Rafia's Bookish Mind and Lens

Website

Rafia's Bookish Mind and Lens হ্যালো, আমি রাফিয়া রহমান।

বই, আঁকাআকি, অ্যানিমে, অ্যানিমেশন, কার্টুন, মুভি, সিরিজ, ওয়েবটুন, নিজের শখ ও ভাবনা নিয়ে কথা বলি।

29/08/2026

হাজার বছর ধরে 💛

29/08/2026

The 39 Clues Series

যে একবার সম্পর্ক ভাঙতে শেখে, সে আর কখনও গড়তে পারে না।ভুলতে চাওয়া অতীত পিছু ছাড়ে না আবার যা মনে রাখা দরকার তা মনে থাকে না...
27/08/2026

যে একবার সম্পর্ক ভাঙতে শেখে, সে আর কখনও গড়তে পারে না।

ভুলতে চাওয়া অতীত পিছু ছাড়ে না আবার যা মনে রাখা দরকার তা মনে থাকে না। কোনো স্মৃতি আবার মনের গুপ্ত কুঠুরিতে লুকিয়ে থাকে। সময়ে-অসময়ে হঠাৎই উদয় হয় মনের গহীনে!

সুদীর্ঘ চল্লিশটা বছর পেরিয়ে গেছে। নিজের চিরচেনা গ্রামে আবার ফিরে এসেছেন আরিফুর রহমান। কিন্তু সেই চিরচেনা রেখে যাওয়া গ্রাম-পরিবার-প্রিয়জনেরা আর আগের মতো চেনা লাগে না। মুক্তিযু`দ্ধের দামামা যখন চারিদিকে বেজে চলেছে সেইসময়ই দেশ ছাড়েন আরিফ সাহেব। এতটা সময় অতিবাহিত হওয়ার পর তিনি এসেছেন আবার তবে আসার কারণটা ভিন্ন।
দেশে থাকা সম্পত্তি তিনি রানু ফুফু আর ভাই জহিরকে দিয়ে দেশের সাথে অবশিষ্ট বন্ধনটুকু থেকেও মুক্তি চান। কিন্তু কেন? অনিচ্ছা সত্ত্বেও কেন আরিফ সাহেবকে দেশ ছাড়তে হয়েছিল? আর কেনইবা এখন চান না দেশ-পরিবারের সাথে কোনো যোগাযোগ রাখতে?
শৈশবের বন্ধু করিম মজুমদারকে হঠাৎই পেয়ে যান। জানতে পারেন তিনি দেশ ছাড়ার পরই আগুনে জ্বলে ছাড়খাড় হয় হিন্দুপাড়া। মনে পড়ে যায় প্রেমিকা ততুশ্রীর কথা। দূরত্ব বাড়লে সম্পর্কে চিড় ধরে তাই বলে কি সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়? একসময়কার প্রেয়সীর সন্ধানে বেড়িয়ে পড়েন কিন্তু কথায় আছে না কিছু জিনিস অজানাই শ্রেয়। অতীতের চেনারা বর্তমানে অচেনা হয়ে ধরা দেয়। বেড়িয়ে আসে অপ্রীতিকর কিছু রহস্য যা বদলিয়ে দিয়েছে সকলের জীবন।

জীবন বড়ই নির্মম। তাও যদি হয় একলা কোনো নারীর তাহলে তো কথায় নেই। এমনই এক মা রিতা। একমাত্র সন্তান রাতুলকে নিয়ে কঠিন সংগ্রামে জীবন পার করছে। হঠাৎই অসুস্থ হয়ে যায় রাতুল, সেই সাথে ধেঁয়ে আসতে থাকে নোংরা হাত। একদিকে অসুস্থ সন্তান অন্যদিকে আত্মসম্মান নিয়ে বাঁচা।

