বিক্রমপুর জাদুঘর

বিক্রমপুর জাদুঘর Bikrampur Museum and Cultural Center is located in the Munshiganj district of Bangladesh.
(2)

The government of Bangladesh established the foundation of the museum in 20 years through the acquisition of land by Jadunath Babu.

৮৯ বছরেও খোলা হল না সিন্দুকটিবিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুর শেষ কর্মস্থল গিরিডিতে ব্যক্তিগত ব্যবহৃত সিন্দুকটি ১৯৩৭ সাল...
08/01/2026

৮৯ বছরেও খোলা হল না সিন্দুকটি

বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুর শেষ কর্মস্থল গিরিডিতে ব্যক্তিগত ব্যবহৃত সিন্দুকটি ১৯৩৭ সালে তাঁর মৃত্যুর পর হতে ওখানেই জগদীশ চন্দ্র বসু সংগ্রহশালায় বন্ধ অবস্থায় পরে আছে। তিন ফুট লম্বা, দুই ফুট চওড়া, দেড় ফুট প্রস্থের এ সিন্দুকটি খুললে বেরিয়ে আসতে পারে কোন অমুল্য সম্পদ বা কোন সমৃদ্ধ বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র। স্থানীয় জেলা প্রশাসনের মন্তব্য, এতোদিনে কোন মুল্যবান কাগজপত্র থাকলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে, সিন্দুকটি কে খুলবেন- এ নিয়েও দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল, শেষ পর্যন্ত ঠিক হল, ২০০২ সালে আরেক বিজ্ঞানী রাষ্ট্রপতি এ পি জে আব্দুল কালাম রাঁচিতে অনুষ্ঠান করে যাবেন গিরিডিতে জগদীশের সিন্দুকটি খোলার জন্য, ভাগ্য খারাপ, হেলিকপ্টারে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়লে তিনি আর গিরিডিতে যেতে পারেন নি। সেই থেকে সিন্দুক খোলার বিষয়টি ঝুলে আছে। ঐ সংগ্রহশালার দায়িত্বে রয়েছেন সুপারিন্টেন্ডেন্ট অব এডুকেশন জনাব মেহবুব।

(১০ এপ্রিল ২০১৯ তারিখের লেখা কপি)

একটি ঘাট পিলার চুরি হয়ে গেছে অপরটি কাটা শেষ করতে পারে নি।এটি বালাসুরের যদুনাথ রায়ের বাড়ির পুকুরের চার ঘাটলার পশ্চিম পাশে...
26/12/2025

একটি ঘাট পিলার চুরি হয়ে গেছে অপরটি কাটা শেষ করতে পারে নি।

এটি বালাসুরের যদুনাথ রায়ের বাড়ির পুকুরের চার ঘাটলার পশ্চিম পাশের ঘাটলা। ষাটের দশকে এঘাটে দন্ডায়মান ২টি ঘাট পিলার আমিই দেখেছি। যদুনাথ রায়কে ১৯৬৫ সালে পাকভারত যুদ্ধের পর পাক সরকার শত্রু হিসেবে ঘোষণা করে তাঁকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। কিছুদিন পাকসেনারা এখানে অবস্থান করে চলে গেলে বাড়িটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পড়ে থাকে। সে সময়ে বাড়ির ব্যবহার্য্য জিনিসপত্র, আসবাবপত্র পুস্তকাদি ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট হয়ে যায়। থিয়েটার ঘরের বেলকনির পাটাতনের কাঠগুলো খুলে নিয়ে যায়। পুকুরের মাছ যে যেভাবে পেরেছে ধরে নিয়ে গেছে। দেয়ালের অনেক ইট খুলে নিয়ে গেছে। ফুলের বাগান উধাও হয়ে গেছে, দামী অনেক গাছ কেটে নিয়ে গেছে। ছবির একটি পিলার স্বাক্ষ্য দিচ্ছে এটিও নেয়ার চেষ্টা ছিলো, অপরটি নিয়ে গেছে। এটা যখন এতিমখানায় রুপান্তরিত হলো তখন হতে লুটতরাজ থেমেছে।

যদুনাথ রায়ের বাড়ি বালাসুর, শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ
25/12/2025

