বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র

  • Home
  • Bangladesh
  • Faridpur
  • বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র

বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র, History Museum, Faridpur, Dhaka, Faridpur.

দেশীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি চর্চা, তথ্যসমৃদ্ধ দেশ ও জ্ঞানমনস্ক সমাজ গঠনে অদেখা চিত্র ও তথ্য হোক উন্মুক্ত।
ইনস্টাগ্রাম: instagram.com/bdcs.official
ইউটিউব: youtube.com/.official
এক্স/টুইটার: x.com/B_D_C_S

যেকোনো প্রয়োজনে:
[email protected] বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র
(Bangladesher Dushprappo Chobi Somogro - BDCS)

'বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র' একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক ও অবাণিজ্

যিক দেশীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন চর্চাকেন্দ্রিক প্ল্যাটফর্ম, সংগ্রহশালা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। যেটি জন্মলগ্ন থেকেই স্বেচ্ছাশ্রমে দেশব্যাপী বাংলার আবহমান ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতির দুষ্প্রাপ্য দলিলাদি সংগ্রহ, চর্চা, গবেষণা, তথ্যবিকৃতি রোধ, প্রচার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণের পাশাপাশি নানা সমাজসেবা, মানবিক কর্মকাণ্ড ও সেবা প্রদানের মাধ্যমে একটি জ্ঞানমনস্ক সমাজ ও তথ্যসমৃদ্ধ দেশ গঠনে নিরলসভাবে কাজ করছে ।

প্রতিষ্ঠাকাল: ১৬ জুলাই ২০১৬ সাল

প্রতিষ্ঠানের ধরন: অনলাইন ও অফলাইন কেন্দ্রিক

রূপকল্প (Vision): তথ্যসমৃদ্ধ দেশ ও জ্ঞানমনস্ক আলোকিত সমাজ গঠন

অভিলক্ষ্য (Mission): বাংলার আবহমান ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধ ও কৃষ্টিকে ধারণ, লালন, সংরক্ষণ ও বিকাশে বিভিন্ন উপায়ে জ্ঞানচর্চা ও নানাবিষয়ক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রচার, তথ্যবিকৃতি রোধ, সংরক্ষণের মাধ্যমে জাতির মানসিক বিকাশ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সেবামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ ।

তহবিলের উৎস: একটি নাগরিক উদ্যোগ

কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ (Strategic Objectives):
১. দেশীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, শিল্প-সংস্কৃতির দুষ্প্রাপ্য দলিলাদি সংগ্রহ, সংরক্ষণ, গবেষণা ও উন্নয়ন।
২. বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য, ইতিহাস ও চেতনার লালন।
৩. জ্ঞানমনস্ক সমৃদ্ধশীল সমাজ প্রতিষ্ঠায় শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চায় জোরদারকরণ।
৪. সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, নৃতত্ত্ব, মুক্তিযুদ্ধ ও সমকালীন শিল্প সংস্কৃতির নিদর্শন ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ, সুরক্ষা ও উন্নয়ন।
৫. জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে বাংলার প্রচলনে সহায়তা/সহযোগিতা।
৬. বাংলাদেশের আবহমান ঐতিহ্যের অনুসরণে বাংলাদেশে বসবাসকারী সকল শ্রেণি এবং সম্প্রদায়ের জনগণের নিজস্ব সংস্কৃতি, চিন্তা-চেতনা, ধর্ম-বিশ্বাসকে সমুন্নত রাখা।
৭. সর্বাত্মক উপায়ে জাতীয় সংস্কৃতির অবক্ষয় রোধ এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং উন্নয়নের সমন্বয়সাধন।
৮. দেশে বসবাসকারী সকল ক্ষুদ্র ও নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর সঠিক সাংস্কৃতিক উন্নয়ন এবং সকল সম্প্রদায়ের সামাজিক সম্প্রীতি সুসংহত করা।
৯. বিশ্বায়নের সঙ্গে তালমিলিয়ে অন্যান্য সংস্কৃতির ইতিবাচক সুকৃতির সাথে একাত্মতা প্রকাশ এবং সকল প্রকার অপসংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।
১০. এই ভূখণ্ডে বসবাসকারী জনগণের হাজার বছরের সংগ্রামী ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ এবং দেশে বসবাসকারী সকল জনগণের ধর্মবিশ্বাস, চেতনা ও সম্প্রীতি সমুন্নত রাখার জন্য সর্বাত্মক কার্যক্রম গ্রহণ।
১১. পৃথিবীর অন্যান্য দেশের আর্কাইভসের আলোকে একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী তথ্যসমৃদ্ধ ডিজিটাল আর্কাইভ গড়ে তোলা

“বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র” এর অন্যান্য উদ্যোগসমূহ:
১. হারানো বন্ধুর খোঁজে
২. বুকের ভেতর যুদ্ধকথা
৩. তথ্য সেবা
৪. সচেতনতামূলক কর্মসূচি
৫. ইতিহাসভিত্তিক প্রামাণ্য নির্মাণ
৬. গবেষকদের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান

২০২২ ও ২০২৩ সালে সম্পন্নকৃত কার্যক্রমসমূহ:
১. শুধু ২০২২ ও ২০২৩ সালেই ৪৫ হাজার ইতিহাসভিত্তিক ঐতিহাসিক দলিলাদি সংগ্রহ (মোট সংগ্রহ প্রায় ৮৫ হাজার) ।
২. প্রায় ৪০ হাজার ইতিহাসভিত্তিক ছবি-ভিডিও-দলিল-দস্তাবেজ-নথি-পত্রিকা ও সংকলন তথ্যসহ উন্মুক্তকরণ।
৩. অনলাইন প্লাল্টফর্মে প্রায় ১১ লাখ ইতিহাসপ্রেমী মানুষ সম্পৃক্তকরণ (মোট সম্পৃক্তকরণ সংখ্যা প্রায় সারে সতেরো লাখ) এবং দেশীয় ইতিহাসচর্চা, প্রচার, গবেষণা, সংরক্ষণে আগ্রহী করে তোলা।
৪. নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রায় ৪৫ টি হারানো পরিবারকে বিনা পারিশ্রমিকে তাঁদের হারানো স্বজন/বন্ধুদের খুঁজে দেওয়া এবং পুনর্মিলন অনুষ্ঠান করা।
৫. ধারাবাহিকভাবে প্রায় ৫০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার সাক্ষাৎকার গ্রহণ, প্রচার, প্রশ্ন পর্বের আয়োজন ও ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ।
৬. চর্চা, গবেষণা, প্রচার ও সৃষ্টিশীল কর্ম বৃদ্ধিতে বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ হাজারো লেখক, গবেষক, সাংবাদিক, সাধারণ জনগণকে প্রয়োজনীয় ছবি-ভিডিও-দলিল-দস্তাবেজ-সংকলন সরবরাহ।
৭. অনলাইন ও অফলাইনে পরিবেশ রক্ষা কিংবা বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা রোধে সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ।
৮. রাষ্ট্রীয় ও অন্যান্য বিশেষ প্রথিতযশা ব্যক্তিদের বিশেষ দিবসসমূহ পালন।
৯. অসংখ্য ইতিহাসভিত্তিক প্রামাণ্য নির্মাণ ও প্রথিতযশা ব্যক্তিত্বদের জীবনী প্রচার।
১০. বিশ্বায়নের সঙ্গে তালমিলিয়ে অন্যান্য সংস্কৃতির ইতিবাচক সুকৃতির সাথে একাত্মতা প্রকাশ এবং সকল প্রকার অপসংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধে কাজ করা হয়েছে ।
১১. এই ভূখণ্ডে বসবাসকারী জনগণের হাজার বছরের সংগ্রামের ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ এবং দেশে বসবাসকারী সকল জনগণের ধর্মবিশ্বাস, চেতনা ও সম্প্রীতি সমুন্নত রাখার জন্য সর্বাত্মক কার্যক্রম গ্রহণ ।
১২. পৃথিবীর অন্যান্য দেশের আর্কাইভসের আলোকে একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী তথ্যসমৃদ্ধ ডিজিটাল আর্কাইভ গড়ে তুলতে সংগ্রহকৃত দুষ্প্রাপ্য ছবি-ভিডিও-পত্রিকা-দলিল-দস্তাবেজ-নথি-সংকলন ডিজিটাল সংরক্ষণের মাধ্যমে আর্কাইভ করা (উন্নয়ন চলমান)।

