25/09/2026
#মাই_লিথাল_মেন #তৃতীয়_পর্ব
#লেখিকা_জুলি_ইয়াছমিন
🚫কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ🚫
ক্যাটাগরি:-ডার্ক রোমান্স
*যুবকটির সেই রাগী ও কদর্য কণ্ঠের ধমকে পুরো এলাকা যেন স্তব্ধ হয়ে গেল। কেউ একটা টু শব্দ করার সাহস পেল না। যুবকটি রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে হাতের রক্তমাখা ছুরিটা মাটিতে ছুঁড়ে ফেলল। তারপর নিজেই নিচু হয়ে অত্যন্ত যত্ন সহকারে, অথচ এক অদ্ভুত অধিকারবোধ নিয়ে অচেতন লিউকে কোলে তুলে নিল।বাকি গার্ডরা ভয়ে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল। যুবকটি লিউকে শক্ত বুকে জড়িয়ে ধরে ধীর পায়ে সেই অন্ধকার কালো ডুপ্লেক্স বাড়ির ভেতরে হেঁটে চলে গেল।
অচেতন লিউকে কোলে নিয়ে যুবকটি যখন সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠছিল, তখন পুরো বাড়িতে এক পিনপতন নীরবতা।
এই সুদর্শন যুবকের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ভয়ানক অন্ধকার জগৎ। সে কোনো সাধারণ মানুষ নয়, বরং আন্ডারগ্রাউন্ডের সবচেয়ে বড় ও নিষ্ঠুর গ্যাংস্টার মাফিয়া ডন! তার আসল নাম
{সৈয়দ শাহজিল জাওয়াদ}
মাফিয়া জগতের বা সাধারণ মানুষের কেউ তার এই আসল নামটা জানে না। পুরো আন্ডারগ্রাউন্ড জগৎ তাকে চেনে এক আতঙ্কের নাম হিসেবে—"রেড শ্যাডো"!
এই একটি নাম শোনা মাত্রই দেশের বড় বড় অপরাধী থেকে শুরু করে বড় বড় পুলিশ অফিসারদের পর্যন্ত ভয়ে আত্মা শুকিয়ে যায়, বুক কাঁপতে থাকে। আইন যেখানে শেষ হয়, রেড শ্যাডোর রাজত্ব সেখান থেকে শুরু হয়। আর আজ সেই নিষ্ঠুর রেড শ্যাডোর কোলেই অচেতন হয়ে পড়ে আছে লিউ।
শাহজিল জাওয়াদ লিউকে নিয়ে তার বিশাল, রাজকীয় মাস্টার সাইজ বেডরুমে এসে ঢুকল। ঘরের আসবাবপত্র থেকে শুরু করে দেয়ালের রঙ—সবকিছুতেই এক রাজকীয় ও গম্ভীর আভিজাত্যের ছোঁয়া। সে অত্যন্ত সাবধানে লিউকে বিছানার নরম, আরামদায়ক গদির ওপর শুইয়ে দিল।
বৃষ্টির জলে ভেজা লাল বেনারসি শাড়ি পরিহিত লিউকে সেই বিশাল বিছানায় এক নিষ্পাপ পরীর মতো দেখাচ্ছিল।...
লিউকে শুইয়ে দিয়ে শাহজিল সোজা হয়ে দাঁড়াল। তার ঠোঁটের কোণে এবার এক ক্রূর, রহস্যময় এবং শয়তানি হাসি ফুটে উঠল।
*****
দীর্ঘদিনের কোনো এক প্রতিশোধ বা না বলা কোনো জেদ যেন আজ পূর্ণ হতে চলেছে, সেই হাসিতে তারই আভাস ছিল। সে লিউয়ের চেহারার দিকে শেষবারের মতো এক তীক্ষ্ণ নজর দিল।তারপর নিজের স্যুট আর টাইটা আলগা করতে করতে ধীর পায়ে ওয়াশরুমের দিকে এগিয়ে গেল। ওয়াশরুমে ঢুকে দরজাটা বন্ধ করে সে শাওয়ার ছেড়ে দিল। ঠাণ্ডা পানির নিচে দাঁড়িয়ে সে হয়তো ভাবছিল, শিকার তো এখন তারই খাঁচায় বন্দী। খেলাটা তার নিজের নিয়মে চলবে।...
ওয়াশরুমের দরজা খুলে শাহজিল বাইরে বেরিয়ে এল। তার চুলগুলো তখনো ভেজা, সেখান থেকে টুপটুপ করে পানির ফোঁটা ঝরছে। পরনে কেবল একটা কালো রঙের ট্রাউজার, উন্মুক্ত চওড়া বুক। বিছানার দিকে তাকিয়ে সে দেখল লিউ এখনো ঠিক আগের মতোই অচেতন হয়ে পড়ে আছে। তার ভেজা শাড়ি আর ভারী গয়নাগুলো তার শরীরকে আরও ক্লান্ত করে তুলেছে।শাহজিল ড্রয়ার থেকে নিজের ফোনটা বের করল। কোনো এক নাম্বারে ডায়াল করে অত্যন্ত গম্ভীর ও আদেশসূচক গলায় বলল,,
"আমার রুমে জলদি একজন ফিমেল মেড পাঠাও। এখনই!"
