Heritage of Bangladesh

Heritage of Bangladesh Main article: Bengali people

The exact origin of the word Bangla or Bengal is unknown, though it is

Our intention is to fulfill history of BENGOL about five thousand years please post up your thought, document ... This page is Dedicated to RAJA PODDO NANADO who defeated the the king ALEXJHUNDER ... please don't hate Bangladesh means your Nation which was taught by British .... "Rule and divide " The pakistani's operation search light"

কালের সাক্ষি হয়ে এখনো টিকে আছে ১৮৫০ সালের ততকালীন ব্রিটিশ মিউনিসিপালিটির লাগানো ঢাকার রাস্তায় তেলের স্ট্রিট ল্যাম্প। স্থ...
28/04/2026

কালের সাক্ষি হয়ে এখনো টিকে আছে ১৮৫০ সালের ততকালীন ব্রিটিশ মিউনিসিপালিটির লাগানো ঢাকার রাস্তায় তেলের স্ট্রিট ল্যাম্প। স্থান - তাহেরবাগ, ঢাকা।
https://www.facebook.com/emranur.shawon

আব্দুল মান্নান এখনও বেঁচে আছেন। ১৯৪২ইং সেনাবাহিনী যোগদান২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের তথ্য অনুযায়ী, তিনি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়...
26/04/2026

আব্দুল মান্নান এখনও বেঁচে আছেন। ১৯৪২ইং সেনাবাহিনী যোগদান২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের তথ্য অনুযায়ী, তিনি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের বড় আজলদী গ্রামে নিজ বাড়িতে বসবাস করছেন। তার সম্পর্কে কিছু উল্লেখযোগ্য তথ্য নিচে দেওয়া হলো:বয়স: জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার বর্তমান বয়স প্রায় ১১০ বছর (জন্ম ৫ জুন ১৯১৫), তবে তার নিজের দাবি অনুযায়ী তার বয়স ১১৮ বছরেরও বেশি।যুদ্ধ অভিজ্ঞতা: তিনি ১৯৪২ সালে ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ল্যান্স করপোরাল হিসেবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হাসনাবাদ সীমান্ত ও কলম্বোসহ বিভিন্ন স্থানে সম্মুখ সমরে অংশ নেন।ব্রিটিশ স্বীকৃতি: তিনি এখনও ব্রিটিশ সরকার থেকে নিয়মিত সম্মানি ভাতা পান। আশির দশকে তিনি নিজের অধিকার চেয়ে ব্রিটিশ রানিকে চিঠি লিখেছিলেন এবং রানি সেই চিঠির উত্তরও দিয়েছিলেন, যার মাধ্যমে পরবর্তীতে তার ভাতার ব্যবস্থা হয়।শারীরিক অবস্থা: এই বয়সেও তিনি যথেষ্ট সচেতন এবং স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারেন। তিনি এখনও তার যুদ্ধের স্মৃতিগুলো মানুষের কাছে বর্ণনা করেন।আশরাফুল আলম

ব্রিটিশ প্রতিনিধি স্যার পার্সি কক্স এবং আবদুল আজিজ বিন সৌদের মধ্যে স্বাক্ষরিত 'দারিন চুক্তি' ছিল উসমানি খিলাফতের পিঠে প্...
22/04/2026

