বিক্রমপুর জাদুঘর

বিক্রমপুর জাদুঘর Bikrampur Museum and Cultural Center is located in the Munshiganj district of Bangladesh.
(2)

The government of Bangladesh established the foundation of the museum in 20 years through the acquisition of land by Jadunath Babu.

সংরক্ষিত প্রত্নস্থানে প্রকাশ্য দিবালোকে মাটি কাটা, বিক্রির অভিযোগপ্রতিনিধি, মুন্সীগঞ্জ  প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬ছবি : সংবাদ...
16/08/2026

সংরক্ষিত প্রত্নস্থানে প্রকাশ্য দিবালোকে মাটি কাটা, বিক্রির অভিযোগ
প্রতিনিধি, মুন্সীগঞ্জ
প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬
ছবি : সংবাদ

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার ঐতিহাসিক নাটেশ্বর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে ভেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে মাটি কেটে জমি সমতল করার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে কাটা মাটি বিক্রি এবং ভবিষ্যতে ওই জায়গা প্লট আকারে বিক্রির পাঁয়তারা চলছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। হাজার বছরের প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শনসমৃদ্ধ এই প্রত্নস্থানে প্রকাশ্য দিবালোকে কীভাবে ভেকু দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে–এ প্রশ্ন এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে। তাদের অভিযোগ, সরকারি ও প্রত্নতাত্ত্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এমন কর্মকাণ্ড চললেও কার্যকরভাবে দেখার যেন কেউ নেই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাটেশ্বর এলাকায় প্রায় ছয় একর জায়গাজুড়ে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় দুই একর ২০ শতাংশ জমি প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও গবেষণার কাজে অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের নামে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে খননকাজ বন্ধ থাকায় জায়গাটি অনেকটা অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। এই সুযোগে সালাম শেখ, আমির শেখ ও সেলিম শেখ নামের তিন ভাই গত দুই দিন ধরে ওই এলাকায় ভেকু এনে মাটি কাটা ও জমি সমতল করার কাজ করছেন। এরই মধ্যে কেটে নেওয়া কিছু মাটি বিক্রি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি শুধু মাটি কাটার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। জমি সমতল করে ভবিষ্যতে সেখানে প্লট তৈরি করে বিক্রির পরিকল্পনা থাকতে পারে। তবে প্রশ্ন উঠেছে–প্রত্নতাত্ত্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকায় মাটি কাটা বা জমি সমতল করার অনুমতি কে দিয়েছে? কোনো সরকারি ইজারা, অনুমোদন বা প্রশাসনিক ছাড়পত্র নেওয়া হয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।

সচেতন মহলের মতে, নাটেশ্বরের মাটির নিচে এখনো বহু অজানা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। খনন ও গবেষণার কাজ যেখানে সম্পূর্ণ হয়নি, সেখানে ভারী যন্ত্র দিয়ে মাটি কাটা হলে মাটির নিচে থাকা প্রত্ননিদর্শন, স্থাপত্যের কাঠামো, সাংস্কৃতিক স্তর ও প্রত্নসম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে। প্রত্নস্থানের মাটি সরিয়ে ফেলা মানে শুধু মাটি সরানো নয়–এর সঙ্গে মুছে যেতে পারে হাজার বছরের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ।

নাটেশ্বর শুধু স্থানীয়ভাবে নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান হিসেবে পরিচিত। ২০১৩ সাল থেকে অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন ও চীনা প্রত্নতাত্ত্বিকদের যৌথ উদ্যোগে এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন পরিচালিত হয়ে আসছে। খননে প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দির নগরী, অষ্টকোণাকৃতির স্তূপ, ইটনির্মিত নালা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্যিক নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে।

২০২৫ সালের ১৬ মার্চ নাটেশ্বরের আবিষ্কৃত প্রত্নস্থল পরিদর্শন করেন চীনের ন্যাশনাল কালচারাল হেরিটেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (NCHA) প্রশাসক ও সংস্কৃতি ও পর্যটন উপমন্ত্রী লি কুন এবং তাদের চীন থেকে আগত প্রতিনিধিগণ। এ সময় চীনা প্রত্নতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা ছাড়াও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমান এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তন্মধ্যে মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. মাহমুদুর রহমান খোন্দকার, টঙ্গীবাড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ওয়াজেদ ওয়াসীফ।

