juli novel writer

juli novel writer I have grown so fond of novels that I am starting to write them myself
I am a new novel writer

Pratilipi অ্যাপ প্রতিদিন নিজের মনের মত গল্প বা উপন্যাস পড়ুন ফ্রীতে ☺️
27/04/2026

Pratilipi অ্যাপ প্রতিদিন নিজের মনের মত গল্প বা উপন্যাস পড়ুন ফ্রীতে ☺️

বেসামাল প্রেম (পর্ব~১)সন্ধ্যা ৫:৪৫, সূর্য মামার দেখা নেই আজ প্রায় সপ্তা খানেক হবে আজকেও তাই। আকাশ জুড়ে কালো মেঘের সংবা...
16/03/2026

বেসামাল প্রেম (পর্ব~১)

সন্ধ্যা ৫:৪৫, সূর্য মামার দেখা নেই আজ প্রায় সপ্তা খানেক হবে আজকেও তাই। আকাশ জুড়ে কালো মেঘের সংবাদ।
ছাদের রেলিঙে গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে শ্যাম বর্ণের মেয়েটি তার দৃষ্টি সেই কখন থেকে কালো আকাশের পানে হয়তো কিছু ভাবছে তবে তাকে এরকম গোমরা হয়ে দেখতে মোটেউ ভালো লাগছেনা আমার তাই ভাবলাম বিরক্ত করি তাকে বিরক্ত করে অনেক মজা পাই আমি আস্তে আস্তে পিছনে দাড়ালাম পেছন থেকে জড়িয়ে ধরতেই ছিটকে দূরে সরে গেলো আমার গালে ঠাস করে চড় বসিয়ে দিলো মেয়েটি রাগী গলায় বলল --"বাদর ভয় দেখাচ্ছিস কেনো ? কাম না থাকলে বাইরে গিয়ে হাওয়া খা,শুধু শুধু বিরক্ত করিস কেনো "
--"আর দেখাবনা ভয়,এখন এটা বল তুই কেঁদেছিস তাই না ? "
শ্যাম বর্ণের মেয়েটির নাম আরশিয়া। আর্শিয়া কিছু বললনা আবার আকাশে দৃষ্টি রাখলো আমি এইবার বুঝে গেলাম তার কি হয়েছে তাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে তার ঘাড়ে চিবুক রাখলাম বললাম -
--"আবারও ঝগড়া হয়েছ?"
তার শান্ত কন্ঠ --"না "
--"😮‍💨বলনা কি হয়েছে ?"
--"সে পাগলামি করে আমার ভালো লাগেনা তার এমন কান্ড দেখে।এমন করলে তো দুজেনের জীবনটাই নষ্ট হয়ে যাবে😔"
--"কি করেছে ? 😨"
--"একটা ছেলে আমাকে অনেক দিন ধরে দেখছিল কালকে শুনি ছেলেটিকে নাকি কেউ,একটা চোখে আঘাত করেছে এখন হাসপাতালে"
--"তো? এখানে তর সাথে কি কানেকশন?"
--"তুই বুঝিস না ? এই কাম ইশান করেছে"
--"কিই..ইই..ই ...?😱😱😱"
--"😮‍💨😔আমি বিরক্ত হয়ে যাচ্ছি"
--"🥲😐আচ্ছা ওসব বাদ দে চল রুমে,বৃষ্টি আসবে হয়তো"

11/03/2026
পর্ব~২।    মাই সুইট ডিজার্ট আরহাম তৃষাকে নিয়ে তৃষার স্কুলে এসেছে প্রিন্সিপাল রুদ্র দুজনকে বসতে দিয়ে হাসিমুখে তৃষাকে জি...
11/03/2026

পর্ব~২। মাই সুইট ডিজার্ট

আরহাম তৃষাকে নিয়ে তৃষার স্কুলে এসেছে প্রিন্সিপাল রুদ্র দুজনকে বসতে দিয়ে হাসিমুখে তৃষাকে জিজ্ঞেষ করল
"Are you going well your exams ?"
তৃষা ছোটো করে জবাব দিলো
"Yes sir "☺️
রুদ্র এইবার আরহামকে জিজ্ঞেস করে "তো কি মনে করে আসলে আরহাম "

আরহাম নিজেকে শান্ত করে বলল

"স্কুল স্টুডেন্টের সাথে স্কুলের ভেতরেই অসভ্যতামি করা হয় আপনারা এটার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেবেন? নাকি আমি নেবো?"

