নভেম্বর, চেতনার ।।

নভেম্বর, চেতনার ।। To justify the month of November!!

30/11/2025

৭৫ এর আগষ্ট পরবর্তি নভেম্বর পর্যন্ত দেশের সামরিক, বেসামরিক, সরকারি, বেসরকারি সকল শাখাতেই ভারসাম্যহীনতা লক্ষ্যনীয়। নভেম্বরের শুরুতেই আরোও একজন সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ১৫ আগষ্ট এর বিপরীতে পাল্টা ক্যু (সামরিক বাহিনী) সংগঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জিয়াউর রহমানকে অন্তরীণ রেখে অন্যান্য বিষয়ে বিদ্রোহীগণ আলাপ আলোচনার চেষ্টা চালায়।
ঘটে বিশ্ব ইতিহাসে আরোও এক কলংকময় ঘটনা। ১৫ আগষ্ট এবং ৩ নভেম্বর এর ক্যু এবং পাল্টা ক্যু জিঘাংসার খেসারত দিলো জাতী! জেল খানার অভ্যন্তরেই বিভৎস হত্যাকান্ডে হত্যা করা হয় ৪ জাতীয় নেতাকেই।
সর্বশেষ, ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ পরবর্তী ৬ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত যখন বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো সরকারের অবস্থান নেই! সে সময়েই বীর তাহেরের ঘোষনা ছিলো " টু নাইট অর নেভার"! তাই ৭ নভেম্বর ইতিহাসে যে যেভাবেই রূপ দান করুন, কর্ণেল তাহের ই সেই অভ্যুথান, বিপ্লব, অসমাপ্ত বিপ্লব কিংবা সিপাহী-জনতার সংহতির নায়ক। তাই ৩১ অক্টোবর ২০২৫ জাসদের ৫৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সিপিবি'র সভাপতি বরেণ্য রাজনীতিবিদ মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, বাংলাদেশে বংগবন্ধু শেখ মুজিবের ছবি থাকবে, সাথে মাওলানা ভাসানির ছবি থাকবে এবং থাকবে কর্ণেল তাহেরের ছবি। (৭ নভেম্বর, ২০২৫ সমাপ্ত)।

30/11/2025

স্বাধীনতা যুদ্ধে নিয়োজিত সেক্টর কমান্ডারদের অনেকেই যুদ্ধ পরবর্তি স্বাধীন ও বিধ্বস্ত বাংলাদেশের রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে ভূমিকা পালন করেন।
এক্ষেত্রে স্বাধীনতা অব্যবহিত মেজর জলিল এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) অনবদ্য এবং অবিচ্ছেদ্য। বলাবাহুল্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিষয়ে "সিরাজুল আলম খান" ঘিরে নিউক্লিয়াস, পূর্ব পাকিস্থান ছাত্রলীগ সর্বোপরি শ্রমিক-কৃষক সমন্বয়ে একটি প্রকৃত "জনযুদ্ধ" পরিচালন ছিলো স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক উপাখ্যান। যদিও এই রাজনৈতিক উপাখ্যানের একক নেতৃত্বে ছিলেন বংগবন্ধু শেখ মুজিব তথাপিও .. কাজী আরেফ আহমেদ এবং আব্দুর রাজ্জাক সহ আ,স,ম আব্দুর রব, শাহাজাহান সিরাজ, নূর আলম জিকু, মাইনুদ্দিন খান বাদল, শরিফ নূরুল আম্বিয়া এবং হাসানুল হক ইনু র মতো তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থান ছাত্রলীগের শত-সহস্র নেতা কর্মীগণের বিপ্লবী ভুমিকা গুলো আজও উপেক্ষিত। বলাবাহুল্য, বাংলাদেশ রাজনীতির দাদা খ্যাত সিরাজুল আলম খানের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ছাত্রলীগের এই বিপ্লবী ধারার বাহিরে শেখ ফজলুর রহমান মণি, তোফায়েল আহমেদ, নূরে আলম সিদ্দিকি এবং আব্দুল কুদ্দুস খান মাখন প্রভূত ছাত্রলীগের নেতা কর্মী গণের অন্য একটি ধারার উপস্থিতিও এ সময়ে লক্ষ্যনীয়।
কার্যত: সিরাজুল আলম খান, কাজী আরেফ আহমেদ এবং আব্দুর রাজ্জাকের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ এবং ছাত্রলীগের বিপ্লবী ধারাটি বংগবন্ধু'র নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্থান তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে দৃঢ় অবস্থান এবং একটি দীর্ঘমেয়াদী জনযুদ্ধের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করন ছিলো এ দেশের স্বাধীনতার রাজনৈতিক পট।
স্বাধীনতা পরবর্তি সামরিক এবং রাজনৈতিক আদর্শগত সম্মিলনে মেজর জলিল এবং সিরাজুল আলম খান গণের সাথে যুক্ত হয় আরোও একটি নাম.. আবারও সেই " কর্ণেল তাহের"!
স্বাধীনতার ৫ বছরের মধ্যেই জাতীর জনক হত্যাকান্ড দেশের সামরিক বিভাগকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। ১৫ আগষ্ট মূলত: একটি সামরিক ক্যু! অভ্যুত্থান নয়। পরিবার সহ শেখ মুজিব হত্যা ছিলো সু শাষন প্রতিষ্ঠার আড়ালে এ দেশের সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখলের নোংরা মানষিকতা! যা পিলখানা ট্রাজেডীর সাথেই সমান্তরাল। যাইহোক, শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডের পর ক্ষমতাসীন খন্দকার মোশতাক এবং তৎকালীন বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের দায়িত্ব প্রাপ্ত সরকার কার্যত: একটি অদক্ষ, অপরিণত এবং অকার্যকর সরকারের বিমূর্ত প্রতীক.. (চলবে)

