নভেম্বর, চেতনার ।।

নভেম্বর, চেতনার ।। To justify the month of November!!

30/11/2025

৭৫ এর আগষ্ট পরবর্তি নভেম্বর পর্যন্ত দেশের সামরিক, বেসামরিক, সরকারি, বেসরকারি সকল শাখাতেই ভারসাম্যহীনতা লক্ষ্যনীয়। নভেম্বরের শুরুতেই আরোও একজন সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ১৫ আগষ্ট এর বিপরীতে পাল্টা ক্যু (সামরিক বাহিনী) সংগঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জিয়াউর রহমানকে অন্তরীণ রেখে অন্যান্য বিষয়ে বিদ্রোহীগণ আলাপ আলোচনার চেষ্টা চালায়।
ঘটে বিশ্ব ইতিহাসে আরোও এক কলংকময় ঘটনা। ১৫ আগষ্ট এবং ৩ নভেম্বর এর ক্যু এবং পাল্টা ক্যু জিঘাংসার খেসারত দিলো জাতী! জেল খানার অভ্যন্তরেই বিভৎস হত্যাকান্ডে হত্যা করা হয় ৪ জাতীয় নেতাকেই।
সর্বশেষ, ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ পরবর্তী ৬ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত যখন বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো সরকারের অবস্থান নেই! সে সময়েই বীর তাহেরের ঘোষনা ছিলো " টু নাইট অর নেভার"! তাই ৭ নভেম্বর ইতিহাসে যে যেভাবেই রূপ দান করুন, কর্ণেল তাহের ই সেই অভ্যুথান, বিপ্লব, অসমাপ্ত বিপ্লব কিংবা সিপাহী-জনতার সংহতির নায়ক। তাই ৩১ অক্টোবর ২০২৫ জাসদের ৫৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সিপিবি'র সভাপতি বরেণ্য রাজনীতিবিদ মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, বাংলাদেশে বংগবন্ধু শেখ মুজিবের ছবি থাকবে, সাথে মাওলানা ভাসানির ছবি থাকবে এবং থাকবে কর্ণেল তাহেরের ছবি। (৭ নভেম্বর, ২০২৫ সমাপ্ত)।

30/11/2025

স্বাধীনতা যুদ্ধে নিয়োজিত সেক্টর কমান্ডারদের অনেকেই যুদ্ধ পরবর্তি স্বাধীন ও বিধ্বস্ত বাংলাদেশের রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে ভূমিকা পালন করেন।
এক্ষেত্রে স্বাধীনতা অব্যবহিত মেজর জলিল এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) অনবদ্য এবং অবিচ্ছেদ্য। বলাবাহুল্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিষয়ে "সিরাজুল আলম খান" ঘিরে নিউক্লিয়াস, পূর্ব পাকিস্থান ছাত্রলীগ সর্বোপরি শ্রমিক-কৃষক সমন্বয়ে একটি প্রকৃত "জনযুদ্ধ" পরিচালন ছিলো স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক উপাখ্যান। যদিও এই রাজনৈতিক উপাখ্যানের একক নেতৃত্বে ছিলেন বংগবন্ধু শেখ মুজিব তথাপিও .. কাজী আরেফ আহমেদ এবং আব্দুর রাজ্জাক সহ আ,স,ম আব্দুর রব, শাহাজাহান সিরাজ, নূর আলম জিকু, মাইনুদ্দিন খান বাদল, শরিফ নূরুল আম্বিয়া এবং হাসানুল হক ইনু র মতো তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থান ছাত্রলীগের শত-সহস্র নেতা কর্মীগণের বিপ্লবী ভুমিকা গুলো আজও উপেক্ষিত। বলাবাহুল্য, বাংলাদেশ রাজনীতির দাদা খ্যাত সিরাজুল আলম খানের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ছাত্রলীগের এই বিপ্লবী ধারার বাহিরে শেখ ফজলুর রহমান মণি, তোফায়েল আহমেদ, নূরে আলম সিদ্দিকি এবং আব্দুল কুদ্দুস খান মাখন প্রভূত ছাত্রলীগের নেতা কর্মী গণের অন্য একটি ধারার উপস্থিতিও এ সময়ে লক্ষ্যনীয়।
কার্যত: সিরাজুল আলম খান, কাজী আরেফ আহমেদ এবং আব্দুর রাজ্জাকের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ এবং ছাত্রলীগের বিপ্লবী ধারাটি বংগবন্ধু'র নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্থান তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে দৃঢ় অবস্থান এবং একটি দীর্ঘমেয়াদী জনযুদ্ধের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করন ছিলো এ দেশের স্বাধীনতার রাজনৈতিক পট।
স্বাধীনতা পরবর্তি সামরিক এবং রাজনৈতিক আদর্শগত সম্মিলনে মেজর জলিল এবং সিরাজুল আলম খান গণের সাথে যুক্ত হয় আরোও একটি নাম.. আবারও সেই " কর্ণেল তাহের"!
স্বাধীনতার ৫ বছরের মধ্যেই জাতীর জনক হত্যাকান্ড দেশের সামরিক বিভাগকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। ১৫ আগষ্ট মূলত: একটি সামরিক ক্যু! অভ্যুত্থান নয়। পরিবার সহ শেখ মুজিব হত্যা ছিলো সু শাষন প্রতিষ্ঠার আড়ালে এ দেশের সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখলের নোংরা মানষিকতা! যা পিলখানা ট্রাজেডীর সাথেই সমান্তরাল। যাইহোক, শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডের পর ক্ষমতাসীন খন্দকার মোশতাক এবং তৎকালীন বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের দায়িত্ব প্রাপ্ত সরকার কার্যত: একটি অদক্ষ, অপরিণত এবং অকার্যকর সরকারের বিমূর্ত প্রতীক.. (চলবে)

