পুরানো ভারতের চালচিত্র - Old India

  • Home
  • India
  • KOLKATA
  • পুরানো ভারতের চালচিত্র - Old India

পুরানো ভারতের চালচিত্র - Old India Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from পুরানো ভারতের চালচিত্র - Old India, History Museum, KOLKATA.
(1)

২০১৪ সাল থেকে পথ চলা শুরু। এটি একটি নন-প্রফিট শিক্ষামূলক আর্কাইভ। আমাদের লক্ষ্য কলকাতা,বাংলার ও ভারতের হারিয়ে যাওয়া দুর্লভ ঐতিহাসিক ছবি গুলি দেশী ও বিদেশী পাবলিক আর্কাইভ থেকে সংগ্রহ করে সকলের সামনে তুলে ধরা।

https://www.facebook.com/PuKoCh
15/08/2026

https://www.facebook.com/PuKoCh

যাত্রা শুরু ২০১৩ সাল থেকে। এটি একটি শিক্ষামূলক সংগ্রহশালা পেজ। এখানে কলকাতা এবং বঙ্গের দুর্লভ ও বিরল ঐতিহাসিক ছবি সংরক্ষণ করা হয়। অতি প্রাচীন ছবি গুলি দেশীওবিদেশী পাবলিক আর্কাইভ থেকে সংগ্রহ করা।
উদ্দেশ্য: শিক্ষা ও সংস্কৃতি প্রচার। বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য নেই।

~ চন্দ্রকেতুগড়~ পশ্চিম বঙ্গের  সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ বন্দর-নগরী সভ্যতা -----------------------------------------...
15/08/2026

~ চন্দ্রকেতুগড়~
পশ্চিম বঙ্গের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ বন্দর-নগরী সভ্যতা
----------------------------------------------------
কলকাতা থেকে ৩৫ কিমি, বেড়াচাঁপায়। ২৫০০ বছরের বেশী পুরনো প্রাচীন বন্দর শহর গঙ্গারিডি সভ্যতার রাজধানী মনে করা হয়। মৌর্য, শুঙ্গ যুগের মুদ্রা, পোড়ামাটির মূর্তি প্রচুর পাওয়া গেছে। পশ্চিম বঙ্গের সবচেয়ে বড় প্রত্নস্থল।
ছবিতে যেমন দেখছেন, একদিকে ইটের গাঁথা দুর্গ-নগরীর ধ্বংসাবশেষ, আর অন্যদিকে সেই বিখ্যাত পোড়ামাটির ফলক, মাটির পাত্র, পুঁতি আর মুদ্রা — যা ২৫০০ বছরের ইতিহাস বহন করছে।
তথ্য এক নজরে
--------------------
অবস্থান: কলকাতা থেকে ৩৫ কিমি উত্তর-পূর্বে, বেড়াচাঁপার কাছে। একসময় বিদ্যাধরী নদীর তীরে ছিল, এখন দেবালয়, হাদিপুর, শানপুকুর গ্রাম জুড়ে ছড়িয়ে আছে।
বয়স: প্রায় ৪০০ খ্রিস্টপূর্ব থেকে ৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত একটানা ১২০০ বছর মানুষ বসবাস করেছে। মৌর্য (৩০০ খ্রিঃপূঃ) থেকে গুপ্ত যুগ পর্যন্ত।

কি পাওয়া গেছে:
----------------
প্রাচীর ঘেরা দুর্গ-শহর, রাস্তা, জলনিকাশি ব্যবস্থা
বিখ্যাত পোড়ামাটির ফলক - রাজা-রানী, দেবদেবী, সমুদ্রযাত্রার দৃশ্য
রোমান, গ্রীক মুদ্রা, সোনা-রুপার অলংকার - প্রমাণ করে ভূমধ্যসাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাথে বাণিজ্য হতো
খনা-মিহিরের ঢিবি - জ্যোতির্বিদ খনা ও মিহিরের বাড়ি বলে কথিত।

ইতিহাসে গুরুত্ব: গ্রীক লেখকরা যে গঙ্গারিডি সাম্রাজ্যের কথা লিখেছেন, যারা আলেকজান্ডারকেও ভয় পাইয়ে দিয়েছিল, অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন তার রাজধানী ছিল এই চন্দ্রকেতুগড়ই। টলেমির মানচিত্রেও এর উল্লেখ আছে।

