কালের ইতিবৃত্ত-"Kaler Itibritta"

Directions

কালের ইতিবৃত্ত-"Kaler Itibritta" Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from কালের ইতিবৃত্ত-"Kaler Itibritta", History Museum, Chittagong.

30/04/2026

সম্প্রতি সংসদে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের বক্তব্য চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিধিবিধানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তার নির্ধারিত আসনে না বসে এক সারি পেছনে বসেন। সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধির ২৬৭ (৪) ধারা অনুযায়ী, কোনো সদস্য বক্তব্য দেওয়ার সময় স্পিকার এবং সেই সদস্যের মাঝখান দিয়ে অন্য কেউ যাতায়াত করতে পারেন না। মূলত সংসদের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং স্পিকার ও বক্তব্যরত সদস্যের প্রতি মর্যাদা প্রদর্শনের লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী এই শিষ্টাচার মেনে চলেন।

এপ্রিল মাসে এই উপমহাদেশে দুইটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। প্রথমটা আপনারা সবাই জানেন, বাঙলাদেশ তার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র...
29/04/2026

এপ্রিল মাসে এই উপমহাদেশে দুইটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। প্রথমটা আপনারা সবাই জানেন, বাঙলাদেশ তার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইউরেনিয়াম লোড করেছে।

দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে তামিলনাড়ুর কালপাক্কাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে। ওরা নিউক্লিয়ার চুল্লিতে প্লুটোনিয়ামকে কনভার্ট করে ইউরোনিয়াম (২৩৩) বানিয়ে ফেলেছে। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম এমন কিছু ঘটলো। ভারত পুরো পৃথিবীর বিজ্ঞানীদের সারপ্রাইজ় দিয়েছে।


১৯৩০ এর দশকে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে নেইলস বোর সাহেবের ছাত্র ছিলেন হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা। ছাত্র জীবনেই এই লোক এতো বড় গবেষক ছিলেন যে, ওপেনহাইমার, আইনস্টাইনরা ব্যক্তিগতভাবে উনাকে চিনতেন। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর জাহাঙ্গীর ভাবা দেশে ফিরে আসেন। উনার নাম শুনে আপনাদের আমোদিত হওয়ার কিছু নাই। উনি মুসলমান না।


যাইহোক, ভারতের স্বাধীনতার পর নেহরু সাহেব জ্বালানি-স্বনির্ভরতা নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু করেন। পেট্রো ডলারে বন্দি হবার ইচ্ছা উনার ছিল না, বাণিজ্যিক সোলার প্যানেল আবিষ্কার তখনও হয়নি।
জ্বালানি স্বনির্ভতার একমাত্র উপায় ছিল নিউক্লিয়ার পাওয়ার। কিন্তু নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ বানাতে যে ইউরেনিয়াম ২৩৫ দরকার, সেটা ভারতে ছিল না। এর মানে ঘুরে ফিরে আবার ইউরেনিয়াম আমদানী, আবার বিদেশের উপর নির্ভরশীলতা।
হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা তখন একটা বুদ্ধি দেন যে উড়িষ্যার সমুদ্র সৈকতে ইউরেনিয়াম পাওয়া না গেলেও, সেখানে থোরিয়াম পাওয়া যায়। পৃথিবীর বেশিরভাগ থোরিয়াম রিজ়ার্ভই ভারতে। আর থিওরিটিকালি থোরিয়ামকে কনভার্ট করে ইউরেনিয়াম ২৩৫ এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।


থোরিয়ামকে কনভার্ট করার কাজটা সহজ না। পৃথিবীতে আগে কেউ এটা করার কথা কল্পনা করেনি। হোমি ভাবা তখন একটা বিশাল প্রজেক্ট শুরু করেন। এটার তিনটা স্টেপ।


১. ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তানে প্রাপ্ত সস্তা ইউরেনিয়াম ২৩৮ কে কনভার্ট করে প্লুটোনিয়াম বানানো।
২. প্লুটোনিয়ামকে কনভার্ট করে ইউরেনিয়াম ২৩৩ বানানো।
৩. ইউরেনিয়াম ২৩৩ দিয়ে থোরিয়ামকে এক্টিভেট করা - যেন থোরিয়াম নিজে নিজে নিউক্লিয়ার চেইন রিএকশন শুরু করে দেয়। তাহলে আর ইউরেনিয়াম ২৩৫ এর দরকারই নেই। থোরিয়ামই টার্বাইন ঘুরাবে।


হোমি ভাবা নিজেই স্টেপ ১ সফল করে গেছেন। গত ৬ এপ্রিল ভারত সফলভাবে স্টেপ ২ শেষ করেছে। স্টেপ ৩ করতে তাদের সর্বোচ্চ আর ১০ বছর লাগবে।


মানে ২০৪০ সালে ভারত বিদ্যুতের জন্য জ্বালানি তেল, গ্যাস আর কয়লা আমদানী বন্ধ করে দিবে। ফলে ভারত মধ্যপ্রাচ্য আর আমেরিকার কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করবে। অন্যদিকে ভারত সোলার প্যানেল আমদানী কমিয়ে দিবে। সে চীনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করবে। ২০৪০ সালের ভারত হবে জ্বালানি-স্বনির্ভর স্বাধীন দেশ।
আর এপ্রিল মাসের এই অর্জন কেবল বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি না। এই কেন্দ্র থেকে ইতোমধ্যেই তারা ৫০০ মেগাওয়াটের মত বিদ্যুৎ তৈরি করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে।


রেকর্ড ব্রেকিং এই ভয়াবহ অগ্রগতি করত ভারতের মোট খরচ হয়েছে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা। এই ১০ হাজার কোটি টাকার ফল তারা আগামী শত শত বছর পাবে। কারণ এর কোন মেয়াদ নেই।


আর আমরা রূপপুরে খরচ করেছি ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা। এটা আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে এক্সপেনসিভ প্রকল্প। আর এই টাকাটার ৯০% ঋণ করে আনা। তার মানে মোট খরচ আরও বেশি। রাশিয়ার দেওয়া ঋণে ৪% সুদ, মুদ্রাস্ফীতি আর ইউএস ডলার বরাবর টাকার ডিভ্যালুয়েশন হিসেবে নিলে - আমার হিসেবে এটা কমসে কম ২ লাখ কোটি টাকার প্রজেক্ট।
২ লাখ ২০ হাজার কোটিও হতে পারে।


এর মানে নিউক্লিয়ারের অপারেশন কস্ট কম দেখিয়ে সস্তায় বিদ্যুৎ পাওয়ার যে প্রচারণা - এর পুরোটা স্ক্যাম।
হাসিনার স্যাটেলাইট বানানোর খরচ উঠে আসার আগেই যেভাবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট অক্কা পাবে, এলপিজির তুলনায় রূপপুর লাভজনক হওয়ার আগেই এই পারমাণবিক কেন্দ্রটির মৃত্যু ঘটবে। প্রতি ইউনিট ২-৩ টাকায় বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে - এটা সর্বৈব মিথ্যাচার। এই হিসাবে শুধু অপারেশন কস্ট ধরা হয়েছে। বিনিয়োগ, ঋণ, সুদ, মুদ্রাস্ফীতি - এগুলা ধরা হয়নি।


ভারত যে কাজটা ১০-১৫ হাজার কোটিতে করতে পারে, আমরা সেটা রাশানদের ডেকে এনে ২ লাখ কোটিতে করেছি। তাও মাত্র ৬০ বছরের জন্য।


ভারতের সমুদ্র সৈকতে ইউরেনিয়াম নেই। আমাদের সমুদ্র সৈকতেও নেই। কিন্তু উড়িষ্যার মতই আমাদের কক্সবাজার, কুয়াকাটায় প্রচুর পরিমাণে থোরিয়াম আছে। আমরা থোরিয়াম দিয়েই অল্প টাকা খরচ করে বিদ্যুৎ বানাতে পারতাম।