বৃষ্টিস্নাত দিনে আরিফ সাহেবের অতীতের স্মৃতিচারণা দিয়ে শুরু "জলকুঠুরি"। ভাতিজা হারুনের মাধ্যমে দেখা হয়ে যায় একসময়ের প্রিয় দোসর করিমের। কথাচ্ছলে উঠে আসে ততুশ্রী, রূপা, রাশেদ ভাই, সতীনাথদের কথা। কিন্তু কে কোথায় আছে জানা নেই। কেনইবা দেশ ছাড়ার পরে গ্রামে শুরু হয় গণহ`ত্যা? শ্রীর খোঁজ আর অজানা প্রশ্নগুলোর জবাবের আশায় হারুনকে নিয়ে অভিযানে নেমে পড়েন। বারবার বাঁধা আসে, আবছাভাবে জানান দিয়ে যায় কিছু থাক না অজানা।

আবেগ-অনুভূতি, না পাওয়া-অসমাপ্তের হাহাকার, যড়যন্ত্র, ঈর্ষা, মোহের মিশ্রণ ঘটছে বইয়ে। কাহিনির প্রয়োজনে যেখানে চরিত্রের সৃষ্টি হয় সেক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। আগে এসেছে চরিত্র আর চরিত্রকে ঘিরে ঘটনা তারপর কাহিনি। প্রতিটি চরিত্রকে লেখক সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। প্রকৃতির বর্ণনা হয়েছে সহজ-সাবলীলভাবে। মনে হচ্ছিল যেন গ্রামবাংলায় চলে গেছি। একের পর এক চরিত্রের পরিচয় আর কাহিনির ধারা ভালো লেগেছে। প্রথমে মনে হয়েছিল আরিফ সাহেব আর রিতার গল্পের মধ্যে কোনো সংযোগ নেই। তবে শেষটা পড়ে যেন ঘোরে চলে গেছি। ব্যক্তিমনস্তাত্ত্বিক দিকগুলো দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।

কিছু বিষয়ে খটকা রয়ে গেছে। রিতাকে প্রথমে পরিজন হারা একা বলা হলেও কিন্তু এমনটা না। যেহেতু তার বাবা এখনও আছে। আর এতকিছু হওয়ার পরও কেন মেয়ের খোঁজ নেননি বা আসেন নায় দেখা করতে বিষয়টা পরিষ্কার না। আর মাকে নিয়ে রিতার আবেগ থাকলেও একবারও বাবার কথা আসে নায় কেন? শেখ কাদিরের হঠাৎ পরিবর্তনের কারণ বুঝলাম না। মিলি চরিত্রটাও কেমন জানি ধোঁয়াশা।

বানানে টুকিটাকি কিছু ভুল আছে, "র", "ো", "ে", "নাই/নায়"- এর ব্যাবহারে। বইয়ের প্রোডাকশন যথেষ্ট মানসম্মত। বাঁধাই, পেজ, হার্ডকভার, বইয়ের জ্যাকেটের মান ভালোই। প্রচ্ছদ ও নামলিপি বেশ নান্দনিক।

নাম: জলকুঠুরি
লেখক: মুশফিক উস সালেহীন
জনরা: সমকালীন
প্রচ্ছদ: জাওয়াদ উল আলম
প্রকাশনী: চিরকুট
প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ২০২২
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬০
মুদ্রিত মূল্য: ৩০০/-

অনেক ধন্যবাদ, বইকথা এক্সপ্রেস ও আদী প্রকাশন দারুণ একটা প্রতিযোগিতার জন্য💛 নিজের পছন্দমতো দু'টো বই নিয়ে ফেললাম। এবার পড়ার...
23/08/2026

অনেক ধন্যবাদ, বইকথা এক্সপ্রেস ও আদী প্রকাশন দারুণ একটা প্রতিযোগিতার জন্য💛
নিজের পছন্দমতো দু'টো বই নিয়ে ফেললাম। এবার পড়ার পালা😁

কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য - এই ছয়টি রিপু, মানবজীবনের কণ্টকও বলা চলে। ষড়রিপু মধ্যে একটিও যদি ব্যক্তিমনে জায়গা ...
23/08/2026

কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য - এই ছয়টি রিপু, মানবজীবনের কণ্টকও বলা চলে। ষড়রিপু মধ্যে একটিও যদি ব্যক্তিমনে জায়গা পেয়ে যায় তাহলে আর রক্ষে নেই। কিন্তু মনে যদি একইসাথে ছয়টিই জায়গা করে নেয় তখন?

