জ্যাক ডেনভার -এর খেজুরতলা

জ্যাক ডেনভার -এর খেজুরতলা মাটির টান আর প্রকৃতির ছোঁয়ায় ফুরফুরা বাতাসে পাখিদের কোলাহলে এ এক দারুণ প্রেমে লিখি...✍️ ভালো থাকি ভালো রাখি📕

16/02/2026
05/01/2026

উপায় নেই বাঁচবার, নামাজ আদায় করি পাঁচবার🤲🕌🕋

আপনাকে বঞ্চনা দেয়া,অকল্পনীয় কষ্ট দেয়া সেই প্রিয়জনের স্বার্থপরতার মধ্যেই আপনার মুক্তি লেখা আছে।বিশ্বাস হচ্ছে না? শুনুন, ...
21/04/2025

আপনাকে বঞ্চনা দেয়া,অকল্পনীয় কষ্ট দেয়া সেই প্রিয়জনের স্বার্থপরতার মধ্যেই আপনার মুক্তি লেখা আছে।বিশ্বাস হচ্ছে না? শুনুন, তাৎক্ষণিক আবেগ তাড়িত হয়ে বিস্ময়ে হয়তো আপনি দেখতে পান না, কিন্তু গভীর ভাবে সেটা আছে।
সে হচ্ছে আপনার সম্পর্কের দায়মুক্তি!
যা আপনি অনেক অনেক বিরক্ত হবার পরেও কখনো করতে পারতেন না।
সুতরাং মানুষের ক্রমাগত স্বার্থপর আচরণে চুপ থাকলেই নিজের শব্দটা/ লাইন পেয়ে যাবেন।
জানেন তো, মানুষ বাধ্য হয়ে সয়ে যায়, কিন্তু কিচ্ছু ভুলে যায় না, কখনও না……….।

ভোরবেলা খাবার খেয়ে সন্ধ্যাবেলা ভাজাপোড়া খাওয়া মানেই রোজা থাকা নয়! কমবেশি ৯৮% মানুষের রোজা হয় না। তারা জানেই না রোজা কি, ...
02/03/2025

ভোরবেলা খাবার খেয়ে সন্ধ্যাবেলা ভাজাপোড়া খাওয়া মানেই রোজা থাকা নয়! কমবেশি ৯৮% মানুষের রোজা হয় না। তারা জানেই না রোজা কি, কেন আর তার বিধিনিষেধ আমল কি!✍️Consoler. Jack Denver🇺🇸🌎🇧🇩

🚶‍♂️পাগল পাগল খেলছি ভবো, পাগল তবো নয়; কি বলিবো বন্ধু ওগো, সে জ্ঞান যে তোমার নাই।👁️🧠👁️✍️Consoler. Jack Denver🇺🇸🌎🇧🇩 উপায় ন...
11/12/2024

🚶‍♂️পাগল পাগল খেলছি ভবো, পাগল তবো নয়; কি বলিবো বন্ধু ওগো, সে জ্ঞান যে তোমার নাই।👁️🧠👁️✍️Consoler. Jack Denver🇺🇸🌎🇧🇩

উপায় নেই বাঁচবার, নামাজ আদায় করি পাঁচবার।🤲🕌🕋

ভালো থাকি ভালো রাখি Stay well Keep well📕

সুখের চাবি Key of Happiness📗

বই ও পরামর্শ 📲019 666 999 38 (WhatsApp)

নীরবেই যাচ্ছে সয়ে আমার এ জীবন...
28/11/2024

নীরবেই যাচ্ছে সয়ে আমার এ জীবন...

মা যখন দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছিলেন,তখন তিন্নির বয়স চার বছর।তিন্নির নতুন দাদী তাকে মা'র বাসর ঘর থেকে টেনে নিজের ঘরে নিয়ে গিয়...
25/11/2024

মা যখন দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছিলেন,তখন তিন্নির বয়স চার বছর।তিন্নির নতুন দাদী তাকে মা'র বাসর ঘর থেকে টেনে নিজের ঘরে নিয়ে গিয়েছিলেন। তবে বেশিক্ষণ আটকে রাখতে পারেননি। তিন্নি কোনোমতে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে মা'র কাছে চলে গিয়েছিল।

মা'কে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলো,
– “ আমি তোমার কাছে থাকব, মা। তুমি ছাড়া আমার ঘুম আসে না। ”

মা তিন্নির মাথায় হাত বুলিয়ে হেসেছিলেন।বলেছিলেন,
– “ আচ্ছা, তুমি আমার কাছেই থাকো। ”

তিন্নির নতুন বাবা আরাফাত হাসান ঘরে প্রবেশ করেই মা'কে বলেছিলেন,
– “ তিন্নি এখানে কেন? ওঁকে মা'র কাছে পাঠিয়ে দাও। ”

মা বলেছিলেন,
– “ কান্নাকাটি করছে। থাক না আমার কাছে! ”

