কাজল লতা

কাজল লতা #...আমি অতি shadharon...onindo কিছু নয়......তোমার দেখা?

28/07/2026
এর চেয়ে আমার জীবনে বেসি দুঃখ আর নাই।
04/07/2026

এর চেয়ে আমার জীবনে বেসি দুঃখ আর নাই।

গল্পঃ মায়ার_সংসারলেখিকাঃ মিশুপর্বঃ (২ও শেষ )​বাবার মুখে ওই কথাগুলো শুনে আমি যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেলাম। শাশুড়ী মা কিছ...
02/07/2026

গল্পঃ মায়ার_সংসার
লেখিকাঃ মিশু
পর্বঃ (২ও শেষ )
​বাবার মুখে ওই কথাগুলো শুনে আমি যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেলাম। শাশুড়ী মা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে আমতা আমতা করে বললেন, "এসব কি বলছেন বেয়াই? বিয়ে কি খেলা নাকি যে হুটহাট করে সব শেষ করে দেবেন?"
​বাবা শান্ত অথচ গম্ভীর কণ্ঠে উত্তর দিলেন, "বিয়ে অবশ্যই খেলা নয়, কিন্তু সেটা কোনো জেলখানাও নয়। আমার মেয়েকে আমি মানুষের মতো বড় করেছি, দাসী হওয়ার জন্য নয়। আরহামের ওপর আমার অনেক ভরসা ছিল, কিন্তু যে ছেলে স্ত্রীর আত্মসম্মানের চেয়ে মায়ের অন্যায় আবদারকে বড় করে দেখে, সে কখনো একজন ভালো জীবনসঙ্গী হতে পারে না।"
আমি এই ফাকে ব্যাগ গুছিয়ে বাইরে আসলাম। ​ঠিক তখনই আরহামের কল ভেসে উঠলো আমার ফোনে। সম্ভবত বাড়ি থেকে কেউ ফোন করে তাকে সবটা জানিয়েছে। আমি ফোন রিসিভ করতেই বাড়ির গেটে আমাকে বাবার সাথে ব্যাগ হাতে দেখে সে থমকে যায়।
​আরহামের চোখেমুখে তখন এক অদ্ভুত অস্থিরতা। সে দ্রুত গতিতে বলে, "রিয়া, এসব কী করছ? মা যা বলেছে একটু মানিয়ে নিলেই তো হতো! তুমি কি বুঝছ না এতে আমাদের মানসম্মান সব ধুলোয় মিশে যাবে?"
​আমি সোজা আরহামের চোখের দিকে তাকালাম। আমার কণ্ঠ তখন অনেক বেশি স্থির, "মানসম্মান তো তখনই ধুলোয় মিশে গিয়েছিল আরহাম, যখন তুমি আমাকে একটা ঘরের অধিকারের জন্য লড়াই করতে দেখেও পাশ কাটিয়ে গিয়েছিলে। তুমি তোমার নিজের প্রাইভেসি চেয়েছ সবসময় আমার থেকে, আর আমার বেলাতেই তোমার সব নিয়ম বদলে গেল? আমি কোনো অবাস্তব আবদার করিনি, আমি চেয়েছিলাম আমার প্রয়োজনীয় অধিকারটুকু। কিন্তু তুমি সেখানে দাঁড়িয়ে আমাদের সম্পর্কের চেয়ে তোমার মায়ের অন্যায়কে বড় করে দেখালে।"