এখন কিভাবে দেখবেন: বেড়াচাঁপায় দিলীপ মাইতির ব্যক্তিগত মিউজিয়াম আছে, আর কলকাতার আশুতোষ মিউজিয়াম ও ভারতীয় জাদুঘরে আসল জিনিসগুলো রাখা আছে।

চন্দ্রকেতুগড় নিয়ে নতুন যা জানা গেছে, সেটা আরও চমকপ্রদ —

১. আরও পুরনো হচ্ছে বয়স
আগে ভাবা হতো খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ অব্দ থেকে শুরু। কিন্তু ASI-র সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতক থেকে ১২শ শতক পর্যন্ত — প্রায় ১৬০০ বছর ধরে একটানা শহর ছিল এখানে। দমদমের ক্লাইভ হাউসের কাছে নতুন খননে যে মাটির স্তর পাওয়া গেছে, তার সাথে চন্দ্রকেতুগড়ের মিল হুবহু, তাতে প্রমাণ হচ্ছে কলকাতারও ইতিহাস ২২০০ বছর পুরনো হতে পারে।

২. সমুদ্র বাণিজ্যের প্রমাণ
পোড়ামাটির সিলে সমুদ্রগামী জাহাজের ছবি পাওয়া গেছে, জাহাজে ধানের বস্তা, পাশে শঙ্খের চিহ্ন। মানে এখান থেকে চাল রপ্তানি হতো।
রোমান অ্যাম্ফোরা (মদের জার), খরোষ্ঠী লিপি, এমনকি গ্রীক মৃৎপাত্রও মিলেছে। পূর্ব ভারতে এত বিদেশি জিনিস আর কোথাও একসাথে পাওয়া যায়নি।
৩. কেন ধ্বংস হলো?
খননে বন্যার পলির মোটা স্তর পাওয়া গেছে। গবেষকদের মতে, বিদ্যাধরী নদীতে বারবার বন্যা আর নদীর গতিপথ বদলে যাওয়াই এই সমৃদ্ধ বন্দর শহরকে শেষ করে দেয়।

৪. এখনও যা লুকিয়ে আছে
চন্দ্রকেতুগড় বাংলার একমাত্র জায়গা যেখানে সবচেয়ে বেশি পোড়ামাটির মূর্তি পাওয়া গেছে — এখনও পর্যন্ত হাজার হাজার।
অনেক জিনিস ব্যক্তিগত সংগ্রহে চলে গেছে, বিদেশের মিউজিয়ামে আছে। বেড়াচাঁপায় দিলীপ মাইতির বাড়িতে এখনও গ্রামবাসীরা লাঙল দিতে গিয়ে পাওয়া মূর্তি এনে জমা দেন।
খনা-মিহিরের ঢিবিতে যে মন্দিরটা আছে, সেটা শুধু মন্দির নয়, তার নিচে আরও বড় প্রাসাদ-নগরী আছে বলে ASI মনে করছে।
মজার কথা — পাণ্ডুরাজার ঢিবিতে যেমন মানুষ মাটির বাড়িতে থাকত, চন্দ্রকেতুগড়ে ততদিনে পাকা ইটের দুর্গ, পাকা রাস্তা, আর শিল্পীরা অসম্ভব সুন্দর পোড়ামাটির গল্প বলা ফলক বানাত। মানে ১০০০ বছরে বাংলার সভ্যতা কতটা এগিয়েছিল, এই দুটো জায়গা পাশাপাশি দেখলেই বোঝা যায়।

আর একটা জিনিস যেটা অনেকেই জানে না —

চন্দ্রকেতুগড়ের নামটা কোথা থেকে এলো?

স্থানীয় লোককথা অনুযায়ী, এই দুর্গের রাজা ছিলেন চন্দ্রকেতু — তার নামেই চন্দ্রকেতুগড়। আবার কেউ বলেন, গুপ্ত রাজা চন্দ্রগুপ্তের নামে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, খননে যে রাজপ্রাসাদ পাওয়া গেছে, তার সাথে মহাভারতের রাজা চন্দ্রকেতুর গল্পও জুড়ে যায় — অনেকটা আপনার পাণ্ডুরাজার ঢিবির মতোই, ইতিহাস আর পুরাণ মিশে আছে।

আরও ৩টে চমক:

১. খনার বচন এখান থেকেই? যে খনা-মিহিরের ঢিবির কথা বললাম, লোকমতে সেই খনাই হলেন বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ ও "খনার বচন"-এর খনা। তাঁর শ্বশুর মিহির ছিলেন বিক্রমাদিত্যের নবরত্নের একজন। যদিও এটা নিয়ে বিতর্ক আছে।