30/11/2025

৭ নভেম্বর ২০২৫
৩১ অক্টোবর ২০২৫ জাসদের ৫৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বাংলাদেশ জাসদ আয়োজিত একটি আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম।
৫৩ বছর যাবৎ ৪২, বলাকা ভবন ঘিরে পরিচালিত অন্য অনেক কর্মসূচির মাঝে অন্তত ১৫টি বছর ৪টি দিবস পালন করেছি পালাক্রম অন্তরে, অন্তরেই! মনের গহীনে জমে থাকা প্রচন্ড আবেগি আর আদর্শিক ভাবনায় বলা যায় উন্মুখ থেকেছি ফি বছর! সেই বিশেষ ৪টি দিনের প্রতীক্ষায়। মহান ভাষা শহীদ দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি, স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ এবং বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় দিবসগুলোর বাহিরে বিশেষ ৪টি দিন।
বছরের শুরুতেই..
৪ জানুয়ারি, ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। অত:পর জুলাই..
২১ জুলাই, শহীদ লে: কর্ণেল (অব:) আবু তাহের (বীরত্তোম) এর মৃত্যু বার্ষিকী।
৩১ অক্টোবর, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং
বছরের শেষপ্রান্তে
৭ নভেম্বর, সিপাহী জনতার অভ্যুত্থান এবং বিপ্লব ও সংহতি দিবস।
যদিও ৪টি দিনের মধ্যে দুটি দিনের সম্মিলন কেবলমাত্র একজন ঘিরেই!
২১ জুলাই ১৯৭৬, মূলত: ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ এর সনদ। পটভূমিতে ১৯৭১ সাল! বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নিয়োজিত অনন্য সেক্টর কমান্ডার! তৎকালীন পাকিস্থান সেনাবাহিনীর সেরা প্যারাট্রুপার! বিশ্বের যে কোনো দেশে যে কোনো সময়ে সেনাবাহিনীর সাথে যোগদানের ক্ষমতা প্রাপ্ত সেনা, অপেক্ষায় ছিলেন! এমন দিনের জন্যই নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন, জড়িয়েছিলেন পাকিস্থান সেনাবাহিনীতে। "শত্রুর মোকাবেলা ক্ষমতা রপ্ত করেছিলেন শত্রু শিবিরেই"। আমি সত্যিই শিহরিত হই আজ, এখনো যখন ভাবি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতোকত্তর আবু তাহেরের পাকিস্থান সেনাবাহিনীতে যোগদানের মূল উদ্দেশ্যই ছিলো " বাংলাদেশের স্বাধীনতা"!!। নভেম্বর ১৯৭১, সম্মুখ সমরে গুরুতর আহত (দেহ থেকে একটি পা বিচ্ছিন্ন) অবস্থাতেই উপস্থিত সতীর্থ, সৈনিকগণের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন। বার,বারই বলেছেন, "বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত"! ১৪ নভেম্বর, আবু তাহের তার জন্মদিনটিকে জন্মভূমির স্বাধীনতার সাথে গেথে দিয়েছিলেন! ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের একমাস আগেই গুরুতর আহত কমান্ডার নিশ্চিত বিজয়ের কথা বলছেন! কেন? কিভাবে, কোন প্রেক্ষিতে!?
সবার উদ্দেশ্যে বলেছেন " দেখো ওরা (পাকিস্থান সেনা) আমার বুকে গুলি লাগাতে পারেনি! আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত!"। .. চলবে