পরিদর্শনকালে চীনা প্রতিনিধিদল নাটেশ্বরের প্রত্ননিদর্শন দেখে অভিভূত হন এবং এগুলোর সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নাটেশ্বরের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা ও চুক্তির মাধ্যমে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন সমঝোতা, ঘোষণা ও দলিল স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীর নাটেশ্বর প্রত্নতাত্ত্বিক খনন প্রকল্পের সংরক্ষণ ও প্রত্নতাত্ত্বিক সাইট পার্ক নির্মাণসংক্রান্ত বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

পরিকল্পনা অনুযায়ী নাটেশ্বর প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকাকে আন্তর্জাতিক মানের প্রত্নতাত্ত্বিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমন একটি আন্তর্জাতিক গুরুত্বসম্পন্ন প্রত্নস্থানে অবাধে মাটি কাটা হলে তা শুধু স্থানীয় সম্পদের ক্ষতি নয়, বাংলাদেশের প্রত্নঐতিহ্যের জন্যও বড় হুমকি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, নাটেশ্বরের প্রত্নতাত্ত্বিক খনন প্রকল্প এলাকাকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে সেখানে সাইনবোর্ডও স্থাপন করা হয়েছে। এরপরও কীভাবে সেখানে ভেকু ঢুকিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে–এ প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, সংরক্ষিত প্রত্নস্থানের সীমানা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের দখল, মাটি কাটা কিংবা অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

অভিযোগের বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাউল করিম বলেন, এ বিষয়ে টঙ্গিবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তার বদলির আদেশ হয়ে যাওয়ায় হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। রবিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত সালাম শেখ, আমির শেখ ও সেলিম শেখের বক্তব্য জানতে তাদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন ধরেননি।

নাটেশ্বরের মাটির নিচে থাকা প্রত্নসম্পদ বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস ও সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ দলিল। প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজের মাধ্যমে যেসব নিদর্শন ইতোমধ্যে আবিষ্কৃত হয়েছে, তার বাইরেও মাটির নিচে আরও বহু অমূল্য তথ্য ও নিদর্শন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

তাই স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে ভেকু দিয়ে মাটি কাটা বন্ধ করতে হবে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে এবং প্রত্নস্থানের পুরো জমি সীমানা নির্ধারণ করে কঠোর নিরাপত্তার আওতায় আনতে হবে।

প্রশ্ন একটাই–যে নাটেশ্বরের প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণে বাংলাদেশ ও চীন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্যোগ নিয়েছে, সেই নাটেশ্বরের মাটিই যদি প্রকাশ্য দিবালোকে কেটে বিক্রি করা হয়, তাহলে হাজার বছরের এই ইতিহাস-ঐতিহ্য রক্ষার দায়িত্ব নেবে কে?

বাংলাদেশের শুরুর দিকের রেলওয়ের কাঠবডির বগি। এখনো আছে লালমনিরহাট রেলস্টেশনে পরিত্যাক্ত অবস্থায়।
14/08/2026

বাংলাদেশের শুরুর দিকের রেলওয়ের কাঠবডির বগি। এখনো আছে লালমনিরহাট রেলস্টেশনে পরিত্যাক্ত অবস্থায়।

পোস্টঅফিসের রানারদের পোশাকের বেল্ট
14/08/2026

পোস্টঅফিসের রানারদের পোশাকের বেল্ট

শ্যামসিদ্ধির মঠ- বিক্রমপুরের সবচে উঁচু পুরাকীর্তিশ্রীনগর থেকে ১ কিমি পশ্চিমে শ্যামসিদ্ধি গ্রামে এ মঠটির অবস্থান, আরো ৪ ক...
04/08/2026