ঠিক কয়েক মিনিটের মধ্যেই দরজায় মৃদু টোকা পড়ল। শাহজিল দরজা খুলতেই এক ফিমেল মেড অত্যন্ত ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে ভেতরে ঢুকল। তার হাতে ছিল একটি নরম, আরামদায়ক অফ-হোয়াইট কালারের নাইট স্যুট। শাহজিল মেডটির দিকে তাকিয়ে ঠান্ডা গলায় বলল,,
"তার গায়ের ভেজা জামাকাপড় বদলে এই নাইট স্যুটটা পরিয়ে দাও। আর শোনো, কোনো হঠকারিতা যেন না হয়।"
এই বলেই শাহজিল ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে গেল, যাতে মেডটি নির্বিঘ্নে কাজ শেষ করতে পারে।কিছুক্ষণ পর মেডটি কাজ শেষ করে ঘর থেকে বেরিয়ে এল।
মেডটি করিডোরে দাঁড়িয়ে থাকা শাহজিলের সামনে এসে মাথা নিচু করে বলল,,
"বস, কাজ হয়ে গেছে। আমি ওনার ভেজা শাড়ি বদলে দিয়েছি।"
শাহজিল শুধু একটা ছোট মাথা নাড়ল। মেডটি চলে যাওয়ার পর সে ধীর পায়ে আবারও নিজের রুমে ফিরে এল।
রুমে ঢুকে বিছানার দিকে তাকাতেই শাহজিলের চোখ দুটোতে এক অদ্ভুত নেশা জড়িয়ে গেল। অফ-হোয়াইট নাইট স্যুটে লিউকে এখন ভীষণ নিষ্পাপ আর পবিত্র দেখাচ্ছে। তার ফর্সা মুখমণ্ডল আর ঠোঁটের কোণে এখনো ক্লান্তির ছাপ।
শাহজিল ধীর পায়ে হেঁটে বিছানার একদম কিনারে এসে বসল। তার ভারী শরীরটার চাপে জাজিমটা সামান্য দেবে গেল। সে আলতো করে ঝুঁকে পড়ল অচেতন লিউয়ের মুখের ওপর,তার ভেজা চুলের দু-এক ফোঁটা পানি লিউয়ের গালে এসে পড়ল।শাহজিলের হাত আনমনেই লিউযের সামনের চুলগুলো কানের পিঠে গুঁজে দিলে তার তপ্ত নিঃশ্বাস লিউয়ের কানের কাছে ফেলে অত্যন্ত নিচু, নেশাময় ও মাদকতাভরা ফিসফিস করে বলতে লাগল
"তোমার দিকে তাকাও, আমার মধু...তুমি কতটা অসহায়, অথচ এতটা শ্বাসরুদ্ধকর সুন্দর।নিজেকে একবার দেখো তুমার এই রূপ জাস্ট আমাকে টানছে
my red w**e... so beautiful. 🥴
তার নেশাময় কথাগুলো অচেতন লিউযের কানে পৌছাযলোনা শাহজিল আবারো বলল
"তুমি ভেবেছিলে তুমি সেই নরক থেকে পালাতে পারবে? তুমি ভেবেছিলে তুমি স্বাধীনতার দিকে দৌড়াচ্ছ? বোকা মেয়ে... তুমি তো সোজা আমার ফাঁদে এসে পা দিলে। আর এখন যখন তুমি এখানে, আমার ছাদের নিচে, আমার বিছানায়... আমি তোমাকে কখনো যেতে দেব না। "You are mine Honey...you completely mine..."
