Scientific Heritage -বৈজ্ঞানিক ঐতিহ্য

Scientific Heritage -বৈজ্ঞানিক ঐতিহ্য সাধনার ফলে অর্জিত যে বিশেষ জ্ঞান তাই বিজ্ঞান।আর বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ইতিহাস এবং সংস্কৃতি হলো ঐতিহ্য

২০২৩ সালে সাইবেরিয়ার পারমাফ্রস্টে (চিরবরফে জমাট মাটি) এক ধরনের নেমাটোড (nematode worm) পাওয়া যায়, যাকে বিজ্ঞানীরা সফলভাব...
30/05/2025

২০২৩ সালে সাইবেরিয়ার পারমাফ্রস্টে (চিরবরফে জমাট মাটি) এক ধরনের নেমাটোড (nematode worm) পাওয়া যায়, যাকে বিজ্ঞানীরা সফলভাবে পুনরুজ্জীবিত করতে পেরেছেন।
এই কৃমিটি ছিল এক ধরনের cryptobiosis অবস্থায় — অর্থাৎ এমন এক "জীবিত ঘুম", যেখানে শরীরের সমস্ত কার্যকলাপ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। না ছিল খাবার, না অক্সিজেন, তবুও বরফের নিচে সহস্রাব্দ ধরে নিজের অস্তিত্ব ধরে রেখেছিল।গবেষকদের মতে, এই নেমাটোডের ঘুম শুরু হয়েছিল প্রায় ৩৯,০০০ থেকে ৪৬,০০০ বছর আগে, যখন পৃথিবীতে এখনও নিওলিথিক যুগ আসেনি!
এই আবিষ্কার শুধু প্রাচীন জীববিজ্ঞানের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যতের মহাকাশ গবেষণা এবং জীবন সংরক্ষণের প্রযুক্তি হিসেবেও এক বিশাল সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে।

গ্যাস লাইট (Gas light) আবিষ্কারের কৃতিত্ব মূলত উইলিয়াম মুরডক (William Murdoch)-কে দেওয়া হয়। তিনি একজন স্কটিশ প্রকৌশলী ও...
28/05/2025

গ্যাস লাইট (Gas light) আবিষ্কারের কৃতিত্ব মূলত উইলিয়াম মুরডক (William Murdoch)-কে দেওয়া হয়। তিনি একজন স্কটিশ প্রকৌশলী ও উদ্ভাবক ছিলেন।

🕯️ উইলিয়াম মুরডক
→ তিনি ১৭৯০-এর দশকে প্রথম সফলভাবে গ্যাস ব্যবহার করে আলো জ্বালানোর পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।

⚙️ কিভাবে গ্যাস লাইট তৈরি ও ব্যবহার করা হয়?
১. তাঁর আবিষ্কারের পেছনের মূল ধারণা ছিল:
কয়লা গরম করলে তা থেকে গ্যাস (coal gas) উৎপন্ন হয়। এই গ্যাসকে একটি পাইপের মাধ্যমে বাতির (burner) কাছে নেওয়া যায়, এবং তা জ্বালালে আলো পাওয়া যায়।
২. প্রথম ব্যবহার:
১৭৯৪ সালে তিনি নিজের বাড়িতে গ্যাস লাইটের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করেন।
৩. বড় পরিসরে ব্যবহার:
১৮০২ সালে তিনি ইংল্যান্ডের Soho Foundry-তে প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে একটি কারখানায় গ্যাস লাইটের ব্যবস্থা করেন।

🏙️ ১৮০৭ সালে লন্ডন শহরের রাস্তার বাতি হিসেবে গ্যাস লাইট প্রথম ব্যবহৃত হয়। ধীরে ধীরে ইউরোপ ও আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে। এটি শহরের রাতের জীবন এবং শিল্প বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

নাসার মহাকাশযান ভয়েজার ১ সম্প্রতি ২৪ বিলিয়ন কিলোমিটার দূর থেকে পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করেছে, যা একটি উল্লেখয...
28/05/2025

নাসার মহাকাশযান ভয়েজার ১ সম্প্রতি ২৪ বিলিয়ন কিলোমিটার দূর থেকে পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করেছে, যা একটি উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিগত কৃতিত্ব। ১৯৭৭ সালে উৎক্ষেপণ করা এই মহাকাশযানটি বর্তমানে ইন্টারস্টেইলার মহাকাশে অবস্থান করছে, যা আমাদের সৌরজগতের বাইরের অঞ্চল।

২০২৪ সালের অক্টোবরে, ভয়েজার ১ -এ একটি ত্রুটি দেখা দেয়, যখন একটি হিটার চালু করার কমান্ড পাঠানোর পর মহাকাশযানটির প্রধান এক্স-ব্যান্ড রেডিও ট্রান্সমিটার বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। তবে মহাকাশযানটির স্বয়ংক্রিয় সুরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ব্যাকআপ এস-ব্যান্ড ট্রান্সমিটার চালু করে, যা ১৯৮১ সালের পর প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত হয়। এই ট্রান্সমিটারটি অপেক্ষাকৃত দুর্বল সংকেত পাঠায়, তবে নাসার ডিপ স্পেস নেটওয়ার্ক এটি শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

বর্তমানে, ভয়েজার ১-এর প্রকৌশলীরা মহাকাশযানটির অবস্থা বিশ্লেষণ করছেন এবং এটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। যদিও এস-ব্যান্ড ট্রান্সমিটার দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত নয়, এটি মহাকাশযানটির সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে সহায়তা করছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, সঠিক পরিকল্পনা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে মহাকাশযান পরিচালনা করা সম্ভব।