ব্রিটিশ প্রতিনিধি স্যার পার্সি কক্স এবং আবদুল আজিজ বিন সৌদের মধ্যে স্বাক্ষরিত 'দারিন চুক্তি' ছিল উসমানি খিলাফতের পিঠে প্রথম আনুষ্ঠানিক ছুরিকাঘাত। এই চুক্তির মাধ্যমে ইবনে সৌদ ব্রিটিশদের 'প্রটেক্টরেট' বা আশ্রিত রাজ্যে পরিণত হন।
চুক্তির ধারাগুলো ছিল অত্যন্ত অপমানজনক; যেখানে ইবনে সৌদ অঙ্গীকার করেছিলেন যে—ব্রিটিশদের অনুমতি ছাড়া তিনি অন্য কোনো শক্তির সাথে যোগাযোগ করবেন না এবং ব্রিটিশদের শত্রুর (উসমানি তুর্কি) বিরুদ্ধে প্রয়োজনে যুদ্ধ করবেন। বিনিময়ে ব্রিটিশরা তাকে মাসিক ৫০০০ পাউন্ড এবং প্রচুর আধুনিক অস্ত্র সরবরাহ শুরু করে। অর্থাৎ, যখন আরবের সাধারণ মানুষ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের স্বপ্ন দেখছিল, তখন ইবনে সৌদ ব্রিটিশ পাউন্ডে উসমানি খিলাফতকে ধ্বংস করার মিশনে নেমেছিলেন।
​ফিলিস্তিন নিয়ে ইবনে সৌদের সবচেয়ে ভয়ংকর বিশ্বাসঘাতকতাটি ছিল তাঁর নিজ হাতে লেখা সেই গোপন চিঠি, যা আজ ব্রিটিশ ন্যাশনাল আর্কাইভসে সংরক্ষিত। ফিলিস্তিনে ইহুদিদের বসতি স্থাপনের পথ সুগম করতে তিনি স্যার পার্সি কক্সকে লিখেছিলেন:
​"আমি সুলতান আবদুল আজিজ বিন আবদুর রহমান আল-ফয়সাল আল-সৌদ, স্যার পার্সি কক্সের সামনে হাজার বার স্বীকার করছি এবং অঙ্গীকার করছি যে, দরিদ্র ইহুদিদের বা অন্য কাউকেও—ব্রিটিশরা যেভাবে ভালো মনে করে—ফিলিস্তিন দিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে আমার কোনো আপত্তি নেই। আমি কিয়ামত পর্যন্ত ব্রিটিশদের এই সিদ্ধান্তের অবাধ্য হবো না।"
এই একটি চিঠিই প্রমাণ করে যে, যায়নবাদের বিষবৃক্ষ রোপণের ক্ষেত্রে আরবের মাটি থেকেই প্রথম সমর্থনটি গিয়েছিল। ইবনে সৌদ জানতেন, তাঁর ক্ষমতা ও সিংহাসন রক্ষার জন্য ব্রিটিশদের খুশি রাখা জরুরি, আর ব্রিটিশদের খুশি করার একমাত্র পথ ছিল ফিলিস্তিনকে ইহুদিদের হাতে ছেড়ে দেওয়া।
​সৌদ পরিবারের এই 'গাদ্দারি' বা বিশ্বাসঘাতকতা কেবল চিঠিতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, তা ছিল এক রক্তক্ষয়ী বাস্তব। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চূড়ান্ত মুহূর্তে, যখন তুর্কি সেনারা জেরুজালেম এবং মদিনা রক্ষার জন্য জীবন দিচ্ছে, তখন ব্রিটিশ গোয়েন্দা জন ফিলবি এবং লরেন্স অব অ্যারাবিয়ার পরামর্শে ইবনে সৌদ উসমানি খিলাফতের রসদ ও যোগাযোগের পথগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেন। উসমানি সেনারা যখন দুই দিক থেকে আক্রান্ত হয়ে পিছু হটতে বাধ্য হলো, তখন ব্রিটিশরা নির্বিঘ্নে জেরুজালেম দখল করে নেয়। ইবনে সৌদ উসমানিদের হটিয়ে মক্কা-মদিনা দখল করে 'খাদেমুল হারামাইন' উপাধি ধারণ করলেন ঠিকই, কিন্তু এর বিনিময়ে তিনি উম্মাহর হৃদপিণ্ড 'বায়তুল মাকদিস'কে তুলে দিলেন ব্রিটিশদের হাতে, যারা পরে তা ইসরাইলকে উপহার দেয়।
​আজকের ২০২৬ সালের ভূ-রাজনীতিতে যখন আমরা দেখি সৌদি রাজপরিবার গোপনে ইসরাইলি স্বার্থ রক্ষা করছে, তখন মনে রাখতে হবে এর ভিত্তি কোনো আধুনিক কূটনৈতিক কৌশল নয়, বরং এটি ১০০ বছরের পুরনো সেই 'দারিন চুক্তি'র অমোঘ ধারাবাহিকতা। ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের পাউন্ডে কেনা সেই রাজবংশ আজও একই রক্তের উত্তরাধিকার বহন করছে। তারা মূলত একই সুতোয় গাঁথা এক অদৃশ্য নেটওয়ার্ক, যেখানে ইহুদিদের নিরাপত্তা আর সৌদ পরিবারের ক্ষমতা একে অপরের পরিপূরক। এই দালিলিক ইতিহাস প্রমাণ করে যে, উম্মাহর সবচেয়ে বড় ট্রাজেডিটি এসেছিল তাদেরই কাছ থেকে, যারা এককালে মদিনার সবচেয়ে বড় পাহারাদার হওয়ার ভান করেছিল। এটি কেবল বিশ্বাসঘাতকতা নয়, এটি ছিল ঈমান আর রাসূলের (সা:) পবিত্র ভূমিকে টাকার পাল্লায় নিলাম করার এক কলঙ্কিত মহাকাব্য গিয়ে।............................ ...........................!!!?????