অহামের সোজা কথা শুনে রুদ্র সার এইবার বুঝে গেলো ছেলেটির অনেক রাগ উঠেছে শান্ত হয়েই বললো

" আমরা এই বিষয়ে জানতাম না কিন্তু না জানার জন্য অনেক দুখিত আমি এই বিষয়ে আজকেই ব্যবস্থা করবো তুমি নিশ্চিত থাকতে পারো এরকম ভুল আর হবেনা"

আরহাম আর কথা বলার প্রয়োজন বোধ করলনা যেভাবে এসেছিল ঠিক সেভাবেই তৃষার হাত ধরে অফিস বেরিয়ে গেলো।
(inspiria college shiliguri) এই কলেজে আরহাম BBA অর্থাৎ বিজনেস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ের প্রফেসর সাথে পরিবারের বিসনেসও হাত লাগিয়েছে
আরহামকে আজ পর্যন্ত যে যে চিনতে পেরেছে সবাই তার ব্যাপার ভালো করেই জানে এই ছেলেটির অনেক রাগ জেদ একবার যা বলবে সেটা করেই ছাড়বে ছেলেটি সোব ফালেই একদম পারফেক্ট ছোট থেকেই পড়াশুনো অনেক ভালো hslc পাস করার পর্থেকেই সে কমার্স নিয়ে ডিগ্রী কমপ্লিট করে এখন বিজনেস করছে সাথে বিজনেস কলেজের প্রোফেসর তার গায়ের রং অনেক ফর্সা নয় তবে দেখতে দেখতে একদম হ্যান্ডসাম। সে যেই শ্রেণীতে পড়ায় সেখানে বেশিরভাগ মেয়েগুলো শুধু একনজর দেখবে বলেই আসে মেয়েগুলো তাকে দেখে থাকলেও অনেক ভয়ও পায়, কারণ তাদের স্যার যে অনেক রাগী একটা লোক ভয় তো পাবেই এটাই সাধারণ ।
গাড়ি পার্কিং করতেই তৃষা অচেনা পার্কিং জায়গা দেখে চমকে উঠে

"আরে আপনি কোথায় নিয়ে এলেন? আমাকে বারি রেখে আসুন আপনার তো কলেজে যেতে হবে "

আরহাম গাড়ি থেকে নেমে তৃষার ডর খুলে নামতে বলল
" কলেজেই এসেছি অনেক লেট হয়ে গিয়েছে তোকে বাড়ি রেখে আসতে হলে আজকে আর ক্লাস করাতে পারতাম না আয় নাম "

তৃষা মুখ ছোট করে নামলো জিজ্ঞেস করলো

" আপনি তো ক্লাস করবেন আমি একা কোথায় থাকবো?"

আরহাম তৃষার হাত ধরে কলেজে ঢুকতে ঢুকতে বলে

"আমার সাথে আমার ক্লাজে বসে থাকবি"

তৃষা কিছু বলতে চেয়েও বললনা সামনে চোখ পড়তেই বড় বড় হয়ে গেলো o my god কথাটা বলেই আরহামের ছেড়ে দিয়ে পুরো কলেজে চোখ বোলালো হাসী মুখে আরহামের দিকে তাকাতেই সাভাবিক হয়ে গেলো আরহাম তার দিকেই তাকিয়ে ছিল তৃষা আমতা আমতা করে বলল

" আমি অনেক সারপ্রাইজ হয়েছি আসলে আমি জানতাম না আপনি যে এই কলেজের টিচার "
"তো সারপ্রাইজ হওয়ার কি হলো?"