আমাদের অন্যান্য শাখা সমূহ –
ফেসবুক গ্রুপ: https://www.facebook.com/groups/rarephotoarchive.bd
ব্যাকআপ গ্রুপ: https://www.facebook.com/groups/bdcs.backup
ইউটিউব চ্যানেল: https://youtube.com/.official?si=5sSJtxLdmuwmm40c
ইনস্টাগ্রাম: https://www.instagram.com/bdcs.official
এক্স/ টুইটার: https://twitter.com/B_D_C_S

আরও জানতে -
আমাদের ডোমেইনসমূহ: (সাইট উন্নয়ন কাজ চলমান থাকায় অনুল্লিখিত রাখা হলো)
মিডিয়া কাভারেজ লিংক: https://docs.google.com/document/d/1n_6Dh6JsBUa29L4hf5Ty4SeJSfb_e8Tb/edit

কিছু কথা: 'বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র' স্বেচ্ছাশ্রমে গড়া অলাভজনক একটি নাগরিক উদ্যোগ। আমাদের আর্কাইভের সকল তথ্য-ছবি-ভিডিও-নথি-পত্রিকা-দলিল-দস্তাবেজ-সংকলন 'বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র' এর ব্যক্তিগত সংগ্রহ ও আমাদের সদস্যদের মাধ্যমে প্রাপ্ত তাঁদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সংগ্রহ যার বড় একটি অংশের কপিরাইট 'বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র' ও আমাদের সদস্যদের। এছাড়া এর বাইরেও বেশকিছু ইন্টারনেট ও বিভিন্ন মাধ্যমে থেকে সংগৃহীত হয়েছে। যেগুলো সবই শুধু দেশীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতিচর্চা ও গবেষণা কার্যের জন্য ব্যবহার্য। জ্ঞানমনস্ক সমাজ ও সমৃদ্ধশীল দেশগঠনের স্বার্থে অনুমতিক্রমে যে কেউই চাইলে এগুলো ব্যবহার করতে পারবেন তবে কিছু নিয়মাবলি রয়েছে।

নিয়মাবলি:
১. অনুমতি গ্রহণ।
২. শেয়ার করার সময় ছবি সংগ্রহ কৃতজ্ঞতা - 'বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র' লিখুন।
৩. কোনোপ্রকার এডিটিং ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
৪. প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট ফটোগ্রাফার ও কপিরাইট হোল্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

যে কোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ:
ই-মেইল - [email protected]

ধন্যবাদান্তে,
প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক,
বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র

২২শে শ্রাবন ১৩৪৮: বিশ্বকবির অন্তিম যাত্রা....ছবি কৃতজ্ঞতা: তারক দাশ       #রবীন্দ্রনাথঠাকুর        #বাদুছস  #গিরিধরদে  #...
06/08/2026

২২শে শ্রাবন ১৩৪৮: বিশ্বকবির অন্তিম যাত্রা....

ছবি কৃতজ্ঞতা: তারক দাশ

#রবীন্দ্রনাথঠাকুর #বাদুছস #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল দীর্ঘ নয় মাসের র/ক্তক্ষ/য়ী যু//দ্ধের মধ্য দিয়ে। সেই যু//দ্ধের মূল শক্তি ছিলেন বীর মুক...
06/08/2026

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল দীর্ঘ নয় মাসের র/ক্তক্ষ/য়ী যু//দ্ধের মধ্য দিয়ে। সেই যু//দ্ধের মূল শক্তি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। অথচ স্বাধীনতার এত বছর পরও তাঁদের অনেকেই রয়ে গেছেন লোকচক্ষুর অন্তরালে, অভাব-অনটন আর অবহেলার মধ্যে। তেমনই একজন সাহসী কিন্তু বঞ্চিত নারী মুক্তিযোদ্ধা হলেন মীরা রানী সরকার।