​আরহাম কিছু বলার আগেই বাবা আমার হাত ধরে গেটের দিকে নিয়ে চললেন। মেজো ভাবী দূর থেকে করুণ চোখে তাকিয়ে রইলেন, সম্ভবত আমার এই বেরিয়ে আসাটা তাকে নিজের অসহায়ত্বের কথা আরও একবার মনে করিয়ে দিল।
​গাড়িতে ওঠার আগে আমি একবার পেছন ফিরে তাকালাম। সেই বাড়িটা, যেটাকে এতদিন 'আমার সংসার' ভাবার স্বপ্ন দেখেছিলাম, তা এখন বড় অচেনা মনে হচ্ছে।
​বাড়ি ফেরার পথে বাবা আমাকে আগলে ধরে বললেন, "ভুল মানুষের সাথে জীবন কাটানোর চেয়ে একা থাকা অনেক সম্মানের। তুই ভেঙে পড়িস না মা, তোর জীবনের নতুন শুরু আজ থেকেই।"
​এক মাস পর।
নিজের পুরোনো রুমে বসে জানালার বাইরের আকাশটা দেখছি। বাবার প্রশ্রয়ে এবং নিজের ইচ্ছাশক্তিতে আমি আবার নতুন করে পড়াশোনা শুরু করেছি। আরহামের কাছ থেকে ডিভোর্সের নোটিশ পাঠাতে আমার দেরি হয়নি। সে অনেকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছে, ক্ষমা চেয়ে দীর্ঘ মেসেজ পাঠিয়েছে, কিন্তু আমি আর ফিরে যাইনি।
​মেজো ভাবীর সাথে মাঝে মাঝে কথা হয়। তিনি জানান, আমার চলে যাওয়ার পর ওই বাড়িতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। আমি যে সাহসটুকু দেখিয়েছিলাম, তা দেখে মেজো ভাবীও এখন তার অধিকারের কথা বলতে শিখেছেন।
এরপর প্রায় একবছর পর।আমি বাইরে বারান্দায় দাড়িয়ে ছিলাম৷। এরমধ্যো আরহামের সাথে আর যোগাযোগ করিনি।কিন্তুু মন থেকে ওকে ভুলতেও পারিনি হঠাৎ মনেহলো রাস্তায় আরহাম দাড়িয়ে। ও কিভাবে আসবে বলে মনের ভুল ভেবে আনমনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ ভুতের মতো সামনে দাড়ায় আরহাম। ওকে হঠাৎ দেখে আমি কি বলবো বুঝে উঠতে পারি না। ওকে আমার কপালে একটা চুমু দিয়ে বলে, একবার ভুল করে হাত ছেয়ে দিয়েছিলাম এইবার আর ছাড়ছি না। আমি কিছু বলতে গেলে ঠোঁটে হাত রেখে বলে, তোমাকে কিছু বলতে হবে না। যা বলার এবার আমি বলবো। বাড়ির ভেতরে বাবা আছেন?
আমি মাথা নাড়িয়ে হ্যা বললাম। আরহাম মুচকি হেসে বাড়ির ভেতরে চলে গেলো। আমি সেই দিকে চেয়ে
বুঝতে পারলাম, 'মায়ার সংসার' শুধু চার দেয়ালের ভেতর থাকে না। যেখানে ভালোবাসা নেই, সম্মান নেই, সেখানে মায়া নামক শিকল দিয়ে আটকে থাকাটাই হলো সবচেয়ে বড় অভিশাপ।৷ আমি এখন মুক্ত, আমি এখন সুখী। আমার জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে আমিই আমার প্রধান চরিত্র, আর আমি সেই চরিত্রে অভিনয় করতে পেরে ভীষণ গর্বিত।
​— সমাপ্ত —