১৯৬৭ সালে প্রথম রমনা বটমূলে প্রথম বর্ষবরণের আয়োজন করেছিলো ছায়ানট। এটি সেই বর্ষবরণের ছবি। ১৫ই এপ্রিল, ১৯৬৭। মুক্তিযুদ্ধ...
14/04/2026

১৯৬৭ সালে প্রথম রমনা বটমূলে প্রথম বর্ষবরণের আয়োজন করেছিলো ছায়ানট। এটি সেই বর্ষবরণের ছবি।
১৫ই এপ্রিল, ১৯৬৭।
মুক্তিযুদ্ধের কারনে ১৯৭১ সালে এবং করোনা ভাইরাসের কারনে ২০২০ ও ২০২১ সালে রমনা বটমূলে বর্ষবরণ হয়নি।
২০০১ সালে রমনা বটমূলে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে উগ্রবাদী জঙ্গিদের বর্বরোচিত হামলার পরেও ২০০২ সালে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান বন্ধ হয়নি‌। সে হামলায় ১০ জন নিহত হয়েছিলেন।
কিন্তু ভয়ে দমে যায়নি ছায়ানট।
২০০২ সালের বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে সনজীদা খাতুন গেয়েছিলেন ‘মুক্ত করো ভয়, আপনা মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়।’
সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ। 🙏💞

শুভ নববর্ষ! ১৪৩৩. Greetings of Bengali HAPPY New YearRIME Fashions BD162, West Nakhalpara Tejgaon, Dhaka -1215. Banglade...
13/04/2026

শুভ নববর্ষ! ১৪৩৩. Greetings of Bengali HAPPY New Year
RIME Fashions BD
162, West Nakhalpara Tejgaon, Dhaka -1215. Bangladesh . Call : +8801686946243

বদলে যাচ্ছে ইতিহাসঢাকা নগরের বয়স আড়াই হাজার বছরের বেশিপুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের দশ সেল-সংল...
13/04/2026