১৯৪৭ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর নড়াইল জেলার পাইকড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মীরা রানী সরকার। তাঁর পিতা রসিক লাল এবং মাতা তপি বালা। ১৯৭১ সালে তিনি নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। পা/কিস্তানি হা/না/দার বা/হি/নীর আনাগোনা শুরু হলে এলাকার অনেক হি/ন্দু পরিবারের মতো তিনিও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নড়াইলের পাইকড়া গ্রাম ছেড়ে চৌগাছা সীমান্ত দিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। বনগাঁ হাসপাতালের পাশে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে সেখানে বসবাস শুরু করেন তাঁরা।

স্থানীয় কালু বাবুর বাড়িতে আওয়ামী লীগের একটি অফিস ছিল। সেখানে গিয়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের ইচ্ছার কথা জানান। কেন তিনি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তরে মীরা রানী বলেন, “আমি যু//দ্ধে গিয়েছি এই কারণে যে দেশ স্বাধীন করবই। আমি অফিসে গিয়ে খুব কান্নাকাটি করেছি। তখন তারা জিজ্ঞেস করল যে, তুমি কি পারবে? এই গো/লাগু/লির মধ্যে তুমি কি কাজ করতে পারবে? আমি বলেছিলাম, হ্যাঁ আমি পারবো। আমার বুকে সেটুকু বল আছে।”

এরপর সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ শেষে তিনি টালিখোলা মুক্তিযোদ্ধা শি/বিরে অ//স্ত্র চা/লনার প্রশিক্ষণ নেন। আগরতলা ষ/ড়যন্ত্র মা/মলার আসামি নড়াইলের মতিউর রহমান ছিলেন তাঁদের কমান্ডার। পরবর্তীতে কলকাতা জাদুঘরের পেছনে ১২ দিন মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন তিনি। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁকে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস জোগানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়। ভারতের হেলাঞ্চা, বাগদা, গোপালনগর ও চাঁনপাড়া মুক্তিযোদ্ধা শি/বিরে গিয়ে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল চাঙ্গা করতে নানাভাবে সাহস জুগিয়েছেন। একই সঙ্গে আহ/ত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা-শুশ্রূষা করেছেন এবং ঝিনাইদহ ও যশোরের বিভিন্ন শিবিরে চিকিৎসা সেবায় সহযোগিতা করেছেন।

মীরা রানী জানান, একদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাঁদের শি/বিরে যান। তিনি তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন, তাঁর কাজের প্রশংসা করেন এবং উৎসাহ দেন। পাশাপাশি তাঁকে একটি প্রশংসাপত্রও প্রদান করেন ইন্দিরা গান্ধী। এরপর মীরা রানী সহযোদ্ধাদের সঙ্গে চৌগাছা সীমান্তে যান। সেখানে পা/কিস্তানি সে/নাদের সঙ্গে যু//দ্ধ হয় এবং সেই যু//দ্ধে তাঁর এক সঙ্গী শহীদ হন। বিভিন্ন অভিযানে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মাইলের পর মাইল পথ হেঁটে তাঁদের জন্য খাবার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মীরা রানী বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের কাজে আমরা ১২ জন মেয়ে ছিলাম। আমাদের মধ্যে একজন মেয়ে শহীদ হয়েছিল। তাঁর বাড়ি ছিল মাগুরায়। তাঁকে কবর দেওয়া হয়েছিল বনগাঁ হাসপাতালের সামনে। সেসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীও সেখানে এসেছিলেন।”

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মীরা রানী সরকার দেশে ফিরে আসেন। তিনি জানান, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁকে ঢাকায় নিয়ে যান। বঙ্গবন্ধু তাঁর পিঠ চাপড়ে বলেছিলেন, “শাবাশ বেটি।” সে সময় শেখ মুজিব তাঁকে এক হাজার টাকা পুরস্কারও দিয়েছিলেন।

স্বাধীনতার দুই বছর পর পূর্বপরিচিত মুক্তিযোদ্ধা পশুপতি সরকারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মীরা রানী। পরবর্তী সময়ে তাঁর শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়ে যায়। টাকার অভাবে তিনি ভালো চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে পারেননি। প্রায় চৌদ্দ বছর আগের তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, তাঁর এক মেয়ে বিএ পাস করেছিলেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, মুক্তিযোদ্ধার কোটায় তিনি কোনো চাকরি পাননি।

