BCS: Mission Possible

BCS: Mission Possible BCS :Mission Possible

ধুমকেতুর মত আগমন, মিলিয়ে গেলেন মহাকালের অনন্তে। বাঙালি জাতি কৃতজ্ঞ রইল এই বীরের কাছে।  #শরীফ_ওসমান_হাদি
21/12/2025

ধুমকেতুর মত আগমন, মিলিয়ে গেলেন মহাকালের অনন্তে। বাঙালি জাতি কৃতজ্ঞ রইল এই বীরের কাছে।

#শরীফ_ওসমান_হাদি

৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি
31/10/2025

৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি

05/10/2025

আমার ব্যক্তিগত কিছু উপলব্ধি:

১) রিযিক আল্লাহর তরফ থেকে নির্ধারিত। ব্যর্থতা আসলে হাসিমুখে মেনে নেয়া উচিত কারণ আল্লাহ হয়ত ওই সফলতা আমার জন্য রাখেননি। আমার সফলতা অন্যভাবে অন্যকোন জায়গায় আমি বুঝি আর না বুঝি আল্লাহ আমার জন্য যা ভাল তাই অবশ্যই আমাকে দিবেন।

২) বর্তমানে যে অবস্থাতেই আছি শুকরিয়া জানানো উচিৎ। আমার চেয়ে অনেক মানুষ খারাপ পরিস্থিতিতে আছে।

৩) খারাপ পরিস্থিতিরও শেষ আছে। সুখ যেমন চিরস্থায়ী নয়, দুঃখ তেমন। দুইটাই জীবনের অংশ।ব্যর্থতা না থাকলে সফলতার আনন্দও একগেয়েমি হয়ে যেত।

৪) বিসিএস একটা চাকরি মাত্র। এখানে সফল হতে না পারলে জীবন শেষ, এরকম কিছু না। জীবনের জন্য বিসিএস, বিসিএসের জন্য জীবন নয়।
জীবনে সততার সাথে বাঁচতে পারাটা জরুরি।

িখিত_রেজাল্ট_প্রত্যাশী
্রিলি_ফেইল

চলমান সরকারি চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ডেডলাইন
05/10/2025

চলমান সরকারি চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ডেডলাইন

 িসিএস_রিটেনের_সময়সূচি
29/05/2025

িসিএস_রিটেনের_সময়সূচি

27/05/2025

মানবিক করিডর কী? মানবিক করিডর নিয়ে এত বিতর্ক কেন? মানবিক করিডর দেওয়া হলে বাংলাদেশের জন্য কী কী ঝুঁকি তৈরি হবে?

বিশ্বব্যাপী শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল বলছে, মানবিক করিডর মূলত একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিরাপদ প্যাসেজ (চলাচলের পথ), যা নিয়ে সংঘর্ষরত পক্ষগুলোর মধ্যে চুক্তি হয়। এই করিডর নাগরিকদের যাতায়াতসহ মানবিক সহায়তা দিতে বা আহত, অসুস্থ বা মৃত মানুষদের সরিয়ে নিতে সহায়ক হতে পারে ।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সান ডিয়েগোর একাডেমিক ডিরেক্টর ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের অধ্যাপক টোফার ম্যাকডুগাল বিশ্ববিদ্যালয়টির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলেছেন, মানবিক করিডর হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিরস্ত্রীকৃত এলাকা বা পথ, যার মাধ্যমে ত্রাণসামগ্রী ও সহায়তা পাঠানো যায় এবং বেসামরিক মানুষ ও স্বেচ্ছাসেবীরা নিরাপদে চলাচল করতে পারেন।
অধ্যাপক ম্যাকডুগাল আরও বলেন, যদিও মানবিক করিডর নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত, তারপরও অনেক সময় এগুলো অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। অনেক সময় বিবদমান পক্ষগুলো তাত্ত্বিকভাবে শর্তে রাজি হলেও বাস্তবে তা মানে না।
এর দুঃখজনক উদাহরণ দেখা গেছে ২০২২ সালে রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধে। যুদ্ধবিরতির শর্তে রাজি হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইউক্রেন অভিযোগ করে যে রাশিয়া হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিক্রিয়ায় রুশ কর্মকর্তারা বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধবিরতির সময় প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান জোরদার করায় রাশিয়া আবার আক্রমণ করেছে। আরেকটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে ফিলিস্তিনে। ২০২৩ সালের শেষ দিকে গাজা উপত্যকায় ঘোষিত নিরাপদ অঞ্চলে ইসরায়েলি সেনারা স্কুল, আবাসিক ভবন ও শরণার্থী আশ্রয়কেন্দ্র লক্ষ্য করে বোমাবর্ষণ করেছিল।

