পুরানো কলকাতার চালচিত্র

  • Home
  • India
  • KOLKATA
  • পুরানো কলকাতার চালচিত্র

পুরানো কলকাতার চালচিত্র Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from পুরানো কলকাতার চালচিত্র, History Museum, KOLKATA.

যাত্রা শুরু ২০১৩ সাল থেকে। এটি একটি শিক্ষামূলক সংগ্রহশালা পেজ। এখানে কলকাতা এবং বঙ্গের দুর্লভ ও বিরল ঐতিহাসিক ছবি সংরক্ষণ করা হয়। অতি প্রাচীন ছবি গুলি দেশীওবিদেশী পাবলিক আর্কাইভ থেকে সংগ্রহ করা।
উদ্দেশ্য: শিক্ষা ও সংস্কৃতি প্রচার। বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য নেই। কলকাতার ইতিহাস
------------------------
কলকাতার নিকটবর্তী চন্দ্রকেতুগড়ে (চব্বিশ পরগনা জেলায় এবং কলকাতা শহর থেকে ৩৫ কিলোমিটার উত্তরপূর্ব দিকে

একদা ভাগীরথী নদীর অন্যতম প্রবাহ বিদ্যাধরী নদীর কূল ঘেঁষে এর অবস্থান।) প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্য চালিয়ে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে যে এই অঞ্চলটি বিগত দুই হাজার বছরেরও বেশি সময়কাল ধরে জনবসতিপূর্ণ। মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একাধিক গ্রন্থে হুগলি নদীর তীরবর্তী কলিকাতা গ্রামের উল্লেখ পাওয়া যায়। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বিপ্রদাস পিপলাইয়ের মনসাবিজয় কাব্য (১৪৯৫ খ্রি.), মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর কবিকঙ্কণ চণ্ডী (১৫৯৪-১৬০৬ খ্রি.), সৈয়দ আলাওলের পদ্মাবতী (১৬৪৫–৫২ খ্রি.), কৃষ্ণরাম দাসের কালিকামঙ্গল (১৬৭৬–৭৭ খ্রি.), সনাতন ঘোষালের ভাষা-ভাগবত (১৬৭৯–৮০ খ্রি.) ও কৃষ্ণদাসের নারদপুরাণ (১৬৯২ খ্রি.)। ১৫৮২ সালে রাজা টোডরমলের নির্দেশে সমগ্র বাংলা সুবা (প্রদেশ) জরিপ করে ওয়ালিশ-ই-জমা তুমার নামে একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়। আবুল ফজলের আইন-ই-আকবরি (১৫৯০ খ্রি.) গ্রন্থে উদ্ধৃত এই তালিকাটিতে "কলিকাতা" গ্রামটির উল্লেখ রয়েছে।এছাড়াও গোলাম হোসেন সেলিম রচিত রিয়াজ-উস-সালাতিন (১৭৮৬ খ্রি.) নামক একটি ফার্সি গ্রন্থেও "কলিকাতা" গ্রামের উল্লেখ রয়েছে।

১৫৩০ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ বাংলায় পর্তুগিজদের যাতায়াত শুরু হয়। সেযুগে টালির নালা ( মারহাট্টা ডিচ) বা আদিগঙ্গা ছিল সমুদ্রে যাতায়াতের পথ। সমুদ্রগামী বড়ো বড়ো জাহাজগুলি এখন যেখানে গার্ডেনরিচ, সেই অঞ্চলে নোঙর ফেলত। কেবল মাত্র দেশি ছোটো নৌকাগুলিই হুগলি নদীর আরো উজানের দিকে চলাচল করত। সরস্বতী নদী ছিল এই সময়কার আরও একটি জলপথ। এই নদী ষোড়শ শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে শুকিয়ে যেতে শুরু করে।