02/02/2025

অন্তর্বতীই হোক কিংবা তত্বাবধায়ক! সরকারের ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন, পরিবর্তিত রুপেই ফিরে আসবে।
বর্তমান সরকার অতীতের যে কোনো তত্ত্বাবধায়কের তুলনায় অসফল! কোনো, কোনো ক্ষেত্রে সরকারের আর্থিকনীতি-কৌশল ধনীক শ্রেনীর পক্ষে, সরাসরি গণ মানুষের বিপক্ষে অবস্থান গড়ছে! শোষণ আরও তীব্রতর, জীবন যাত্রা ব্যয় বাড়ছেই!। অন্যদিকে,
"ছাত্র সমন্বয়ক, ছাত্র নেতা নন"!
বিষয়টি ব্যাখার দাবি রাখলেও উপদেষ্টাদের কেউ,কেউ ব্যার্থতার বেশে অন্যায় মত ও পথকে দর্শনাকারে চাপিয়ে দিচ্ছেন!। আপোষহীন, দুর্বার ছাত্র আন্দোলন ছাড়া, গণ-অভ্যুত্থান অসম্ভব!। আমাদের দেশে ৭ নভেম্বর ব্যাতিত এ যাবৎ কালের সংগঠিত সকল অভ্যুত্থানেই ছাত্র নেতৃত্ব, গণ-মানুষের আকাংখিত হলেও অভ্যুত্থান পরবর্তী বিপ্লবের পূর্বেই সব বিলীন হয়েছে! অনাকাংখিত আর অপ্রত্যাশিত রাজনীতির চোরা গলি!, যেনো নির্ধারিতই..!।
ধন্যবাদ।
"কর্ণেল তাহের বৃগেড "
মিরপুর-১৪।

দ্বিতীয় পরাধীনতা..৫ আগষ্ট পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতি এবং রাষ্ট্রনীতি নতুনভাবে তৈরি হবে। এবারের অভ্যুত্থানকে অনেকেই এরইমধ...
09/11/2024

দ্বিতীয় পরাধীনতা..
৫ আগষ্ট পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতি এবং রাষ্ট্রনীতি নতুনভাবে তৈরি হবে। এবারের অভ্যুত্থানকে অনেকেই এরইমধ্যে দ্বিতীয় স্বাধীনতা উল্লেখ করেছেন যদি তাই হয় তাহলে খুঁজেতে হবে আমাদের দ্বিতীয় পরাধীনতার দিনটি কবে? কিভাবে?! আরও পড়ুন নিচের লিংকে..

নভেম্বর ৭, ২০২৪। ৫ আগষ্ট পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতি এবং রাষ্ট্রনীতি নতুনভাবে তৈরি হবে। এবারের অভ্যুত্থানকে অনে.....

Changes:07পরিশেষে পূঁজিবাদেই যেমন পূঁজিবাদের ধ্বংস নিহীত থাকে ঠিক তেমনিভাবে, আজকের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থান...
07/08/2024