ভারত পরাশক্তি হয়ে ওঠার জন্য তার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিনিয়োগ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাই সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, সেতু নির্মাণ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, রেল প্রযুক্তি, কম্পিউটার সাইন্স, ব্যাংকিং - সবকিছুর খরচ কমিয়ে দিয়েছে।
ভারত এক সেক্টরে পানি ঢেলে সব সেক্টরের আগুন নিভিয়েছে।


আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনিয়োগ করিনি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি বাধ্যতামূলক করেছি। তাই আমাদের প্রতিটা সেক্টর ধরে বিদেশি ভাড়া করতে হয়। এমনকি গার্মেন্টস পর্যন্ত আমরা নিজেরা চালাইতে পারি না। ভারতীয় লাগে। তারপর চড়া দাম দিয়ে, ভ্যাট-ট্যাক্স দিয়ে নিজেই নিজের পাছার ছাল তুলে বিদেশিদের পায়ের জুতা বানিয়ে দিতে হয়।


আমরা ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করি, ঢাকা না দিল্লীর মত অ্যাবসার্ড স্লোগান দিই, সকাল-বিকাল সেভেন সিস্টার্স আলাদা করতে থাকি। কিন্তু কোনদিন শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘেরাও করে বলি না - বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি অফ করতে হবে, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাশানদের ভাড়া করে নিয়ে আসতে হবে, আমেরিকানদের নিয়ে আসতে হবে।


আমরা রূপপুর প্রকল্পে ১২ হাজার টাকায় বালিশ কিনে সেগুলো ৫০০০ টাকায় তুলেছি। একেকটা নাট বল্টু কিনেছি ১ লাখ টাকা দিয়ে। যেমন দূর্নীতির মহোৎসব করেছে বাঙলাদেশ সরকার, তেমনি দূর্নীতি আর ওভারপ্রাইজ় করেছে রাশান সরকার।


গত তিন সরকার আমল ধরে বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে, সব রিসার্চ সেন্টারে ফ্রিতে বিশ্বমানের রিসার্চ ফ্যাসিলিটি এনে দেওয়ার জন্য সরকারের হাতে পায়ে ধরছি। সামান্য এই টাকাটা সরকার নিজে দিবে না, টাকা চাইলে ধান্দাবাজ মনে করবে, নিচু দৃষ্টিতে তাকাবে - সেটা জানি। আত্মসম্মানবোধ থেকে টাকা চাইতেও যাইনি। উলটো টাকা দিতে গেছি।
কিন্তু এই দেশের আমলাতন্ত্র (নট আমলা) এমনই ইনএফিশিয়েন্ট;
সিস্টেম আর সরকার এমনই ডিসফাংশনাল যে মাগনা প্রযুক্তি আর টাকা এনে দিলেও সেটা কুড়িয়ে খাওয়ার যোগ্যতা নেই।


এসব দেশে রাশানরা এসে বিজ্ঞানচর্চা করবে, দেশের সবচেয়ে ক্রিটিকাল সিকিউরিটি ইন্সটলেশন বিদেশিরা নিয়ন্ত্রণ করবে। আর স্বদেশিরা সেই ক্রিটিকাল ইন্সটলেশনের বাইরে দাঁড়িয়ে টিকটক করবে, কুলিং টাওয়ারের পাশের মাঠে ফুড কার্ট বসাবে, তেল চিটচিটে প্লাস্টিকের টেবিলের উপর ছিটা রুটি দিয়ে হাঁসের মাংস খাবে।


-Irfan Sheikh
Jahangirnagar University

24/03/2026

পেট্রো ডলার চুক্তি
পেট্রো ডলার এগ্রিমেন্ট (Petrodollar Agreement) হলো এমন একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যেখানে তেল বিক্রির মূল্য প্রধানত মার্কিন ডলারে নির্ধারিত ও পরিশোধ করা হয়।

🔹 পেট্রোডলার কী?
Petrodollar বলতে বোঝায়—যে ডলার তেল রপ্তানির মাধ্যমে আয় করা হয়। অর্থাৎ, বিশ্বে তেল কিনতে হলে দেশগুলোকে ডলার ব্যবহার করতে হয়।