মীরা রানীর পরিবারের অবস্থা সম্পর্কে তাঁর ছেলে বিপ্লব সরকার বলেছিলেন, “এটা কষ্টকর বিষয় যে, একজন নারী মুক্তিযোদ্ধা হওয়া সত্ত্বেও তিনি খুব অবহেলিত রয়ে গেছেন। তাঁর শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে। কথাও বুঝতে পারেন না। আর আমাদের পরিবারের অবস্থা এমন যে কোনরকমে দিন চলে যাচ্ছে। আমার বাবাও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশের যে অবস্থা, আসলে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা তো এখানে মুক্তিযোদ্ধাই না এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা আসলেই অবহেলিত।”

কৃতজ্ঞতা: ডয়েচে ভেলে
সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র

#মুক্তিযুদ্ধ #মীরা_রানী_সরকার #যশোর #বাদুছস #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

06/08/2026

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য ভূমিকা রেখেছিলেন বীরপ্রতীক ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম। যু//দ্ধের শুরুতেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আগরতলার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। পথে বালাটে গিয়ে কয়েকদিন আটকা পড়তে হয়। বালাট থানায় সবার নাম তালিকাভুক্ত করার পর তিন-চারদিন অপেক্ষা করে মুক্তিযোদ্ধাদের বহনকারী ট্রাকে করে যাত্রা শুরু করেন। শিলঙ হয়ে আসানসোল বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাঁর সঙ্গে থাকা পি/স্তল নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হলেও ভারতীয় এক ব্রিগেডিয়ারের দেওয়া একটি চিরকুট দেখানোর পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরে পি/স্তলটি বৈমানিকের কাছে জমা রেখে তিনি আগরতলা পৌঁছান।

আগরতলায় পৌঁছে দুই নম্বর সেক্টরের কমান্ডার খালেদ মোশাররফের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। খালেদ মোশাররফ আ/হত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য বিশ্রামগঞ্জে স্থাপিত হাসপাতালের বিভিন্ন বিষয় তাঁকে জানান। এরপর বিশ্রামগঞ্জে স্থাপিত বাংলাদেশ হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা শুরু করেন ডা. সিতারা বেগম। তাঁর সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন সাহসী নারী যোগ দেন। তবে বিজয় পর্যন্ত বাংলাদেশ হাসপাতালের সার্বিক দেখাশোনা ও পরিচালনার দায়িত্ব ছিল তাঁর ওপর।

সে সময় জেনারেল এম এ জি ওসমানী হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে তাঁর সঙ্গে করমর্দন করে বলেন, “হ্যালো, ক্যাপ্টেন সিতারা। কেমন আছেন?” ডা. সিতারা রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, সেই থেকেই তিনি ‘ক্যাপ্টেন’ হিসেবে পরিচিত হন। বিশ্রামগঞ্জে ৪০০ শয্যার হাসপাতাল গড়ে তোলা হয়েছিল। সেখানে ডা. জাফরুল্লাহ ও ডা. মুবিন দায়িত্ব পালন করতেন। বর্তমানে সাভারে যে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে, সেটি বাংলাদেশ হাসপাতালেরই অংশবিশেষ। হাসপাতালের জন্য বিভিন্ন মহল থেকে সহযোগিতা পাওয়া যেত। ডা. সিতারা রহমান বহুবার আগরতলা গিয়ে চিকিৎসকদের জন্য সরবরাহকৃত নমুনা ওষুধ সংগ্রহ করে হাসপাতালে নিয়ে আসতেন। এছাড়া হাসপাতালের জন্য অনুদানও সংগ্রহ করতেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ডা. রায় চৌধুরী তাঁদের উল্লেখযোগ্য অনুদান দিয়েছিলেন।

১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হলেও আহ/ত মুক্তিযোদ্ধাদের রেখে তিনি দেশে ফিরে আসেননি। ডিসেম্বরের পরে তিনি দেশে ফেরেন। তখনও হাসপাতালে চল্লিশ থেকে পঁয়তাল্লিশজন রোগী ছিলেন। তাঁদের কুমিল্লায় নিয়ে আসা হয় এবং কয়েকদিন কুমিল্লা কলেজের ছাত্রীনিবাসে রাখা হয়। পরে ধীরে ধীরে সবাইকে ঢাকার ইস্কাটনে স্থানান্তর করা হয়। এ সময় আহ/ত মুক্তিযোদ্ধাদের ভারতের লাখনৌ পাঠানোর পরিকল্পনা করা হলে ডা. সিতারা বেগম তার বিরো/ধিতা করেন। রোগীদের ইচ্ছার কথা তুলে ধরে তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তর্ক করেন এবং আহ/ত মুক্তিযোদ্ধাদের লাখনৌ পাঠানোর পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে বাধ্য করেন।