Changes:07
পরিশেষে পূঁজিবাদেই যেমন পূঁজিবাদের ধ্বংস নিহীত থাকে ঠিক তেমনিভাবে, আজকের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামীলীগই আওয়ামিলীগ ধ্বংসের মূল কারণ হলো, অন্যদিকে ৫২ বছর আগে বিভক্ত ছাত্রলীগের সেই অংশটিই হলো কালিমালিপ্ত, বলির পাঠা।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সংগঠনের ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলনের আজ ২য় দিন। আজ ৫ আগষ্ট, ২০২৪ নির্ধারিত ঢাকা অভিমুখে ছাত্রদের লং মার্চ এবং পরবর্তীতে গণভবন ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চলছে চাপা উত্তেজনা। থমথমে পরিবেশে সকাল থেকেই আবারও বন্ধ করা হয়েছে ইন্টারনেট এরই মাঝে শোনা গেলো জাতির উদ্দেশ্যে সেনাপ্রধান ভাষন দিবেন, দুপুর ২:০০ সময়ে তার ভাষন দানের পূর্ব পর্যন্ত সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সবাইকে শান্ত থাকার অনুরোধ করা হয়।
সর্বশেষ বিকাল ৩:০০ এবং পরবর্তীতে আবারও সময় পরিবর্তন করে বিকাল ৪:৩০ সময়ে জাতির উদ্দেশ্যে সেনাপ্রধানের ভাষন প্রদানের সিদ্ধান্ত নিলেও ছাত্ররা আর অপেক্ষায় থাকেনি। বিকাল ৩:০০ সময়ের কাছাকাছি সময়েই ছাত্ররা গনভবন দখলে নেয়! কোনো রকম প্রতিরোধ, প্রতিকুলতা ছাড়াই পতন ঘটলো ১৬ বছরের দোর্দণ্ড, প্রতাপশালী সরকারের।
ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত স্বৈরাচারী সরকারের সমস্ত ধাপই প্রয়োগ করেছিলো! তবু শেষ রক্ষা হলো না! বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন বংগবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা।
এখন সময় রাত ৮:০০! পরিস্থিতি ঘোলাটে এবং বিপদজনক আকার ধারণ করেছে, বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ সংঘটিত হচ্ছে, সম্ভবত বাংলাদেশের প্রতি প্রান্তরেই এখন শুধু গুলির শব্দ।
দেশে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে এ মূহুর্তে সেনাবাহিনীর কার্যকর ভূমিকা পালনই অন্যতম পথ।

Changes :06গতকাল অসহযোগ আন্দোলনের ডাকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের ১৫ টি নির্দেশনা যেনো বাংলাদেশের স্বাধীনতা পূর্ব  পাকিস্তান...
07/08/2024

Changes :06
গতকাল অসহযোগ আন্দোলনের ডাকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের ১৫ টি নির্দেশনা যেনো বাংলাদেশের স্বাধীনতা পূর্ব পাকিস্তানী শাসকদের বিরুদ্ধে জাতির জনকের অসহযোগ আন্দোলনেরই আরেক রূপ। কি নিদারুন সত্য! তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ সহ গন মানুষের নেতা বংগবন্ধুর সেদিনের অসহযোগ আন্দোলনের ধারাবাহিক রীতিই আজ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সহ আওয়ামী ছাত্রলীগ, যুবলীগ তথা ক্ষমতাসিনদের বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলন। এক দফার দাবিতে চলমান অসহযোগ আন্দোলনে আগামীকাল ২য় দিনেও কর্মসূচি রেখেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-নাগরিকগণ। বেড়ে চলা মৃত্যুর মিছিল কিংবা জরুরী অবস্থা, কার্ফু জারি কোনকিছুই আজ আর বাধা নয়! সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে সরাসরি রাজধানী অভিমুখে যাত্রা কর্মসূচিই এখন মূক্ষ্য বিষয়। আরও একটি রাজনৈতিক ইতিহাস গড়ার সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশ! সাধারণ ছাত্র সমাজের বিপরীতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (আওয়ামী) আজ কলংকিত! যদিও স্বাধীনতার অব্যবহিত ছাত্রলীগের বিভক্তিতে জাসদ এবং সমাজতন্ত্র সমর্থিত ছাত্রলীগের অন্য অংশটি এই কলংকের সাথে সম্পৃক্ত নয়। বরং গত ৫০ বছরে এই প্রথম প্রমানিত হলো ছাত্রলীগ কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের অংগ সংগঠন ছিলো না, ছাত্রলীগের ইতিহাস স্বাধীন, স্বকীয় ধারার গৌরবজ্জল ইতিহাস। আমাদের মনে রাখতে হবে এদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি! একটি স্বাধীন দেশের জাতীয় পতাকা, পতাকা উত্তোলন, স্বাধীনতার স্লোগান, স্বাধীন দেশের জাতীয় সংগীত এমনকি দেশের স্বাধীনতার ইশতেহার সকল কিছুই নির্ধারিত হয়েছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের মাধ্যমেই! ৬২ থেকে ৭১ এই নয় বছরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামীলীগের কোনো দান নেই! অথচ স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ একমাত্র জাতির জনক বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের বিভক্তিকে কাজে লাগিয়ে রাতারাতি এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধ তথা মুক্তিযোদ্ধাদের একচ্ছত্র দাবিদার রূপে অধিষ্ঠিত করে। সামরিক শাসন আমলেও এ দলটি তার চতুর এবং বহুরূপী পূঁজিবাদী ধারণাতে সক্রিয় থাকে। অবশেষে খোদ বংগবন্ধুর নির্দেশিত এই চাটার দলটি বিভক্ত ছাত্রলীগের এক অংশকে সাথে নিয়ে গত ১৫ বছরের শাসন আমলে কট্রর পূঁজিবাদী, অসীম মুনাফালোভী, প্রবল দূর্নীতিবাজ এবং অর্থ পাচারকারীর দলে পরিনত হয়।

