সুফিবাদের প্রেম

সুফিবাদের প্রেম www./Sumon akanda.com

মোল্লা-মাওলানাদের হারাম-হালালের ফতোয়া আর তাদের নিজেদের আয়ের উৎসসাধারণ মানুষের জন্য হারাম-হালাল নিয়ে যখন কঠোর ফতোয়া দেয়া ...
05/05/2026

মোল্লা-মাওলানাদের হারাম-হালালের ফতোয়া আর তাদের নিজেদের আয়ের উৎস
সাধারণ মানুষের জন্য হারাম-হালাল নিয়ে যখন কঠোর ফতোয়া দেয়া হয়, তখন একটি বড় প্রশ্ন অবশ্যই ওঠে—
তাদের নিজেদের আয়ের উৎস কতটা বৈধ? কতটা পবিত্র?
আসুন, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে নেই সরাসরি আল্লাহর কিতাব—পবিত্র কুরআন থেকে। কুরআন এ ধরনের ধর্মীয় নেতৃত্ব ও আলেম সমাজ সম্পর্কে স্পষ্ট সতর্কবাণী দিয়েছে:
১. কিতাব গোপন করে অর্থ উপার্জন
“যারা আল্লাহর অবতীর্ণ কিতাব গোপন করে এবং তার বিনিময়ে সামান্য মূল্য গ্রহণ করে, তারা নিজেদের পেটে আগুন ছাড়া আর কিছুই প্রবেশ করায় না।”
— সূরা আল-বাকারা (২:১৭৪)
২. নিজেদের লেখাকে আল্লাহর কথা বলে চালিয়ে দেওয়া
“হায় আফসোস তাদের জন্য, যারা নিজ হাতে কিতাব লিখে, অতঃপর বলে, ‘এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে’, যাতে তারা এর বিনিময়ে সামান্য মূল্য পেতে পারে।”
— সূরা আল-বাকারা (২:৭৯)
৩. জিহ্বা বাঁকিয়ে কথা বিকৃত করা
“তাদের মধ্যে একদল আছে যারা কিতাব পাঠ করার সময় জিহ্বা বাঁকিয়ে কথা বলে, যাতে তোমরা মনে করো যে, তা কিতাবের অংশ। অথচ তা কিতাবের অংশ নয়।”
— সূরা আল-ইমরান (৩:৭৮)
৪. আয়াতসমূহকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রি করা
“তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে সামান্য মূল্যে বিক্রি করে এবং মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বাধা দেয়। তারা যা করছে, তা কতই না নিকৃষ্ট!”
— সূরা আত-তাওবাহ (৯:৯)
৫. পন্ডিত ও দরবেশদের রব বানানো এবং সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস
“তারা আল্লাহকে ছেড়ে তাদের আলেম ও দরবেশদের নিজেদের প্রভু বানিয়ে নিয়েছে।”
— সূরা আত-তাওবাহ (৯:৩১)
“হে মুমিনগণ! অনেক আলেম ও দরবেশ মানুষের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করে এবং আল্লাহর পথ থেকে বাধা দেয়।”
— সূরা আত-তাওবাহ (৯:৩৪)
৬. দাওয়াতের মূল শর্ত: কোনো পারিশ্রমিক নয়
“বলুন, ‘আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোনো পারিশ্রমিক চাই না এবং আমি কোনো কপট ব্যক্তিও নই।’”
— সূরা সাদ (৩৮:৮৬)
উপসংহার
দ্বীন এসেছে মানুষকে মুক্ত করতে, তাদের ওপর নতুন নতুন বোঝা চাপিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতে নয়।
যারা ফতোয়ার নামে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ করেন, অথচ ‘হাদিয়া’, ‘চুক্তি’ বা ‘দান-খয়রাত’-এর নামে মানুষের সম্পদ ভোগ করেন—তাদের ব্যাপারে গভীরভাবে চিন্তা করার সময় এসেছে।
প্রশ্ন আপনার কাছে:
আপনি কি অন্ধভাবে মানুষের ফতোয়া মেনে চলবেন, নাকি আল্লাহর সরাসরি বাণী—পবিত্র কুরআন দিয়ে প্রত্যেক কথা যাচাই করে সত্য গ্রহণ করবেন?
দ্বীনকে ব্যবসা বানানোর বিরুদ্ধে কুরআনের সতর্কবাণী স্পষ্ট।
এখন সিদ্ধান্ত আপনার।

30/04/2026
ব্যক্তির অপরাধের দায় ইসলামের ওপর নয়—অরাজকতা ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান!​বর্তমানে ধর্মের দোহাই দিয়ে একদল মানুষ যেভা...
13/04/2026

ব্যক্তির অপরাধের দায় ইসলামের ওপর নয়—অরাজকতা ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান!