লিউয়ের কোনো সাড়া শব্দ মিলল না। সে তখনো গভীর অপার্থিব এক ঘুমে মগ্ন। শাহজিল তার আঙুলের উল্টো পিঠ দিয়ে লিউয়ের নরম গালে আলতো করে একটু স্পর্শ করল, তার ঠোঁটের কোণে আবারও সেই চাণক্য শয়তানি হাসিটা ফুটে উঠল।
শাহজিল এক ধ্যানে নিথর হয়ে পড়ে থাকা লিউয়ের দিকে তাকিয়ে রইল। তার চোখে তখনো এক গভীর, অবাধ্য নেশার রেশ লেগে আছে। সে জোরে এক ঢোক গিলে নিজের মাথাটা ঝাকিয়ে নিল এবং নিজের এই অদ্ভুত দুর্বলতার ওপর নিজেই চরম বিরক্ত হলো। লিউয়ের এই নিষ্পাপ, দেবদূতের মতো সুন্দর ও অপরূপ চেহারাটা শাহজিলের ভেতরের সব হিসাব-নিকাশ ওলটপালট করে দিচ্ছে। চরম বিরক্তি নিয়ে বিছানা থেকে নেমে দাঁড়িয়ে আনমনে বিড়বিড় করে নিজের অবাধ্য মনকে বোঝাতে লাগল:
"তুই তোর এই সস্তা, নিষ্পাপ চেহারার মায়াজাল বিছিয়ে আমাকে ভুলাতে পারবি না,! তোর মতো কত শত রূপসী মেয়েকে আমি আমার এই জীবনে দেখেছি! না... না, নিজেকে শক্ত করতে হবে আমাকে। এই মেয়েটাকে দেখলেই আমার সব রাগ ধুলো হয়ে যাচ্ছে কেন? কেন আমি নিজের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছি? সামনে আমার আরও অনেক বড় এবং কঠিন খেলা বাকি আছে। অতীতের সেই হিসাব এখনো চুকানো হয়নি। সেই সব বড় মিশনের জন্য আমাকে নিজেকে কন্ট্রোল করতে হবে। এই মেয়েটি আমার শত্রুর রক্ত, স্রেফ সাধারণ একটা মেয়ে!"
শাহজিল ধীর পায়ে হেঁটে ঘরের কোণে রাখা রাজকীয় সোফাটায় গিয়ে বসল। সেখানে এক পায়ের ওপর অন্য পা তুলে আরাম করে বসে সে গ্লাসে দামী ড্রিংক ঢেলে এক চুমুকে তা শেষ করল। সে টেবিলের ওপর রাখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি পেপারের দিকে নজর দিল।
কাগজগুলোর দিকে তাকিয়ে শাহজিলের ঠোঁটের কোণে এক মারাত্মক চাণক্য ও রহস্যময় হাসি ফুটে উঠল। সে গ্লাসটা টেবিলে নামিয়ে রেখে লিউয়ের দিকে এক তীক্ষ্ণ দৃষ্টি হেনে নিজে নিজেই ফিসফিস করে বলল
"কালকে এই পেপারে সই করার জন্য একদম রেডি থেকো, আমার মিষ্টি মধু! তোমার ওই রূপ আর পবিত্রতার অহংকার কাল এই এক টুকরো কাগজের নিচে দাফন হয়ে যাবে। তুমি অনেক দুর্বলের লিউ ,তবে চিন্তা নেই আমি জানি আমার সাথে থাকতে থাকতে একদিন তুমি অমাকে বোকা বানানোর স্বপ্ন দেখবে কিন্তু সেটা যে আমি হতে দেবনা "
*****
পরদিন সকালে জানালার ভারী পর্দা ভেদ করে এক চিলতে রোদ এসে পড়ল লিউ ওয়াজিহার মুখের ওপর। লিউয়ের চোখের পাতা দুটো কাঁপতে কাঁপতে ধীর ধীরে খুলে গেল। প্রথম দিকে চারপাশটা তার কাছে ঝাপসা লাগছিল। কিন্তু পরক্ষণেই যখন সে সম্পূর্ণ সজগতায় ফিরে এল, সে চমকে উঠে বিছানায় উঠে বসল।এটা তো তার চাচার বাড়ির সেই চেনা, ভাঙা দেয়ালের জীর্ণ ঘর নয়! চারদিকে রাজকীয় আভিজাত্য, দামী আসবাবপত্র আর এক মস্ত মাস্টার সাইজ বেডরুম। হুট করেই লিউয়ের নজর গেল নিজের গায়ের দিকে। তার পরনে সেই ভারী বিয়ের বেনারসি শাড়ি বা গয়না কিছুই নেই, বরং তার জায়গায় রয়েছে একটা অচেনা অফ-হোয়াইট কালারের নাইট স্যুট!
তীব্র আতঙ্ক আর লজ্জায় লিউয়ের পুরো শরীর কাঁপতে লাগল। সে নিজের দুই হাত দিয়ে শরীরটাকে আড়াল করার চেষ্টা করতে করতে চিৎকার করে উঠল,,
"আমি কোথায় ? কে... কে আমার জামাকাপড় বদলেছে? আমি কোথায় আছি?"