Changes :05দুপুর গড়িয়ে বিকাল..  অবস্থা ক্রমশই ঘোলাটে! আওয়ামীলীগের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি ঘোষণা..পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূ...
07/08/2024

Changes :05
দুপুর গড়িয়ে বিকাল.. অবস্থা ক্রমশই ঘোলাটে! আওয়ামীলীগের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি ঘোষণা..
পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি পালন, প্রত্যাহার, পুনঃপালন বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ঘোষণায় নিশ্চিত দ্বিধাবিভক্তি! অথবা চিরাচরিত দলীয় কৌশল সে যাইহোক! প্রতিটি সিদ্ধান্তই যেনো ফিরে আসছে! বুমেরাং হয়ে। সাধারণ ছাত্রদের বিরুদ্ধে রাজপথে সরকার তার শেষ শক্তি প্রয়োগ করছে, বিভিন্ন স্থানে আওয়ামীলীগ এবং আওয়ামীলীগের অংগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে সংঘর্ষ হচ্ছে। এভাবে আর কতক্ষন? ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে ক্ষমতাসীনদের পথ! আগের রাতেই সেনাবাহিনী প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্ব এবং কার্যক্রম তুলে ধরেছেন, পুলিশ প্রশাসনও আগের মতো নেই! অন্যান্য পেশাজীবীদের মাঝেও পরিবর্তন আসছে অনবরতই। বাংলাদেশে আরও একবার প্রমানিত হতে চলেছে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কখনো কোনো রাজনৈতিক দলেরই অবস্থানগত উন্নয়ন কে সুগঠিত করে না। যেকোনো রাজনৈতিক দলের অবস্থানগত উন্নয়ন একটি আদর্শিক বিষয়। গত ১৬ বছর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধীন থাকলেও আওয়ামীলীগ এবং আওয়ামীলীগের কোনো অংগ কিংবা সহযোগী সংগঠনের মধ্যে ছিলোনা কোনো রাজনৈতিক আদর্শ গত আলোচনা, শিক্ষা কিংবা সামান্য চর্চাও! জাতি গঠনের কোনো পর্যায়েই পাওয়া যায়নি সংগঠনের কোনো তাৎপর্য মূলক কর্মকাণ্ড। দু:ক্ষ ও পরিতাপের বিষয় হচ্ছে বহু অভ্যুত্থানের সক্রিয় স্বাক্ষী পুরনো এই দলটি আজ নিজেই ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের মুখে নিপতিত! শেষ শক্তিতেও শেষরক্ষা হয় না! অতিমাত্রায় প্রশাসন নির্ভর সরকার হঠাৎ প্রশাসনের নিরপেক্ষতাতে দূর্বল হয়। যে কোনো অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে অনৈতিক, অনিয়মতান্ত্রিক, অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার বারংবার কেবল সরকাররের স্বৈরাচারী ভুমিকাকেই প্রমান করে, পতন ঠেকাতে পারেনা। স্বৈরাচারের ইতিহাস কেবলই নির্লজ্জতা আর নির্মমতার ইতিহাস।
এখন রাত ৮:০০। গত কয়েকদিনে ক্রমেই শিথিলতার সময় বাড়লেও আজ সন্ধ্যা ৬:০০ থেকে পুনরায় অনিদৃষ্ট কালের জন্য দেশে জরুরী অবস্থা জারি প্রমান দিচ্ছে আন্দোলন স্তিমিত কিংবা থেমে যাওয়ার পরিবর্তে আরোও জোরদার হয়েছে, সরকার সমর্থিত এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ছাত্র-নাগরিকদের মুখোমুখি সংঘর্ষে আজও ঘটেছে প্রাণহানির বহু ঘটনা। আমি ভাবছি একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন কিভাবে এতোটা রাজনৈতিক দূরদর্শী..