বিশ্ববিখ্যাত ছবি আঁকিয়ে প্রতিবারই নন্দিত হয়েছেন "স্যার থমাস"। কিন্তু এতদূর পথ পাড়ি দেওয়া মোটেও সহজ ছিল না। কিছু পাওয়ার জন্য কিছু ত্যাগ করতে হয়। এতবছর পর এসে স্যার থমাসের কেন জানি মনে হতে থাকে "কিছু" পাওয়ার জন্য তিনি আসলে "অনেক বেশিই" ত্যাগ করে ফেলেছেন! মিশর থেকে আসা বাক্স দুটো বারবার মনে করিয়ে দিতে থাকে ভুল করে ফেলেছেন তিনি। অনেক বড় ভুল...

নীল বেশ কয়েকদিন থেকেই ঘুরছে পুরনো রাজবাড়ির আশেপাশে। বুঝে উঠতে পারছে না বিশ্বখ্যাত একজন আর্টিস্ট কেন আছেন পুরনো একটা রাজবাড়িতে তাও বাংলাদেশে। কিন্তু মন বলছে বছর ধরে যে প্রশ্নগুলোর জবাব খুঁজছে সে তা শুধুমাত্র স্যার থমাসই দিতে পারবেন। রহমত ভয়ে থাকে স্যার থমাসের জন্য আর কত পাপের বোঝা তাকে বইতে হবে। আকাশে উড়তে দেখা যাচ্ছে এক আজব প্রাণী, যার উপরে বসে আছে নয় ফুট লম্বা এক ব্যক্তি! ঈসমাইল সাহেবের বন্ধ ঘরে কে যেন লুকিয়ে আছে! মিশরের দুঃসহ স্মৃতি তাড়িয়ে বেড়ায় স্যার থমাসকে। রাতের আঁধারে বিদঘুটে এক জীবের আগমন ঘটে পুরনো রাজবাড়িতে! কিন্তু সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো যে ছবিগুলোর দরুন স্যার থমাস পেয়েছেন বিশ্বখ্যাতি তা ওনার আঁকানো নয়... তাহলে কে আঁকিয়ে চলেছে একের পর এক চিত্রকর্ম?

মিথ, মিস্ট্রি, এডভেঞ্চার, ক্রাইম, থ্রিলের মিশেল ঘটেছে "শিল্পী আমি, আঁকে সে"। কথায় আছে "লোভে পাপ, পাপে মৃ`ত্যু"; লেখক আসলে এমনটাই দেখানোর চেষ্টা করেছেন বইয়ে তবে নিজস্ব আঙ্গিকে। কোনো জিনিসের প্রতি ভালোবাসা থাকা স্বাভাবিক, তা পাওয়ার জন্য নিজেকে উজাড় করে দেওয়াও চলে তবে নিজেকে বদলিয়ে অন্য কেউ- এ পরিবর্তন করলে? আর সেই অন্য কেউ যদি হয় মা`রাত্মক ভয়াবহ? একজনের সুখের জন্য যদি অনেকের দুর্ভোগ হয়, তাহলে কি স্বাভাবিক বলা চলে? এসব প্রশ্নের জবাব মিলবে বইয়ে। যদিও বেশ কিছু চরিত্রের উল্লেখ রয়েছে, স্যার থমাস- ই মূল চরিত্র। গল্পের শুরু থমাসের "স্যার থমাস" হয়ে উঠা দিয়ে আর শেষ... উহ, এটা বলবো না স্পয়লার হয়ে যায়। পাঠক নাহয় পড়েই জানুক।