সপ্তদশ শতাব্দীর শেষভাগে যে-তিনটি গ্রাম নিয়ে কলকাতা শহর গড়ে উঠেছিল, গোবিন্দপুর ছিল তার অন্যতম। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অপর দুটি গ্রাম ছিল সুতানুটি ও ডিহি কলিকাতা। কলকাতা মহানগরীর প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে সুতানুটি ও ডিহি কলিকাতা তাদের নিজস্ব পরিচিতি হারায়; এবং নতুন ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ নির্মাণের সময় গোবিন্দপুর গ্রামটি ধ্বংস করে ফেলা হয়।

গোবিন্দপুর গ্রামের নামকরণ প্রসঙ্গে আরও একটি গল্প প্রচলিত আছে: গোবিন্দ দত্ত নামে এক ব্যক্তি এই অঞ্চলের উপর দিয়ে তীর্থে যাচ্ছিলেন। দেবী কালী তাঁকে স্বপ্নে দর্শন দিয়ে আদেশ করেন নদীর তীরবর্তী পরিত্যক্ত ভূভাগ খনন করতে। স্বপ্নাদেশ অনুযায়ী কাজ করে তিনি মাটির তলা থেকে প্রচুর ধনসম্পত্তি উদ্ধার করেন। গোবিন্দ দত্ত এখানেই থেকে যান এবং তাঁর নামানুসারেই গ্রামের নামকরণ হয় গোবিন্দপুর।

জব চার্নক সুতানুটির নিরাপদ অবস্থানের জন্য সেখানেই বসতি স্থাপন করেন। সেই যুগে সুতানুটি পশ্চিমে হুগলি নদী এবং পূর্বে ও দক্ষিণে দুর্গম জলাভূমির দ্বারা বেষ্টিত ছিল। কেবলমাত্র উত্তর-পূর্ব অংশে প্রহরার প্রয়োজন হত।

সুতানুটি, ডিহি কলিকাতা ও গোবিন্দপুর ছিল মুঘল সম্রাটের খাসমহল অর্থাৎ সম্রাটের নিজস্ব জায়গির বা ভূসম্পত্তি। এই অঞ্চলের জমিদারির দায়িত্ব ছিল বড়িশার সাবর্ণ রায়চৌধুরী পরিবারের উপর। ১৬৯৮ সালের ১০ নভেম্বর জব চার্নকের উত্তরসূরি তথা জামাতা চার্লস আয়ার সাবর্ণ রায়চৌধুরী পরিবারের থেকে এই তিনটি গ্রামের জমিদারির অধিকার কিনে নেন। এরপরই কলকাতা মহানগর দ্রুত বিকাশ লাভ করে। ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নিয়মিত এই অঞ্চলের রাজস্ব মুঘল সম্রাটকে দিয়ে এসেছিল।

বাংলার নবাব সিরাজদ্দৌলা কলকাতায় দুর্গপ্রতিষ্ঠা ও সামরিক আয়োজনে অসন্তুষ্ট হয়ে ১৭৫৬ সালে কলকাতা আক্রমণ ও অধিকার করে নেন। এই সময় ইংরেজরাই গোবিন্দপুরে অগ্নিসংযোগ করে গ্রামটি জ্বালিয়ে দেয়। নদীর চল্লিশ মাইল ভাটিতে ফলতায় তারা সাময়িকভাবে আশ্রয় নেয়। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে জয়লাভ করার পরই তারা কলকাতার অধিকার পুনরায় ফিরে পেয়েছিল।

কলকাতায় ফিরে এসে ব্রিটিশরা যে কাজটি করেছিল তা হল ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের পুনর্নির্মাণ। ১৭৫৮ সালে এই কাজ শুরু হয়; শেষ হয় ১৭৭৩ সালে। দুর্গনির্মাণের জন্য বেছে নেওয়া হয় ‘বর্ধিষ্ণু’ গোবিন্দপুর গ্রামের কেন্দ্রীয় অঞ্চলটিকে। ‘ক্ষতিপূরণ অর্থে’র একাংশ খরচ করা হয় দুর্গনির্মাণের জন্য জমিদাতাদের তালতলা, কুমারটুলি ও শোভাবাজার অঞ্চলে জমিদান করার জন্য।