30/11/2025

৭ নভেম্বর ২০২৫
৩১ অক্টোবর ২০২৫ জাসদের ৫৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বাংলাদেশ জাসদ আয়োজিত একটি আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম।
৫৩ বছর যাবৎ ৪২, বলাকা ভবন ঘিরে পরিচালিত অন্য অনেক কর্মসূচির মাঝে অন্তত ১৫টি বছর ৪টি দিবস পালন করেছি পালাক্রম অন্তরে, অন্তরেই! মনের গহীনে জমে থাকা প্রচন্ড আবেগি আর আদর্শিক ভাবনায় বলা যায় উন্মুখ থেকেছি ফি বছর! সেই বিশেষ ৪টি দিনের প্রতীক্ষায়। মহান ভাষা শহীদ দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি, স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ এবং বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় দিবসগুলোর বাহিরে বিশেষ ৪টি দিন।
বছরের শুরুতেই..
৪ জানুয়ারি, ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। অত:পর জুলাই..
২১ জুলাই, শহীদ লে: কর্ণেল (অব:) আবু তাহের (বীরত্তোম) এর মৃত্যু বার্ষিকী।
৩১ অক্টোবর, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং
বছরের শেষপ্রান্তে
৭ নভেম্বর, সিপাহী জনতার অভ্যুত্থান এবং বিপ্লব ও সংহতি দিবস।
যদিও ৪টি দিনের মধ্যে দুটি দিনের সম্মিলন কেবলমাত্র একজন ঘিরেই!
২১ জুলাই ১৯৭৬, মূলত: ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ এর সনদ। পটভূমিতে ১৯৭১ সাল! বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নিয়োজিত অনন্য সেক্টর কমান্ডার! তৎকালীন পাকিস্থান সেনাবাহিনীর সেরা প্যারাট্রুপার! বিশ্বের যে কোনো দেশে যে কোনো সময়ে সেনাবাহিনীর সাথে যোগদানের ক্ষমতা প্রাপ্ত সেনা, অপেক্ষায় ছিলেন! এমন দিনের জন্যই নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন, জড়িয়েছিলেন পাকিস্থান সেনাবাহিনীতে। "শত্রুর মোকাবেলা ক্ষমতা রপ্ত করেছিলেন শত্রু শিবিরেই"। আমি সত্যিই শিহরিত হই আজ, এখনো যখন ভাবি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতোকত্তর আবু তাহেরের পাকিস্থান সেনাবাহিনীতে যোগদানের মূল উদ্দেশ্যই ছিলো " বাংলাদেশের স্বাধীনতা"!!। নভেম্বর ১৯৭১, সম্মুখ সমরে গুরুতর আহত (দেহ থেকে একটি পা বিচ্ছিন্ন) অবস্থাতেই উপস্থিত সতীর্থ, সৈনিকগণের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন। বার,বারই বলেছেন, "বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত"! ১৪ নভেম্বর, আবু তাহের তার জন্মদিনটিকে জন্মভূমির স্বাধীনতার সাথে গেথে দিয়েছিলেন! ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের একমাস আগেই গুরুতর আহত কমান্ডার নিশ্চিত বিজয়ের কথা বলছেন! কেন? কিভাবে, কোন প্রেক্ষিতে!?
সবার উদ্দেশ্যে বলেছেন " দেখো ওরা (পাকিস্থান সেনা) আমার বুকে গুলি লাগাতে পারেনি! আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত!"। .. চলবে

Address

Kafrul
Dhaka
1206

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নভেম্বর, চেতনার ।। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category