বদলে যাচ্ছে ইতিহাস
ঢাকা নগরের বয়স আড়াই হাজার বছরের বেশি
পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের দশ সেল-সংলগ্ন এলাকা উৎখননের চিত্র
পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের সাবেক কেন্দ্রীয়
রাজধানী হিসেবে ঢাকার বয়স ৪০০ বছর বলেই সবার জানা। মোগল সুবাদার ইসলাম খান ১৬১০ সালে নগর ঢাকার পত্তন করেন, এমনটাই ইতিহাসের প্রচলিত বিশ্বাস ছিল। কিন্তু বদলে যাচ্ছে সেই ইতিহাস। পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে প্রত্নতত্ত্বিক খননে পাওয়া নিদর্শন ও প্রাচীন দুর্গের অস্তিত্ব প্রমাণ করছে, ১৪৩০ সালেই এখানে বিশাল প্রাসাদ দুর্গ নির্মিত হয়েছিল; অর্থাৎ সমৃদ্ধ রাজধানী শহর ছিল এখানে।
শুধু তা-ই নয়, খননে এমন কিছু নিদর্শন পাওয়া গেছে, যা থেকে প্রত্নতত্ত্ববিদেরা অনুমান করছেন, ঢাকা নগরীতে মানববসতির শুরু যিশুখ্রিষ্টের জন্মেরও আগে। খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম থেকে দ্বিতীয় শতকের মধ্যে। ফলে এই জনপদের বয়স আড়াই হাজার বছরের বেশি।
মঙ্গলবার বিকেলে এশিয়াটিক সোসাইটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘পুরাতন ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন: ঢাকার গোড়াপত্তনের বিশ্লেষণ’ শীর্ষক আলোচনায় খননে প্রাপ্ত নিদর্শন ও চমকে যাওয়ার মতো এ তথ্য তুলে ধরেন স্বনামখ্যাত প্রত্নতত্ত্ববিদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ও খননকাজের তত্ত্বাবধায়ক সুফি মোস্তাফিজুর রহমান। এশিয়াটিক সোসাইটি তাদের ‘ঐতিহ্য জাদুঘর’-এর ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনার আয়োজন করে।
সুফি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তাঁর নেতৃত্বে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল প্রত্নতত্ত্ব গবেষক ও শিক্ষার্থী ২০১৭-১৮ সালে পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজ করেন। তাঁরা কারাগারের প্রধান ফটকের সামনের অংশ, রজনীগন্ধা ভবনের আঙিনা, কারা হাসপাতালের সামনের অংশ, দশ সেল ও যমুনা ভবনের পশ্চিম এলাকা-এই পাঁচ স্থানে ১১টি খননকাজ করেন। এতে তাঁরা একটি প্রাচীন দুর্গের দেয়াল, কক্ষ, নর্দমা, কূপের সন্ধান পান। এ ছাড়া এখানে কড়ি, মোগল আমলের ধাতব মুদ্রা, বিভিন্ন ধরনের মৃৎপাত্র, পোড়ামাটির ভাস্কর্যসহ অনেক রকম প্রত্ননিদর্শন পেয়েছেন।
পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনায় এসব নিদর্শনের ছবি এবং তথ্যের বিশ্লেষণসহ আলোচনায় সুফি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রাপ্ত নিদর্শন থেকে প্রমাণিত হয়েছে, ইসলাম খানের আগমনের অনেক আগেই ঢাকায় একটি প্রাসাদ দুর্গ ছিল। সুবাদার ইসলাম খানের সেনাপতি ও লেখক মির্জা নাথান তাঁর ‘বাহারীস্তান-ই-গায়েবী’ বইতে ঢাকায় যে দুর্গের কথাটি উল্লেখ করেছিলেন, সেটিকে পরে ইতিহাসবিদেরা ‘ঢাকাদুর্গ’ হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন। এই দুর্গে ইসলাম খান বসবাস করেছেন। কিন্তু প্রত্নতাত্ত্বিক খনন থেকে পাওয়া নিদর্শন যুক্তরাষ্ট্রের বেটা ল্যাবরেটরিতে কার্বন-১৪ পরীক্ষা করার পর প্রমাণ পাওয়া গেছে, এগুলো ১৪৩০ খ্রিষ্টাব্দের। ফলে এখন নিশ্চিতভাবেই বলা যাচ্ছে, এই দুর্গ ইসলাম খানের আসার আগেই নির্মিত হয়েছিল এবং এটিকে ‘ঢাকাদুর্গ’ নয়; বরং ‘ঢাকার দুর্গ’ বলা সংগত।
অধ্যাপক সুফি বলেন, ইসলাম খানের আগে ঢাকার ইতিহাস স্পষ্ট নয়। নারিন্দার বিনত বিবির মসজিদসহ কিছু নিদর্শন থেকে এটা জানা গিয়েছিল, ইসলাম খানের আগমনের আগেও এখানে সমৃদ্ধ জনপদ ছিল। কিন্তু এই খননের মাধ্যমে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো, শুধু জনপদই নয়, এখানে অন্তত বড় একটি প্রাসাদ দুর্গ ছিল এবং সমৃদ্ধ নগর ছিল। যেখানে সুবেদার ও তাঁর সঙ্গে আসা ৫০ হাজার সেনার বিশাল বাহিনী বসবাস করেছিলেন।
এ ছাড়া আরও তাৎপর্যপূর্ণ আবিষ্কার হলো, কয়েকটি ‘গ্লেজড মৃৎপাত্র’ (অনেকটা সিরামিকের মতো চকচকে) এবং ‘রোলেটেড মৃৎপাত্র’ (মসৃণ ও সূক্ষ্ম নকশা করা), যা থেকে অনুমান করা যাচ্ছে, ঢাকায় অন্তত পঞ্চম থেকে দ্বিতীয় খ্রিষ্টপূর্বাব্দে জনবসতি ছিল। কারণ, একই ধরনের মৃৎপাত্র পাওয়া গেছে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন (মহাস্থান) ও উয়ারী বটেশ্বরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়ায়। এই মৃৎপাত্র পাওয়ায় প্রমাণিত হচ্ছে, এখানে একটি আদি ঐতিহাসিক যুগে সমৃদ্ধ জনপদ ছিল। প্রাচীন সিল্ক রুটের সঙ্গে এই জনপদের সংযোগ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সূত্রে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল এবং এর বয়স আনুমানিক আড়াই হাজার বছর। এই হিসাবে ঢাকা শহর কেবল চারবার নয়, সাতবার রাজধানীর মর্যাদা পেয়েছে। সময় বিভাগ অনুসারে, আদি ঐতিহাসিক যুগ (খ্রি.পূ ষষ্ঠ শতক), প্রাক্‌-মধ্যযুগ (ষষ্ঠ থেকে ত্রয়োদশ শতক), সুলতানি আমল (ত্রয়োদশ-ষোড়শ শতক), মোগল আমল (ষোড়শ-অষ্টাদশ শতক), ঔপনিবেশিক আমল (১৭৫৭-১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ), পাকিস্তান যুগ (১৯৪৭-১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দ) এবং স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী (১৯৭১ থেকে বর্তমান)।
আলোচক উপসংহারে বলা হয়েছে, ‘রোজেটা স্টোন লিপি’ যেমন প্রাচীন মিসরে রহস্য উন্মোচন করেছিল, তেমনি পুরোনো ঢাকার কারাগারে খননে প্রাপ্ত নিদর্শন ঢাকাকে নতুন করে আবিষ্কারের দ্বার উন্মোচন করেছে। যে আলোকরশ্মির দেখা পাওয়া গেল, তা আরও বিস্তারিত গবেষণার মাধ্যমে এই জনপদের ইতিহাসকে নতুনভাবে আলোকোজ্জ্বল করবে।
এই প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও গবেষণায় সহযোগী ছিলেন মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম, মো. মামুন দেওয়ান, মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন, মো. আওলাদ হোসেন ও চাঁদ সুলতানা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পকলার ইতিহাসবিদ প্রবীণ অধ্যাপক হাবিবা খাতুন বলেন, ‘নতুন এই প্রত্নতাত্ত্বিক খননে যে নিদর্শন আবিষ্কৃত হলো, তা নতুন প্রজন্মকে ঢাকা সম্পর্কে আরও কৌতূহলী করে তুলবে। আমরা ঢাকার মোগল আমলের ঐতিহ্য নিয়েই এত কাল গর্ববোধ করতাম। কিন্তু এই শহরের ইতিহাস যে আরও সুপ্রাচীন, এখন তাতে আর কোনো সন্দেহ রইল না। গর্বের আরও নতুন ইতিহাস আমাদের সামনে এসেছে।’ এ বিষয়ে আরও ব্যাপক গবেষণা হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সভাপতির বক্তব্য সোসাইটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি অধ্যাপক হাফিজা খাতুন বলেন, ঢাকার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস জানতে এই প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। স্বাগত ও সমাপনী বক্তব্য দেন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান খান।
[প্রথম আলোয় প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৪]
জয়েন করুন অনলাইনে সর্ববৃহৎ ঢাকাইয়া কমিউনিটি গ্রুপ: ODB (Old Dhaka Boyz)™ পুরান ঢাকার ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক।