" কারণ আমার অনেক সপ্ন এই কলেজে পড়ব "

" আচ্ছা পড়তে পারবি তো এক্সাম ভালো করে দে"

" সত্যি পারব? আপনি কোন সেকশন এর টিচার?"

" বিজনেস মেনেজমেন্ট, তুই কি পড়তে চাশ?"

" আমি BSC ফেশন ডিজাইনিং "

তৃষার হাত নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে জেতো এগুচ্ছে কলেজের সব স্টুডেন্ট, লোক, টিচার, অন্যন্য মানুসেরা সবাই তাদেরকে কিভাবে দেখছে যেন কোনো বলিউড মুভির সিন দেখানো হচ্ছে তৃষা আসে পাশে দেখে নার্ভাস হচ্ছে ভাবতে লাগে এভাবে দেখার কি আছে? জীবনে মানুষ দেখেনি? কতজন তো নিজেদের মাঝে ফিসফিসিয়ে কথা বলসে স্টুডেন্টের মন ভেঙে যাচ্ছে তাদের পছন্দর লোক অন্য কারো হাত ধরে আসছে কষ্ট তো হবেই তারা এগোতে এগোতেই আরহাম বলল

" আমার বেস্ট ফ্রেন্ড ডিজাইনিং বিষয়ের টিচার তুই তার কাছেই পড়তে পারবি "

" আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড আছে?"

" হুম ভেতরে গেলেই দেখতে পারবি ওই যে আসছে আমাদের এখানেই "

সামনে একটা সুন্দরী রমণী তাদের দিকেই এগিয়ে আসছে তা দেখে তৃষা মন খারাপ করে বলল

"এটা তো মেয়ে আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড মেয়ে কেনো?"
তার কথা শুনে অবাক হলো

"কেনো হতে পারেনা? এতো নেগেটিভ মেইন্ড নিয়ে থাকিস কেনো তুই?"

" আমার তো ছেলে বেস্ট ফ্রেন্ড অথবা ফ্রেন্ড নাই আমার ২ জন ফ্রেন্ড শুধু মেয়ে ইনা আর মেহরিন "

আরহাম কিছু বলতে গিয়েও থেমে গেলো সামনে থাকা মেয়েটি এইবার অনেক সামনে এসে দাঁড়ালো আরহামের হাতে কোনো মেয়ের হাত দেখে আগুন চোখে তাকালো, আরহাম মেয়েটিকে বলল

" সরি আমার লেট হয়ে গিয়েছে "

তার মুখে "সরি" শব্দ শুনে তৃষা নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছেনা হা করে তাকিয়ে আছে এই মেয়েটিকে সরি বলল? কেনই বা বলবে? তৃষা কে সারাদিন বোকার পরেও তো কোনো দিন সরি বলেনি তাহলে এক কেনো বলবে? অভিমান হচ্ছে আরহাম তৃষা কে এভাবে তার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে ভ্রু নাচালো সামনে থাকা মেয়েটিকে দেখিয়ে বলল

" এটা আমার বেস্ট ফ্রেন্ড সাফা মির্জা "

অল্প থেমে তৃষার দিকে তাকিয়ে বলল

" এটা আমার একমাত্র বাচ্চা কাজিন "

বাচ্চা কাজিন বোলাতে তৃষার অনেক রাগ হলো সাফা অল্প হেসে বলল
"হাই বাচ্চা কাজিন কেমন আছো "

তৃষাও অল্প হেসে আরহামের পানে তীক্ষ্ম চোখে তাকিয়ে আবারও সাফার পানে চেয়ে জোর করে হেসে বলল

"আমি ভালো আছি সাফা আপু, আমার নাম তৃষা আরমিন শেখ "

"তাহলে আমি তৃষা বলতে পারব তাই না?"