যদুনাথ রায়ের বাড়ি
বালাসুর, শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ

যদুবাবুর বাড়ির থিয়েটার মঞ্চএবার বিজয় দিবস ২০২৫ এ দেখলাম থিয়েটার ঘরটির চেহারা পালটে গেছে। ঘরের ভেতবে শাড়ি শুকানো হচ্ছে। ব...
18/12/2025

যদুবাবুর বাড়ির থিয়েটার মঞ্চ

এবার বিজয় দিবস ২০২৫ এ দেখলাম থিয়েটার ঘরটির চেহারা পালটে গেছে। ঘরের ভেতবে শাড়ি শুকানো হচ্ছে। বাউন্ডারি ওয়াল হয়েছে। গেইট তালা মারা, ভেতরে ঢুকার ব্যবস্থা নেই। ১৯৬৪ সালে এ ঘরে যাত্রা দেখেছিলাম।

থিয়েটার মঞ্চভাগ্যকূলের রায় পরিবারের জমিদারদের বাসভবনসহ অনেক স্থাপনা কীর্তিনাশা পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। একটি হিস্যার জমিদা...
18/12/2025

থিয়েটার মঞ্চ

ভাগ্যকূলের রায় পরিবারের জমিদারদের বাসভবনসহ অনেক স্থাপনা কীর্তিনাশা পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। একটি হিস্যার জমিদার সীতানাথ রায়ের দুইপুত্র যথাক্রমে যদুনাথ রায় ও প্রিয়নাথ রায় চল্লিশের দশকে ভাগ্যকূলের উত্তরে বালাসুরে আড়িয়ল বিলের ভেতরে বিশাল বাড়ি ও সুরম্য অট্টালিকা নির্মাণ করেন। তারা বাড়ির আঙিনায় প্রতিবছর মেলা বসাতেন। ছবির টিনের উপড়ে কাঠের বেলকনি সম্বিলিত এ ঘরে থিয়েটার প্রদর্শনী হতো। বৃষ্টি হলে এ ঘরে যাত্রা মঞ্চস্থ হতো। আমিও ১৯৬৪ সালে এ ঘরের বেলকনিতে বসে যাত্রা দেখেছি। যদুনাথ রায় ১৯৬৫ সালে এ বাড়ি ত্যাগ করার পর অনেকটা অরক্ষিত হয়ে পড়ে। ১৯৭১ সালে ঘরের কিছু বেড়া ও বেলকনির কাঠগুলো চুরি হয়ে যায়। অগ্রসর বিক্রমপুর নামে একটি সংস্থা এ বাড়িতে যাদুঘর ও রেস্টহাউজ বানিয়ে দেখাশুনা করছে।

৩১ মে ২০২১ এ আমার লেখা থেকে কপি

যদুনাথ রায়ের বাড়ি, ২০২৫ সাল
15/12/2025

যদুনাথ রায়ের বাড়ি, ২০২৫ সাল

মীরকাশিমের গোপন সেনা–সংস্কার: বাংলা ইতিহাসের অজানা অধ্যায়।নবাব হয়ে মীরজাফর সিংহাসনে বসার পর সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভ তাঁকে...
29/11/2025

মীরকাশিমের গোপন সেনা–সংস্কার: বাংলা ইতিহাসের অজানা অধ্যায়।

নবাব হয়ে মীরজাফর সিংহাসনে বসার পর সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভ তাঁকে সদলবলে নিমন্ত্রণ করে ইউরোপীয় সমরকৌশলের একটি বিশেষ প্রদর্শন করেন। দ্রুত গতির মার্চ, নিখুঁত অস্ত্র চালনা, শৃঙ্খলাবদ্ধ রণপদ্ধতি—এসব প্রত্যক্ষ করে মীরজাফর বিস্মিত হয়ে জামাতা মীরকাশিমকে বলেন, “ইউরোপীয় সমরকৌশল অনুকরণযোগ্য।”
এই কথাটি মীরকাশিমের মনে গভীর দাগ কাটে।