​বর্তমানে ধর্মের দোহাই দিয়ে একদল মানুষ যেভাবে আইন হাতে তুলে নিচ্ছে এবং পবিত্র স্থাপনাগুলোতে হা'ম'লা চালাচ্ছে, তা দেখে স্তব্ধ না হয়ে পারা যায় না।

আমাদের অবস্থান পরিষ্কার—আমরা সুন্নাহর অনুসারী, আমরা শান্তির পক্ষে। কোনো ব্যক্তি যদি ভুল করে বা শরীয়ত পরিপন্থী কাজ করে, তবে তার বিচারের জন্য দেশীয় আইন এবং প্রশাসন আছে। কিন্তু বিচারের নামে যখন 'মব' সৃষ্টি করা হয়, তখন সেটি আর ইনসাফ থাকে না, বরং তা 'অ-প-রা-ধ' হয়ে যায়।

​❓ আমার বিবেকী প্রশ্নগুলোর জবাব আছে কি? ​কোনো পীর বা ব্যক্তির ওপর রাগ মেটাতে গিয়ে কেন পবিত্র 'মসজিদ', 'মাদ্রাসা' কিংবা 'দরবার' অ-গ্নি-সং-যোগ করা হচ্ছে? এই ঘরগুলো তো আল্লাহর ইবাদতের জন্য, কোনো ব্যক্তির নয়!
​একজন মৃ'ত মানুষের লা'শ ক'বর থেকে তুলে অ-প-দ-স্থ করা কোন ধর্মের শিক্ষা? এটি কি চরম পর্যায়ের 'বর্বরতা' নয়?

​সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো, প্রতিবাদের নামে আপনারা পবিত্র 'কুরআন' শরিফ পর্যন্ত দ-গ্ধ করছেন! আপনারা কেমন মুসলিম? যে কিতাবের মর্যাদা রক্ষার জন্য জান দেওয়ার কথা, সেই কিতাবই আজ আপনাদের হাতে অ-নি-রা-প-দ?

​⚠️ মনে রাখবেন:
​১. মুসলিম মানে উগ্রতা নয়: রাসূলুল্লাহ ﷺ কখনো প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে কারো ঘরবাড়ি জ্বা'লা-ন-নি কিংবা বিচারহীনভাবে মানুষ হ-ত্যা করেননি।
২. আইন হাতে নেবেন না: কোনো ভণ্ডামি বা ভুলের প্রতিবাদ করতে গিয়ে আপনি নিজেই যখন স-হিং-স-তা করছেন, তখন আপনিও ঐ ভণ্ডের কাতারেই শামিল হচ্ছেন।
৩. বিদ্বেষীদের সুযোগ দেবেন না: আপনাদের এই উগ্র আচরণের সুযোগ নিয়ে ইসলাম বিদ্বেষীরা পুরো সমাজকে 'স'ন্ত্রা'সী' তকমা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

​সতর্কবার্তা: যারা ইসলামের দোহাই দিয়ে পবিত্র ঘর ও কিতাবে ক্ষ-তি সাধন করছে, তারা ইসলামের বন্ধু নয়, বরং ইসলামের মূল উপড়ে ফেলার ষ'ড়'যন্ত্রকারী। অপরাধীকে আইনি প্রক্রিয়ায় সোপর্দ করুন, কিন্তু ধর্মের নামে কোনো অরাজকতা বা 'মব জাস্টিস' বরদাশত করা হবে না।

​আসুন, আমরা নামধারী নয়, বরং রাসূলের ﷺ আদর্শে প্রকৃত শান্তিকামী মুসলিম হই। আল্লাহ আমাদের এই ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

✍️ Rabiul Alam

​ #বিচারের_দাবী #সতর্কতা
াস্টিস_বন্ধ_হোক #উগ্রবাদ_ইসলাম_নয় #শান্তি #সুন্নি #সচেতনতা

21/03/2026

যেনে নিন নবী বিদ্বেষি ইসলামের দুষমন, জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মওদুদীর ভয়ংকর আকিদা সম্পর্কে

কোরআন ও কিতাব না জানিয়া ফকির সাজিও না।        সংক্ষিপ্ত ভাবে লেখার চেষ্টা করলামআমাদের দেহের মাঝে রয়েছেন১-ছয়টি রিপু ২-দশট...
20/03/2026