বাংলার প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় দারাসবাড়ী মাদ্রাসা ------বাংলাদেশে আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নানা রকম প্রত্নতাত্ত্বিক ন...
12/04/2026

বাংলার প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় দারাসবাড়ী মাদ্রাসা ------
বাংলাদেশে আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নানা রকম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন একটি জাতির ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক হিসাবে পরিগণিত। এরকমই একটি আমাদের অনেকেরই কাছে নাম না জানা অপরিচিত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দারাসবাড়ি মসজিদ ও বাংলার প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় দারাসবাড়ি মাদ্রাসা।
এটি বাংলাদেশের প্রাচীন মাদ্রাসারগুলোর একটি। এখন থেকে প্রায় ৫০০ বছর পূর্বে বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দীন শাহ ১৫০২ খ্রিস্টাব্দে ১লা রামাযানে তদান্তীনকালের বাংলার রাজধানী গৌড়ের "ফিরোজপুর" এলাকায় দারাস বাড়ী মাদ্রাসা নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। সুবিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন অঞ্চল হতে শিক্ষার্থীরা এখানে সমবেত হতেন এবং গৌড়ের এই বিশ্ববিদ্যালয় হতে বুখারী ও মুসলিমসহ কুতুবে সিত্তাহ শিক্ষা দেওয়া হতো।
আবিদ আলী খান তাঁর "গৌড় ও পান্ডুয়ার স্মৃতিকথা" বইয়ে লিখেছেন দারাসবাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগে কুতুবে সিত্তাহ পড়ানো শুরু হয়। এরপর হুসেন শাহী আমলের পর অর্থাৎ ১৫৩৫ সালের পরে সোনারগাঁয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে কুতুবে সিত্তাহ পড়ানো শুরু হয়। মুহাম্মাদ বিন ইয়াযদান বখশ নামক এক আলেমকে দিয়ে ছহীহ বুখারী নকল করিয়ে ও ফার্সী ভাষায় তা অনুবাদ করিয়ে দারাসবাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার গড়ে তোলা হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সহায়তা নেয় সোনারগাঁয়ের আবু তাওয়ামার বিশ্ববিদ্যালয়। শেখ শারফুদ্দীন আবু তাওয়ামা (রহঃ) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এরই আদলে তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলেন এবং যেখানে কুতুবে সিত্তাহর "কালাল্লাহ ও কালার রাসূল" গুঞ্জণ পুরো জাতিকে শিহরিত করেছিল।
যার ফলে এ শতাব্দীতে এসেও স্মৃতির মণিকোঠায় এখনও তার আবেদন রয়ে গেছে। দারাসবাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ে হাদীছ শাস্ত্র,গণিত,তাফসীর,চিকিৎসা,
রসায়ন,সাহিত্য এবং সমসাময়িক সকল বিষয়ে পড়ানো হতো বলে জানা যায়। ১৯৭৩ সালে স্থানীয় লোকজন চাষাবাদের সময়ে স্থানীয়দের দ্বারা কালো পাথরের একটি শিলাঢিবি আবিষ্কৃত হয়। পরে ১৯৭৫ সালে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন পরিচালনা করা হয়। এরপর উদ্ধার হয় মাটি নীচে চাপা পড়ে থাকা প্রাচীন জ্ঞান-বিজ্ঞানের "আতুড়ঘর" নামে পরিচিত এই বিশ্ববিদ্যালয়।
দারস (درس) অর্থ পাঠ - দারস+বাড়ি অর্থ যে বাড়িতে পাঠদান করা হয় অর্থাৎ পাঠশালা। দারস ও বাড়ি আরবী ও বাংলা শব্দ দুটি কালের আবর্তে কিঞ্চিত অপভ্রংশ হয়ে একক শব্দ দারাসবাড়িতে রুপান্তরিত হয়েছে। দারাসবাড়ি মাদ্রাসা তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় মানের পাঠদান কেন্দ্র ছিল। এ স্থাপনায় বর্গাকৃতির ছড়াছড়ি। বর্গাকার এ স্থাপনাটির প্রতিটি বাহু প্রায় ১৬৯ ফুট দীর্ঘ। ছাত্রদের ঘরগুলোও বর্গাকৃতির। পুরো স্থাপানার ঠিক মাঝখানে অধ্যক্ষ ছাহেবের অফিস ঘরটিও বর্গাকৃতির। পশ্চিম দিকে কোন প্রবেশ পথ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্গাকার চত্বরের পশ্চিম বাহু ব্যতীত অন্য বাহুতে এক সারি করে প্রকোষ্ঠ এবং তিন বাহুর মধ্যবর্তী একটি করে প্রবেশপথ রয়েছে। পশ্চিম বাহুর মধ্যবর্তী স্থানে পাশাপাশি তিনটি ছালাতের ঘর রয়েছে। ছালাতের ঘরের পশ্চিম দেয়ালে তিনটি মেহরাব রয়েছে।