Changes :04১৬ জুলাই, ২০২৪ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে সাধারণ ছাত্রদের আন্দোলন ছিলো বাংলাদেশে আওয়ামীগের অংগ সং...
07/08/2024

Changes :04
১৬ জুলাই, ২০২৪ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে সাধারণ ছাত্রদের আন্দোলন ছিলো বাংলাদেশে আওয়ামীগের অংগ সংগঠন ছাত্রলীগের (একাংশ) বিরুদ্ধে চরম চপোটাঘাত!। পরবর্তি ৪৮ ঘন্টার প্রতিটি ঘন্টা ছিলো ১৬ বছর ব্যাপি ক্ষমতায় থাকা সরকারের এক একটি বছর! দিনে, দিনেই আদালত, সংষ্কার, সমঝোতা,
আদালতের শুনানিও এগিয়ে এলো সেই ২১ জুলাই।
আজ শুনানিও শেষ, যে শুনানির আগেই ঝরে গেছে শত প্রাণ। রেহাই পায় নি ঘরে বসে থাকা ৯ বছরের ছোট্ট শিশুটিও! কি নির্মম! কতটা বিভৎস এ জাতি। হায়! সেলুকাস! কি নৃশংস ঘটনার স্বাক্ষী।
১৯ জুলাই রাত ১২:০০ থেকে কার্ফু শুরুর কিছু আগে তড়িঘড়ি করে শেষ হয়েছে ১৫/২৮, মিরপুর -১৪ তে বসবাসরত পুরাতন হাউজিং কলোনীর বাসিন্দা ৯/১০ বছরের ছোট্ট শিশু সামির জানাজা। স্থানীয় জামেউল উলুম মাদ্রাসার ছাত্র সামিরের লাশ পিছনে গোসলখানায়! সামিরের বাবা সানি! সামনে মাদ্রাসার দিকে তাকিয়ে ডাকছে, সামির.. আরও একটু জোড়ে .. তার আর্তনাদ আর আর্তচিৎকারে আমি বিদীর্ণ!!।
মাঝে ৩ ঘন্টার বিরতি দিয়ে প্রতিদিন কার্ফু জারি চলছে, ঘোষণা হয়েছে আগামীকাল সকাল ১০:০০ থেকে বিকাল ৫:০০ পর্যন্ত শিথিল থাকবে কার্ফু, অফিস-আদালত ও ১১ :০০ থেকে ৩:০০ পর্যন্ত চলবে।
বাংলাদেশে মেধা কোটা ৪৪ ভাগ থেকে বেড়ে ৯৩ ভাগে উন্নিত হয়েছে। এ নিশ্চয়ই অবিশ্বাস্য! পৃথিবীতে অবিশ্বাস্যের ইতিহাস।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাত্রা এখন আর কোটায় আবদ্ধ নেই! সরকার কোটা সংষ্কার বিষয়ে ছাত্রদের দাবির সমর্থনে কাজ করলেও, সরকারি স্থাপনায় ভাংচুর, আগুন এবং ক্ষতিসাধনের বিষয়কে পূঁজি করে বিরোধী দল, ছাত্র সমন্বয়ক তথা সাধারণ ছাত্রদের উপর দমননীতির কৌশল নেয়। ছাত্র সমন্বয়কদের অমানুষিক নির্যাতন ছাড়াও ডিবি অফিস ঘিরে অস্বস্তিকর, আস্থাহীনতার ঘটনায় কোটা সংষ্কার আন্দোলন ভিন্নমাত্রায় রূপ নিচ্ছে, এতে কোনও সন্দেহই নাই। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষতির বাহিরে ঘটে যাওয়া যে অপরিসীম ক্ষতি ইন্টারনেট সহ অন্যান্য যোগাযোগে বাধার কারনে জানা যায়নি! তাও স্পষ্ট হয়েছে! কল্পনাতিত ভাবে, নির্বিচার গুলিবর্ষণ! নিজ ঘরের জানালার ধারে, বারান্দায়, বাড়ির ছাদেও পৌঁছেছে গুলি! শিশুসহ ঝরে গেছে ২ শতাধিক প্রাণ। অবিশ্বাস্যের ইতিহাস এই বাংলায়..
একটি নির্দলীয়, সাধারণ ছাত্র আন্দোলন আজ সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে অসহযোগ আন্দোলনে অবতীর্ণ। আজ ৪ আগষ্ট ২০২৪,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সংগঠনের ডাকে অসহযোগ আন্দোলনের ১ম দিন।