ঠিক তখনই ঘরের এক কোণে রাখা রাজকীয় সোফা থেকে এক জোড়া ভারী পায়ের শব্দ এগিয়ে এল। লিউ তাকিয়ে দেখল, সেই কালরাতের কালো স্যুট পরা সুদর্শন যুবকটি—সৈয়দ শাহজিল জাওয়াদ ওরফে 'রেড শ্যাডো'
ধীর পায়ে তার দিকে এগিয়ে আসছে। তবে আজ তার চোখে কোনো দয়া বা নেশা ছিল না, ছিল চরম অবজ্ঞা আর কঠোরতা।শাহজিল বিছানার একদম কাছে এসে দাঁড়িয়ে লিউয়ের দিকে এক জোড়া তীক্ষ্ণ ও অপমানজনক দৃষ্টি হানল। সে অত্যন্ত রুক্ষ গলায় বলল,,
"চিৎকার বন্ধ করো, সস্তা মেয়ে! এখানে তোমার এই নাটক দেখার মতো কেউ নেই। বেশি সতীপনা দেখাতে এসো না। জামাকাপড় আমার বাড়ির কাজের মেয়ে বদলে দিয়েছে।"
লিউ ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বিছানার এক কোণে সেঁটিয়ে গিয়ে বলল,,
"আপনি কে? কেন আমাকে এখানে আটকে রেখেছেন? আমাকে যেতে দিন!"
শাহজিল মুখে এক কুৎসিত, ভয়ঙ্কর হাসি ফুটিয়ে বলল,,
"যেতে দেব? এত সহজে? তুমি এই খাঁচা থেকে আর কখনো বের হতে পারবে না। সোজা ভাষায় শুনে রাখো—তুমি এখন আমার বন্দীনি! আজ থেকে এই চার দেয়ালের ভেতর তুমি শুধুই আমার, অর্থাৎ আমার কোথায় চলবে ।"
লিউ শাহজিলের আসল পরিচয় বা তার এই ভয়ঙ্কর খেলার পেছনের কোনো রহস্যই বুঝতে পারল না। সে কেবল বুঝল, এই লোকটা তাকে চরম ঘৃণা করে এবং তাকে কোনো এক মারাত্মক জালে বন্দি করেছে। শাহজিল লিউকে নিয়ে নিজের মনে এক ভয়ঙ্কর খেলা শুরু করেছে, যেখানে প্রতি মুহূর্তে লিউকে মানসিক ও শারীরিকভাবে ভেঙে ফেলাই তার মূল উদ্দেশ্য, অথচ লিউ এর পেছনের কারণটা সম্পূর্ণ অজ্ঞাত।
*******
পুরো শহরে তখন এক তোলপাড় পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। মেয়র-পুত্র আসলাম খান লিউকে খুঁজে বের করার জন্য শহরের প্রতিটি কোনায়, মোড়ে মোড়ে এবং অলিতে গলিতে পুলিশ ও নিজস্ব গুপ্তচরদের লেলিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও লিউয়ের কোনো হদিস মিলল না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হন্যে হয়ে খুঁজেও যেন লিউয়ের কোনো নাম নিশানা পেল না।খবরটা পাওয়া মাত্রই আসলাম নিজের ঘরে রাগে, ক্ষোভে আর হতাশায় একটা হিংস্র পশুর মতো চিৎকার করে উঠল। ঘরের টেবিলের ওপর থাকা কাঁচের ফুলদানিটা সে এক আছাড়ে মেঝেতে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল। তার চোখ দুটো দিয়ে তখন রাগের অশ্রু ঝরছিল।সে নিজের চুলে হাত দিয়ে টানতে টানতে ঘরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলতে লাগল:
"কেন করলে লিউ এমনটা? কেন পালিয়ে গেলে তুমি? তুমাকে যে আমি পাগলের মত খুজছি ! আমি ভেবেছিলাম তোমার ওই নরক গুলজার চাচা-চাচির বাড়ি থেকে তোমাকে চিরতরে উদ্ধার করব। তোমার জীবনের সব কষ্ট, সব চোখের জল মুছে দিয়ে তোমাকে রাজকন্যার মতো একটা সুন্দর জীবন দেব! কিন্তু... কিন্তু আমারই ভুলের কারণে আজ এত কষ্ট হচ্ছে! আমার নিজের বোকামির জন্য আজ এই শাস্তি!"
আসলাম দেয়ালে এক সজোরে ঘুষি মেরে কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল,,
"আমি কেন তোমাকে আগে বলিনি যে আমার সঙ্গেই তোমার বিয়েটা ঠিক হয়েছে? আমি যদি একবার তোমাকে মুখ ফুটে বলতাম যে বর হিসেবে আমিই আসব, তাহলে কি আজ তুমি এভাবে পালিয়ে যেতে? কখনই না! আজ আমার সেই সারপ্রাইজ দেওয়ার জেদটাই আমাকে শেষ করে দিল। কোথায় তুমি লিউ? একটা বার শুধু আমার সামনে এসো!".....
চলবে,,,,
সম্পূর্ন গল্প অ্যাপ এ পড়তে পারবেন ।