শোভাবর্ধক পোড়া মাটির ফলক ও নকশা করা ইট দিয়ে দেয়ালগুলো অলঙ্কৃত আছে। টিকে থাকা গড়ে প্রায় ৪ ফুট উঁচু দেওয়ালের উপরে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ১ ইট পরিমাণ গাঁথুনি দিয়ে দেওয়ালটি টেকসই করার পদক্ষেপ নিয়েছে। দারাসবাড়ি দিঘীর এক পাড়ে মসজিদ এবং অন্য পাড়ে বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত। এই মসজিদটি আকারে ছোট সোনা মসজিদের চেয়েও বড়। এখানে মোট কক্ষের সংখ্যা ৩৭টি। অধ্যক্ষের অফিস রুম মধ্যখানে ১টি। মাদ্রাসার মোট ৩টি দরজা রয়েছে,যা এর অবশিষ্টাংশে এখনো স্পষ্ট।
দারাসবাড়ি মসজিদ ও মাদ্রাসার অবস্থান ছোট সোনা মসজিদ থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে। এর অবস্থান ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে,চাঁপাইনবাবগঞ্জ যেলার ছোট সোনা মসজিদের সন্নিকটে। সোনা মসজিদ স্থল বন্দর থেকে মহানন্দা নদীর পাড় ঘেঁষে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশ রাইফেলস-এর সীমান্ত তল্লাশী ঘাঁটি। এই ঘাটির অদূরে অবস্থিত দখল দরওয়াজা। দখল দরওয়াজা থেকে প্রায় এক কি.মি. হেঁটে আমবাগানের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়ে একটি দিঘী পার হয়ে দক্ষিণ পশ্চিমে ঘোষপুর মৌজায় দারাসবাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান।
দীর্ঘদিন মাটিচাপা পড়ে ছিল এ মসজিদ। সত্তর দশকের প্রথমভাগে খনন করে এটিকে উদ্ধার করা হয়। মসজিদটি দীর্ঘকাল আগে পরিত্যাক্ত হয়েছে,বর্তমানে এর চারপাশে আছে গাছগাছালির ঘেরা। পরিচর্যার অভাবে এ মসজিদটি বিলীয়মান। ১৪৭৯ খ্রিস্টাব্দে "হিজরী ৮৮৪" সুলতান শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহের রাজত্বকালে তাঁরই আদেশক্রমে এই মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়। তার মানে এটি ছোট সোনা মসজিদের আগেই তৈরী হওয়া। শুরুতে এই মসজিদের নাম দারাসবাড়ী ছিল না। ফিরোজপুর নামে মসজিদ ছিল। ১৫০২ খ্রিষ্টাব্দে যখন সুলতান হোসেন শাহ্ কর্তৃক দারাসবাড়ী বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত হয়,তখন অত্র অঞ্চলের নাম দারাসবাড়ী নামে প্রসিদ্ধ লাভ করে। ফিরোজপুর জামে মসজিদ নাম হারিয়ে দারাসবাড়ী নাম ধারণ করে। উপরে ৯টি গম্বুজের চিহ্নাবশেষ রয়েছে উত্তর দক্ষিণে ৩টি করে জানালা ছিল।
এতদ্ব্যতীত পশ্চিম দেয়ালে পাশাপাশি ৩টি করে ৯টি কারুকার্য খচিত মেহরাব বর্তমান রয়েছে। এই মসজিদের চারপার্শ্বে দেয়াল ও কয়েকটি প্রস্তর স্তম্ভের মূলদেশ ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। এই মসজিদের বিশেষত্ব হল এতে মহিলাদের ছালাত পড়ার ব্যবস্থা ছিলো। উত্তর পশ্চিম কোণে মহিলাদের ছালাতের জন্য পাথরের স্তম্ভ এবং তার উপরে আলাদা একটি ছাদ ছিল। প্রাচীন মসজিদ নিয়ে কাজ করার পর থেকে এই প্রথম মহিলাদের জন্য ব্যবস্থাসমৃদ্ধ একটি মসজিদ পেলাম।
দারাসবাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়টি ও মসজিদ কীভাবে হারিয়ে যায় ও মাটির নিচে চাপা পড়ে এই ব্যাপারে সঠিক বক্তব্য পাওয়া যায় না। প্লেগ রোগের আবির্ভাবের পর গৌড় থেকে মানুষ পালিয়ে যায়। এরপর কোন এক সময় হয়তো ভূমিকম্পে মাটি চাপা পড়ে অনিন্দ্য এই স্থাপনাগুলো। বিশ্ববিদ্যালয় মাদ্রাসাটি বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ যেলার শিবগঞ্জ উপযেলার শাহবাজপুরে অবস্থিত।।
👉 সংগৃহীত ✍️📷 =====================