সিতারা বেগম ১৯৭১ সালে ত্রিপুরার বিশ্রামগঞ্জে অবস্থিত বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতালের প্রধান ছিলেন। হাসপাতালের দায়িত্বরতদের মধ্যে তিনিই একমাত্র সেনাবাহিনী থেকে আগত অফিসার।

স্বাধীন বাংলাদেশে আবারও সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন ডা. সিতারা বেগম। ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ছিল তাঁর কর্মস্থল। এ সময় সে/না কর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবিদুর রহমানের সঙ্গে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বীর প্রতীক উপাধি লাভ করেন। তাঁর বড়ভাই মেজর এ টি এম হায়দার বীরউত্তম ছিলেন দুই নম্বর সেক্টরের ডেপুটি কমান্ডার। ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর মেজর এ টি এম হায়দার বীরউত্তম নিহ/ত হলে ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান।

তথ্য কৃতজ্ঞতা: ডয়েচে ভেলে
সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র

#সিতারাবেগম #মুক্তিযুদ্ধ #গিরিধরদে #বাদুছস #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে নিজ বাসভবনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের কবিতা সংকলন পাঠে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।ছবি সৌজন্যে: নুরুল আমি...
06/08/2026

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে নিজ বাসভবনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের কবিতা সংকলন পাঠে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

ছবি সৌজন্যে: নুরুল আমিন/ বাদুছস

#শেখমুজিবুররহমান #বঙ্গবন্ধু #রবীন্দ্রনাথঠাকুর #বাদুছস #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

06/08/2026

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী থাকা অবস্থাতেই পা/কিস্তানি হা/না/দার বা/হিনীর চোখে ধুলো দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের নানা দুঃসাহসিক দায়িত্ব পালন করেছিলেন শওকত আরা। অ//স্ত্র হাতে যু//দ্ধের প্রশিক্ষণ নেওয়া থেকে শুরু করে জীবনবাজি রেখে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে মা/রণা/স্ত্র পৌঁছে দেওয়া, এমনকি ভারতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার কাজেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্ব এই বীর নারী স্বাধীনতার সংগ্রামে রেখে গেছেন অনন্য অবদান।

১৯৫২ সালের ১ জুলাই পদ্মা নদীর পাড়ঘেঁষা হাড়ুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শওকত আরা খাতুন। বাবা আহমেদ হোসেন পণ্ডিত ও মা পরিজান বেগমের ১১ সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ।

অস/হযো/গ আ/ন্দোলনের সময় থেকেই রাজশাহীতে প্রতিরো/ধের প্রস্তুতি শুরু হয়। রাজশাহী পুলিশ লাইন, ইস্ট পাকিস্তান রা/ইফেলস ক্যা/ম্প ও আ/নসার ক্যা/ম্পের স্বাধীনতাকামী বাঙালিরা বিদ্রো/হ ঘোষণা করেন। স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেন রাজশাহী পুলিশ লাইনের বহু বাঙালি সদস্য।

এ সময় পাশের গ্রাম কাঁঠালবাড়িয়ায় একটি নিমগাছের নিচে দাঁড়িয়ে শওকত আরা প্রত্যক্ষ করেন পা/কিস্তানি সৈ/ন্যদের নির্মমতা। তারা যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে নারী-পুরুষদের আলাদা করে লাইনে দাঁড় করায়, নারীদের জোর করে গাড়িতে তুলে নেয় এবং পুরুষদের দড়ি দিয়ে বেঁধে নি/র্যাতন করে। এই ভ/য়াবহ দৃশ্য তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। এরপর নিজ গ্রামে ফিরে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে গ্রে/নে/ড ও রা/ই/ফেল চালানোর প্রশিক্ষণ নেন।

দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে অসংখ্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হন তিনি। এক সংলাপে শওকত আরা বলেন,

“একদিন পা/ক সে/নাদের আসার খবর পেয়ে ফুপু বানু আমাকে, আমার ভাই শাখাওয়াত, আব্দুস সালাম ও অন্যান্যদের একটি ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে দরজায় বসে থাকলেন। পাকিস্তানি সৈন্যরা আমার চাচা গোলাম রব্বানী, আমানুল্লাহ, ড. শহিদুল্লাহ আজিজ, লেনিনকে ধরে লাইনে দাঁড় করিয়ে আমিনকে জোর করে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের খুঁজতে থাকলো। ফুপু বানুকে ঘরটি দেখিয়ে পা/কিস্তানি সৈ/ন্যরা জিজ্ঞেস করলো, ‘ভেতরে কে?’ উনি সাহসের সঙ্গে উত্তর দিলেন, ‘জেনানা’ অর্থাৎ নারী। পা/কিস্তানি সৈ/ন্যরা আর কিছু না বলে সেদিন চলে গেল। তবে লাইনে দাঁড় করানোদের ওপর নি/র্যাতন করতে থাকলো। ওই দিন বিকেলে পাকিস্তানি জ//ঙ্গি বিমান থেকে গ্রামটির ওপর গু//লি করা হয়।”

যু//দ্ধে আরও সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে কিছুদিন পর আবার রাজশাহী শহরে ফিরে আসেন তিনি। তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি কম, নিয়মিত ক্লাসও হচ্ছিল না। এই সুযোগে তিনি প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়ে সিভিল ডিফেন্সের প্রশিক্ষণ নেন। এরপর শুরু করেন শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হা/মলার উদ্দেশ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে অ//স্ত্র পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব। পা/কিস্তানি সে/নাদের চোখের সামনেই অ//স্ত্রভর্তি ট্রা/ঙ্ক আনা-নেওয়ার মতো দুঃসাহসিক কাজও করেন তিনি।

এই অভিযানের একটি ঘটনার কথা এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরে শওকত আরা বলেন,

“ফুপাতো বোন হাসমত আরা হাসিকে সঙ্গে নিয়ে রাজশাহী থেকে ট্রেনে চব্বিশনগরে গিয়ে গণি নামে এক গ্রামবাসীর সহযোগিতায় তার বাড়ি থেকে গ্রে/নে/ড সংগ্রহ করে, কৌশলে তা পরের দিন রাজশাহী শহরে এনে শেখ পাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা মোনায়েম মঞ্জুরের বাড়িতে পৌঁছে দিলাম। চব্বিশনগর, কাকনহাট থেকে গ্রে/নে/ড, অ//স্ত্র নিয়ে তা রাজশাহী শহরে আনা-নেওয়া করতে থাকি। ইতিমধ্যে ৭ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর ৪-এর কমান্ডার মেজর গিয়াস উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নির্দেশ দিলেন রাজশাহী শহরের ঘোড়ামারায় কুঞ্জমৈত্রীর বাড়িতে রা/জা/কার ক্যা/ম্প, বোয়ালিয়া থানার পাশে মোসলেম আলীর বাড়িতে আল ব/দ/রদের ক্যাম্প, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ, বিদ্যুৎ ভবনসহ কয়েকটি স্থানে অ/পারেশনের। এই কাজে সহযোগিতা করার জন্য তখনকার বুয়েটের ছাত্র মুক্তিযোদ্ধা বাবর আলী কথা বললেন আমার সঙ্গে। কথা মতো ৭ অক্টোবর আমি বাবর আলীকে সঙ্গে নিয়ে বিশ্বস্ত রিকশাচালকের সহযোগিতায় চব্বিশ ইঞ্চি একটি ট্রাঙ্কে চারটি ট্যা/ঙ্ক বি/ধ্বং/সী মা/ইন, বি/স্ফো/রক, এ/সএ/মজি, গ্রে/নে/ড, কা/র/বাইন ম্যাগাজিন নিয়ে রাজশাহী কোর্টের পশ্চিম দিক থেকে রওনা হই। রাজশাহী কোর্টের কাছে পা/কিস্তানি সৈ/ন্যরা জিজ্ঞেস করলো, ‘তোমরা কোথায় যাও?’ বাবর আলী বললেন, ‘আমার বোন, তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে হলে রাখতে যাচ্ছি।’ এছাড়া পথে আরও কয়েকবার পা/ক সে/না ও গো/য়েন্দাদের নজরে পড়ি আমরা। তবে শেষ পর্যন্ত রোমাঞ্চকর পথ পাড়ি দিয়ে ট্রা/ঙ্কটি পৌঁছে দেই মধ্য শহরের পাবলিক লাইব্রেরিতে অপেক্ষা করা লাইব্রেরিয়ান রেজাউল আহমেদ ও পিওন মজিবুর রহমানের কাছে। আর এসব অ//স্ত্র দিয়ে কয়েকদিন পরেই চালানো হয় বেশ কিছু অ/পারেশন। এভাবে অনেকবার অ//স্ত্র আনা-নেওয়ার কাজ করেছি আমরা।”