সময় ও সুযোগ পেয়ে তিনি পুরোদমে সৈন্যসংগঠন ও অস্ত্রউৎপাদনের কাজে মনোনিবেশ করেন। পুরাতন কেল্লাগুলো পুনর্নির্মাণের পাশাপাশি দেশীয় দক্ষ কারিগরদের সাহায্যে গুলি, গোলা, বারুদ, কামান ও বন্দুক তৈরি শুরু করেন। ইউরোপীয় ধাঁচে সৈন্যদের শিক্ষা-প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন এবং এক শক্তিশালী, শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনী গঠনের দিকে অগ্রসর হন।

অস্ত্রশস্ত্র নির্মাণের জন্য পৃথক যন্ত্রশালা (ওয়ার্কশপ) স্থাপন করা হয়। বন্দুকের নাল তাপসহ করার জন্য উৎকৃষ্ট লোহার প্রয়োজন ছিল—রাজমহলের চকমকি লোহা ও ছোটনাগপুরের উৎকৃষ্ট লৌহ সেই চাহিদা পূরণ করে দ্রুতই খ্যাতি লাভ করে।
পরবর্তীতে ইংরেজরা এই বন্দুক পরীক্ষা করে দেখে—ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বন্দুকের চেয়েও মীরকাশিমের বন্দুক মানে উৎকৃষ্ট।

কামান তৈরিতে মীরকাশিম নতুনত্ব দেখান—পিত্তল গলিয়ে ঢালাই করে কামান নির্মাণ শুরু হয়, যা বাংলার সামরিক প্রযুক্তিতে এক উল্লেখযোগ্য কীর্তি।

ইংরেজদের চোখ এড়িয়ে বিভিন্ন স্বাধীন ইউরোপীয় বণিক—বিশেষত খোজা পিদ্রু—মীরকাশিমকে গোপনে উৎকৃষ্ট মানের বন্দুক, কামান ও গোলাবারুদ সংগ্রহ করে দেন। পিদ্রুর ভাই গ্রেগরী নবাবের প্রধান সেনাপতি হন এবং ইতিহাসে গরগিন খাঁ নামে পরিচিত। তাদের মাধ্যমে বহু আরমানী (Armenian) সৈনিক মীরকাশিমের বাহিনীতে যোগ দেন, যা বাহিনীর দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বাড়ায়।

নবাবের উল্লেখযোগ্য ইউরোপীয় সেনাপতিদের মধ্যে মার্কার ও সামরু (ওয়াল্টার রেনল্ড) উল্লেখযোগ্য। সাধারণ সৈনিকদের প্রশিক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয় মহম্মদ তকী খাঁকে। তাঁর অধীনে সেনাদের চারটি পদে ভাগ করা হয়—
কমান্ডার, সুবেদার, জমাদার ও হাবিলদার।

সেনার পলায়ন রোধে একটি কঠোর পদ্ধতি চালু হয়—প্রতি দশজন সৈন্যের পেছনে একজন করে সশস্ত্র সিপাহী রাখা হতো। যুদ্ধক্ষেত্রে কেউ পলায়নের চেষ্টা করলে সেই সিপাহীর দায়িত্ব ছিল তাকে সঙ্গে সঙ্গে দণ্ডিত করা।

এইভাবেই মীরকাশিম স্বল্প সময়ের মধ্যে বাংলার জন্য একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন, যা তাঁর সময়ে বাংলার সর্বোচ্চ সামরিক পুনর্গঠনের নিদর্শন হয়ে ওঠে।

©Manas Bangla

#মীরকাশিম #বাংলারইতিহাস #আরমানী_বণিক #গরগিনখাঁ #মানসবাংলা

ভূমিকম্পে বদলে গিয়েছিল গঙ্গার গতিপথ: মিলল আড়াই হাজার বছরের পুরনো প্রমাণ'নেচার কমিউনিকেশনস' জার্নালে প্রকাশিত একটি যুগান...
22/11/2025

