কাবেকের ইতিহাস

কাবেকের ইতিহাস বাংলার প্রাচীন ইতিহাস এবং অজানা সব রহস্য নিয়ে আমাদের এই পথচলা।

29/07/2026

ফ্রী এআই ভিডিও তৈরীর মেথড দেখলাম এবং ভিডিও বানানোর চেষ্টা যারা বানাবেন দয়া করে চেক কমেন্ট ।
#কাবেকেরÑইতিহাস

আজ আমরা যে স্থানটিকে 'হলুদ বিহার' নামে চিনি, প্রায় ১,২০০ বছর আগে এর নাম কী ছিল তা ইতিহাস আজও নিশ্চিতভাবে বলতে পারেনি। ক...
21/07/2026

আজ আমরা যে স্থানটিকে 'হলুদ বিহার' নামে চিনি, প্রায় ১,২০০ বছর আগে এর নাম কী ছিল তা ইতিহাস আজও নিশ্চিতভাবে বলতে পারেনি। কোনো শিলালিপি বা লিখিত দলিল এখন পর্যন্ত উদ্ধার না হওয়ায় এর প্রকৃত নাম সময়ের স্রোতে হারিয়ে গেছে। কিছু ইতিহাসবিদের মতে, হলুদ বিহারটি প্রাচীন দিবর (Dibar) অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় একে দিবর বিহার বা দেওরকোট বিহার বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এটি সর্বসম্মত নয়। বর্তমানে আমরা যাকে Halud Vihara বলি, এটি প্রাচীনকালের আসল নাম নয়। "হলুদ বিহার" নামটি স্থানীয় লোকমুখে প্রচলিত হয়েছে, কারণ ধ্বংসাবশেষের মাটির রং ছিল হলুদাভ। এ ধরনের বিহারগুলো শুধু উপাসনার স্থান ছিল না; এগুলো ছিল মধ্যযুগের বিশ্ববিদ্যালয়সদৃশ প্রতিষ্ঠান। এসব নিদর্শন থেকে বোঝা যায় এখানে একসময় একটি সুসংগঠিত ধর্মীয় ও শিক্ষাকেন্দ্র ছিল। (হলুদ বিহার) বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। এটি সমপুর বিহার থেকে অল্প দূরত্বে অবস্থিত এবং ধারণা করা হয় যে, উভয় বিহারই একই সময়ে উত্তর বাংলায় বৌদ্ধ শিক্ষার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
#কাবেকেরইতিহাস

30/06/2026

কেমন ছিল মহা বিহার জগদ্দল , আমি দেখানোর চেষ্টা করছি ততকালিন কেমন ছিল দেখতে ।

#ইতিহাস
#প্রত্নতাত্ত্বিক

পাল বংশের শেষ রাজা রামপাল সেই অমর কীর্তি কি #প্রত্নতাত্ত্বিক   #ইতিহাস
29/06/2026

পাল বংশের শেষ রাজা রামপাল সেই অমর কীর্তি কি
#প্রত্নতাত্ত্বিক


#ইতিহাস

28/06/2026

এরকম সিঁড়ি ব্যবহার করতো শুধু মাটির নিচে কিন্তু আহসান মঞ্জিল এর বাহিরের এই সিঁড়িটা কি শুধু মানুষ দেখানোর জন্য? আপনার জানা থাকলে একটা মন্তব্য করবেন।
#প্রত্নতাত্ত্বিক #ইতিহাস

এটি হলেন সেই বিখ্যাত আহসান মঞ্জিল এর প্রস্তাবিত ভবনের নকশা।  আপনাদের সাথে একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সেয়ার করি যেটা অনেকেই জ...
27/06/2026

এটি হলেন সেই বিখ্যাত আহসান মঞ্জিল এর প্রস্তাবিত ভবনের নকশা। আপনাদের সাথে একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সেয়ার করি যেটা অনেকেই জানেন না। এই ভবনটি প্রথমে নির্মাণ করেন নবাব আব্দুল গনি, এটি নির্মাণের আগে এই যায়গার নাম ছিলো রংমহল।
#প্রত্নতাত্ত্বিক #ইতিহাস

26/06/2026

চলুন দেখে আসি কেমন ছিল জগদ্দল মহা বিহার ।
#প্রত্নতাত্ত্বিক


#ইতিহাস

জগদ্দল মহাবিহার পাওয়া গেছে, কিন্তু রামপালের রাজধানী রামাবতী এখনও পাওয়া যায়নি।আপনি কি জানেন, প্রায় ৯০০ বছর আগে পাল সা...
25/06/2026