২. সবচেয়ে বড় পোড়ামাটির ভাণ্ডার: পুরো পূর্ব ভারতে এক জায়গায় এত পোড়ামাটির কাজ আর কোথাও পাওয়া যায়নি। দেবী, যুদ্ধ, প্রেম, জাহাজ, এমনকি বিদেশি মানুষের মুখ — সব মাটিতে ফুটিয়ে তুলত শিল্পীরা।

৩. এখনও মাটির নিচেই ৯০% শহর: ASI মাত্র ৫-৬টা ঢিবি খুঁড়েছে। বেড়াচাঁপা, হাদিপুর, দেবালয় জুড়ে প্রায় ৪ বর্গ কিমি এলাকা জুড়ে শহরটি ছিল — যার বেশিরভাগই এখনও ধানক্ষেতের নিচে। বর্ষাকালে চাষিরা লাঙল দিতে গিয়ে এখনও মুদ্রা, পুঁতি পান।

আপনি যদি একদিন যেতে চান, সকালে বেড়াচাঁপা পৌঁছে প্রথমে দিলীপ বাবুর মিউজিয়াম, তারপর খনা-মিহিরের ঢিবি আর দেবালয়ের দুর্গটা দেখে নেবেন। কলকাতা থেকে মাত্র ২ ঘণ্টার রাস্তা।

লেখার কপিরাইট@ #পুরানো_ভারতের_চালচিত্র -
ওয়ার্নিংঃ- পোস্ট শেয়ার করা যাবে। লেখা কোন ভাবেই কপি পেস্ট করা যাবেনা।


ওটাই ছিল পুরো কোনারক মন্দির। এখন অর্ধেক টি টিকে আছে  ================================বাঁ পাশে সাদা লাইনে যেটা আঁকা - ওটা...
06/08/2026

ওটাই ছিল পুরো কোনারক মন্দির। এখন অর্ধেক টি টিকে আছে
================================
বাঁ পাশে সাদা লাইনে যেটা আঁকা - ওটাই ছিল পুরো কোনারক মন্দির, যেটা আজ আর নেই। আর ডান পাশে যেটা পাথরের হয়ে দাঁড়িয়ে আছে - ওটা শুধু জগমোহন।

১. পুরো স্ট্রাকচারটা ছিল সূর্যের রথ

তৈরি: পূর্ব গঙ্গ বংশের রাজা প্রথম নরসিংহদেব, ১২৪৩-১২৫৫ সাল নাগাদ। প্রায় ১২০০ কারিগর ১২ বছর ধরে বানিয়েছিলেন।
স্টাইল: কলিঙ্গ স্থাপত্য। পুরো মন্দিরটা ২৪টা বিশাল চাকা (২৪ ঘণ্টা) আর ৭টা ঘোড়ায় (সপ্তাহের ৭ দিন) টানা রথের আদলে।
তিনটে প্রধান ভাগ ছিল একই অক্ষে:
১. বড় দেউল / বিমান / শিখর - ছবিতে Sikhara লেখা। এখানে মূল সূর্য মূর্তি ছিল।
২. জগমোহন / মুখশালা - ছবিতে Jagamohon লেখা। ভক্তরা এখানে বসতেন।
৩. নাটমন্দির - সামনে আলাদা নাচ-গানের হল, এখন প্রায় ধ্বংসস্তূপ।

২. কত বড় ছিল?
আজকে আমরা যেটা দেখি সেটা শুধু জগমোহন। Archaeological Survey of India এর মতে জগমোহনটাই ৩০ মিটার লম্বা, ৩০ মিটার উঁচু আর গর্ভগৃহের শিখরটা ৬৮ মিটারের বেশি উঁচু ছিল বলে অনুমান।
ঐতিহাসিক James Harle এর মতে আসল মন্দির "প্রায় ২২৫ ফুট [৬৯ মিটার] উঁচু ছিল", অন্য মতে ২২৭ ফুট। মানে এখনকার জগমোহনের প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি। তালপাতার পুঁথিতে পাওয়া ১৭শ শতকের ছবিতে পুরো মন্দিরটাই অক্ষত দেখা যায়।