কোরআন ও কিতাব না জানিয়া ফকির সাজিও না।
সংক্ষিপ্ত ভাবে লেখার চেষ্টা করলাম
আমাদের দেহের মাঝে রয়েছেন
১-ছয়টি রিপু
২-দশটি ইন্দিয়
৩-একশত চৌদ্দটি মাকাম
৪-দশটি দরজা
৫-দুইশত ছয়টি হাড়ের জোড়া
৬-বাহাত্তর হাজার নাড়ের জোড়া
৭-সাত আসমান সাত জমিন
৮-তেরো নদী সাত সুমুদ্র
৯-আঠারো চিজ
১০-সপ্ত চক্র
১১-দশ লতিফা
১২-পঞ্চ নপস
১৩-পঞ্চ আত্মা
১৪আরশ কুর্ছি লৌহমাফুজ
১৫-মক্কা মদিনা,
১৬জীবাত্ম পরমাত্মা
১৭-মন
১৮-আট কুঠুরি
১৯-লক্ষাধিক কোষ
১-ছয়টি রিপু
আমাদের দেহের মাঝে কাম, ক্রোধ, মোহু, মায়া, মত, মাৎসর্য, এ ছয়টি রিপু রয়েছেন।
রিপু মানে শত্রু এই রিপুর ফ্যারেই মানুষ নিন্মগামী ও পাপিষ্ঠ হয়।

২-দশটি ইন্দিয়
আমাদের দেহের মাঝে দশটি ইন্দিয় রয়েছে এবং তা দুই ভাগে বিভক্ত, পাঁচটি কর্ম ইন্দিয় ও পাঁচটি জ্ঞান ইন্দিয়,
জ্ঞান ইন্দিয়- চোখ কান ত্বক নাক জ্বিব্বা
কর্ম ইন্দিয়-হাত পা মুখ পাকস্থল ও মলমূত্র দ্বার।

৩-একশত চৌদ্দটি মাকাম
কোরানে যেমন ১১৪টি সুরা রয়েছে তেমনি আমাদের দেহের মাঝেও ১১৪টি মাকাম রয়েছে, মাকাম মানে স্থান, দেহের মাঝে ১১৪টি মূখ্য স্থান রয়েছে যে সব স্থানকে অনেক গায়ক দেহ তত্ত্ব গানে থানা বলে উল্লেখ করে থাকেন।
এই প্রতিটি মাকামেই প্রয্যলমান নূরের শক্তি রয়েছে। যাহার পুর্ণাঙ্গ জ্ঞান আপন মুর্শিদের নিকট হতেই আত্মস্থ করতে হয়।

৪-দশটি দরজা
দেহের মাঝে দশটি দরজা রয়েছে
যেমনঃ চোখ নাক কান মুখ পুরসাবের রাস্তা ও পায়খানার রাস্তায় মোট ৯টি দরজা রয়েছে।
একটি গানে বলেন
দেহ ঘড়ি চৌদ্দ তালা তার ভিতরে দশটি নালা,
নয়টি খোলা একটি বন্ধগোপন একটি নালা আছে
মন আমার দেহ ঘড়ি সন্ধান করি কোন মিস্তিরি বানাইয়াছে।
এখানে বন্ধ দরজা বলতে নাভিকে বোঝানো হয়ে থাকে, কারন এই দরজাটি জন্মের পরেই বন্ধ করে দেয়া হয়।

৫-দুইশত ছয়টি হাড়ের জোড়া,
এর আর বলার কিছু নেই আগে সাধুগন বলেছেন দেহে ২০৬টি হাড় রয়েছেন আজ তা বিজ্ঞান দ্বারা প্রমাণিত।

৬-বাহাত্তর হাজার নাড়ের জোড়া,
আমাদের দেহের মাঝামাঝি নাভি থেকে কপালের মাঝে সোজাসুজি ভাবে ভাগ করলে হাতের ডান দিক
৩৬ ও বা দিকে ৩৬ হাজার নাড়ি রয়েছেন টোটালি ৭২ হাজার নাড়ি, এও আজ ডাক্তারি সাইন্স দ্বারা প্রমাণিত।

৭-সাত আসমান সাত জমিন,
বার্জিক জগতে যেমনি সাত আসমান সাত জমিন রয়েছে তেমনি আমাদের দেহের মাঝেও সাত আসমান সাত জমিন রয়েছে , যেমন বুকের খাচায় সাতটি এক্সে বা হাড় রয়েছেন এই একেকটি হাড় একেকটি আসমান যাহার উপর রয়েছে।

Address

Dhaka

Opening Hours

09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সুফিবাদের প্রেম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category