আরহাম সাফার উদ্দেশ্য বলে
"No,তাকে আরমিন বলে ডাকতে পারো
i don't like being called this name
আমার লেট হচ্ছে ক্লাজ শেষের পর কথা বলি "

মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ জানালো সাফা,আরহাম তৃষা কে নিয়ে যেতে চাইলে পেছন থেকে সাফা বলে উঠে

"তাকে নিয়ে ক্লাজ করবে? আমার কাছে থাকুক "

" না সে থাকবেনা আমার কোনো সমস্য হবেনা "

"কেনো থাকবেনা?তাকে জিজ্ঞেস করো"

আরহাম তৃষার দিকে তাকাতেই তৃষা ভয় পায় আরহামের সাথে যাওয়ার মত না থেকেও যেতে হবে সাফার পানে তাকিয়ে অল্প হেসে বলে

" সাফা আপু আপনি নিশ্চিত থাকুন আমি আরহাম ভাইয়ের সাথে থাকতে পারবো "

আরহাম তৃষাকে নিয়ে চলে গেলো সাফা কটমট চোখে তাকিয়ে থাকলো এই মেয়েটি কি ছোট? তাকে নিয়েই ক্লাস করতে হয়?মেয়েটির উপর রাগ হচ্ছে ।
writer juli

💌 পর্ব ~ ১            মাই সুইট ডিজার্ট সকাল সকাল এলার্মের শব্দে ঘুম ভেংগে যায় তৃষার কতবার যে বন্ধ করেছে কিন্তু এলার্ম ত...
27/02/2026

💌 পর্ব ~ ১
মাই সুইট ডিজার্ট

সকাল সকাল এলার্মের শব্দে ঘুম ভেংগে যায় তৃষার কতবার যে বন্ধ করেছে কিন্তু এলার্ম তাকে শান্তি দেয়না এলার্ম থেকে বড় বিরক্তিকর শব্দ হলো এই বাড়ির বাঘের গোলা , ইশ কত জোর গোলারে বাবা, আসলে এইটা কোনো বাঘ না এটা হলো এহসান বাড়ির বড় ছেলে আরহাম এই সকালে কতবার যে ডেকেছে তার কোনো হিসাব নেই তাকে ডাকছে নাকি বাড়ি মাথায় তুলে ভূমিকম্প উঠিয়েছে কে জানে ?আসলে তৃষার দোষ তাই তো সকাল সকাল চিল্লাচ্ছে তৃষার hslc এক্সাম চলছে কিন্তু এই মেয়েটির কোনো গুরুত্ব নেই যত্ত জ্বালা আরহামের দেখতে হয় তাকে প্রত্যেকদিন ডেকে উঠাতে হয় জোর করিয়ে পড়াতে হয় , তৃষার সাথে ইনাও hslc এক্সাম দিচ্ছে কিন্তু সে ভোর বেলা উঠে পড়তে বসে দুজনে একরুমে থাকে ইনা তৃষাকে অনেক ডাকে কিন্তু সে উঠেনি তার জন্য ইনাকেও ভাইয়ের কাছে বোকা শুনতে হয় যেতো ভুল করবে তৃষা আর মাঝ থেকে বোকা শুনতে হয় ইনাকে আজকেও তাই এগুলো প্রতিদিনের রুটিন ।

"প্রতিদিন এক কথা বলতে আমার বিরক্ত লাগে,তৃষা কি এখনো বাচ্চা?সে কিছুই বুঝেনা?পরীক্ষার কোনো টেনসন নেই?এখনো কেনো উঠেনি ও? ডাকিসনি ?"