জগদ্দল মহাবিহার পাওয়া গেছে, কিন্তু রামপালের রাজধানী রামাবতী এখনও পাওয়া যায়নি।
আপনি কি জানেন, প্রায় ৯০০ বছর আগে পাল সাম্রাজ্যের শেষ মহান সম্রাট রামপাল, কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বর্তমান উত্তরবঙ্গ পুনরুদ্ধার করেন। এরপর তিনি রামাবতী নামে একটি নতুন রাজধানী স্থাপন করেন। ইতিহাসের প্রাচীন গ্রন্থ রামচরিতম-এ এই নগরীর উল্লেখ পাওয়া যায়। যে সম্রাট জগদ্দল মহাবিহারের মতো বিশাল শিক্ষাকেন্দ্র নির্মাণ করেছিলেন, কিন্তু তাঁর নিজের রাজধানী রামাবতী আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি। ইতিহাসের এই রহস্য এখনো উত্তরবঙ্গের মাটির নিচে ঘুমিয়ে আছে। ইতিহাসবিদদের ধারণা, রামাবতী বর্তমান নওগাঁ, জয়পুরহাট ও বগুড়া অঞ্চলের কোথাও অবস্থিত ছিল। আবার অনেক গবেষক মনে করেন, জগদ্দল মহাবিহার ও পাহাড়পুরের আশপাশের বরেন্দ্র অঞ্চলই ছিল এই রাজধানীর কেন্দ্র। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো—এত গুরুত্বপূর্ণ রাজধানীর সঠিক অবস্থান আজও আবিষ্কৃত হয়নি। রামপাল শুধু একজন যোদ্ধাই ছিলেন না, তিনি শিক্ষা ও সংস্কৃতিরও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তাঁর সময়েই জগদ্দল মহাবিহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র গড়ে ওঠে। তাহলে প্রশ্ন হলো—রামাবতী নগরীর ধ্বংসাবশেষ কি এখনও বাংলাদেশের মাটির নিচে লুকিয়ে আছে? নাকি ইতিহাসের পাতায় এটি চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেছে?
তবে অনেক ইতিহাসবিদ এখনো মনে করেন যে, জগদ্দল মহাবিহারের আশপাশেই কোথাও রামাবতীর ধ্বংসাবশেষ এখনও মাটির নিচে লুকিয়ে থাকতে পারে। ভবিষ্যতে নতুন খননকার্যে হয়তো সেই হারিয়ে যাওয়া রাজধানীর সন্ধান মিলবে। আপনার কি মনে হয় ? একটা মন্তব্য করবেন যদি পোস্টটা শেষ পর্যন্ত পড়ে থাকেন ।
#প্রত্নতাত্ত্বিক


#ইতিহাস

24/06/2026

কেমন ছিল লকমা রাজবাড়ী এআই এর মাধ্যমে দেখে আসি।
#প্রত্নতাত্ত্বিক


#ইতিহাস

লকমা রাজবাড়ির রহস্যপ্রায় ৩০০ বছরের পুরনো (মুঘল-পরবর্তী আমল)। লকমা রাজবাড়িকে ঘিরে বহু লোককথা প্রচলিত আছে। রাজবাড়ির নিচে গ...
22/06/2026

লকমা রাজবাড়ির রহস্য
প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো (মুঘল-পরবর্তী আমল)। লকমা রাজবাড়িকে ঘিরে বহু লোককথা প্রচলিত আছে। রাজবাড়ির নিচে গোপন সুড়ঙ্গ ছিল বলে অনেকে বিশ্বাস করেন। জমিদারদের গুপ্তধন লুকিয়ে রাখার গল্প প্রচলিত রয়েছে। দেশভাগের পর পরিবারটি ধীরে ধীরে এলাকা ছেড়ে চলে যায়। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনটি ধ্বংস হতে থাকে। একসময়কার জাঁকজমকপূর্ণ এই রাজবাড়ি আজ প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। দেয়ালের অনেক অংশ ভেঙে গেছে, ছাদ ধসে পড়েছে এবং প্রকৃতির দখলে চলে গেছে রাজবাড়ির বড় অংশ। তবুও এর ধ্বংসাবশেষ আজও অতীতের জমিদারি ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। একসময় যেখানে ছিল হাতি-ঘোড়া, সৈন্য-সামন্ত আর বিশাল জমিদারি, আজ সেখানে দাঁড়িয়ে আছে শুধু ভাঙা দেয়াল। জয়পুরহাটের লকমা রাজবাড়ি যেন হারিয়ে যাওয়া এক রাজ্যের শেষ স্মৃতি।
জমিদারদের পরিচয়
লকমার জমিদাররা মুসলিম চৌধুরী বংশের ছিলেন বলে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে। তাঁদের জমিদারির একটি বড় অংশ বর্তমান ভারতের ভূখণ্ডে ছিল এবং জয়পুরহাট-পাঁচবিবি অঞ্চলেও তাঁদের প্রভাব ছিল। লকমা রাজবাড়ির সঠিক নির্মাণকাল সম্পর্কে নিশ্চিত দলিল পাওয়া যায় না। তবে স্থানীয় ইতিহাস ও বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী এটি প্রায় ৩০০ বছর পুরোনো। কারও মতে এটি চৌধুরী হাদি মামুনের পূর্বপুরুষদের নির্মিত, আবার অনেকের মতে সেন যুগের রাজা লক্ষণসেনের সঙ্গে এর নাম জড়িয়ে আছে। তবে লক্ষণসেন-সংক্রান্ত দাবির পক্ষে শক্ত ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জয়পুরহাট শহর থেকে পাঁচবিবি হয়ে পশ্চিম কড়িয়া গ্রামের দিকে যেতে হয়। পাঁচবিবি উপজেলা সদর থেকে স্থানীয় অটোরিকশা বা ভ্যানে করে লকমা রাজবাড়িতে পৌঁছানো যায়।
#প্রত্নতাত্ত্বিক

#ইতিহাস

Address

মঙ্গলবাড়ী বাজার, জয়পুরহাট সদর, জয়পুরহাট।
Joypur
5900

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কাবেকের ইতিহাস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category