চরিত্রগুলোকে লেখক স্বতন্ত্র হিসেবেই দেখিয়েছেন। কেউ ফোকাস পেয়েছে তো কেউ পায়নি। তবে সকলের জীবনেই এমন কিছু ঘটনা আছে যার জন্য জড়িয়ে পড়েছে একে অপরের সাথে। অবশ্যই কেন্দ্রবিন্দু স্যার থমাস। রহমতের চরিত্রটা আমার কাছে বেশ জটিল মনে হয়েছে। যুগ চরিত্রটাও ভালো লেগেছে তবে ধোঁয়াশায় রাখা হয়েছে। বইয়ের একটা গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র মাহতাব হলেও কিছুটা অসম্পূর্ণ লেগেছে। শুরুটা গোছানো হলেও শেষটা কিছুটা খাপছাড়া। তবে ইতি টানা হয়েছে পরিপূর্ণভাবেই।

কিছু খটকা আছে আবার কিছু অসংগতিও চোখে পড়েছে। থমাস-শেখ সাহেবের কথোপকথন অনেকটা অনুবাদ ধাঁচের। শুরুতে থমাস একবার বলেছে রহমতের মা বাসায় কিন্তু রহমতের মা তো বহু বছর আগেই মা`রা গেছে! অথোসিস রায়হান আর যুগের যোগাযোগ আগে থেকে জানলেও লুকিয়ে রেখেছিল কেন? এটা খোলসা করার দরকার ছিল। রিচার্ডের দেওয়া চিঠিটা ঠিক চিঠি মনে হয়নি যেন ফোনালাপ। "তো রাখলাম চিঠি?"- চিঠিতে এমন লাইন!

প্রুফ রিড আর সম্পাদনায় কিছুটা ঘাটতি আছে। বিপরীত শব্দ, অসম্পূর্ণ বাক্য, বানান ভুল আছে কিছু।
৭৬ পৃষ্ঠা- অস্বাভাবিক(স্বাভাবিক) আছেন কী করে?
১৬২ পৃষ্ঠা- পুরা বাড়ি এহন স্বাভাবিক হয়ে(গেছে)।
১৬৫ পৃষ্ঠা- এখন ওনাকে মারা সম্ভব আমার মনে(হয়)।
২১৪ পৃষ্ঠা- মূলত দেখতে যাওয়ার মতো সাহসটুকু পাচ্ছে (না)।
২১৬ পৃষ্ঠা- আর মনে মনে সেদিনের ঘটনার কামনা(করলো)।
এমন আরও আছে।

প্রচ্ছদ ও নামলিপি দারুণ হয়েছে। বিশেষ করে প্রচ্ছদটা বইয়ের ওভারঅল প্লট তুলে ধরেছে। প্রথম বই হিসেবে লেখক পাঠকদের নতুন কিছু দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। প্রশংসার দাবিদার তবে এখনও কিছুটা উন্নতির প্রয়োজন আছে বলেই মনে হয়েছে। ইউনিক প্লট, ভালো লেগেছে। পরবর্তী বইয়ের অপেক্ষায় থাকবো অতি অবশ্যই যুগের অতীতের জন্য। তবে প্রতিটি বই-ই কিন্তু স্টান্ড অ্যালোন।

বই: শিল্পী আমি, আঁকে সে
লেখক: শাহরিয়ার হাসান
জনরা: মিথলজিক্যাল থ্রিলার
প্রচ্ছদ: সজল চৌধুরী
প্রকাশনী: বর্ণলিপি
প্রথম প্রকাশ: ১০ জুলাই, ২০২২
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২২০
মুদ্রিত মূল্য: ৪০০/-