ভূমিকম্পে বদলে গিয়েছিল গঙ্গার গতিপথ: মিলল আড়াই হাজার বছরের পুরনো প্রমাণ

'নেচার কমিউনিকেশনস' জার্নালে প্রকাশিত একটি যুগান্তকারী গবেষণা অনুসারে, প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের কারণে বিশ্বের বৃহত্তম অববাহিকা, গঙ্গা নদীর গতিপথ নাটকীয়ভাবে বদলে গিয়েছিল। গবেষকরা ঢাকার রাস্তার পাশে খোঁড়া গর্তে পাওয়া পলিমাটির নমুনায় এই প্রাচীন ঘটনার সুস্পষ্ট প্রমাণ পেয়েছেন।

নেদারল্যান্ডসের ওয়াগেনিঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. এলিজাবেথ চেম্বারলেন এবং তার দল ঢাকা জরিপের সময় একটি অপ্রত্যাশিত আবিষ্কার করেন। ঢাকার রাস্তার পাশে খোঁড়া একটি নতুন গর্তের দেয়ালে তারা 'বালির আগ্নেয়গিরি'র কাঠামো দেখতে পান।

ড. চেম্বারলেন ব্যাখ্যা করেন, ভূমিকম্পের সময় সৃষ্ট তীব্র কম্পনে নদীগর্ভে জমে থাকা হালকা বালির স্তর অতিরিক্ত চাপে কাদার স্তরের নিচ থেকে ঠেলে উপরে উঠে আসে, যা দেখতে আগ্নেয়গিরির উদগীরণের মতো লাগে। এই প্রক্রিয়ায় গাঢ় কাদার সঙ্গে হালকা পলিমাটি মিশে যায়।

নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া ক্লাইমেট স্কুলের ভূ-পদার্থবিদ ড. মাইকেল স্টেকলার-এর মডেলিং অনুযায়ী, বালির আগ্নেয়গিরির বিশাল আকৃতি ইঙ্গিত দেয় যে ওই ভূমিকম্পটি ছিল কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ মাত্রার, যা ১৯০৬ সালের স্যান-ফ্রান্সিসকো ভূমিকম্পের মাত্রার অনুরূপ।

পলিমাটি ফাঁস করল প্রাচীন রহস্য

ভূমিকম্পটি কবে হয়েছিল, তা জানতে গবেষকরা বালির আগ্নেয়গিরির মাটির নমুনায় অপটিক্যাল স্টিমুলেটেড লুমিনিসেন্সস পরীক্ষা করেন। এই পরীক্ষার মাধ্যমে মাটির কণাগুলো সর্বশেষ কখন সূর্যালোকের সংস্পর্শে এসেছিল, তা নির্ণয় করা হয়।

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, এই বালির আগ্নেয়গিরি গঠিত হয়েছিল আড়াই হাজার বছর আগে। একই সময়ে গঠিত একটি বড় নদীর চ্যানেলের পলিমাটির নমুনাও বিজ্ঞানীরা ওই এলাকা থেকে সংগ্রহ করেন। এই দুটি আবিষ্কারের সময়কাল এবং স্থানের ঘনিষ্ঠতা ইঙ্গিত দেয় যে, আড়াই হাজার বছর আগে একটি বড় আকারের ভূমিকম্পের প্রভাবেই গঙ্গা নদীর গতিপথ নাটকীয়ভাবে বদলে যায়।

এই গবেষণাটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ গাঙ্গেয় বদ্বীপে ভবিষ্যতে বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হানলে এখানকার ১৪০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সিসমিক পর্যবেক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং গণসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অববাহিকা হলো গঙ্গা নদীর অববাহিকা। হিমালয় পর্বত থেকে জন্ম নিয়ে ভারতের মাঝ দিয়ে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে গঙ্গা। সেই গঙ্গাই ব্রহ্মপুত্র নদ হয়ে বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। বিশ্বে আমাজন ও কঙ্গো নদীর পর গঙ্গাতেই সবচেয়ে বেশি পানি প্রবাহিত হয়।

news24 21nov 2025.