মানবিক করিডরের উদ্দেশ্য
মানবিক করিডর একটি নির্দিষ্ট এলাকায় খাবার, চিকিৎসাসহায়তা এবং অন্যান্য জরুরি সামগ্রী পরিবহনের সুযোগ তৈরি করে।
জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী, মানবিক করিডর হলো আন্তর্জাতিক আইনের অধীন এমন এক চুক্তি, যার উদ্দেশ্য হলো বিপদে থাকা মানুষের কাছে ত্রাণসামগ্রী, খাবার ও পোশাক দ্রুত ও নির্বিঘ্নে পৌঁছানো। এ ছাড়া যুদ্ধে আটকে পড়া নাগরিকদের জন্য মানবিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করা।
১৯৯০ সালে জাতিসংঘে মানবিক করিডরের প্রস্তাব পাস হয়। রাজনৈতিক বা সামরিক উদ্দেশ্যে নয়, মানবিক দিক বিবেচনা করে বিষয়টির স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
যুদ্ধের ইতিহাসে মানবিক করিডর
পৃথিবীর বিভিন্ন যুদ্ধ-সংঘাতে সাধারণ মানুষকে খাদ্য, ওষুধসহ দরকারি জিনিসপত্রের জোগান দিতে জাতিসংঘ বা আন্তর্জাতিক উদ্যোগে বিভিন্ন সময় মানবিক করিডর স্থাপন করা হয়েছে।
ককেশাসীয় অঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ দেশ আজারবাইজান। কৃষ্ণসাগর ও কাস্পিয়ান সাগরের মাঝখানে অবস্থিত দেশটির সঙ্গে জাতিগত দ্বন্দ্বে জড়ায় আর্মেনিয়া। দেশ দুটির মধ্যে প্রথম যুদ্ধ বাধে ১৯৮৯ সালে। ইতিহাসে সেটি নাগোরনো-কারাবাখ যুদ্ধ নামে পরিচিত।
নাগোরনো-কারাবাখের সঙ্গে আর্মেনীয়দের যোগাযোগের জন্য আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় যে করিডর চালু করা হয়েছিল, সেটির নাম ছিল লাচিন। এই লাচিন করিডরের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল রুশ সেনাবাহিনী। তবে সেটি বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। দুই বছরের মধ্যেই আজারবাইজান সরকার সেটি বন্ধ করে দেয়।
২০১১ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও রাষ্ট্রের উদ্যোগে নিরাপদ অঞ্চল বা ‘নো-ফ্লাই জোন’ স্থাপন করা হয়েছিল। দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের একপর্যায়ে ২০১৬ সালের জুলাই মাসে আলেপ্পো শহরে বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে বেশ কিছু পরিবারের সদস্যসহ অন্যদের বের করে আনতে মানবিক করিডর স্থাপন করা হয়েছিল। এর উদ্যোগ নিয়েছিল রাশিয়া।
আফ্রিকার দেশ কঙ্গোয় ২০০৮ সালে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও জেনারেল লরেন্ট নকুন্ডার নেতৃত্বাধীন মিলিশিয়া বাহিনীর মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে গোমা অঞ্চলে একটি মানবিক করিডর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
বসনিয়া যুদ্ধের সময় ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনার মাধ্যমে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল সেব্রেনিৎসা ছিটমহলকে নিরাপদ অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। যদিও সে বছরই আরেক প্রস্তাবের মাধ্যমে সারায়েভো, জেপা, গোরাজদে, তুজলা ও বিহাচ অঞ্চলকেও যুক্ত করে ছয়টি মানবিক করিডর করা হয়েছিল।
যদিও ১৯৯৫ সালে সেব্রেনিৎসা মানবিক করিডর এলাকায় গণহত্যা সংঘটিত হয়। এটিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের ‘নৃশংসতম গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
বাংলাদেশে আলোচনা
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন গত ২৭ এপ্রিল মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গাদের জন্য শর্তসাপেক্ষে মানবিক করিডরের বিষয়টি সামনে আনার পর ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ২৯ এপ্রিল নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লেখেন, রাখাইন রাজ্যে যদি জাতিসংঘের নেতৃত্বে মানবিক সাহায্য দেওয়া হয়, তাহলে বাংলাদেশ লজিস্টিক সাপোর্ট (কারিগরি সহায়তা) দিতে রাজি হবে। এটাই বাংলাদেশের অবস্থান।
অন্যদিকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা-সংক্রান্ত হাই রিপ্রেজেনটেটিভ খলিলুর রহমান ৪ মে বাংলাদেশ ইউনির্ভাসিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) মিলনায়তনে এক সেমিনারে বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মানুষের জন্য মানবিক করিডর প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে কোনো চুক্তি হয়নি । সরকার মানবিক করিডর নিয়ে কোনো আলোচনা না করায় রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৮ এপ্রিল ঠাকুরগাঁওয়ে এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘সরকারের উচিত ছিল, দায়িত্ব ছিল বিষয়টা নিয়ে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলা। এটা কথা না বলে তারা (সরকার) এককভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে হিউম্যানিটেরিয়ান প্যাসেজ দেওয়ার জায়গা দিচ্ছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘মানুষকে সাহায্য করার ব্যাপারে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। জাতিসংঘ যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে আমাদের আপত্তি নেই। তবে এটা হতে হবে সব মানুষের সমর্থনে।’
এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যতে এ অঞ্চলের শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা জড়িত আছে বলে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল।
অন্যান্য রাজনৈতিক দলও মানবিক করিডর নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
মানবিক করিডরের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অবশ্যই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন ছিল বলে মনে করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও। ৩০ এপ্রিল রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
রাখাইনের অবস্থা
মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রাখাইন আর্মির সঙ্গে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর যুদ্ধ চলছে। সেখানে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা করছে বিভিন্ন সংস্থা।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা বলছেন, রাখাইনে খাদ্য নিয়ে কোনো ট্রাক বা গাড়ি ঢুকতে বাধা দিচ্ছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। রাখাইন রাজ্যে সংঘাত, সহিংসতা ও খাদ্যসংকটের কারণে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ অব্যাহত আছে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) কার্যালয়ের হিসাবে, গত ১ বছরে ১ লাখ ১৮ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মানবিক করিডরের উদ্দেশ্য হিসেবে রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্যসহায়তা দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। এটি দেওয়া সম্ভব হলে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকানো যাবে। সে ভাবনা থেকে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার মানবিক করিডর দেওয়ার বিষয়টি চিন্তা করে থাকতে পারে।
ঝুঁকি কোথায়
মানবিক করিডর দিলে বাংলাদেশের ঝুঁকি কোথায়, তা জানতে দুজন বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষক ও একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন এই প্রতিবেদক।
তাঁরা হলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল (অব.) আ ন ম মুনীরুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) সাজ্জাদ সিদ্দিকী এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ এস এম আলী আশরাফ।
আ ন ম মুনীরুজ্জামান কয়েকটি বিষয় সামনে এনেছেন। প্রথমত, রাখাইনে মানবিক করিডর স্থাপনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে স্বচ্ছতা নেই। মিয়ানমারের মতো প্রতিবেশী রাষ্ট্রের জটিল সংঘাতে বাংলাদেশের জড়িয়ে পড়া উচিত হবে না।
দ্বিতীয়ত, মানবিক করিডর দেওয়ার সিদ্ধান্তটি কঠিন, গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর। এটি পরিচালনার পাশাপাশি নিরাপত্তা দিতে হয়। এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে বাংলাদেশের স্থল ও আকাশপথে ঝুঁকি আসবে।
তৃতীয়ত, মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। তাদের সীমান্ত অনুমতি ছাড়া অতিক্রম করলে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হবে। দেশটির সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হবে। মিয়ানমার এটি প্রতিহত করতে সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে পারে।
মানবিক করিডরের নামে খাদ্য ও ত্রাণ ছাড়া অন্য কিছু যেন না যায়, তা নিশ্চিত করার বিষয় রয়েছে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ এস এম আলী আশরাফ। তিনি বলেন, করিডরের নামে খাদ্যসহায়তার পাশাপাশি যদি আরাকানে অস্ত্র বা গোলাবারুদ ঢোকে, যদি ‘মিলিটারাইজেশন’ হয়, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হবে। জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়, এমন কাজ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের বিরত থাকা উচিত।
অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) সাজ্জাদ সিদ্দিকী বলেন, ‘মানবিক করিডর একটি “বিতর্কিত” পদক্ষেপ। আমাদের এ মুহূর্তে মানবিক হওয়ার সুযোগ নেই। এটা জাতীয় স্বার্থের বিষয়। আরাকানকে মানবিক করিডর দেওয়া হলে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়া প্রলম্বিত হতে পারে।’
সাজ্জাদ সিদ্দিকী আরও বলেন, যাদের জন্য মানবিক করিডর দেওয়ার কথা চিন্তা করা হচ্ছে, সেই রাখাইন আর্মির তো কোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই। রাখাইন আর্মিকে মানবিক করিডরের নামে খাদ্যপণ্যের আড়ালে অস্ত্র দেওয়া হলে বা অস্ত্র ঢুকলে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এই অধ্যাপক আরও বলেন, মনে রাখতে হবে, জান্তা সরকারকে চীন সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। সুতরাং এই ইস্যুতে ভবিষ্যতে চীনের সঙ্গেও বাংলাদেশের সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে।
প্রথম আলো
#৪৬বিসিএস রিটেন এর জন্য গুরুত্বপূর্ন

Send a message to learn more

01/08/2024

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BCS: Mission Possible posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category