এই কর্মকাণ্ডের কারণে পা/কিস্তানি গো/য়েন্দাদের কাছে তাঁর গোপন তৎপরতার খবর পৌঁছে যায়। তাঁকে ধরতে পা/ক সে/নারা তৎপর হয়ে ওঠে। তবে একাধিকবার অল্পের জন্য তাদের হাত থেকে রক্ষা পান তিনি।

অবশেষে অক্টোবরের শেষ দিকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাতের আঁধারে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের মুর্শিদাবাদে পৌঁছান শওকত আরা। সেখানে গিয়েও থেমে থাকেননি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে নানা কর্মকাণ্ডে অংশ নেন, পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে অ//স্ত্র সংগ্রহ করে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পাঠান, লিফলেট বিতরণসহ জনমত গড়ে তোলার কাজ করেন।

১৮ ডিসেম্বর রাজশাহী শ/ত্রুমুক্ত হওয়ার পর তিনি ফিরে আসেন স্বাধীন বাংলাদেশে।

কৃতজ্ঞতা: ডয়েচে ভেলে
সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র

#মুক্তিযুদ্ধ #বাদুছস #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

১৮৯০: ইংল্যান্ড সফরে তোলা দুর্লভ ছবিতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।ছবি সৌজন্যে: Maksod Khan Miraz/ বাদুছস      #রবীন্দ্রনা...
06/08/2026

১৮৯০: ইংল্যান্ড সফরে তোলা দুর্লভ ছবিতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

ছবি সৌজন্যে: Maksod Khan Miraz/ বাদুছস

#রবীন্দ্রনাথঠাকুর #কবিগুরু #বাদুছস #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস আজ         #রবীন্দ্রসঙ্গীত  #রবীন্দ্রনাথ  #প্রয়াণদিবস      #বাদুছস  #গিরিধরদে  ...
06/08/2026

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস আজ

#রবীন্দ্রসঙ্গীত #রবীন্দ্রনাথ #প্রয়াণদিবস #বাদুছস #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

এই ঐতিহাসিক ছবিটা তোলা হয়েছিল ১৯৬৯ সালে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সামনে। অন্বেষা ছিল তখনকার বিখ্যাত ম্যাগাজিন, য...
05/08/2026

এই ঐতিহাসিক ছবিটা তোলা হয়েছিল ১৯৬৯ সালে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সামনে। অন্বেষা ছিল তখনকার বিখ্যাত ম্যাগাজিন, যার প্রথম সংখ্যার প্রচ্ছদ এটি। ছবিতে থাকা সবাই পরবর্তীতে দেশে বিদেশে স্ব স্ব ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত।

ছবিটিতে সে সময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে। পুরানো এলবাম ঘাটতে যেয়ে ছবিটি চোখে পড়ল।

ছবি: Wakil Rahman
সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র

#বাদুছস #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

05/08/2026

১৯৭৫: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ হল বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দৌড়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন শেখ কামাল। ছবিটি তৎকালীন একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়।

#শেখকামাল #ক্রীড়াবিদ #ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয় #বাদুছস #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

Address

Faridpur, Dhaka
Faridpur
7800

Telephone

+8801799191995

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Museum

Send a message to বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র:

Shortcuts

Share

Category