সুতানুটি (পুরনো ইংরেজি বানানে Suttanuttee) । খ্রিস্টীয় সপ্তদশ শতাব্দীর শেষের দিকে সুতানুটি ও তার পার্শ্ববর্তী দুটি গ্রাম কলিকাতা ও গোবিন্দপুরকে নিয়ে আধুনিক কলকাতা শহরটি গড়ে উঠেছিল। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রশাসক জোব চার্নক (ইংরেজি ঐতিহাসিকেরা যাঁকে "কলকাতার জনক" আখ্যা দিয়েছিলেন) এই গ্রামে এসে বসতি স্থাপন করেছিলেন।

বর্তমান উত্তর কলকাতার বাগবাজার, শ্যামবাজার ও তার আশেপাশের এলাকাগুলিই অতীতে সুতানুটি গ্রাম নামে পরিচিত ছিল। গোবিন্দপুর, সুতানুটি, ও ডিহি কলকাতা (এ ছাড়াও কালীঘাট ও চিৎপুর) নিয়ে তৈরি হয় অধুনা কলকাতা ও সালকিয়া ও বেতড় (হাওড়ার শিবপুরের কাছে) অঞ্চল নিয়ে তৈরি হয় হাওড়া ।

সুতানুটি ও বেতড় দুটি গ্রামই ছিল গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র। সপ্তদশ শতাব্দীতে কলকাতা ও তার আশেপাশের অঞ্চলে যখন নগরায়ণ শুরু হয়, তখন এই দুটি গ্রাম যথাক্রমে কলকাতা ও হাওড়া মহানগরীর মধ্যে বিলীন হয়ে যায়।

গ্রামের চাষের জমিতে বর্গাদার নিয়ে বর্তমান দরকার চিন্তা ভাবনা করছেন। সেটা খুব ভাল কথা। কিন্তু যেখানে ভাগ চাষিরা মালিকদের...
09/08/2026

গ্রামের চাষের জমিতে বর্গাদার নিয়ে বর্তমান দরকার চিন্তা ভাবনা করছেন। সেটা খুব ভাল কথা। কিন্তু যেখানে ভাগ চাষিরা মালিকদের বছরের পর বছর না দেয় ফসল, না দেয় টাকা সে ক্ষেত্রে মালিকদের স্বার্থ দেখাও সরকারের উচিৎ।

এর সাথে ভিটে, বাগান etc এর দখল হয়ে জমি গুলি মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়া বা বিক্রি করে তাদের হাতে অর্থ তুলে দেবার ব্যবস্থা করুন। জমি বাড়ি থাকার পরেও অনেক মালিক আর্থিক কষ্টে রয়েছেন।

অনেক জায়গাতে বেআইনি ভাবে বা ঘুষ দিয়ে LR এ নাম পরিবর্তন করে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ আসছে। সে ক্ষেত্রে RS /CS চেক করে নেওয়া বাধ্যতা মূলক করে দেওয়া হোক।

যাদের এই রকম জমি /বাগান /বাড়ি বেআইনি দখল হয়ে আছে তারা যত এই পোস্ট ফরোয়ার্ড করবেন তত বেশি মানুষের কাছে এই খবর পৌঁছাবে। একদিন ঠিক সরকারের নজরেও আসবে।

কলিকাতার হগ মার্কেট বা নিউ মার্কেট ১৮৮০ সালের এই ছবিটি কলিকাতার বিখ্যাত হগ মার্কেটের। সাহেবদের জন্য আলাদা বাজার করার দাব...
06/08/2026