শ্যামসিদ্ধির মঠ- বিক্রমপুরের সবচে উঁচু পুরাকীর্তি

শ্রীনগর থেকে ১ কিমি পশ্চিমে শ্যামসিদ্ধি গ্রামে এ মঠটির অবস্থান, আরো ৪ কিমি পশ্চিমে মাইজপাড়ার মঠসহ এ দুটি মঠ অনাদিকাল থেকে মাথা উঁচু করে বিক্রমপুরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে শিরে ধারণ করে আছে। ঢাকা থেকে লঞ্চ বা নৌকায় গ্রামে আসার পথে আলমপুর পাড়ি দিলেই সবার আগে এ মঠ দুটি দেখামাত্র 'এই বুঝি বাড়ি এসে গেলাম ভেবে' মন প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠত। শম্ভুনাথ মজুমদার স্বপ্নে আদিষ্ট হয়ে তাঁর পিতার চিতাস্থলে ১৮০ বছর পূর্বে বাংলা ১২৪৩ সন ও ইংরেজি ১৮৩৬ সালে শ্যামসিদ্ধিতে "শম্ভুনাথের ব্যাসার্ধ মঠ" নামে এ মঠটি নির্মাণ করেন। মঠের চূড়ায় গতানুগতিক কলসের বদলে নক্সাকরা একটি ত্রিশূল আছে। কলস থাকলে কিছু পাওয়ার লোভে এতদিনে চোরের দল চূড়া ভেঙে কলস নামাবার চেষ্টা করত, কারণ কলস সম্বলিত মাইজপাড়া এবং কয়কির্তন মঠের চূড়া এখন আর নেই। মঠের সঠিক উচ্চতা নিয়ে মতভেদ আছে, ২২০ হতে ২৪১ ফুট হবে বলে অনেকে ধারনা প্রসুত তথ্য দিয়েছেন, পাশের গাছের উচ্চতা মেপে দূর থেকে অনুমিত হয়েছে উচ্চতা ১৮০ থেকে ২০০ ফুট হতে পারে, তবে মাইজপাড়ার মঠের চেয়ে এটির উচ্চতা কমপক্ষে ২০/২৫ ফুট বেশি হবে। মঠের গঠনশৈলী অষ্টভুজাকৃতির, ভিত্তিপ্রস্তরের দৈর্ঘ্য ২১ ফুট, ইট সুরকি দিয়ে তৈরি মঠের গায়ে নানা রকমের কারুকাজ আছে। পাখি বসার জন্য চারদিকে ছিদ্রপথ বা খোপ আছে, আগে প্রচুর টিয়া ও জালালী কবুতর বাস করতো, এখন আর তেমন পাখি দেখা যায় না। মঠের ভেতরে রক্ষিত ৩ ফুট উচ্চতার কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গটি ১৯৯৫ সালে চুরি হয়ে যায়, নক্সাকরা দরজা জানালা অনেক আগেই চুরি হয়ে গেছে। ২০১৪ সালে সরকারী অনুদানে মঠের নিচের অংশে সাদা ও লাল রঙ এর টাইলস লাগানোসহ একটি ছোট আকারের শিবলিঙ্গ স্থাপন করা হয়েছে। বাহারী সাদা ও লাল রঙ এর বদলে মঠের গাত্রের সাথে মিলিয়ে একই রঙের টাইলস লাগালে মঠের ঐতিহ্য ও জৌলুস সমুন্নত থাকত।

রায় বাহাদুর সীতানাথ রায়ের ভাস্কর্যভাগ্যকুলের শেষ জমিদার যদুনাথ রায়ের পিতা রায় বাহাদুর সীতানাথ রায়ের ভাস্কর্য, ১৯৬৭ সাল প...
13/07/2026

রায় বাহাদুর সীতানাথ রায়ের ভাস্কর্য

ভাগ্যকুলের শেষ জমিদার যদুনাথ রায়ের পিতা রায় বাহাদুর সীতানাথ রায়ের ভাস্কর্য, ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত ভাস্কর্যটি এভাবেই সংরক্ষণ করা ছিলো উত্তর ধারের পুকুর ঘাটলা সংলগ্ন লাইব্রেরীর সম্মূখে। যদুনাথ রায় বিকেল হলেই ইজি চেয়ারে এখানেই বসে থাকতেন। ছবিটি ঝকঝকে করে দিয়েছেন জনাব ঢালী মোঃ নাসির ভাই।

ভাগ্যকুল বালাসুরের শেষ জমিদার যদুনাথ রায় কলকাতার শোভাবাজারের বাড়িতে যে গাড়ি ব্যবহার করতেন।
03/07/2026

ভাগ্যকুল বালাসুরের শেষ জমিদার যদুনাথ রায় কলকাতার শোভাবাজারের বাড়িতে যে গাড়ি ব্যবহার করতেন।

৮৯ বছরেও খোলা হল না সিন্দুকটিবিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুর শেষ কর্মস্থল গিরিডিতে ব্যক্তিগত ব্যবহৃত সিন্দুকটি ১৯৩৭ সাল...
08/01/2026

