সেক্টর নং ১

সেক্টর নং ১ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from সেক্টর নং ১, History Museum, Chittagong.

আপনি জানেন কি? #জনস্বার্থে  #গণভোট
29/01/2026

আপনি জানেন কি?

#জনস্বার্থে #গণভোট

"আমরা দুনিয়ার মাঠে খেলা খেলোয়াড়, ছোট মাঠের খেলোয়াড় না। আমরা কোথাও যাবো না, সারা দুনিয়া আমাদের কাছে আসবে" #গণভোট  #বিটকেল
27/01/2026

"আমরা দুনিয়ার মাঠে খেলা খেলোয়াড়, ছোট মাঠের খেলোয়াড় না। আমরা কোথাও যাবো না, সারা দুনিয়া আমাদের কাছে আসবে"

#গণভোট
#বিটকেল

 #মুক্তিবার্তা
05/02/2025

#মুক্তিবার্তা

- ছাত্রসমাজের উদ্দেশ্যে সরাসরি বক্তব্য রাখছেন আওয়ামীলীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিন.....

 িনে  #বিজয়ের_মাসে_এই_দিনে  #মুক্তাঞ্চল #কুড়িগ্রাম  #হবিগঞ্জ  #যশোর  #মেহেরপুর  #সুনামগঞ্জ  #লালমনিরহাট  #ঝিনাইদহ  #ফেনী...
05/12/2024

িনে #বিজয়ের_মাসে_এই_দিনে

#মুক্তাঞ্চল

#কুড়িগ্রাম #হবিগঞ্জ #যশোর #মেহেরপুর #সুনামগঞ্জ
#লালমনিরহাট #ঝিনাইদহ #ফেনী

িনে #বিজয়ের_মাসে_এই_দিনে

#মুক্তাঞ্চল

#কুড়িগ্রাম #হবিগঞ্জ #যশোর #মেহেরপুর #সুনামগঞ্জ
#লালমনিরহাট #ঝিনাইদহ #ফেনী

মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনো

 িনে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে প্রত্যেকটি রণাঙ্গনে গেরিলা বাহিনীর অভুতপূর্ব অগ্রগতি ও সাফল্যের সংবাদ পাওয়া যায়। নভে...
02/12/2024

িনে

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে প্রত্যেকটি রণাঙ্গনে গেরিলা বাহিনীর অভুতপূর্ব অগ্রগতি ও সাফল্যের সংবাদ পাওয়া যায়। নভেম্বরের শেষে রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, ফরিদপুর, পটুয়াখালী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, টাংগাইল ও নোয়াখালীর রণাঙ্গনগুলোতে দুর্বার গেরিলাদল ব্যাপকভাবে জল ও স্থল উভয়ক্ষেত্রে যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষতিসাধন করে। গেরিলাদের এই সাফল্য মূলবাহিনীর সম্মুখ সমরের পথ সুগম করে তোলে। সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে মুক্তিবাহিনী চারিদিক থেকে পাকিস্তানি বাহিনীকে ঘিরে ধরে। অবরুদ্ধ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অনেকগুলো মুক্তাঞ্চলের সৃষ্টি হয়। প্রবাসী সরকার অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায়, বাংলাদেশের বিজয় আসন্ন।

২ ডিসেম্বরের যুদ্ধেগুলোর মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সেক্টরের যুদ্ধ। ১ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তিন দিক থেকে ঘিরে ধরে পাকিস্তানি বাহিনীকে। এইদিনও পাকিস্তানি সৈন্য ও মুক্তিবাহিনীর মধ্যে প্রচণ্ড সম্মুখ সমর চলে। যুদ্ধে পাকিস্তানিরা ট্যাংক ব্যবহার করে। গোলাবারুদ-শেলের শব্দে আখাউড়া সংলগ্ন আগরতলা শহরও কেঁপে ওঠে। মুক্তিবাহিনী কুমিল্লা–সিলেট সিএন্ডবি রোডের সংযোগ এবং চট্টগ্রাম–কুমিল্লা–ঢাকা রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ শমসেরনগর বিমানবন্দর মুক্তিবাহিনী সম্পূর্ণ দখল করে নেয়। মুক্তিবাহিনীর একটি নিজস্ব বিমানবন্দর হল।