কলিকাতার হগ মার্কেট বা নিউ মার্কেট

১৮৮০ সালের এই ছবিটি কলিকাতার বিখ্যাত হগ মার্কেটের। সাহেবদের জন্য আলাদা বাজার করার দাবিতে ১৮৭৩ সালে এর নির্মাণ শুরু হয় এবং ১লা জানুয়ারি ১৮৭৪ সালে এটি কলকাতার প্রথম মিউনিসিপ্যাল মার্কেট হিসেবে খুলে দেওয়া হয়।

এর নকশা করেন ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ের স্থপতি Richard Roskell Bayne, এবং নির্মাণ করে Mackintosh Burn & Co। তৎকালীন কলকাতা কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান Sir Stuart Saunders Hogg এর উদ্যোগে এটি তৈরি হওয়ায় ২রা ডিসেম্বর ১৯০৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এর নাম হয় Sir Stuart Hogg Market, পরে যা শুধু হগ মার্কেট নামেই পরিচিত হয়। বাঙালিরা একে বলত "হগ সাহেবের বাজার"।
#বাংলারইতিহাস
ভিক্টোরিয়ান গথিক শৈলীর এই লাল ইটের মার্কেটটি তখন ছিল শুধু ব্রিটিশদের জন্য সংরক্ষিত। ছবিতে সামনে ঘোড়ার গাড়ি ও লিন্ডসে স্ট্রিটের দিকের মূল প্রবেশদ্বার দেখা যাচ্ছে।

ফটো- &Shepherd
#পুরানো_কলকাতার_চালচিত্র

১৮৭৯ সালে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের নির্মাণকাজ এই ছবিটি দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (Darjeeling Himalayan Railway)-এর...
28/07/2026

১৮৭৯ সালে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের নির্মাণকাজ

এই ছবিটি দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (Darjeeling Himalayan Railway)-এর নির্মাণকাজের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ধারণা করা হয়, এটি ১৮৭৯ সালে রংটং (Rangtong) এলাকার একটি লুপ নির্মাণের সময় তোলা হয়েছিল। আলোকচিত্রী ছিলেন বিখ্যাত Bourne & Shepherd এবং ছবিটি বর্তমানে British Library-এর সংগ্রহে সংরক্ষিত।
#পুরানো_কলকাতার_চালচিত্র
এই ছবিটি ১৮৭৯ সালের, যখন ব্রিটিশ প্রকৌশলীরা দার্জিলিংয়ের দুর্গম পাহাড় কেটে বিশ্বের অন্যতম বিস্ময়কর পাহাড়ি রেলপথ নির্মাণে ব্যস্ত ছিলেন। ছবিটি সম্ভবত রংটং এলাকার একটি লুপ নির্মাণের সময় তোলা।
১৮৭৯ সালে ফ্র্যাঙ্কলিন প্রেস্টেজের পরিকল্পনায় এই রেলপথ নির্মাণ শুরু হয়। পাহাড়ি ঢাল বেয়ে ট্রেন তুলতে প্রকৌশলীরা লুপ (Loop) এবং জিগজ্যাগ বা রিভার্স (Z-Reverse) পদ্ধতি ব্যবহার করেন, যা সেই সময়ের এক অসাধারণ প্রকৌশল কীর্তি ছিল। ১৮৮০ সালের মার্চ মাসের মধ্যে লাইন টিনধারিয়া পর্যন্ত পৌঁছে যায় এবং ১৮৮১ সালে দার্জিলিং পর্যন্ত সম্পূর্ণ চালু হয়। এই রেলপথের মূল উদ্দেশ্য ছিল দার্জিলিংয়ের চা, কাঠ এবং অন্যান্য পণ্য দ্রুত সমতলে পৌঁছে দেওয়া, পাশাপাশি পাহাড়ে যাতায়াত সহজ করা। ১৯৯৯ সালে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়েকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য (World Heritage Site) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
#দার্জিলিং
#বাংলারইতিহাস
📍 স্থান: রংটং (Rangtong), দার্জিলিং
📷 আলোকচিত্রী: Bourne & Shepherd
📚 সূত্র: British Library

