“ডরপুক ! এক কড়ি মূল্য নেই তোমার,
যাও বিদায়! “
****
ধরনী দ্বিধা হও অপমানে নীল নীল গন্ধ
তবু মুক্তির স্বাদ আলাদা
রাত তখন দু প্রহর পার হয়ে তিন প্রহর
বারান্দা পেরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে পাক খেয়ে নামতে নামতে মনে হল
এই পৃথিবীতে এখন একটাই শব্দ বেঁচে আছে -- সে হল আমার পদধ্বনি
আর সেই পদধ্বনির প্রতিধ্বনি ক্রমশঃ বিরাট আকার ধারন করে রাতের প্রকান্ড বাড়ির প্রতিটি কক্ষ কে, প্রতিটি তলকে, বলে চলেছে যে, কেউ পালাচ্ছে
গোটা বাড়ি শুনশান --সব কুঠুরী বন্ধ
সময় যেন জমাট পাথর,
বিপদ হলেও নির্বিকার
উদাসীন অন্ধ
অবশেষে একদম শেষ ধাপ
সামনে বিশাল লৌহ কপাট
লেকিন বন্ধ গেট , দরওয়াজা '
পাহারায় বিপুলদেহী গেটের রাজা
এই বাড়িতে রাত ফুরোনীর নির্ঘন্ট মেনে কাজ চলে
অতএব কাস্টমারের বাইরে নিষ্ক্রমণ নিষেধ পলায়ন অসম্ভব যে কোনো ছলে
ফটকের গায়ে বাবুয়ানি আঙুলের
আওয়াজ লোহার পাহাড় ডিঙিয়ে
বাইরে পৌঁছয় না,
তিথির কথা মত , মনে হল আজ
আমি বন্দী, এক ভীতু, ঠকবাজ।
****
****
ইসি সময়ে উয়ো আয়ি - তিথি
পিছা পিছা
কব আয়ি নেহি পাতা
তিথি আওয়াজ দি, দরওয়ান কে সাথ বাত হুয়ি
ফিসফিস করে কী কথা হল জানি না
শুনতে পেলাম, ছোড়ো জানে দো
অউর এক ট্যাক্সি বুলা দো সাব কো
বহত দূর সে আয়া
কুছ কাম হ্যায় উনকা, ফস্ গয়া বেচারা
ট্যাক্সি তে আমার সাথে ও ঝটপট উঠে পড়ল
তুমি যাবে কোথায় এত রাতে ?
"শোনো রাস্তায় কিছু হতে পারে
জায়গা ভালো না
আমি থাকলে কেউ কিছু বলবে না "
ও হাজরায় নেমে গেল
ফিরবে কীসে তিথি?
একলা তুমি এইখানে?
"আমাদের কিছু হয় না "
ফেরার টাকা, শাড়ির দিতে গেলাম
ফিরেও তাকাল না
গেট খুলে নেমে গেল
“ সাবধানে যেও ”
মস্তিষ্কে প্রদাহ চলে
যে জলে আগুন জ্বলে
অসহায় অপমান দমিত ইগো
দুরমুশ হয়ে ট্যাক্সির সাথে চলে।
খোলা জানালার হুহু বাতাসে
বাড়ির কথা ভাসে,
কত অপরাধ যে একসাথে ঘটে
কখন যে অলৌকিক ভাবে সব ঘটে যায়
সব কিছুর বাঁধা ধরা নিয়ম হয় না
বাতাসের স্রোতে শুনতে পাই শিশু কোলে শ্রীলেখার সান্ধ্য শঙ্খধ্বনি তিন তিন বার
বারান্দায় দীর্ঘশ্বাস - মলিন শাড়িতে
জননী আমার
ফিরতে হবে ফিরতেই হবে
সোজাসাপ্টা সরল জীবন রেখায়
আবার আর পাঁচজনের মত
গুরুদেব, উৎসব, দীক্ষা, ব্রত
থলে নিয়ে ছুট এটা কত ওটা কত
আড্ডা আসর বৌকে আদর
আড়চোখে সুন্দরী রমনী
নেমন্তন্ন পত্র হলুদ খামে
কন্যা জায়া জননী সনে
পুনরায় সংসার একসাথে পুরোদমে
****
****
এভাবেই বছর যায়
শরীর জুড়ে মাঝে মাঝে তবু কান্না নামে
কখনও গভীর রাতে মালকোষ রাগে
যখন রাংতা পাড়ে আসে তিথি
তেতলার বিছানায় বসে এক কোনে ,
“ কি হল শুনি , কেন এত ডাকাডাকি?
জানো না কত কাজ আমি কি ফ্রী নাকি
শোনো এসব কাব্যি ছাড়ো, কী লাভ বল
একটা কথা বলি
এসব হল নরম পাক আবেগের
কালটিভেটেড মেলানকলি
ওসব বাবুদের লেখার রসদ
তার চেয়ে দু চারটে গালি দাও ,
মিটে যাক সেদিনের প্রতিশোধ!
কিছু নিশাচরী রাত-কান্না,
কিছু কাব্যিক মগজ ভুনা, কিছু গবেষণা
শেষমেশ অবশেষে
সব মহৎ বীর পুঙ্গবের গন্তব্য নীড় ,
খোঁজ এক…
শরীরেই উত্থান শরীরেই শেষ,
সেই জঙ্ঘা, যোনি, কটিদেশ,
এবং অন্তর্বাস …
শতাব্দী প্রাচীন সেই চেনা ছক -- সেই সিলেবাস
খুব বকলাম তাই না ? মিছিমিছি গো! সরি
সে রাতেও বকেছিলাম ভারি!
পড়ে আছে স্মৃতি অনেক
এসো কাছে, ডরপুক, আমার লেখক
কি করব বল, অনেক পথ চলা যে বাকি
এখনো আমার
শত শত বছর শত শত বার
মিটিয়ে যেতে হবে
অভাগা জন্ম-কর্জ ভার
ডাকলেই আসবো তোমার পাশে
সাড়া না দিয়ে পারি, বল? বিশেষত মালকোষে
সময় বেশি নেই , একটুখানি
কারন আমি এখন
ওই দেয়ালে নতুন সদস্য
হাঁ মুখ আর এক বিদ্ধ যোনি “
“ আসি গো এবার?
ভালো হোক শ্রীলেখার
বারাসতে প্রতীক্ষায় মা' টা আমার
দেখি যদি পাই নতুন কাস্টমার”।
© তড়িৎ