বিশ্ব গণমাধ্যম মুক্তিবাহিনীর সাফল্যের সংবাদ প্রচার করতে থাকে। ২ ডিসেম্বর লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রকাশিত নিবন্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ছেলে শেখ জামালের ছবি ফলাও করে ছাপায় – নয় নম্বর সেক্টরের গেরিলাযোদ্ধা শেখ জামাল বাংলাদেশ সীমান্তের দশ মাইল ভেতরে একটি রণাঙ্গনে সাবমেশিনগান হাতে যুদ্ধ করছে। ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে পরিবারের বাকি সদস্যদের সাথে গৃহবন্দী শেখ জামাল পাকিস্তানী কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে আগরতলা গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছে – আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই ছবি বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে।

তথ্যসূত্রঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ দলিলপত্র (হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত)
দি গার্ডিয়ান (২ ডিসেম্বর, ১৯৭১)
'৭১ এর দশ মাস – রবীন্দ্রনাথ ত্রিবেদী

#বিজয়ের_মাসে_এই_দিনে
#মুক্তিযুদ্ধেরগল্পশোনো

 িনে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনো
01/12/2024

িনে
মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনো

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধবাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে ষোল জনের এক প্রতিনিধিদল মাসের পর মাস বিভিন্ন দূত...
01/12/2024

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধ

বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে ষোল জনের এক প্রতিনিধিদল মাসের পর মাস বিভিন্ন দূতাবাস, মিশন ও কূটনৈতিকদের সাথে সাক্ষাৎ করে চলেছে। ঢাকা হাইকোর্টের প্রবীণ বিচারপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত উচ্চ মর্যদাসম্পন্ন এই প্রতিনিধি দলের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন আরও একজন ভাইস-চ্যান্সেলর, দুই জন রাষ্ট্রদূত, এবং আওয়ামী লীগের আট জন গণপরিষদ সদস্য। পহেলা ডিসেম্বর জাতিসংঘ থেকে “দি গার্ডিয়ান” এর সংবাদদাতা ম্যাল্‌কম ডীন কর্তৃক প্রেরিত এক সংবাদে বলা হয় – "বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল প্রায় একশোটি দেশের প্রতিনিধিদের সংগে সাক্ষাতের পরও জাতিসংঘের ১৩১টি সদস্য-দেশের একটিও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করেনি।"

অপরদিকে, পশ্চিমা বিশ্ব থেকে ক্রমাগত চাপ আসছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলে "পাকিস্তানে যুদ্ধবিরতি" নিয়ে আলোচনা করার জন্য। বেলজিয়াম, জাপান, ইতালি সম্মিলিতভাবে এ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ১ ডিসেম্বর ইয়াহিয়া খান পূর্ব পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠানোর জন্য জাতিসংঘের মহাসচিব উ থান্টের কাছে আবেদন করে। বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে জাতিসংঘে পাকিস্তান ও তার মিত্র দেশ গুলোর এই অপতৎপরতা নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিচারপতি চৌধুরী বলেন, "বর্তমানে জাতিসংঘ কর্তৃক বাংলাদেশের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করা অনুচিত। মার্চ মাসে ইয়াহিয়া খান যখন হত্যাযজ্ঞ শুরু করে তখন এ ব্যাপারে তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উদ্যোগী হওয়া উচিত ছিল।"

এদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী পার্লামেন্টের উচ্চপরিষদে (রাজ্য সভা) বাংলাদেশের স্বার্থে তাঁর পশ্চিমাবিশ্ব সফর নিয়ে বক্তব্য দেন। বক্তৃতাকালে তিনি উপমহাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বার্থে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানী সৈন্য অপসারণের নির্দেশ দেবার জন্য প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের প্রতি আহবান জানান – "বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানী সৈন্য অপসারণই সমস্যার শ্রেষ্ঠ সমাধান।" ইন্দিরা গান্ধী দৃঢ় কণ্ঠে জানান, পূর্ব কিংবা পশ্চিম কোন সীমান্ত থেকেই ভারত তাদের সৈন্য সরাবেনা। ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের জনসাধারণকে প্রস্তুত থাকারও আহবান জানান তিনি।

তথ্যসূত্রঃ
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (ষষ্ঠ খণ্ড),
দি গার্ডিয়ান (২ ডিসেম্বর, ১৯৭১),
নিউ ইয়র্ক টাইমস (১ ডিসেম্বর, ১৯৭১)

#বিজয়ের_মাসে_এই_দিনে

চারদিক থেকে পরাজয়ের বাতাস বইছে বুঝতে পেরে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান বিভিন্ন দলের নেতাদের সাথে শলা পরামর্শ শু...
01/12/2024

চারদিক থেকে পরাজয়ের বাতাস বইছে বুঝতে পেরে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান বিভিন্ন দলের নেতাদের সাথে শলা পরামর্শ শুরু করে। একাত্তরের পহেলা ডিসেম্বর জামাত-ই-ইসলামের প্রধান গোলাম আযমের সাথে ইয়াহিয়ার সত্তর মিনিট-ব্যাপী একান্ত বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে লাহোর বিমানবন্দরে সাংবাদিক সম্মেলনে গোলাম আযম জানায়, তার দেওয়া পরিকল্পনায় প্রেসিডেন্টের দিক থেকে উৎসাহব্যঞ্জক সাড়া পাওয়া গিয়েছে।

গোলাম আযমের মতে, দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষাই হচ্ছে বর্তমান সময়ের জন্য জাতির প্রধান দায়িত্ব। দেশের সশস্ত্র বাহিনী জনগণের সহযোগিতায় বর্তমান সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে সাংবাদিকদের কাছে আশা প্রকাশ করে। সেই সাথে 'মহান দেশ সেবায় নিয়োজিত' রাজাকারদের সংখ্যা বাড়ানোর আহ্বান জানায়। মুক্তিবাহিনীকে 'শক্রবাহিনী' নামে অভিহিত করে গোলাম আযম বলে – "রাজাকারদের পুলিশ ও অন্যান্যের মত অস্ত্রশস্ত্র প্রদান করা হলে তারাই এই 'শক্রবাহিনী' মোকাবেলা করতে সক্ষম।"

তথ্যসূত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম, ২ ডিসেম্বর ১৯৭১

#বিজয়ের_মাসে_এই_দিনে #রাজাকার

চট্টগ্রাম অপারেশন: সমন্বিত পেট্রল পাম্প ও পাওয়ার হাউজ অপারেশন।সমগ্র চট্টগ্রাম নগরী একসঙ্গে কাঁপিয়ে দিতে হবে! শহরের সবগু...
01/12/2024

চট্টগ্রাম অপারেশন: সমন্বিত পেট্রল পাম্প ও পাওয়ার হাউজ অপারেশন।

সমগ্র চট্টগ্রাম নগরী একসঙ্গে কাঁপিয়ে দিতে হবে! শহরের সবগুলো পেট্রোল পাম্প এবং বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও সুইচবোর্ড একই দিনে একই সময়ে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হল।

একাত্তরের পহেলা ডিসেম্বর চট্টগ্রামে এই গেরিলা হামলার লক্ষ্য ছিল শত্রুবাহিনীর মনোবল ও চেইন অব কমান্ড সম্পূর্ণভাবে ভেঙ্গে দিয়ে তাদের হতবিহ্বল করে দেয়া। বিশ্ববাসীকে জানান দেওয়া – সমগ্র চট্টগ্রাম শহরের প্রতিটি প্রান্তে মুক্তিকামী গেরিলারা তাঁদের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে।