ছবিটি ১৮৮০ সালের দার্জিলিংয়ের একটি ঐতিহাসিক দৃশ্য। ছবিতে পাহাড়ি রাস্তা, ঘোড়ায় চলাচল, ইউরোপীয় ধাঁচের বাংলো এবং একটি ...
27/07/2026

ছবিটি ১৮৮০ সালের দার্জিলিংয়ের একটি ঐতিহাসিক দৃশ্য। ছবিতে পাহাড়ি রাস্তা, ঘোড়ায় চলাচল, ইউরোপীয় ধাঁচের বাংলো এবং একটি গেজেবো (বসার প্যাভিলিয়ন) দেখা যাচ্ছে। সে সময় দার্জিলিং ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় হিল স্টেশন হয়ে উঠছিল। ছবিটি প্রায় ১৪৫ বছর আগের দার্জিলিং। তখনও মোটরগাড়ির যুগ আসেনি। পাহাড়ি পথে চলাচলের প্রধান ভরসা ছিল ঘোড়া, খচ্চর এবং ডান্ডি (পালকি)। ১৮৩৫ সালে সিকিমের চোগিয়াল ব্রিটিশদের কাছে দার্জিলিং অঞ্চল হস্তান্তর করেন। এরপর এটি দ্রুত একটি পাহাড়ি স্বাস্থ্যনিবাসে পরিণত হয়। ১৮৫৬ সালের পর চা-বাগানের দ্রুত বিস্তার ঘটে। ১৮৮০ সালের মধ্যে দার্জিলিং চা ইতিমধ্যেই ইউরোপে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিল। সেই সময় দার্জিলিংয়ের স্থায়ী জনসংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম, তবে ব্রিটিশ কর্মকর্তা, চা-বাগানের কর্মী, নেপালি শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের কারণে শহরটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছিল। ১৮৮০ সালে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (টয় ট্রেন) এখনও চালু হয়নি। এর নির্মাণ শুরু হয় ১৮৭৯ সালে এবং ১৮৮১ সালে দার্জিলিং পর্যন্ত রেল চলাচল শুরু হয়। পাহাড়ের ঢালে নির্মিত ইউরোপীয় কটেজ, চার্চ ও সরকারি ভবন দার্জিলিংকে "পূর্বের সুইজারল্যান্ড" নামে পরিচিত করতে সাহায্য করেছিল। পরিষ্কার দিনে এখান থেকে বিশ্বের তৃতীয় উচ্চতম শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা-র মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যেত, যা আজও দার্জিলিংয়ের অন্যতম আকর্ষণ।

#বাংলারইতিহাস

১৯০০ সালের আলিপুর চিড়িয়াখানা (বর্তমান আলিপুর জুলজিক্যাল গার্ডেন, কলকাতা) তখন শুধু বাংলার নয়, সমগ্র ভারতের অন্যতম সেরা...
25/07/2026

১৯০০ সালের আলিপুর চিড়িয়াখানা (বর্তমান আলিপুর জুলজিক্যাল গার্ডেন, কলকাতা) তখন শুধু বাংলার নয়, সমগ্র ভারতের অন্যতম সেরা চিড়িয়াখানা হিসেবে পরিচিত ছিল।
#পুরানো_কলকাতার_চালচিত্র
আলিপুর চিড়িয়াখানা প্রতিষ্ঠিত হয় ২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৭৫ সালে।
এটি ভারতের প্রথম পরিকল্পিত ও সরকারি চিড়িয়াখানাগুলির একটি।
কলকাতার ধনী নাগরিক, রাজা-জমিদার এবং ব্রিটিশ প্রশাসনের আর্থিক সহায়তায় এর বিকাশ ঘটে।
সেই সময় এখানে ছিল—
----------------------
রয়েল বেঙ্গল টাইগার
এশীয় সিংহ
হাতি
ভালুক
জলহস্তী
গণ্ডার
জিরাফ
উট
জেব্রা
কুমির
বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ
শত শত দেশি ও বিদেশি পাখি।
১৯০০ সালে চিড়িয়াখানার প্রাণ ছিলেন রাম ব্রহ্ম সান্যাল। তিনি ভারতের প্রথম ভারতীয় সুপারিন্টেনডেন্ট ছিলেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজ:
-----------------------
প্রাণীদের বৈজ্ঞানিকভাবে পরিচর্যার ব্যবস্থা।
সফল প্রজনন কর্মসূচি।
প্রাণী পালনের ওপর বিশ্বের প্রথম দিকের একটি ব্যবহারিক নির্দেশিকা (Handbook) রচনা।
#পুরানো_কলকাতার_চালচিত্র