বিক্রমপুরের নৌ যুদ্ধের জনক রাজা কেদার রায়কেদার রায়ের নাম বিক্রমপুরের ইতিহাসে লিখিত আছে স্বর্ণাক্ষরে। ইতিহাস খ্যাত বারো ভ...
18/11/2025

বিক্রমপুরের নৌ যুদ্ধের জনক রাজা কেদার রায়

কেদার রায়ের নাম বিক্রমপুরের ইতিহাসে লিখিত আছে স্বর্ণাক্ষরে। ইতিহাস খ্যাত বারো ভুঁইয়ার সবাইকে বশিভুত করা গেলেও যশোরের প্রতাপাদিত্য ও বিক্রমপুরের কেদার রায় থেকে যান অপ্রতিহত। আকবর পুত্র সেলিম জাহাঙ্গীর নামে ১৬০৫ খ্রিষ্টাব্দে ক্ষমতারোহন করে সেনাপতি মানসিংহকে প্রেরণ করেন বশ করতে এই দুজনকে। একশত রণতরী সহ সেনাপতি মন্দা রায়কে প্রেরণ করেন মানসিংহ। কেদার রায়ের দুই সেনাপতি মধু রায় ও কার্ভালো কেদার রায়ের কোষা রণতরী নিয়ে মেঘনার বক্ষে মোকাবেলা করে মুঘল নৌবহরের। মুঘল রণতরী মেঘনা বক্ষে নিমজ্জিত হয়ে শোচনীয় পরাজয় ঘটে মুঘলদের। নিহত হন মোগল সেনাপতি মন্দা রায়।

পরপর তিনবার পরাজিত হয় মুঘল বাহিনী।
ক্ষুব্ধ মানসিংহ তারপর নিজেই আসেন এই অঞ্চলে। ১৬০৬ সালে প্রতাপাদিত্যকে পরাস্থ করে বিক্রমপুর এসে শিবির স্থাপন করেন শ্রীপুরের নিকটবর্তী স্থানে। দূত প্রেরণ করে বশ্যতা স্বীকারের জন্য কেদাররায়ের কাছে প্রস্তাব পাঠালে ফিরিয়ে দেওয়া হয় দূতকে। মুঘল বাহিনী অবরোধ করে কেদার রায়ের শ্রীপুর। কেদার রায়ের নৌবহরে তখন ছিল ৫০০ কোষা নৌকা। একটানা নয় দিন যুদ্ধের পর আহত কেদার রায় বন্দী অবস্থায় মানসিংহের নিকট নীত হলে প্রাণ ত্যাগ করেন সেখানে। মেঘনার নদীবক্ষের নৌ যুদ্ধে কেদার রায়ের নৌ বাহিনীর নিকট মুঘল নৌ বহরের পরাজয় ইতিহাসে লিপিবদ্ধ আছে মুঘল ইতিহাসের অংশ হিসাবে।

রাজা কেদার রায়ের নাম বাংলার নৌযুদ্ধের ইতিহাসে এখনো আলোচিত হয়।।

(ছবিটি রূপক হিসেবে প্রকাশিত)

"সংগৃহিত"

মুন্সিগঞ্জের ধলেশ্বরীতে শতবর্ষী স্টিমার ‘পিএস মাহ্সুদ’শুক্রবার ২৪ অক্টোবর ২০২৫ দুপর সাড়ে ১২টায় ধলেশ্বরী নদীতে দেখা যায় শ...
25/10/2025

মুন্সিগঞ্জের ধলেশ্বরীতে শতবর্ষী স্টিমার ‘পিএস মাহ্সুদ’

শুক্রবার ২৪ অক্টোবর ২০২৫ দুপর সাড়ে ১২টায় ধলেশ্বরী নদীতে দেখা যায় শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী প্যাডেল স্টিমার পিএস মাহ্সুদ। ঢাকার সদরঘাট থেকে ছেড়ে আসা স্টিমারটি পৌঁছে মুন্সিগঞ্জে। এই যাত্রা ছিল স্টিমারটির যান্ত্রিক ও নেভিগেশন সক্ষমতা যাচাইয়ের পরীক্ষামূলক ভ্রমণ। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিসি) জানিয়েছে, আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে পিএস মাহ্সুদ নিয়মিত যাত্রীবাহী সার্ভিসে যুক্ত হবে। এটি প্রতি শুক্রবার ঢাকা থেকে বরিশাল এবং শনিবার বরিশাল থেকে ঢাকা রুটে চলাচল করবে।

Address

Balausr Notun Bazar
Rarikhal

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 16:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিক্রমপুর জাদুঘর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category