চট্টগ্রাম শহরের তিনটি থানা – কোতোয়ালি, ডবলমুরিং, ও পাঁচলাইশকে ৪টি ভাগে ভাগ করে (ডবলমুরিং দু'টি, কোতোয়ালি একটি, এবং পাঁচলাইশ একটি) প্রত্যেকটিতে তিন থেকে পাঁচ জন সদস্যের একটি করে গেরিলা দলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। গেরিলা দলের অধিনায়কদের হাতঘড়ির সময় মিলিয়ে নেওয়া হয় যাতে একসঙ্গে সকল লক্ষ্যবস্তুতে বিস্ফোরণ ঘটানো যায়। অভিযানের আগের দিন পাঁচলাইশ থানা কমান্ডার সৈয়দ মোহাম্মদ এমরান পাকিস্তানী হানাদারদের হাতে আটক হন। একারণে পাঁচলাইশ থানার লক্ষ্যবস্তুগুলোর ওপর হামলা পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। বাকি দুটি থানার তিনটি অঞ্চলের লক্ষ্যবস্তুগুলোতে অভিযান পরিচালিত হয় পূর্ব সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা অনুযায়ী। অভিযানের প্রায় ৮০ শতাংশ কার্যকর হয়। ৯০ শতাংশ গেরিলা আক্রমণই লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হয়।

#বিজয়ের_মাসে_এই_দিনে
িনে #মুক্তিযুদ্ধেরগল্পশোনো

চট্টগ্রাম অপারেশন: সমন্বিত পেট্রল পাম্প ও পাওয়ার হাউজ অপারেশন।

সমগ্র চট্টগ্রাম নগরী একসঙ্গে কাঁপিয়ে দিতে হবে! শহরের সবগুলো পেট্রোল পাম্প এবং বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও সুইচবোর্ড একই দিনে একই সময়ে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হল।

একাত্তরের পহেলা ডিসেম্বর চট্টগ্রামে এই গেরিলা হামলার লক্ষ্য ছিল শত্রুবাহিনীর মনোবল ও চেইন অব কমান্ড সম্পূর্ণভাবে ভেঙ্গে দিয়ে তাদের হতবিহ্বল করে দেয়া। বিশ্ববাসীকে জানান দেওয়া – সমগ্র চট্টগ্রাম শহরের প্রতিটি প্রান্তে মুক্তিকামী গেরিলারা তাঁদের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে।

চট্টগ্রাম শহরের তিনটি থানা – কোতোয়ালি, ডবলমুরিং, ও পাঁচলাইশকে ৪টি ভাগে ভাগ করে (ডবলমুরিং দু'টি, কোতোয়ালি একটি, এবং পাঁচলাইশ একটি) প্রত্যেকটিতে তিন থেকে পাঁচ জন সদস্যের একটি করে গেরিলা দলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। গেরিলা দলের অধিনায়কদের হাতঘড়ির সময় মিলিয়ে নেওয়া হয় যাতে একসঙ্গে সকল লক্ষ্যবস্তুতে বিস্ফোরণ ঘটানো যায়। অভিযানের আগের দিন পাঁচলাইশ থানা কমান্ডার সৈয়দ মোহাম্মদ এমরান পাকিস্তানী হানাদারদের হাতে আটক হন। একারণে পাঁচলাইশ থানার লক্ষ্যবস্তুগুলোর ওপর হামলা পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। বাকি দুটি থানার তিনটি অঞ্চলের লক্ষ্যবস্তুগুলোতে অভিযান পরিচালিত হয় পূর্ব সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা অনুযায়ী। অভিযানের প্রায় ৮০ শতাংশ কার্যকর হয়। ৯০ শতাংশ গেরিলা আক্রমণই লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হয়।

মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনো

#বিজয়ের_মাসে_এই_দিনে
িনে #মুক্তিযুদ্ধেরগল্পশোনো

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সেক্টর নং ১ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category