ওয়ালি খান মসজিদ, চট্টগ্রাম মুগল চট্টগ্রামের শহরকেন্দ্র চকবাজারে অবস্থিত। চট্টগ্রামের মুগল ফৌজদার ওয়ালি খান বেগ ১৭১৩-১৭...
06/04/2026

ওয়ালি খান মসজিদ, চট্টগ্রাম মুগল চট্টগ্রামের শহরকেন্দ্র চকবাজারে অবস্থিত। চট্টগ্রামের মুগল ফৌজদার ওয়ালি খান বেগ ১৭১৩-১৭১৬ সালের মধ্যে ছয় গম্বুজ বিশিষ্ট এ মসজিদটি নির্মাণ করেন। তিনি মসজিদটির সংরক্ষণের জন্য কদলপুর, নিজামপুর ও সন্দ্বীপে ১২০ ‘দ্রণ’ জমিও দান করেন। ওয়ালি খান চকবাজারের প্রতিষ্ঠাতা এবং এর নিকটেই কাচারিসহ নিজ বাসভবন নির্মাণ করেন। তিনি তার বাসস্থানের নিকট কমলদহ নামে পরিচিত একটি বড় পুকুর খনন করেন।
দু আইল বিশিষ্ট আয়তাকার মসজিদটির বাইরের কোণাগুলিতে সংযুক্ত চারটি অষ্টভুজাকৃতির বুরুজ রয়েছে। এর পূর্বদিকে তিনটি প্রবেশপথ আছে। এগুলির মাঝেরটি একটি আয়তাকার ফ্রোন্টনের (কারুকার্যখচিত অংশ) মধ্যে স্থাপিত এবং এটি পার্শ্ব প্রবেশপথ দুটি অপেক্ষা বড়। চকবাজারমুখী ফ্রোন্টনটি তৎকালীন মুগল শহরের জাঁকজমক বৃদ্ধি করেছে।
মসজিদের অভ্যন্তরভাগের দৈর্ঘ্য ১৭.৬৪ মিটার এবং প্রস্থ ১০.২১ মিটার। অন্যান্য ভারবহনকারী দেওয়াল সংলগ্ন স্তম্ভ ও খিলানগুলিসহ ইটের তৈরি শক্ত দুটি স্তম্ভ প্রার্থনা কক্ষটিকে তিনটি ‘বে’ তে বিভক্ত করেছে। এর প্রতিটি ‘বে’র ছাদ দুটি গম্বুজ দ্বারা আচ্ছাদিত। এভাবে উক্ত ‘বে’গুলির উপর একই রকমের ছয়টি ফাঁকাগম্বুজ দেখা যায়। প্রতি সারিতে রয়েছে তিনটি গম্বুজ। প্রতিটি গম্বুজ অষ্টকোণাকৃতির পিপার উপর স্থাপিত। এগুলির শীর্ষভাগ বহুস্তর বিশিষ্ট চূড়া দ্বারা পরিশোভিত। কিবলা দেওয়ালে তিনটি মিহরাব আছে। মাঝের মিহরাবটি ব্যাপক সংস্কার ও নতুন অলংকরণের ফলে তার আদি অলংকরণ মুছে গেছে। কিন্তু কিবলা দেওয়ালের পেছন দিকে এর অভিক্ষেপটি এখনও লক্ষণীয়।
এ বিশাল মসজিদ পরবর্তীসময়ে ব্যাপক সংস্কারের ফলে তার অনেক অতীত বৈশিষ্ট্য হারিয়ে ফেলেছে। উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব দেওয়াল বর্তমানে সংযোজিত বারান্দার পেছনে ঢাকা পড়ে গেছে এবং মসজিদের ঐতিহ্যপূর্ন অবয়ব বাইরে থেকে আর দেখা যায় না।