#বাংলারইতিহাস

১৮৭০ সালের এটি দার্জিলিং শহরের অন্যতম প্রাচীন প্যানোরামিক দৃশ্যগুলোর একটি।  আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা,ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাক...
23/07/2026

১৮৭০ সালের এটি দার্জিলিং শহরের অন্যতম প্রাচীন প্যানোরামিক দৃশ্যগুলোর একটি।
আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা,
ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ইউরোপীয় বাংলো,
প্রাথমিক চা-বাগানের এলাকা,
ঘন বন, যা এখন অনেকটাই নগরায়িত।

১৮৭০ সালে শহরের জনসংখ্যা ছিল মাত্র কয়েক হাজার। অধিকাংশ মানুষ ছিলেন লেপচা, ভুটিয়া, নেপালি ও কিছু ব্রিটিশ কর্মকর্তা। আজকের টাইগার হিল তখন পর্যটন কেন্দ্র ছিল না। ব্রিটিশরা মূলত অবজারভেটরি হিল ও আশপাশের পাহাড় থেকে সূর্যোদয় ও তুষারশৃঙ্গ দেখতেন। বিশ্ববিখ্যাত "টয় ট্রেন" চালু হয় ১৮৮১ সালে। ১৮৭০ সালে পাহাড়ে ওঠানামার প্রধান ভরসা ছিল ঘোড়া, খচ্চর ও পালকি। বর্ষাকালে ভূমিধস প্রায়ই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিত। অনেক রাস্তা এতটাই সরু ছিল যে একসঙ্গে দুটি ঘোড়া চলতে পারত না। কলকাতার গরম থেকে বাঁচতে ব্রিটিশ অফিসার ও তাঁদের পরিবার গ্রীষ্মকালে দার্জিলিংয়ে এসে কয়েক মাস থাকতেন। তাই একে "Summer Capital of Bengal" বলেও উল্লেখ করা হতো। সেই সময় অধিকাংশ ইউরোপীয় বাড়ি কাঠ ও পাথর দিয়ে তৈরি ছিল। ভূমিকম্পের ঝুঁকির কথা মাথায় রেখেই এই নকশা জনপ্রিয় হয়। তিব্বত, সিকিম, নেপাল ও ভুটান থেকে ব্যবসায়ীরা উল, লবণ, ঔষধি গাছ ও বিভিন্ন হস্তশিল্প নিয়ে দার্জিলিংয়ে আসতেন। ( পুরানো কলকাতার চালচিত্র) আজ যেখানে শহর, সেখানে তখন হিমালয়ান কালো ভালুক, চিতাবাঘ, বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ ও অসংখ্য বিরল পাখির দেখা মিলত।

#পুরানো_কলকাতার_চালচিত্র
#বাংলারইতিহাস
#দার্জিলিং

তখন ১৮৬৫ সাল। জন ওয়ার্ড সাচে্‌ এর তোলা ফটোগ্রাফে -  সামনে দেখা যাচ্ছে বর্তমানে অবলুপ্ত এসপ্ল্যানেড ট্যাঙ্ক বা ধর্মতলা তা...
22/07/2026

তখন ১৮৬৫ সাল। জন ওয়ার্ড সাচে্‌ এর তোলা ফটোগ্রাফে - সামনে দেখা যাচ্ছে বর্তমানে অবলুপ্ত এসপ্ল্যানেড ট্যাঙ্ক বা ধর্মতলা তালাও ।