হাসবেন্ড বিদেশ যাওয়ার ২য় দিনের মাথায় আমার শাশুড়ি মা আমাকে বললেন, ছোট বউ তোমার জিনিসপত্র সব গুছিয়ে মেজো বউয়ের ঘরে যাও।এখন...
02/07/2026

হাসবেন্ড বিদেশ যাওয়ার ২য় দিনের মাথায় আমার শাশুড়ি মা আমাকে বললেন, ছোট বউ তোমার জিনিসপত্র সব গুছিয়ে মেজো বউয়ের ঘরে যাও
।এখন থেকে তোমরা ২ জন এক রুমে থাকবো।বড় খোকা সামনে সপ্তাহে আসবে তখন বড় বৌমা আর বড় খোকা ওরা এই রুমে থাকবে।
ওনার কথাটা শুনে আমি অবাক হলাম।বিয়ের পর থেকে তিনমাস এই ঘরেই ছিলাম আর হাজবেন্ডের যাওয়া দুইদিন না হইতেই ঘর ছেড়ে দিতে হবে তাও না হয় দিলাম কিন্তুু দুইজনকে একরুম শেয়ার করতে হবে?
কথাগুলো ভেবে আমি শাশুড়ী মা কে কিছু বলতে যাবো তার আগেই মেজো ভাবী আমাকে চোখের ইশারায় চুপ করতে বললো। আমি আর কিছু বললাম না। একটুপর মেজোভাবী ওনার ঘরে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললেন, কি করছিলে ছোটবউ? জানো না এইবাড়িতে কেউ মা - বাবার মুখের উপর কথা বলেন না। তারা যা বলে তাই হয়। কিছু বল্লে উল্টা তোমার পরিবারকে ডেকে আরো কথা শুনাবেন। প্রথম প্রথম আমিও ওনাদের এইসব অন্যায় আবদার মেনে নিতে না পেরে তর্ক করতাম তার পরিণতি হিসেবে তারা আমার পরিবারকে ডেকে আমার নামে নানারকম অভিযোগ দিয়ে অপমান করতো। তোমার ভাইয়া ও কোনোদিন কিছু বলতো না। এইসবকিছু সহ্য করতে করতে একসময় মা -বাবার সম্মানের কথা ভেবে আমি চুপ করে গেলাম। তারপর থেকে আর কিছু বলি না। তুমিও অযথা ওদের সাথে মুখ লাগিয়ে ঝগড়া, অশান্তি করো না।
আমি বললাম, ভাবী আমি তো খারাপ কিছু বলছি না। বিয়ের পর মেয়েদের একটা পার্সোনাল ঘর তো অন্তত দরকার৷ আপনি চিন্তা করবেন না আমি ঝগড়া করবো না দেখি আজকে বিষয়টা আপনার দেবরকে বলে কি বলে?
মেজো ভাবী বললেন, আচ্ছা যা করবে ভেবে চিন্তে করো।
রাতে আমার স্বামী আরহামের সাথে ফোনে কথা বলতে বলতে বললাম, আরহাম মা এই ঘরটা ছেড়ে দিতে বলছে আমাকে। তারপর মেজো ভাবীর সাথে থাকতে বলছে।
আরহাম বললো, ওহ৷
আমি বললাম, ওহ মানে? তুমি কিছু বলবে না?
আরহাম বললো, কি বলবো? মা যখন বলছে তখন শুনো।
আমি বললাম, মানে? শুনবো মানে? প্রত্যেকটা মানুষের প্রাইভেসি আছে। এইসব কি উদ্ভট নিয়ম। এই ঘর না হয় থাকতে না দিলো আরো দুটো রুম ফাকা পরে আছে সেখানে নাহয় থাকি। দুইজনকে একরুমে কেন থাকতে হবে? তার উপর তুমি জানো আমি এইভাবে কখনো থাকি নি। একটু বড় হওয়ার পর থেকে আলাদা রুমে থেকেছি৷ আমি পারবো না শেয়ার করে থাকতে৷
আরহাম বললো, শশুরবাড়িতে আসলে একটু মানিয়ে নিতে হয় রিয়া। আর তুমি যখন থাকতে পারবে না আমি মাকে বলছি তোমাকে একটা ব্যাবস্থা করে দিবে।
কথাটা বলেই আরহাম ফোন কেটে দেয়। ফোন কেটে যেতেই আমার বুকটা কেমন ভারী হয়ে আসে। ইচ্ছে করে চিৎকার করে কাঁদতে। কিছুদিন আগেই যেই মানুষটা বলেছিল আমার সব বিপদে পাশে থাকবে যেকোনো সমস্যায় তাকে জানাতে।আর এখন এই একটা কথা বলতেই তার রূপ পরিবর্তন।