৩. শিখরটা ভাঙলো কেন?
কারণ নিয়ে পরিষ্কার প্রমাণ নেই। তিনটে মত সবচেয়ে প্রচলিত:
নরম বালির উপর ভারী পাথরের ভিত দুর্বল হয়ে যাওয়া।
বাংলার সুলতানের সেনাপতি কালাপাহাড়ের আক্রমণে (১৫৬৮ সাল নাগাদ) ক্ষতি।
উপরে থাকা বিশাল চুম্বক পাথর (লোডস্টোন) খুলে নেওয়ায় ভারসাম্য নষ্ট হওয়া এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ঐতিহাসিকদের মতে বড় দেউলটা ১৬শ শতকের শেষ বা ১৮৩৭ সাল নাগাদ পুরোপুরি ধসে যায়।
-----------------------
Sikhara: রেখা-দেউল, আকাশছোঁয়া চূড়া। এটাই ভেঙে গেছে।
Jagamohana: পিরামিডের মতো ধাপে ধাপে ওঠা হলঘর, এটাই টিকে আছে।
Kanti: আসলে মন্দিরের কার্নিশ বা ভিতের উপরের স্তরকে বলে। ছবিতে জগমোহনের গায়ে দেখানো হয়েছে।
এখন যেটা আছে সেটা UNESCO World Heritage Site (১৯৮৪ থেকে)। ব্রিটিশ আমলে ASI বালি সরিয়ে এটাকে সংরক্ষণ করে। গর্ভগৃহের ভিতরটা বালি ভরে সিল করে দেওয়া হয়েছে যাতে বাকি অংশটা না ভাঙে।

#পুরানো_ভারতের_চালচিত্র

কলকাতার উত্তরাংশে অবস্থিত Tagore Castle উনিশ শতকের অন্যতম ব্যতিক্রমী প্রাসাদ। এটি পাঠুরিয়াঘাটা ঠাকুর পরিবারের বিশিষ্ট স...
04/08/2026

কলকাতার উত্তরাংশে অবস্থিত Tagore Castle উনিশ শতকের অন্যতম ব্যতিক্রমী প্রাসাদ। এটি পাঠুরিয়াঘাটা ঠাকুর পরিবারের বিশিষ্ট সদস্য স্যার যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর (Sir Jatindramohan Tagore)-এর উদ্যোগে নির্মিত হয়। ইউরোপের মধ্যযুগীয় দুর্গের আদলে গথিক (Gothic Revival) স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই প্রাসাদ কলকাতার ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন।

১৯০৭ সালের দিকে তোলা ছবিগুলিতে প্রাসাদের মাথায় ব্রিটিশ Union Jack পতাকা দেখা যায়, কারণ সেই সময় কলকাতা ছিল ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী (১৭৭২–১৯১১)। এই প্রাসাদটি শুধু একটি অভিজাত বাসভবনই ছিল না, বরং সে সময়ের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। PUBHCH
বর্তমানে ভবনটি এখনও কলকাতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা হিসেবে পরিচিত, যদিও সময়ের সঙ্গে এর অনেক অংশ পরিবর্তিত হয়েছে এবং সংরক্ষণের চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। PUBHCH
📌 অজানা তথ্য
প্রাসাদটির নকশা ইউরোপীয় দুর্গের অনুকরণে তৈরি, তাই এর নাম "Castle"। PUBHCH
এটি জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি নয়। Tagore Castle এবং জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি—দুটি আলাদা স্থাপনা এবং আলাদা শাখার ঠাকুর পরিবারের সঙ্গে যুক্ত।PUBHCH
সূত্র (Official / Authentic)
West Bengal Tourism – Jorasanko Thakurbari (ঠাকুর পরিবারের ইতিহাসের সরকারি তথ্য)
Incredible India – Jorasanko Thakurbari

দ্বিতীয় ফটোটি এই ফটোগ্রাফ টি কৃত্রিম ভাবে রঙিন করে দিলাম যাতে সেই সময় টা কে যদি নিজের চোখে দেখা যেতো তাহলে কেমন অনুভুতি হতো শুধুমাত্র সেটা জানার জন্য।
যাদের কৃত্রিম রঙ পছন্দ নয় তারা পোষ্ট এড়িয়ে চলুন। আসল সাদা-কালো আগের পোষ্ট এ করা আছে সেটা দেখুন।

Photo - Recover & Restore - #পুরানো_ভারতের_চালচিত্র

1905 সালের শিয়ালদহ স্টেশন: 1905 সাল। বঙ্গভঙ্গের বছর। ছবিতে দেখা যাচ্ছে তৎকালীন শিয়ালদহ স্টেশনের মূল ফটক। সামনে ট্রাম লাই...
02/08/2026

1905 সালের শিয়ালদহ স্টেশন:

1905 সাল। বঙ্গভঙ্গের বছর। ছবিতে দেখা যাচ্ছে তৎকালীন শিয়ালদহ স্টেশনের মূল ফটক। সামনে ট্রাম লাইন, আর চারপাশে মানুষের আনাগোনা। এই স্টেশন তখন শুধু যাতায়াতের জায়গা ছিল না, ছিল পুরো পূর্ববঙ্গের সাথে কলকাতার যোগাযোগের প্রাণকেন্দ্র। ব্যাগ-বোঁচকা নিয়ে মানুষ স্বপ্ন নিয়ে আসতো, আবার ফিরেও যেতো। সনাতন ভারতের সেই সময়ে রেল ছিল আধুনিকতার প্রতীক, কিন্তু স্টেশনের ভিড়ে তখনও সেই চিরাচরিত "চলো ঘরে ফিরি"র টানটা ছিল।



#পুরানো_ভারতের_চালচিত্র

১৯০০ সালের বড়বাজার, হ্যারিসন রোড১৯শ শতাব্দীর শেষভাগে নির্মিত হ্যারিসন রোড (বর্তমান মহাত্মা গান্ধী রোড) ছিল ব্রিটিশ আমলে...
28/07/2026

১৯০০ সালের বড়বাজার, হ্যারিসন রোড

১৯শ শতাব্দীর শেষভাগে নির্মিত হ্যারিসন রোড (বর্তমান মহাত্মা গান্ধী রোড) ছিল ব্রিটিশ আমলের কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম সংযোগ সড়ক। এই রাস্তা ১৮৮৯–১৮৯২ সালের মধ্যে নির্মিত হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল বড়বাজার, শিয়ালদহ এবং হাওড়া অভিমুখী যান চলাচলকে আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খল করা।১৯০০ সালের এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে বড়বাজার (Burra Bazar) অঞ্চলের ব্যস্ত ব্যবসায়িক পরিবেশ। রাস্তার দু'ধারে সারি সারি কাপড়, মশলা, শস্য, লোহালক্কড় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান। তখনই বড়বাজার সমগ্র পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি বাজারে পরিণত হয়েছিল এবং রাজস্থান, গুজরাট, বাংলা, বিহার ও উত্তর ভারতের ব্যবসায়ীরা এখানে বাণিজ্য পরিচালনা করতেন।
#পুরানো_ভারতের_চালচিত্র
ছবিতে ঘোড়ার গাড়ি, গরুর গাড়ি, হাতঠেলা ঠেলাগাড়ি এবং পথচারীদের ভিড় সেই সময়ের কলকাতার দৈনন্দিন জীবনকে তুলে ধরেছে। মোটরগাড়ি তখনও খুবই বিরল ছিল; অধিকাংশ পণ্য পরিবহন হতো গরুর গাড়ি ও ঘোড়ার গাড়িতে।

হ্যারিসন রোড নির্মাণের ফলে উত্তর কলকাতার বহু পুরনো গলি ও বসতি পুনর্গঠিত হয় এবং এই অঞ্চল দ্রুত বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। পরবর্তী কয়েক দশকে এখানেই বহু মারোয়ারি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, গুদাম এবং বাণিজ্যিক ভবন গড়ে ওঠে, যা কলকাতার অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
(লেখা সহ ফটোগ্রাফ শুধু শেয়ার করা যাবে, কপি করা যাবে না, পুরো ফটোগ্রাফ দেখতে হলে ডেস্ক টপ ব্যবহার করে জুম করুন)
📸 ছবির সময়কাল: আনুমানিক ১৯০০ সাল
📍স্থান: বড়বাজার, হ্যারিসন রোড (বর্তমান মহাত্মা গান্ধী রোড)
#পুরানো_ভারতের_চালচিত্র

দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে বা DHR - ১৮৯০ ১৮৯০ সাল টয় ট্রেন সহ মালগাড়ী, দার্জিলিং, বাংলা, ১৮৯০সেই সময় টয় ট্রেনের সাথেই ম...
25/07/2026

দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে বা DHR - ১৮৯০

১৮৯০ সাল টয় ট্রেন সহ মালগাড়ী, দার্জিলিং, বাংলা, ১৮৯০
সেই সময় টয় ট্রেনের সাথেই মালগাড়ী জোরা থাকতো। এতে করেই নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে যাওয়া হতো।
#পুরানো_ভারতের_চালচিত্র
1879 সালে কাজ শুরু, 1881 সালে পুরো লাইন চালু। শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং - 88 কিমি। 2 ফুট = 610mm ন্যারো গেজ। তাই "টয় ট্রেন" নাম। তখন এটা শুধু যাত্রী না, চা, কাঠ, আলু, কয়লা আনার জন্য মালগাড়ীও চলতো। B Class 0-4-0ST স্টিম ইঞ্জিন। ছোট, কিন্তু পাহাড়ে টানার জন্য শক্তিশালী। Z-Reverse, Loop, আর খাড়া চড়াই। গতি ছিল ঘণ্টায় 15-20 কিমি।
#পুরানো_ভারতের_চালচিত্র
1999 সালে UNESCO এটাকে "World Heritage Site" ঘোষণা করে।1890 সালে ভাড়া ছিল: ১ম শ্রেণী 8 টাকা, ২য় শ্রেণী 3 টাকা শিলিগুড়ি-দার্জিলিং। মালগাড়ীতে মূলত চা, কমলালেবু আর কয়লা আনা-নেওয়া হত।

(লেখা সহ ফটোগ্রাফ শুধু শেয়ার করা যাবে, কপি করা যাবে না, পুরো ফটোগ্রাফ দেখতে হলে ডেস্ক টপ ব্যবহার করে জুম করুন)

~ ফিরে দেখা অতীত ~ তখন ১৯৪০ সাল। জন সংখ্যা বাড়ছে, সঙ্গে বাড়ছে মোটর গাড়ী,  ট্রামের সংখ্যা । পন্টুন ব্রিজ দিয়ে ট্রাম চালান...
19/07/2026

~ ফিরে দেখা অতীত ~
তখন ১৯৪০ সাল। জন সংখ্যা বাড়ছে, সঙ্গে বাড়ছে মোটর গাড়ী, ট্রামের সংখ্যা । পন্টুন ব্রিজ দিয়ে ট্রাম চালানো সম্ভব নয়। বেশী গাড়ি চলাচল করানো নিরাপদ নয়। তাই প্রথম ভাসমান হাওড়া ব্রিজ এর জায়গা নিতে চলেছে ক্যান্টিলিভার দ্বিতীয় হাওড়া ব্রিজ। প্রস্তুতির কাজ পুরো দমে চলছে। তখনো পুরানো পন্টুন বা ভাসমান হাওড়া ব্রিজ খুলে ফেলা হয়নি। পুরাতন আর নতুন হাওড়া ব্রিজের যুগলবন্দি ফটোগ্রাফ খুব কমই আছে। এটি তার মধ্যে অন্যতম। আর কিছু বছর পড়ে চিরতরে খুলে ফেলা হবে ভাসমান হাওড়া ব্রিজ। সমাপ্ত হবে একটি অধ্যায়ের। শুরু হবে নতুন ব্রিজের নতুন অধ্যায় ।
(লেখা সহ ফটোগ্রাফ শুধু শেয়ার করা যাবে, কোন ভাবেই কপি করা যাবে না,
পুরো ফটোগ্রাফ দেখতে হলে ডেস্ক টপ ব্যবহার করে জুম করুন)

#পুরানো_ভারতের_চালচিত্র

18/07/2026

(আসল ফটোগ্রাফ থেকে কৃত্রিম ভাবে ক্লিপ বানানো হল শুধুমাত্র সেই সময় কে নিজের চোখে দেখলে কি অনুভূতি হয় সেটা বোঝানোর জন্য ।)

17/07/2026

১৮৬৩ সালে কলকাতার উত্তর দিকের সীমানা ছিল বাগবাজারের খাল পর্যন্ত। এটি খালের ওপার থেকে বর্তমান ডানলপ পর্যন্ত যে কোন জায়গায় হতে পারে। মাটির চওড়া রাস্তা দেখে স্পষ্ট বোঝা যায় এটাই ছিল যানবাহন চলাচলের প্রধান রাস্তা । তবে জায়গাটির অবস্থান সঠিক ভাবে নির্ণয় করা সম্ভব নয়। আপনারা আপনাদের মতো কল্পনা করে নিন। দেখবেন বেশ লাগছে ।
( ফটোগ্রাফটি "কৃত্রিম" ভাবে ক্লিপ করে দিলাম শুধুমাত্র সেই সময় কে নিজের চোখে দেখলে কি অনুভূতি হয় সেটা বোঝানোর জন্য ।)
#পুরানো_ভারতের_চালচিত্র

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পুরানো ভারতের চালচিত্র - Old India posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Museum

Send a message to পুরানো ভারতের চালচিত্র - Old India:

Shortcuts

Share

Category