🔹 পেট্রো ডলার এগ্রিমেন্টের উৎপত্তি
এই ব্যবস্থা শুরু হয় ১৯৭০-এর দশকে।

👉 মূল ঘটনা:
১৯৭১ সালে Bretton Woods System collapse ঘটে।
এরপর ১৯৭৩ সালের Oil Crisis 1973 তেলের বাজারে বড় পরিবর্তন আনে।

তখন United States ও Saudi Arabia-এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হয়।

🔹 চুক্তির মূল বিষয়
এই চুক্তি অনুযায়ী—
সৌদি আরব তেল বিক্রি করবে শুধুমাত্র ডলারে
অন্যান্য দেশও তেল কিনতে বাধ্য হবে ডলারে
সৌদি আরব তাদের আয় করা ডলার আবার মার্কিন অর্থনীতিতে বিনিয়োগ করবে

👉 পরে OPEC-এর অন্যান্য দেশও এই নীতি অনুসরণ করে।

🔹 কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?
✔️ বিশ্বে ডলারের চাহিদা বাড়ায়
✔️ মার্কিন অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে
✔️ ডলারকে আন্তর্জাতিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে

🔹 সুবিধা
যুক্তরাষ্ট্র সহজে ঋণ নিতে পারে
বিশ্ব বাণিজ্যে ডলারের আধিপত্য বজায় থাকে
আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ হয়

🔹 অসুবিধা / সমালোচনা
অন্যান্য দেশ ডলারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে
অর্থনৈতিক বৈষম্য বাড়তে পারে
রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হয়

🔹 বর্তমান অবস্থা
বর্তমানে কিছু দেশ (যেমন রাশিয়া, চীন) ডলারের বাইরে তেল বাণিজ্য করার চেষ্টা করছে, ফলে পেট্রোডলার ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।

🔚 সংক্ষেপে
পেট্রোডলার এগ্রিমেন্ট হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে তেল বাণিজ্য ডলারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে মার্কিন ডলারের আধিপত্য নিশ্চিত করেছে।

ইসলামী অর্থনীতির অন্যতম মৌলিক স্তম্ভ হলো যাকাত। এটি মুসলিম সমাজে আয়ের ন্যায্য পুনর্বিতরণ ও দারিদ্র্য বিমোচনের কার্যকর উপ...
01/10/2025

ইসলামী অর্থনীতির অন্যতম মৌলিক স্তম্ভ হলো যাকাত। এটি মুসলিম সমাজে আয়ের ন্যায্য পুনর্বিতরণ ও দারিদ্র্য বিমোচনের কার্যকর উপায়। বাংলাদেশে, যেখানে ইসলাম প্রধান ধর্ম এবং জনসংখ্যার একটি বড় অংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে, সেখানে যাকাত সামাজিক বৈষম্য হ্রাস ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশ তার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও ইসলামী মূল্যবোধনির্ভর সামাজিক কাঠামোর জন্য পরিচিত। এ প্রেক্ষাপটে যাকাত কেবল দারিদ্র্য নিরসনেই নয়, বরং সামাজিক সম্প্রীতি ও কল্যাণমূলক কর্মকান্ডেও বিশেষ অবদান রাখে। দারিদ্র্য ও বৈষম্যে চিহ্নিত সমাজে কার্যকর যাকাত ব্যবস্থাপনা অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে অপরিহার্য।

বাংলাদেশে যাকাত ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ। সরকারি পর্যায়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত যাকাত তহবিলই একমাত্র রাষ্ট্রীয় কাঠামো, যা ইসলামী নীতিমালা ও জাতীয় স্বার্থের সাথে সামঞ্জস্য রেখে যাকাত সংগ্রহ ও বণ্টনের দায়িত্ব পালন করে। পাশাপাশি, সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট (CZM), মাসতুল ফাউন্ডেশন, আনজুমান মুফিদুল ইসলাম (AMI), ঢাকা আহছানিয়া মিশন (DAM), আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন (QF) ও বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন (BTF) সহ বহু স্বনামধন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যাকাত ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।

শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোও যাকাত তহবিল ব্যবহার করে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, দক্ষতা উন্নয়ন ও জীবিকা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। শুধু অর্থ বিতরণে সীমাবদ্ধ না থেকে এসব উদ্যোগ আর্থসামাজিক উন্নয়ন, সামাজিক গতিশীলতা, নৈতিক দায়িত্ববোধ ধর্মীয় সংহতি জোরদার করে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে সহমর্মিতা ও সম্মিলিত দায়িত্বশীলতার সংস্কৃতি গড়ে উঠছে।©Sadat Sayem.................@@@..................Kazi Jiban-ul Hoque

নীল আকাশে ভেসে চলে সাদা মেঘের ভেলাকখনো তুলোর মতো ছড়িয়ে যায়,কখনো আবার ঝাঁক বেঁধে পথ হারানো পাখির মতো ঘুরে বেড়ায়।এই মেঘগুল...
20/09/2025

নীল আকাশে ভেসে চলে সাদা মেঘের ভেলা
কখনো তুলোর মতো ছড়িয়ে যায়,
কখনো আবার ঝাঁক বেঁধে পথ হারানো পাখির মতো ঘুরে বেড়ায়।

এই মেঘগুলো যেন আমাদের মনেরই প্রতিচ্ছবি
কখনো আনন্দে ভেসে ওঠা সাদা আলো,
কখনো আবার ঝড়ের আভাস নিয়ে আসে।

তবু আকাশ সবসময় একই থাকে—
অসীম, শান্ত, ধৈর্যের প্রতীক।
আমরা যদি চাই,
মেঘের মতো ভেসে থেকেও
আকাশের মতো বিস্তৃত হতে পারি।
Photocredit: Soyeb

রিকশার আসনে বসে খবরের পাতায় ডুব,চাকা থেমে গেছে ঠিকই,কিন্তু জীবনের গল্প থামে না কোনোদিন।
29/08/2025

রিকশার আসনে বসে খবরের পাতায় ডুব,
চাকা থেমে গেছে ঠিকই,
কিন্তু জীবনের গল্প থামে না কোনোদিন।

🌳🌧️ শ্রাবণের রিমঝিমে বৃক্ষের উৎসব 🌧️🌳“পরিকল্পিত বনায়ন করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি”— এই স্লোগানে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘী ...
29/07/2025

🌳🌧️ শ্রাবণের রিমঝিমে বৃক্ষের উৎসব 🌧️🌳

“পরিকল্পিত বনায়ন করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি”

— এই স্লোগানে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে শুরু হয়েছে ১৫ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলা ও বৃক্ষরোপণ অভিযান।

📅 উদ্বোধন অনুষ্ঠান:

শ্রাবণের স্নিগ্ধ সকালে (২৮ জুলাই), চট্টগ্রাম বন বিভাগের আয়োজনে লালদিঘী ময়দানে শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৫।

🔰 প্রধান অতিথি:
ড. মোঃ জিয়াউদ্দিন, বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম

🔰 সভাপতি:
ড. মো. মোল্যা রেজাউল করিম, বন সংরক্ষক, চট্টগ্রাম অঞ্চল

🔰 বিশেষ অতিথিবৃন্দ:
▪️ ডিআইজি মোঃ আহসান হাবিব পলাশ
▪️ জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম
▪️ পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু
▪️ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস. এম. কায়চার

🌱 বৃক্ষমেলায় থাকছে:

✔️ ৩৪টি নার্সারির স্টল
✔️ ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা
✔️ র‌্যালি ও জনসচেতনতা কার্যক্রম
✔️ সবুজে ঘেরা পরিবেশবান্ধব আয়োজন

🕘 সময়সূচি ও মেয়াদ:

📍 স্থান: লালদিঘী ময়দান, চট্টগ্রাম
🕘 সময়: প্রতিদিন সকাল ৯টা – রাত ৮টা
📆 মেয়াদ: ১৫ দিন (২৮ জুলাই থেকে)

🌿 সবুজ হোক জীবন, বাঁচুক পরিবেশ

এই মেলা কেবল চারা সংগ্রহের নয়—এটি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের উপলক্ষ।
আসুন, সকলে মিলে গড়ি এক পরিকল্পিত, সবুজ বাংলাদেশ।

📢 ছড়িয়ে দিন বৃক্ষরোপণের বার্তা...