জুলফিকার আলি ভুট্টোর পারিবারিক একটা বিলাসবহুল কোঠি বা বাংলো ছিল মুম্বাইয়ের ওরলি সি ফেস এলাকায়।সেটা ১৯৫৪ থেকে ১৯৫৮ সাল...
06/04/2026

জুলফিকার আলি ভুট্টোর পারিবারিক একটা বিলাসবহুল কোঠি বা বাংলো ছিল মুম্বাইয়ের ওরলি সি ফেস এলাকায়।
সেটা ১৯৫৪ থেকে ১৯৫৮ সালের কথা, ভুট্টো প্রায়ই ওই কোঠিতে থাকতেন। তার পুরো পরিবার অবশ্য আগেই পাকিস্তানে চলে গিয়েছিল।
সেই সময়ে 'মুঘল-এ-আজম' ছবির শুটিং চলছিল বোম্বে, এখনকার মুম্বাইতে।
ওই ছবিতে 'মোহে পনঘট পে নন্দলাল ছোড় গয়ো রে' গানটির শুটিং হচ্ছিল। ভুট্টো ওই গানটি এবং মধুবালার প্রতি এতটাই অনুরক্ত ছিলেন যে তিনি প্রতিদিন এই গানের শুটিং দেখতে আসতেন।
একদিন তিনি মধ্যাহ্নভোজের সময়ে মধুবালার সামনে তাঁর মনের কথা প্রকাশ করেই ফেললেন। বিয়ের প্রস্তাব দিলেন। মধুবালা কথাটাকে হেসেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন। তিনি তখন দিলীপ কুমারের সাথে প্রেম করেন। পরে অবশ্য কিশোর কুমারকে বিয়ে করেন।
তবে তখন কেউ জানত না, এমনকি কল্পনাও করেনি মধুবালাকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া ভুট্টো একদিন পাকিস্তানের শাসক হবে!
অবশ্য, এই ঘটনার সময়ে ভুট্টোর অলরেডি দুইজন স্ত্রী ছিল। একজন তার কাজিন শিরিন, যার সাথে বিয়ে হয় ১২ বছর বয়সে। দ্বিতীয়জন নুসরাত, প্রখ্যাত ইস্পাহানি পরিবারের মেয়ে। এই ঘটনারও পরে বাংলাদেশের হুসনা শেখকে বিয়ে করেন জুলফিকার আলী ভুট্টো।
(সোর্স: বিসিবি, বায়োগ্রাফি)

ডিসেম্বর ১৯৮৬ সাল,  শাহবাগ মোড়, ঢাকা। © সালাউদ্দিন দুলোক আহমেদ ভাইয়া
06/04/2026

ডিসেম্বর ১৯৮৬ সাল, শাহবাগ মোড়, ঢাকা।
© সালাউদ্দিন দুলোক আহমেদ ভাইয়া

Address

162, West Nakhalpara Tejgoan Dhaka 1215
Tejgoan Dhaka

Telephone

+8801712834207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Heritage of Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Museum

Send a message to Heritage of Bangladesh:

Share

Category