আরহামের রাগী জোর গলায় বলা কথা পুরো বাড়ির সবার কানে অব্দি পৌছায় ইনা ভাইয়ের বলা কোথায় কেঁপে উঠে মাথা নিচু করে মিনমিনিয়ে বলে

"আমি তো ওকে অনেক ডেকেছি সে কি আমার কথা শুনে ? আমাকে গালি দিচ্ছ কেন?"
ইনার কথা শেষ হতেই তৃষা ওয়াশরুম থেকে আস্তে আস্তে করে বেরোয় চোখ দুটো তার বন্ধ ভয়ে হয়তো কাপছে কতক্ষণ পর পর সামনে থাকা বাঘকে এক চোখা খুলে দেখছে যে এই মুহুর্তে অত্যন্ত রাগী শুধু চোখ দিয়েই গিলে খাচ্ছে তৃষা মনে মনে প্রার্থনা করছে আল্লাহ প্লিজ এইবার বাঁচিয়ে নাও তুমার এই নিষ্পাপ সরল বন্দীকে কালকে থেকে নাহয় সারারাত ঘুমাবনা তবুও তুমি এই বাঘের শিকার থেকে বাঁচিয়ে নাও আল্লাহ নাহলে যে আমাকে ছিঁড়ে খাবে ।তৃষাকে দাড়িয়ে থাকতে দেখে রাগের মাত্রা বেড়ে যায় জোর গলায় ধমক দিয়ে বলে উঠে

"অভাবে দাড়িয়ে আছিস কেন ? আর কয়টা বাজে ? পরীক্ষার সময় এখন উঠার বেলা হলো তোর ? যাহ পড়তে বস,কালকে থেকে দেরি করে উঠল আমার থেকে খারাপ আর কেউ হবেনা যা ।"

শেষের কোথায় হালকা কেঁপে উঠলো তৃষা ,আরহাম রুম থেকে বেরিয়ে যেতেই তৃষা লাফ দিয়ে বেডে উঠে ভেংচি কাটলো বলল
"আপনার থেকে খারাপ কেই বা হতে পারে ? খবিস লোক সারাক্ষণ বোকা দেয় "😒
তৃষার কথা শুনে ইনা বলল
"দম থাকে যদি ভাইয়ার সামনে বল গিয়ে সেটা তো পারবিনা তোর জন্য প্রতিদিন আমাকে বোকা শুনতে হয় ভাইয়া কি বলেছে শুনেছিস ? যা পড়তে বস "

তৃষা আর ইনা একই রুমে থাকে তারা সমবয়সী ইনা হলো আরহামের ছোট বোন।আরহাম আর ইনা দুজনেই তৃষার বড় মামার সন্তান। তৃষার বেড বা দেওয়ালের সাথে তার বিপরীতে ইনার বেড দুজনের বেডের সাথেই দুজনের স্টাডি টেবিল ইনার বেডের পাশেই ওয়াশরুম।

এখন বাজে সকাল ৭:৩০
ইনা বেড থেকে নেমে বাইরে যেতে যেতে তৃষার উদ্দেশ্য বলে
"আয় ব্রেকফাস্ট করে পড়তে বসবো নাহলে আবারো ভাইয়ার কাছে বোকা শুনতে হবে "

তৃষা ইনার পিছু পিছু হেটে যেতে বলল

"তোর ভাই এক নাম্বারের খবিস শুধু শুধু বোকা দেয়"
ইনা পেছন ঘুরে চোখ ছোট করে বলল

"তোর দোষেই তো বোকা শুনিশ আর অল্প আগে যদি উঠতি টাই তো আর গালি দিত না "

"ওকে বেবি বাদ দে চল খেয়ে আসি আগে "