Changes:03২১ জুলাই ১৯৭৬ এর আগে ২১ জুলাই ১৯৭২ ছিলো আরও একটি স্মরণীয় দিন! মূলত: যেদিন থেকেই শুরু হয়েছিলো স্বাধীনতাত্তোর বা...
07/08/2024

Changes:03
২১ জুলাই ১৯৭৬ এর আগে ২১ জুলাই ১৯৭২ ছিলো আরও একটি স্মরণীয় দিন! মূলত: যেদিন থেকেই শুরু হয়েছিলো স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিভক্তি! বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে মূল ভূমিকা পালনকারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ থেকেই এ বিভক্তির শুরু, স্বাধীনতা ছাড়াও পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের রাজনৈতিক আদর্শগত বিভক্তি ছিলো স্পষ্ট! বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সমাজতন্ত্র কে সামনে রেখে একটি অংশ ক্রমশই বিপ্লবী রুপ নেয়! অন্য অংশটি পাকিস্তান রাষ্ট্র কাঠামোর ভিতরে থেকেই সরকার প্রশাসনের সাথে আলোচনার মাধ্যমেই দাবি আদায়ের পথে থাকে। ১৯৭০ সালে তৎকালীন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সভা এবং আলোচনা সমূহের পর্যালোচনায় "একটি স্বাধীন সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ " গঠনের প্রস্তাব পর্যালোচনাই সে বিভক্তির প্রমান। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের ২১ জুলাই ঢাকার পল্টন এবং রেসকোর্স ময়দানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দুই-দুইটি সভা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কার্যত বিভক্ত হয় ঐতিহাসিক সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
সভা চলাকালীন সময়ের এক পর্যায়ে জাতির জনক, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাত্রলীগ এক অংশের সভায় উপস্থিত হন। ইতিহাসে আছে পরবর্তী ৩ মাসের মধ্যেই অন্য অংশের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশে অভ্যুদয় ঘটে প্রথম রাজনৈতিক দল, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, জাসদ।
রাজনৈতিক দল পরিচয়ে জাসদ প্রতিষ্ঠা এবং প্রতিষ্ঠা পরবর্তী দলীয় রাজনৈতিক কর্মসূচি ভিন্ন আলোচনা, মূল বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বিভক্তিতে জাতীয় রাজনৈতিক পরিসরে পরিবর্তনের যে পরিকল্পনা তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। একটি "জাতীয় সরকার" এবং একটি "সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র" বাংলাদেশে সরকার এবং রাষ্ট্র কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য বিষয় যা ছিলো, আছে, বলা যায় থাকবেও। প্রসঙ্গত:
৬ বছর আগেও কোটা সংস্কারে ছাত্র আন্দোলন হয়েছে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আছে ১৬ বছর! ৬ বছরে এই বিষয়ে কে কোথায় কি করেছেন বর্ণনা ব্যতিরেকে বলা যায় কেবল অবহেলা! বিষয়টি নিয়ে সরকারের অযাচিত মিথ্যাচার, অহেতুক লুকোচুরি, দমননীতি আন্দোলন স্তিমিত হওয়ার পরিবর্তে ভিতরে, ভিতরে সুপ্ত, চাপা ক্ষোভ স্ফুলিঙ্গের রূপ ধারন করে, ১৫ জুলাই, ২০২৪ সরকারের চিরাচরিত এবং অনন্য দমন কৌশলে ছাত্রলীগ (এক অংশ) যেনো অগ্নিতে ঘৃতাহুতি ই!!। আওয়ামী ছাত্রলীগের সন্ত্রাস এবং নির্লজ্জ কর্মকাণ্ডই পরের দিনের বিভীষণ বিভীষিকার সৃষ্টি!।