#পরিকল্পিতবনায়ন #সবুজবাংলাদেশ #বৃক্ষমেলা২০২৫ #চট্টগ্রাম #লালদিঘী #বৃক্ষরোপণ

26/07/2025
[] দুনিয়ার প্রতি মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণ আসক্ত হয়ে পড়ছি বুঝবো কিভাবে??ছোট্ট একটা লিটমাস টেস্টঃ-১. সময় নিয়ে আমার কোন পর...
26/07/2025

[] দুনিয়ার প্রতি মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণ আসক্ত হয়ে পড়ছি বুঝবো কিভাবে??
ছোট্ট একটা লিটমাস টেস্টঃ
-
১. সময় নিয়ে আমার কোন পরিকল্পনা নাই এমনকি সালাতের সময় নিয়েই কোন মাথাব্যথা নাই।
২. সারাদিন চলে যায় এমনকি এক এক করে দিন যেতে থাকে কোরআন খুলে বসার সময় হয়না কারন আমি ‘খুব ব্যস্ত।’
৩. মানুষ আমাকে নিয়ে কী বললো/ভাবলো সেই জিনিষটাকে আমি খুবই প্রায়োরিটি দেই।
৪.আমার সমস্ত ধ্যানজ্ঞান কিভাবে আরোও বেশী সম্পদ আর টাকা উপার্জন/কামাই করা যায় এ নিয়ে।
৫. আমি হারাম কাজে অভ্যস্ত কিন্তু কেউ তা ছাড়ার কথা বললে আমি বিনা প্রয়োজনেই তার সাথে তর্ক জুড়ে দেই এবং বাহানা খুঁজি।
৬. নেক কাজ শুরু করতে বিলম্ব করি আগামীকাল থেকে এই আমলটি শুরু করবো বলে আজকের আমলটি রেখে দেই আগামীকালের জন্য।
🔹৭.বাজারে নতুন কোন গ্যাজেট (আইফোন/স্মার্টফোন/ল্যাপটপ....) আসছে কিনা এইটা কেনার জন্য তটস্থ হয়ে প্লান করতে থাকি।
৮. সেলিব্রেটিদের জীবনযাপন আমাকে মোহিত করে তুলে।
৯. বড়লোকের/ধনীদের জীবনযাপন আমাকে ইমপ্রেস করেই ছাড়ে।
১০. আমি নিজেকে মানুষের আকর্ষনের কেন্দ্রবিন্দু হতে পছন্দ করি, আমি চাই মানুষ আমার প্রতি আকর্ষিত হোক।
🔹১১. দুনিয়াবি কোন না কোন জিনিস নিয়ে আমি প্রতিযোগীতায় লিপ্ত।
১২. ক্ষমতা আর গৌরবের তৃষ্ণা আমার মিটবার নয়,আরোও চাই, আরোও চাই।
১৩. আমি ডিপ্রেশনে ভুগি কিন্তু জানিনা আমি আসলে কী চাই?
কেন আমার এই ডিপ্রেশন পিছু ছাড়ছে না?
১৪. ছোট-ছোট গুনাহসমূহ আমার কাছে কিছুই মনে হয়না, বাছবিচার ছাড়াই সবকাজই করতে আস্তে আস্তে অভ্যস্ত হয়ে উঠছি।
🔹১৫. সহসাই হারাম কাজ ছাড়তে পারছিনা আবার চালিয়েও যাচ্ছি তাই এদিকে তাওবা করতেও দেরী হচ্ছে।
১৬. আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে মানুষকে অসন্তুষ্ট করতে আমি মোটেও রাজি না কিংবা প্রস্তুত নই।
১৭. আমার যা কিছু আছে তার খুব বেশী পরিমান কেয়ার করি।
১৮. আমার অদূর ভবিষ্যতে অনেক অনেক দূর যেতে হবে এমন প্লান থাকেই।
🔹১৯. ইলম অন্বেষন (ইসলামী জ্ঞান) আহরন আমার কাছে গৌণ কাজ মনে হয়, আগে ক্যারিয়ার পরে এসব ছাইপাস।
২০. আমার ফ্রেন্ডসার্কেল আমাকে আল্লাহর কথা স্মরন করিয়ে দেয়না।
২১. আমি মানুষকে সম্মান করি তার দুনিয়াবি স্ট্যাটাস, সফলতা আর সম্পদ দেখে।
২২. একটা পরিপূর্ণ দিন গত হয় কিন্তু আমার মৃত্যুর কথা স্মরন হয়না।
🔹২৩. প্রচুর সময় ব্যয় করছি এমনসব কাজে যা আসলে আমার পরকালীন জীবনে কোন কাজে আসবে না।
২৪. ইবাদাত (আমল/নেককাজ) করা দিনে দিনে আমার জন্য কঠিন হয়ে উঠছে।