তিন্নি বলেছিল,
– “ এই লোক, আপনি এখানে কেন?মা'র ঘরে আপনি কেন?বেরিয়ে যান।এ ঘরে আমি আর মা থাকব। ”

সেদিন আরাফাত হাসান মা'র কথা শুনেননি। তিন্নিকে টেনে নিয়ে গিয়েছিলেন।তিন্নি কত কেঁদেছিল।লোকটার গালে গলায় নখের আঁচড় বসিয়েছিল।তা-ও শেষ রক্ষা হয়নি।লোকটা তিন্নিকে একটা অন্ধকার ঘরে বন্দি করে দিয়েছিলো।

নতুন বাবা তিন্নিকে কখনোই দেখতে পারতেন না। সামনে পড়লেই দূর দূর করে তাড়িয়ে দিতেন। তিন্নিও তার সামনে যেত না। তবে সুযোগ পেলেই লুকিয়ে লুকিয়ে মা'র কাছে চলে যেত। মা'কে জড়িয়ে রাখত অনেক্ষণ। মা-ও তিন্নিকে মন ভরে আদর করে দিতেন। অল্প সময়ের আদরে তিন্নির সব দুঃখ শেষ হয়ে যেত।

বছরখানেক বাদেই তিন্নির ছোটো ভাইয়ের জন্ম হয়।তার নাম রাখা হয় আবু হাসান।তার পর থেকে শুরু হয় তিন্নির জীবনের দুর্দশা। মা সব সময় আবু হাসানকে নিয়ে পড়ে থাকতেন।তাকে আদর করতেন।রাতের বেলা তাকে পাশে নিয়ে ঘুমাতেন।অপরদিকে তিন্নিকে দেখা মাত্রই গালাগাল করতেন।দূর দূর করে তাড়িয়ে দিতেন।তিন্নির খুব রাগ হত।হিংসে হত।

একদিন মা তাকে বিনা কারণে মারধর করেছিলেন।তিন্নি রেগে গিয়ে কোলের শিশু আবু হাসানের হাত কামড়ে দিয়েছিল।যার শাস্তি হিসেবে মা তিন্নির হাত মুখ বেঁধে চামড়ার বেল্ট দিয়ে পি'টিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, এ ঘটনার পর টানা চারদিন তাকে খাবার দেওয়া হয়নি।
আঠারো বছর বয়স হতেই তিন্নিকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হলো।বাবা-মা চাইলেই তিন্নিকে ভালো জায়গায় বিয়ে দিতে পারতেন।কিন্তু তারা তা করেননি।তারা চাননি তিন্নির দুঃখ, দুর্দশা কমুক। আর তাই তাকে বিয়ে দিয়েছিলেন রিকশা চালকের কাছে।সেই রিকশা চালক কাউসার মিয়া। চব্বিশ বছর বয়সের রোগা-সোগা একটা ছেলে।ঘরে অসুস্থ মা।ছোটো ছোটো চারটি বোন। কাউসার রিকশা চালিয়ে যা পায়, তা দিয়ে নুন আনতে পান্তা ফুরোয় অবস্থা।তার উপর তিন্নি নতুন সদস্য যুক্ত হলো।

সেই ছোটোবেলা থেকে অযন্ত, অবহেলা আর অত্যাচার সহ্য করে করে তিন্নির গা সওয়া হয়ে গেছে।শরীর ও মন দু'টোই অভ্যস্ত হয়ে গেছে।তাই তিন্নিও সাতপাঁচ ভাবেনি।হয়তো দিনের পর দিন না খেয়ে থাকতে হবে।অসুস্থ শাশুড়ির বকাঝকা শুনতে হবে।রিকশা চালক স্বামীর মার খেতে হবে।

কিন্তু তেমন কিছু হলো না। বিয়ের এক বছর হয়ে গেল, এই এক বছরে কেউ তিন্নিকে তুই করেও বলেনি। তিন্নির শাশুড়ি তাকে নিজের মেয়ের মতোই দেখেন। আর কাউসার। কাউসার তিন্নিকে মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসে। হয়তো দামি কাপড় কিনে দিতে পারে না। হয়তো দামি গাড়ি চড়াতে পারে না। হয়তো ভালো রেস্তোরাঁয় ডিনারে নিয়ে যেতে পারে না। তবে প্রতিদিন ঘরে ফেরার সময় কিছু না কিছু নিয়ে আসে। আজ চকোলেট তো কাল গোলাপ। পরশু নতুন কিছু। সেই নতুন কিছু কী, তা তিন্নি জানে না। সে সারাদিন কাউসারের অপেক্ষায় থাকে। দিনশেষে কাউসার আসে। পেছনে হাত লুকিয়ে রেখে বলে, – “ কউ তো, আজ তোমার জন্য কী আনছি? ”