আজকে ২৫তম ফেব্রুয়ারি অলরেডি তৃষার সব পরীক্ষা হয়েছে এখন শুধু ইলেকটিভ সাবজেক্ট বাকি সেটা কালকে হবে । তৃষা ৭বছর বয়স থেকেই তার মামার বাড়ি থাকে তার দুটো মামা বড় মামা মিরাজ এহসান তার স্ত্রী আহিয়া এহসান। মিরাজ এহসানের ছেলে এহসান বাড়ির বড় ছেলে এবং সবার চোখের মণি একমাত্র প্রিয় সন্তান সে আর কেউ না তৃষার ভয়ংকর বাঘ আরহাম এহসান বয়স (২৬) ইনা এহসান হলো আরহামের ছোট বোন। তৃষার ছোট মামা মিহাজ এহসান তার স্ত্রী নায়রা এহসান মিহাজ এহসানের মেয়ে লিয়ানা এহসান বয়স (২৪) লিয়ানা বারিতে থাকেনা হোস্টেলে থাকে সে এলএলবি পড়ছে তার কলেজ বাড়ি থেকে যেতে অনেক দূরের তাই হোস্টেলে থেকে পড়ছে লিয়ানার ভাই নিফাত এহসান বয়স (১০)বাড়ির সবাই অনেক ফ্রেন্ডলি,বাড়িটা অনেক বড় পুরো চার তলা বাড়ি ৪নাম্বার ফ্লোর সচরাচর কেও থাকেনা ৩নাম্বার ফ্লোর বাচ্চারা থাকে আর ২নাম্বার ফ্লোরে বড়রা থাকে সবথেকে নিচের ফ্লোরে সদর দরজা থেকে ভেতরে ঢুকলেই লিভিং রুম লিভিং রুমের পাশেই ডানদিকে ডাইনিং টেবিলে তার সাথেই কিচেন লিভিং রুমের বা দিকে একটা ছোট করিডোর আছে এখানে ছোট একটা রুম আছে যেখানে ফ্রি সময় ইনা এবং তৃষা নিজেদের ব্যক্তিগত কাজ নিজে ব্যস্ত থাকে ।

বর্তমানে ~
আরামের পরণে কালো সিল্কি প্যান্ট হোয়াইট শার্ট কালো জুতো চুলগুলো হাত দিয়ে ব্লাশ করতে করতে সিঁড়ি দিয়ে নেমে এসে তৃষার পাশের চিয়ার টেনে বসলো সবাই সকালে রোজা কিন্তু ইনাদের পরীক্ষা তাই তাদেরকে রোজা থাকতে দেয়না মহিলা দুজন তাদেরকে খাবার দিচ্ছে তৃষা এখান থেকে যেতে পারলেই বাঁচে যত তাড়াতাড়ি এখানথেকে পালাতে পারবে তত ভালো নাহলে এই বাঘটার সামনে সে যতোই ভালো কাজ করুক না কেনো ভুল খুঁজে বের করবে ।আসলে আরহাম তৃষার ভুল খুঁজে বের করেনা ভুল দেখতে পায় পাবেই না কেনো তৃষা ভুল করে বেড়ালে আরহাম তো দেখবেই তাই না ? তাড়াতাড়ি পালাবে বলে পুরো ব্রেড টাই মুখে পুরতে গিয়ে গলায় আটকে যায় তৃষার তার এমন কাজ কর্ম আরহামের রাগ হয় এই মেয়েটির আসলে সমস্যা টা কি ? সব কাজেই এত তড়িঘড়ি করার কি আছে ? শুধূ সারাক্ষণ লাফালাফি করতে দিলে এক্সপার্ট তৃষাকে পানির গ্লাস এগিয়ে দিয়ে ধমক দিয়ে বলল