 #গ্রন্থরাজ্য_গ্র্যান্ড_সেল
20/08/2026

#গ্রন্থরাজ্য_গ্র্যান্ড_সেল

অর্ডার করতে পারবেন আজ সন্ধ্যা সাতটা থেকে৷

🎯 এই পোস্টটি নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করলে এবং পোস্টে তিনজন বইপড়ুয়া বন্ধুকে মেনশন
করে জিতে নিতে পারবেন গ্রন্থরাজ্য প্রকাশিত নতুন দুটো অনুবাদ থ্রিলার৷ লটারির মাধ্যমে বিজয়ী নির্বাচন করা হবে৷ শেয়ার করা পোস্টে গ্রন্থরাজ্য_গ্র্যান্ড_সেল ট্যাগটা ব্যবহার করতে হবে৷।

সকল অর্ডারের বই ২৫ তারিখ থেকে ডেলিভারি হবে৷
কুরিয়ার এবং হোম ডেলিভারি চার্জ প্রযোজ্য।

কমেন্টে গ্রন্থরাজ্যের সকল জনরার বইয়ের
সূচিপত্র পিডিএফ দিয়ে দেওয়া হবে বা ইনবক্সে চাইলে পেয়ে যাবেন।

#গ্রন্থরাজ্য_গ্র্যান্ড_সেল

দিন যত যাচ্ছে প্রযুক্তিনির্ভরতা ততই বাড়ছে আমাদের। এমনকি কোনোদিন কি যায় যখন আমরা বলতে পারি সারাদিন দূরে ছিলাম প্রযুক্তি আ...
01/08/2026

দিন যত যাচ্ছে প্রযুক্তিনির্ভরতা ততই বাড়ছে আমাদের। এমনকি কোনোদিন কি যায় যখন আমরা বলতে পারি সারাদিন দূরে ছিলাম প্রযুক্তি আর ডিভাইস থেকে? জবাব কী হতে পারে সম্ভবত জানি আমরা। কিন্তু একটা প্রশ্ন কমবেশি আমাদের সবাইকেই ভাবায়, এই অন্ধ-প্রযুক্তিনির্ভরতা আমাদের নিয়ে যাবে কোথায়? আগাম সুখের কথা ভেবে সুদূর ভবিষ্যৎ অজ্ঞাতে নিজেরাই নষ্ট করে ফেলছি নাতো?

সময়টা আজ থেকে বহুবছর আগের, যখন মানবজাতি পালিয়ে বেড়াচ্ছে ক্ষমতাধর রোবটদের থেকে। প্রথম মানবিক চেতনাসম্পন্ন রোবট বানানোর পর ডক্টর লি ঘুণাক্ষরেও টের পাননি নিজের বানানো রোবট ক্রিটনের হাতেই তার শেষ পরিণতি ঘটবে! সময়ের সাথে রোবটেরা আরও আপডেট হয়েছে, মানুষদের নিশ্চিহ্ন করে নিজেদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছে। কিন্তু কথায় আছে না দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে মানুষ ঘুরে দাঁড়াতে বাধ্য, তেমনি ক্যাপ্টেন ব্রুনোর নেতৃত্বে বছরের পর বছর যুদ্ধ করে চলেছে মুষ্টিমেয় কিছু বিপ্লবী। কিন্তু যুদ্ধের যেন শেষই নেই...

প্রতিদিনকার মতোই ব্রেক আওয়ারে কমেডি মুভি দেখছে রু-জিকোরা কিন্তু হঠাৎই এক দৃশ্যে আঁটকে যায় রুর নজর। সব ঠিক হওয়ার সম্ভাবনায় কেঁপে ওঠে বুক। মন্টক প্রজেক্ট! আদোও কি হবে ঠিক সব নাকি ক্রিটনের রোবট বাহিনীর হাতে সমূলে নিশ্চিহ্ন হবে মনুষ্যজাতি?