একদিন রাতে তিন্নি ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে চাঁদ দেখছিল। কাউসার হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে এসে তিন্নির পাশে দাঁড়াল।

তিন্নির চোখ দিয়ে বয়ে যাওয়া জলের ফোঁটা চোখে পড়তেই আঁতকে উঠেছিল,
– “ কাঁনতাছো ক্যান, বউ? কী হইছে তোমার? ”

তিন্নি মুখ তুলে তাকিয়ে বলেছিল,
– “ অট্টালিকায় শুয়ে যা পাইনি, তুমি ভাঙা ঘরে রেখে তার থেকেও বেশি দিয়েছো।সত্যি, ভালোবাসতে টাকা লাগে না।লাগে সুন্দর মন আর উদার মানসিকতা। ”

পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাবান মানুষ হয়েও নেপোলিয়ন বোনাপার্ট তীব্র ভালোবাসার বিনিময়ে ভালোবাসা ফেরত পান নাই। বরং পেয়েছিলেন ...
05/10/2024

পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাবান মানুষ হয়েও নেপোলিয়ন বোনাপার্ট তীব্র ভালোবাসার বিনিময়ে ভালোবাসা ফেরত পান নাই।
বরং পেয়েছিলেন অবহেলা আর নির্লিপ্ত প্রতারণা।
নেপোলিয়ান যে মেয়েরে পৃথিবীর পুরো সম্রাজ্য দিয়ে দিতে চাইসিলো, সেই মেয়ে নেপোলিয়ানের জন্য বড় একটা চিঠিও লেখে নাই।
নেপোলিয়ান এই মেয়ের জন্য বিরাট বিরাট চিঠি লিখতো। এমনকি যুদ্ধের সময় ছবি রেখে দিতো পকেটে। সময়ে অসময়ে চুমু খাইতো সেই ছবিতে।
এতো ক্ষমতাধর একজন মানুষ, অথচ বৌ এর কাছে যাইয়া অসহায়ের মতো বলতো, আরেকটু বড় চিঠি লিখতে, যাতে এতো দ্রুত শেষ হয়ে না যায়।
বাট জোসেফাইন বোনাপার্ট কোনদিনও সেই বড় চিঠি লেখে নাই। অথচ এরে বিয়ে করার জন্য নেপোলিয়ন পরিবারের বিরুদ্ধে গেসে। হ্যান্ডসাম একজন মানুষ হয়ে বয়সে বড়, বিধবা এবং দুই বাচ্চার মারে সে বিয়ে করসিলো, পাগলের মতো ভালোবাসছিলো।
অথচ নেপোলিয়ন মিশরে থাকা অবস্থায় সেই জোসেফাইন নেপোলিয়নের সাথে চিট করে বসে। সেনাপতির সাথে অ্যাফেয়ারে জড়াইয়া পড়ে।
ফারেনহাইট ৪৫১ বইতে একটা লাইন ছিলো এমন, It was a pleasure to burn.
যদিও ভিন্ন কনটেক্সট, তারপরেও এই লাইনটা পড়ার সাথে সাথে ভালোবাসার কথা মাথায় আসতে বাধ্য। এই পৃথিবীতে ভালোবাসার যে বড় আনন্দ কিছু নাই, ভালোবাসার চে কষ্টেরও সম্ভবত কিছু নাই।
ভালোবাসার সবচে বড় ব্লাইন্ড স্পট হলো, আপনি কাকে ভালোবাসবেন বা বাসবেন না, সেইটা আপনার হাতে। কিন্তু আপনাকে কে ভালোবাসবে বা বাসবে না, ঐটা আপনার হাতে থাকবে না।
ভালোবাসাই এই পৃথিবীর এমন এক ব্যবসা, যেখানে আপনার সকল ইমোশনাল ইনভেস্টমেন্ট বিফলে যাবে জাইনাও আপনি ওখানে ঢালতেই থাকবেন, ঢালতেই থাকবেন।
ভালোবাসাই পৃথিবীর একমাত্র খেলা, যে খেলাতে নিশ্চিত হার জাইনাও মাঠ থেকে উঠতে ইচ্ছা করে না। বরং নির্লজ্জের মতো আরেকটু খেইলা যাইতে ইচ্ছা করে।
আফ্রিকান একটা প্রোভার্ব বলতেসে, ভালোবাসা এমন এক অত্যাচারী শাসক, যে শাসকের হাত থেকে কেউ রক্ষা পায় না।
ভালোবাসা নিয়ে এরচে সত্যি কথা আমি আর একটাও শুনি নাই, বিশ্বাস করেন।"

Address

Kushtia
7000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জ্যাক ডেনভার -এর খেজুরতলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Museum

Send a message to জ্যাক ডেনভার -এর খেজুরতলা:

Share

Category

জ্ঞান চর্চার আস্তানা

মুক্ত আবেশে ফুরফুরা বাতাসে সার্বজনীন সবারতরে