৮৯ বছরেও খোলা হল না সিন্দুকটি

বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুর শেষ কর্মস্থল গিরিডিতে ব্যক্তিগত ব্যবহৃত সিন্দুকটি ১৯৩৭ সালে তাঁর মৃত্যুর পর হতে ওখানেই জগদীশ চন্দ্র বসু সংগ্রহশালায় বন্ধ অবস্থায় পরে আছে। তিন ফুট লম্বা, দুই ফুট চওড়া, দেড় ফুট প্রস্থের এ সিন্দুকটি খুললে বেরিয়ে আসতে পারে কোন অমুল্য সম্পদ বা কোন সমৃদ্ধ বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র। স্থানীয় জেলা প্রশাসনের মন্তব্য, এতোদিনে কোন মুল্যবান কাগজপত্র থাকলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে, সিন্দুকটি কে খুলবেন- এ নিয়েও দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল, শেষ পর্যন্ত ঠিক হল, ২০০২ সালে আরেক বিজ্ঞানী রাষ্ট্রপতি এ পি জে আব্দুল কালাম রাঁচিতে অনুষ্ঠান করে যাবেন গিরিডিতে জগদীশের সিন্দুকটি খোলার জন্য, ভাগ্য খারাপ, হেলিকপ্টারে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়লে তিনি আর গিরিডিতে যেতে পারেন নি। সেই থেকে সিন্দুক খোলার বিষয়টি ঝুলে আছে। ঐ সংগ্রহশালার দায়িত্বে রয়েছেন সুপারিন্টেন্ডেন্ট অব এডুকেশন জনাব মেহবুব।

(১০ এপ্রিল ২০১৯ তারিখের লেখা কপি)

একটি ঘাট পিলার চুরি হয়ে গেছে অপরটি কাটা শেষ করতে পারে নি।এটি বালাসুরের যদুনাথ রায়ের বাড়ির পুকুরের চার ঘাটলার পশ্চিম পাশে...
26/12/2025

একটি ঘাট পিলার চুরি হয়ে গেছে অপরটি কাটা শেষ করতে পারে নি।

এটি বালাসুরের যদুনাথ রায়ের বাড়ির পুকুরের চার ঘাটলার পশ্চিম পাশের ঘাটলা। ষাটের দশকে এঘাটে দন্ডায়মান ২টি ঘাট পিলার আমিই দেখেছি। যদুনাথ রায়কে ১৯৬৫ সালে পাকভারত যুদ্ধের পর পাক সরকার শত্রু হিসেবে ঘোষণা করে তাঁকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। কিছুদিন পাকসেনারা এখানে অবস্থান করে চলে গেলে বাড়িটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পড়ে থাকে। সে সময়ে বাড়ির ব্যবহার্য্য জিনিসপত্র, আসবাবপত্র পুস্তকাদি ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট হয়ে যায়। থিয়েটার ঘরের বেলকনির পাটাতনের কাঠগুলো খুলে নিয়ে যায়। পুকুরের মাছ যে যেভাবে পেরেছে ধরে নিয়ে গেছে। দেয়ালের অনেক ইট খুলে নিয়ে গেছে। ফুলের বাগান উধাও হয়ে গেছে, দামী অনেক গাছ কেটে নিয়ে গেছে। ছবির একটি পিলার স্বাক্ষ্য দিচ্ছে এটিও নেয়ার চেষ্টা ছিলো, অপরটি নিয়ে গেছে। এটা যখন এতিমখানায় রুপান্তরিত হলো তখন হতে লুটতরাজ থেমেছে।

যদুনাথ রায়ের বাড়ি বালাসুর, শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ
25/12/2025

যদুনাথ রায়ের বাড়ি
বালাসুর, শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ

যদুবাবুর বাড়ির থিয়েটার মঞ্চএবার বিজয় দিবস ২০২৫ এ দেখলাম থিয়েটার ঘরটির চেহারা পালটে গেছে। ঘরের ভেতবে শাড়ি শুকানো হচ্ছে। ব...
18/12/2025

যদুবাবুর বাড়ির থিয়েটার মঞ্চ

এবার বিজয় দিবস ২০২৫ এ দেখলাম থিয়েটার ঘরটির চেহারা পালটে গেছে। ঘরের ভেতবে শাড়ি শুকানো হচ্ছে। বাউন্ডারি ওয়াল হয়েছে। গেইট তালা মারা, ভেতরে ঢুকার ব্যবস্থা নেই। ১৯৬৪ সালে এ ঘরে যাত্রা দেখেছিলাম।

Address

Balausr Notun Bazar
Rarikhal

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 16:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিক্রমপুর জাদুঘর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category