জন এডওয়ার্ড সাচে (John Edward Saché) ছিলেন একজন বিখ্যাত জার্মান ফটোগ্রাফার । যিনি মূলতঃ ভারতে তাঁর ফতোগ্রাফির জন্য বিখ্যাত। ভারতে এসেছিলেন ১৮৬০ সালে। এর পর থেকে অনেক ফটো তুলেছিলেন। সেই সময় একটি ফটো তোলার খরচ ছিল বিশাল। সাধারণ মানুষের কল্পনার বাইরে। ফটো তুল্ললেও সে গুলি বিদেশ থেকে ডেভেলপ আর প্রিন্ট করিয়ে আনতে হতো।

#পুরানো_কলকাতার_চালচিত্র
#বাংলারইতিহাস

১৮৬০ সালে জন এডওয়ার্ড সাচে (John Edward Saché) এই ফটোগ্রাফ টি তুলেছিলেন লাটভবন (Government House) থেকে। জন এডওয়ার্ড সা...
21/07/2026

১৮৬০ সালে জন এডওয়ার্ড সাচে (John Edward Saché) এই ফটোগ্রাফ টি তুলেছিলেন লাটভবন (Government House) থেকে।

জন এডওয়ার্ড সাচে (John Edward Saché) ১৯ শতকের একজন প্রখ্যাত প্রুশীয়/জার্মান বংশোদ্ভূত ফটোগ্রাফার ছিলেন, যিনি মূলতঃ ভারতে তাঁর কাজের জন্য বিখ্যাত। ভারতে আগমন: তিনি ১৮৬০-এর দশকে ভারতে আসেন এবং তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতে একজন শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক আলোকচিত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৮৬৫ সালের দিকে তিনি ফটোগ্রাফার কলিনসের সাথে যুক্ত হয়ে Saché & Collins নামে কাজ শুরু করেন।

#পুরানো_কলকাতার_চালচিত্র
#বাংলারইতিহাস

তখন ১৭৯০ সাল। কলকাতা তখন গ্রাম্য অবস্থায় বিরাজ করছে। উইলিয়াম হজেস-এর পছন্দ হল এই পরিবেশ এঁকে ফেললেন সেই মনোরম দৃশ্য। যা...
20/07/2026

তখন ১৭৯০ সাল। কলকাতা তখন গ্রাম্য অবস্থায় বিরাজ করছে। উইলিয়াম হজেস-এর পছন্দ হল এই পরিবেশ এঁকে ফেললেন সেই মনোরম দৃশ্য। যা এখনো ম্যানচেস্টার সিটি গ্যালারিতে 236 বছর ধরে সংরক্ষিত রয়েছে।
#পুরানো_কলকাতার_চালচিত্র

#বাংলারইতিহাস

~ ফেলে আসা দিনের স্মৃতি ~ তখন ১৯৪০-৪৫ সাল। পুরানো মডেলের BLS-392 দোতলা বাসের রুট নং ছিল 2A যার  গন্তব্য ছিল শ্যামবাজার থ...
19/07/2026

~ ফেলে আসা দিনের স্মৃতি ~

তখন ১৯৪০-৪৫ সাল। পুরানো মডেলের BLS-392 দোতলা বাসের রুট নং ছিল 2A যার গন্তব্য ছিল শ্যামবাজার থেকে কর্ণওয়ালিশ স্ট্রিট, কলেজ স্ট্রিট, ওয়েলিংটন, চৌরঙ্গী হয়ে কালীঘাট পর্যন্ত। বাসের গায়ে কমলালয়ের আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন।

#পুরানো_কলকাতার_চালচিত্র
#বাংলারইতিহাস

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পুরানো কলকাতার চালচিত্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Museum

Send a message to পুরানো কলকাতার চালচিত্র:

Shortcuts

Share

Category