Changes :02যদিও ৪/৫ দিন আগে কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্তব্যকে ছাত্ররা ভালোভাবে নেয়নি! মাননীয়...
07/08/2024

Changes :02
যদিও ৪/৫ দিন আগে কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্তব্যকে ছাত্ররা ভালোভাবে নেয়নি! মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আরও একটু ভেবে মন্তব্য করতে পারতেন বলেও ছাত্ররা তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেছে বিষয়টি আমি মিডিয়ায় দেখেছি! প্রধানমন্ত্রী মূলত: আদালতের নির্দেশনা/আসন্ন রায়ের প্রতি ইংগিত রেখে আন্দোলনরত ছাত্রদের রাজপথে সময় নষ্ট না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন! কোন, কোন সংবাদ মাধ্যম প্রধানমন্ত্রীর এই পরামর্শ কে ছাত্রদের জন্য হুশিয়ারিও বলে মন্তব্য করে। সে যাইহোক.. আমি ভাবছি আজ কি ঘটেছে? কি কারণে গভীর রাতেও ছাত্ররা ঢাকার রাস্তায়!! । মিরপুর ১, ২, ১০ পর্যন্ত আসতে আসতে রাস্তায় আরও যা দেখেছি! কেবলই সংকিত হয়েছি! আমি জানি অধিকার আদায়ের দাবিতে ছাত্র আন্দোলন, অন্য যে কোনো প্রকার আন্দোলনের চেয়ে ভিন্ন এবং তীব্রতর হয়। বলাবাহুল্য নির্ধারিত সময়ের আগেই চীন সফর শেষে আনুষ্ঠানিক সাংবাদিক সম্মেলনে চলমান কোটা সংস্কারে ছাত্র আন্দোলন বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্য! প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ বা হুশিয়ারির পর কোটা নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা 'র ছেলে/মেয়ে, নাতি/পুতি এবং রাজাকারের ছেলে/মেয়ে, নাতি/পুতি কিভাবে, কেনোইবা সম্পৃক্ত হলো?! সত্যি বলতে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এমন বক্তব্যের পর কোটা বিষয়ে আন্দোলনরত ছাত্র, অভিভাবক তথা দেশবাসীর মাঝে এক ধরনের অস্বস্তিই বিরাজমান, তদপুরি আমাদের দেশে "রাজা যত বলে পরিষদ দলে, বলে তার শতগুণ!" এমন বিষয় গুলো যেনো স্বাভাবিকই! এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী বলতে না বলতেই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রীর ধারাবাহিক আস্ফালন, উলম্ফনমূলক চরম উষ্কানিই .. আমি সে রাতেই দেখেছি গলির মুখে হোন্ডা! দু তিন জনের জটলা! মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পিয়ন যদি ৪০০ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন তাহলে সেতু মন্ত্রী কত টাকা/সম্পদের মালিক? পি এস সি-র ড্রাইভার যদি শত কোটি টাকার মালিক হতে পারেন তাহলে বাংলাদেশ সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রী দূর্নীতিবাজ কেন নয়?! ওবায়দুল কাদেরের বড় গলাই যা প্রমান করার তাই করে! সাধারণ ছাত্রদের একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক আন্দোলনের বিরুদ্ধে ঐ বয়োবৃদ্ধ মন্ত্রীর গতানুগতিক বেপরোয়া পদক্ষেপ, পরিহাস! আর চরম উষ্কানিমূলক বক্তব্যে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (আওয়ামী) আজ কেবলই কলংকিত!।
এ যেনো অদৃষ্টের পরিহাস.. ঘুরে, ফিরে আবারও ২১শে জুলাই!

Address

Kafrul
Dhaka
1206

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নভেম্বর, চেতনার ।। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category