🔹২৫. আমি আমার বেপরোয়া লাইফস্টাইল চেঞ্জ করতে আগ্রহী না যদিও আল্লাহ এইটা পছন্দ করেন না।
২৬. কাফিরদের দেশ ভ্রমন করতে আমি ভালবাসি।

২৭. আমি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সুদি লেনদেনের সাথে জড়িয়ে পড়ছি আর কেউ এসব না করতে বললে তাকে ভবিষ্যতে হালাল ইনকাম পেলে ছেড়ে দিব বলে তা চালিয়ে যাচ্ছি।

২৮. জীবনকে পরিপূর্ণরুপে আমি উপভোগ করতে চাই।

🔹২৯. আমি আমার দৈহিক সৌন্দর্যকে খুব কেয়ার করি, আমাকে কেমন লাগছে বিষয়টি আমাকে খুব ভাবায়!!
৩০. আমি বিশ্বাস করি কেয়ামত এখনো বহু বহু দূর।
৩১. আমি দেখি অনেক কিছুই লোকদের সাথে ঘটছে কিন্তু এসব যে আমার সাথেও হতে পারতো এ নিয়ে আমার কোন বিকার নেই।
৩২. কাছের কেউ মারা গেলে তাকে দাফন করে আসি কিন্তু এগুলো আমার মাঝে কোন ভাবান্তর ঘটায়না।
🔹৩৩. আমি সর্বদা সালাতকে পাশে ঠেলে যে কাজটি করতেছিলাম তাই চালিয়েই যাই।
৩৪. আমার কখনোই মনে হয়না যে, আজকেই আমার জীবনের শেষদিন হতে পারতো।
৩৫. আমি আমার আত্মিক প্রশান্তি ‘লাক্সারী লাইফ’ লিডের মাঝেই খুজি, আল্লাহর স্মরনের মাঝে না।
৩৬. আমি আল্লাহর কাছে যেভাবে দুনিয়া কামনা করি সেভাবে কখনোই জান্নাত কামনা করিনা।

(সংগৃহীত)

কবির কররেখা: আমার কবিতার প্রারম্ভিকাআমি তখন অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র। পাঠ্যবইয়ের বাইরে তখনও আমার পড়াশোনা সীমাবদ্ধ ছিল খ...
03/07/2025

কবির কররেখা: আমার কবিতার প্রারম্ভিকা

আমি তখন অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র। পাঠ্যবইয়ের বাইরে তখনও আমার পড়াশোনা সীমাবদ্ধ ছিল খবরের কাগজ আর মাঝেমধ্যে পাঠ্যবিষয়ের সাহায্যকারী বইয়ে। সাহিত্য তখনও আমার কাছে পরিচিত মুখ নয়—এক দূরের স্বপ্ন, এক চাপা কৌতূহল। ঠিক সে সময়, হঠাৎই একদিন হাতে এল একটি বই—আল মাহমুদের “কবির কররেখা”।