সাইফাই ঘরনার মিস্ট্রি থ্রিলার "রু"। পড়ার সময় বারবার কৈশোরে পড়া সায়েন্স ফিকশনগুলোর কথা মনে পড়ছিল। কারণ সম্ভবত সহজ-সাবলীল লেখনশৈলী ও কমন প্লট। প্লট পরিচিত হলেও টাইম ট্রাভেল নিয়ে লাস্টের টুইস্টটা দারুণ ছিল।

বইয়ের মূল চরিত্রের নামেই বইয়ের নামকরণ। রোবটরা জয় করে নিয়েছে বিশ্ব। স্বাধীনতা ফিরে পাওয়ার জন্য লড়াই করে চলেছে একদল যোদ্ধা। এটাই মূলত বইয়ের প্লট। সাথে যুক্ত হয়েছে টাইম ট্রাভেলিং- এর কিছু থিওরী। অল্পবয়সী বিজ্ঞানী রু জানতে পারে মন্টক প্রজেক্ট নিয়ে তারপর শুরু হয় সময় পরিবর্তনের চেষ্টা। পারবে কি রু সময়ের হেরফের করতে? পরিণতি কী হবে? আদোও কি সব ঠিক হবে? এ প্রশ্নগুলো লাস্ট কাহিনির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। গুপ্তচর রোবট কে হতে পারে এটা আগেই অনুমান করে নিয়েছিলাম। তবে একটা প্রশ্ন মনে ঘুরপাক খাচ্ছে ক্রিটন কেন রু এর অপেক্ষায় ছিল যে মন্টক প্রজেক্টে কাজ করবে? কেন নিজেরা কাজ করেনি? তাদের কাছে তো প্রযুক্তি আর বুদ্ধিমত্তা সবই ছিল। রু-জিকোর বন্ডিং ভালো লেগেছে। শেষটা অনুমেয় তবে রুর টুুইস্টা চমকে দিয়েছে।

ক্রাউন সাইজের ছোট বইটার প্রোডাকশন ভালোই। তবে আরও ভালো হয়েছে প্রুফ রিডিং। বর্তমানে বানান ভুল ছাড়া যেখানে বই কল্পনায় করা যায় না সেখানে বইয়ে বানান ভুল তেমন নেই বললেই চলে। প্রচ্ছদ মোটামুটি লেগেছে।

বই: রু
লেখক: তানভীর আহমেদ সৃজন
জনরা: সাইফাই থ্রিলার
প্রচ্ছদ: জাওয়াদ উল আলম
প্রকাশনী: বেনজিন প্রকাশন
প্রথম প্রকাশ: আগস্ট ২০২২
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪৪
মুদ্রিত মূল্য: ২৫০/-

বইপোকাদের আড্ডাখানা (Boipokader Addakhana) অনেকককককক ধন্যবাদ ইউনিক একটা প্রতিযোগিতার জন্য। দারুণ সব কমিক্স দেখার সুযোগ হ...
01/08/2026

বইপোকাদের আড্ডাখানা (Boipokader Addakhana) অনেকককককক ধন্যবাদ ইউনিক একটা প্রতিযোগিতার জন্য। দারুণ সব কমিক্স দেখার সুযোগ হয়েছে প্রতিযোগিতার সৌজন্যে😁

Hasibur Rahman, পার্থজিৎ দে আপনারা কী কী বই নিলেন???👀

মঞ্জিল - Manjil ধন্যবাদ উইশলিস্টের বইগুলো যত্নসহকারে পাঠানোর জন্য 💛

Rokomari Book Club (রকমারি বুক ক্লাব) অনেক ধন্যবাদ দারুণ একটা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কারের জন্য 💛
01/08/2026

Rokomari Book Club (রকমারি বুক ক্লাব) অনেক ধন্যবাদ দারুণ একটা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কারের জন্য 💛

Address

Bhadra
Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rafia's Bookish Mind and Lens posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category