" ইডিয়েট আস্তে খেলে কি তোর সমস্যা হয় ? "
মিহাজ বাইরেই যাচ্ছিলো তৃষাকে দেখে যেতে যেতে বলল
"আরমিন আম্মু আস্তে খাও "
রান্নাঘর থেকে আহিয়া এসে তৃষার পিঠে হাত বুলাতে বুলাতে ছেলের উদ্দ্যেশ্য বলল
"বাচ্চা মানুষ বুঝতে পারেনি মেয়েটাকে সারাক্ষণ বোকা দিশ কেনো ? "
আরহাম একবার তৃষার পানে চেয়ে মায়ের কথার জবাব দিলো শান্ত কন্ঠ
"সত্যি সে বাচ্চা ? কোনো বাচ্চার পক্ষে ওই কথা বলা অসম্ভব আম্মু তাকে জিজ্ঞেস করো সে কত বড় কথা বলেছে ?"
ছেলের কথা শুনে ভ্রু কুচকালো, সবাই সন্দেহর দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে টতৃষার পানে তৃষা সবার দিকে তাকিয়ে ঢোগ গিলে ইনার পানে চাইলো ইনা দ্রুত উঠে এক দৌড়ে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে গেলো বেচারা তৃষা মনে মনে ইনাকে অনেক কথা শুনলো খবিস তুই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড হতেই পরিশনা আমাকে শিকারের হাতে ফেলে নিজের প্রাণ বাচাতে একবারও ভাবলি না ? তোর সাথে কাটি তোর সঙ্গে কোনো কথা নেই । নায়রা এহসান তৃষাকে জিজ্ঞেস করে
"কাকে কি বলেছিস আরমিন?বল কিছু বলবনা "
নিফাত তৃষার পানে চেয়ে বলে
"আপুই একদম বলবেনা বোকা দিবে "
নায়রা ছেলেকে গালি দিলো
"চুপ পাকামু ছড়াবো,আরমিন কি করেছে তুই কি জানিস নাকি?"
নিফাত মায়ের ধমকে বলল
"আমি তো কিছুই জানিনা আমি তো এমনি বললাম"
নিফাত আর দাঁড়ালো না উঠে দৌর লাগলো তৃষা কিছু বলছেনা দেখে আরহাম নিজেই বলে দিলো

"তৃষা নাকি বিবাহিত এই কথাটা তার স্কুলের প্রিন্সিপাল আমাকে জিজ্ঞেস করলো আমি কি বলতাম? সে এত বড় কথা কথা কোনো বাচ্চারা তো বলবেনা ?"

এমন কথা শুনে সবাই হতবম্ব এত বড় কথা কি করে বলতে পাল এত বড় মিথ্যে কথা? অহিয়া এহসান তৃষাকে বলে
"আরমিন আম্মু কেনো বলেছিস এভাবে ?বল ?"
তৃষা এইবার আমতা আমতা করে সব খুলে বলল

"আমাকে একটা ছেলে অনেক বিরক্ত করে সেই দিন যখন এক্সাম দিয়ে বের হয়েছিলাম ইনার জন্য আমি দাড়িয়ে ছিলাম তার পর ওই ছেলেটি আমার সাথে বেয়াদবি করছিল সেখানে অনেক লোক ভিড় করে আমাদেরকে দেখছিল কিন্তু কেউ এগিয়ে এসে ছড়িয়ে দেইনি আমার হাত ধরে জোর করে নিয়ে যাচ্ছিল আমি অনেক ভয় পেয়েছিলাম আমার মুখ দিয়ে একাই বের হয়েগেলো এই কথাটা কেউ শুনে স্যারকে বলবে আমি তো জানতাম না " 🥺☹️😓

বাংলা উপন্যাস বা রোম্যান্টিক গল্প পড়তে চাইলে (pratilipi) এই অ্যাপ টা ইন্সটল করে আমার লেখা উপন্যাস গল্প ফ্রিতে পড়তে পার...
27/02/2026

বাংলা উপন্যাস বা রোম্যান্টিক গল্প পড়তে চাইলে (pratilipi) এই অ্যাপ টা ইন্সটল করে আমার লেখা উপন্যাস গল্প ফ্রিতে পড়তে পারবেন 🕊️আসা করি আপনারা আমার লেখা উপন্যাস পড়তে আগ্রহী,,,,,,,,আমাকে অনুসরণ করে এগিয়ে যেতে সাহায্য করুন 👑💌

Address

Barpather
Bongaigaon
783381

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when juli novel writer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category