বইটির প্রচ্ছদ যেন নিঃশব্দে ডাকছিল। সাদা পটভূমিতে একটি ফাউন্টেন পেন, ছিটকে পড়া কালির দাগ, তার মধ্যে এক অদ্ভুত শিল্পিত নিস্তব্ধতা—যা দেখে মনে হয়েছিল, এখানে কিছু গভীর কথার ইশারা আছে। এই বইটি কেনার ক্ষেত্রে আরও একটি দৃশ্যমান প্রভাব ছিল—আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর কবিতা-প্রেম। কবির প্রতি তার মুগ্ধতাই যেন আমাকে সাহিত্যের দ্বারে পৌঁছে দিল।

বইটি বাসায় এনে যখন পাতা উল্টাতে শুরু করলাম, বুঝলাম—এই লেখা কেবল গদ্য নয়, যেন গদ্যের ভিতরেই কবিতা। প্রতিটি অনুচ্ছেদ, প্রতিটি বাক্য—একটি আত্মা জাগানোর মতো অভিজ্ঞতা। আমি চমকে উঠলাম লেখকের কিছু উচ্চারণে, যা আজও মনে গেঁথে আছে।

🖋️ স্মরণীয় কিছু পঙ্‌ক্তি:
# “মানুষ মাত্রই স্বপ্ন দেখে সে আবার স্বর্গোদ্যানে ফিরে যাবে, এই স্বপ্নের নাম কবিতা।”
# “শব্দ চিত্রকল্পের কাজ করে।চিত্রকল্পই কবিতা।”
# “কবিতাকে বলা হয় আলস্যের শস্য। কিন্তু কবিতা হলো মূলত অত্যন্ত যত্নশীল পরিশ্রমী কৃষাণের শস্য উৎপাদনের ক্ষেতের মতো।কঠোর সতর্কতা এবং যত্ন ছাড়া কবিতার শস্য গোলায় তোলা যায় না।”
# “কবিতাই হলো মানবজাতির আদি মাতৃভাষা।”
# “কবিতা বিজ্ঞান নয়, বাস্তব তাও নয়। কবিতা কেবলই স্বপ্ন—কখনো কখনো দুঃস্বপ্নও বটে।”

এই লাইনগুলো কেবল সাহিত্যিক উক্তি নয়—এগুলো ছিল আমার ভাবনার ভিত নাড়িয়ে দেওয়া সত্য। আমি বুঝলাম, কবিতা শুধু অনুভবের নাম নয়, এটি এক ধরণের সাধনা, যা তৈরি হয় কঠোর যত্ন, ধৈর্য এবং গভীর আত্মসংলাপের ভেতর দিয়ে।

🌿 কবিতা ও আমি
আল মাহমুদের “কবির কররেখা” আমাকে শিখিয়েছে—কবিতা কেবল শব্দের কারুকাজ নয়, বরং সময় ও উপলব্ধির অক্ষরে লেখা আত্মার ভাষা। তিনি কাব্যিকতা আর প্রজ্ঞার এমন সংমিশ্রণে কথা বলেন, যা একজন তরুণ পাঠকের মনে গভীর দাগ রেখে যায়।

এই বইয়ের পর থেকেই আমি সাহিত্যের ভুবনে অন্য চোখে তাকাতে শিখেছি। শব্দ, ভাব, চিত্রকল্প—সব কিছু যেন এক নতুন আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠল। কবিতার পথ আমার কাছে খুলে গেল এক অনির্বচনীয় আবেগে।

“কবির কররেখা” আমার জন্য কেবল একটি বই নয়, এটি একটি দরজা—যার ওপারে রয়েছে কবিতার জগৎ, অনুভবের অনন্ত দিগন্ত।
এই বইয়ের মধ্য দিয়েই আমি প্রথম বুঝতে পেরেছিলাম—সাহিত্যের ক্ষমতা কী, কবিতার গভীরতা কতটা বিস্তৃত হতে পারে।

# এই লেখাটি উৎসর্গ করছি সেই বন্ধুকে, যার কাব্যপ্রেম আমাকে সাহিত্যের পথে প্রথম পা ফেলতে সাহস জুগিয়েছিল।@ শাওকী ইবনে সাফওয়ান

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কালের ইতিবৃত্ত-"Kaler Itibritta" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category