সেই রাতে আর আরহাম ফোন দিলো না। পরেদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে রান্না ঘরে যেতেই দেখি শাশুড়ী মা মুখটা বাংলার পাঁচের মতো বানিয়ে আছে কোনো কথা বলছে না। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, কি করে দিতে হবে আম্মা। সে আমাকে কিছু না বলে হাতে থাকা পাতিল মেঝেতে সজোরে আঁচড়ে ফেলে। তারপর চিৎকার করে বলে, এই বাড়িতে আজ পর্যন্ত কেউ আমার সিদ্ধান্তের উপর কথা বলেনি আর তুমি মেয়ে বারবার প্রশ্ন তোলো? আমার কথা শুনো না। আমার নামে বিচার আমারি ছেলের কাছে দাও। শোনো মেয়ে এই বাড়িতে থাকতে গেলে এইসব চলবে না।
আমি স্তব্ধ হয়ে বললাম, নিয়ম ভাঙার মাঝেই পরিবর্তন হয় আম্মা। আর আমার মনেহয় না আমি কোনো অন্যায় করেছি। স্বামীর বাড়িতে একটা আলাদা ঘর পাওয়া বউদের অধিকার। তা আপনার এই আজগুবি নিয়মের জন্য কেন সবাই সেক্রিফাইজ করবে। আজ পর্যন্ত না হলেও এখন নিয়ম বদলান। সময় পাল্টেছে। প্লিজ আপনিও পাল্টান।
কথাগুলো বলে গটগট করে হেটে ঘরে চলে গেলাম। বেশকিছুক্ষুন পর বাইরে বাবার গলার আওয়াজ পেলাম। একি বাবা এইসময়? দৌড়ে বাইরে গেলাম। হ্যা আমার বাবাই দাড়িয়ে আছে। শাশুড়ী আমার নামে নানান কথা বলছে। বাবা মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছে। মুহুর্তেই আমার চোখে জল এসে গেলো। শেষমেষ এইভাবে আমার বাড়িতে বাবাকে আসতে হলো? আমি কোনরকম চোখের জল মুছে মাথা নিচু করে বাবার কাছে এগিয়ে গেলাম। শাশুড়ি আমার দিকে তাকিযে বললে, এই বেয়াই আপনার বেয়াদব মেয়ে এসে গেছে। বোঝান শশুরবাড়িতে কিভাবে চলতে হয়?
বাবা একবার আমার দিকে তাকিয়ে চোখ নামিয়ে নিলেন। এটা দেখেই আমার বুকের মধ্যে ঝড় বইতে লাগলো। তখনই বাবা ঠান্ডা গলায় বললেন, রিয়া তোমার জামা-কাপড় গুছিয়ে নিয়ে এসো।
শাশুড়ী মা আশ্চর্য হযে বললেন, কি বলছেন বেয়ান?
বাবা বললেন, আপনি যা শুনলেন। বাবা - মায়ের দ্বায়িত্ব মেয়েকে দেখে শুনে পাত্রস্থ করা। আমিও সেই চেষ্টাই করেছিলাম। কিন্তুু আমি পারিনি সঠিক মানুষের হাতে আমার মেয়েকে তুলে দিতে তার জন্য আমার মেয়ের কাছে আপরাধী। ক্ষমা করে দিস মা আমাকে। তবে আমার ভুলের বোঝা তোকে সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে না। যেই বাড়িতে একটা ঘরে থাকার জন্য বিচার শালিস বসবে সেই বাড়িতে তোকে থাকতে হবে না।
চলবে..........
গল্পঃ মায়ার_সংসার
লেখিকাঃ মিশু
পর্বঃ ১

27/06/2026

সবাই শুধ স্মৃতিরে নিয়া হলুদের পিক আপলোড দিতেছে, বিয়ের, বৌভাতের,,,, এই স্মৃতি টা আসলে কে?? কেউ আমাকে বলবা???

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কাজল লতা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Museum

Send a message to কাজল লতা:

Shortcuts

Share

Category