লেখক-
Arin Das
Team Science Bee

#ভয়েজার

"থোরিয়াম"- ভবিষ্যতের জ্বালানিথোরিয়াম একটি শক্তিশালী ও নিরাপদ পারমাণবিক জ্বালানি, যা ভবিষ্যতের শক্তির বড় সমাধান হতে পার...
28/05/2025

"থোরিয়াম"- ভবিষ্যতের জ্বালানি

থোরিয়াম একটি শক্তিশালী ও নিরাপদ পারমাণবিক জ্বালানি, যা ভবিষ্যতের শক্তির বড় সমাধান হতে পারে। মাত্র একটি গলফ বলের আকারের থোরিয়ামের টুকরো একজন মানুষের সারাজীবনের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। এটি প্রচলিত ইউরেনিয়ামের তুলনায় ৩-৪ গুণ বেশি পাওয়া যায় এবং অনেক বেশি কার্যকরও।

থোরিয়াম থেকে উৎপন্ন তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ইউরেনিয়ামের তুলনায় অনেক কম এবং এটি দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের জন্য কম ক্ষতিকর। আরও ভালো দিক হলো, থোরিয়াম ব্যবহার করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা যায় না, তাই এটি নিরাপত্তার দিক থেকেও সুবিধাজনক।

বিশ্বব্যাপী গবেষকরা থোরিয়াম-ভিত্তিক রিঅ্যাক্টর নিয়ে কাজ করছেন, যা প্রচলিত চুল্লির তুলনায় আরও সাশ্রয়ী, নিরাপদ এবং টেকসই। উন্নত প্রযুক্তি ও সঠিক পরিকল্পনা থাকলে থোরিয়াম হতে পারে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ শক্তির মূল উৎস।

এই জ্বালানির মাধ্যমে আমরা পেতে পারি কম খরচে, দীর্ঘস্থায়ী ও পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ , যা আমাদের জীবনকে আরও সহজ ও সবুজ করে তুলবে।

গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘমেয়াদি ডিপ্রেশনে আক্রান্ত নারীরা প্রায় ৬০ থেকে ৭২ দিনের মধ্যে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর স্মৃতি রাখ...
28/05/2025

গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘমেয়াদি ডিপ্রেশনে আক্রান্ত নারীরা প্রায় ৬০ থেকে ৭২ দিনের মধ্যে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর স্মৃতি রাখতে অসুবিধায় পড়েন। একটি উল্লেখযোগ্য গবেষণায় (Yvette I. Sheline et al., 1999, Proceedings of the National Academy of Sciences) দেখা গেছে, হতাশাগ্রস্ত নারীদের হিপোক্যাম্পাসের আকার উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট হয়ে যায় — যা মস্তিষ্কের সেই অংশ যা স্মৃতি সংরক্ষণ ও নতুন তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য দায়ী। দীর্ঘ সময় ধরে ডিপ্রেশন থাকলে কর্টিসল নামক স্ট্রেস হরমোন অতিরিক্ত নিঃসরণ হয়, যা হিপোক্যাম্পাসের কোষের ক্ষতি করে এবং নিউরোনাল কানেকশন দুর্বল করে। এর ফলে শর্ট-টার্ম মেমোরি ও কগনিটিভ ফাংশন কমে যায়।
এই গবেষণাগুলোর আলোকে বিজ্ঞানীরা বলছেন, ডিপ্রেশন শুধু মানসিক নয় — এটি একটি নিউরোবায়োলজিক্যাল সমস্যা, যার ফলে নারীদের মস্তিষ্কে গঠনগত এবং কার্যকরী পরিবর্তন ঘটে। শুধু নারীরাই নয়, পুরুষরাও ডিপ্রেশনে পড়লে স্মৃতিশক্তি হারাতে পারেন। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা এই সমস্যায় তুলনামূলকভাবে বেশি ভোগেন।তাই নারীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা ও চিকিৎসা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

📍আত্মহত্যা এবং পোস্ট মর্টেমথার্ড ইয়ার থেকে মেডিকেল স্টুডেন্টদের ফরেনসিক ক্লাস শুরু হয়। ক্লাসের একটা পার্ট হচ্ছে পোস্ট ...
27/05/2025

📍আত্মহত্যা এবং পোস্ট মর্টেম
থার্ড ইয়ার থেকে মেডিকেল স্টুডেন্টদের ফরেনসিক ক্লাস শুরু হয়।
ক্লাসের একটা পার্ট হচ্ছে পোস্ট মর্টেমে উপস্থিত থাকা; কীভাবে করা হয় দেখা ও শেখা ।
আমরা একদম প্রথম যে দুইটা কেস পেয়েছিলাম-
দুইটাই মেয়ে,অল্প বয়সী।
দুইটাই সুইসাইডাল কেইস।
একজন গলায় ফাঁস,আরেকজন বিষ খেয়ে মরা।
প্রথমেই ডেড বডির শরীর থেকে কাপড় সব খুলে ফেলা
হয়। ডাক্তার , স্টুডেন্ট ,পুলিশ এবং ডোম ( যারা কমনলি লাশ কাটে,
হ্যান্ডেল করে ) সবাই উপস্থিত থাকে সেখানে। এরপর গলা
থেকে নাভির নিচ পর্যন্ত ছুরি দিয়ে চামড়া
কাটা হয়। এরপর গরুর যেভাবে চামড়া ছাড়ায় সেভাবে চামড়া ছাড়ায়।
তারপর বুকের পাঁজর যেভাবে যেভাবে কাটে সেটাকে ঠিক
কাটা বলা যায় না; ভাঙে বললেই ভালো! গরুর হাড় যেভাবে কশাইরা
কাটে অনেকটা সেরকম।
কন্ঠনালী অনেকটা টেনে হিঁচড়ে বের করে জিহ্বা সহ।
এরপর হার্ট, লিভার, পাকস্থলি কেটে প্রিজার্ভ করা হয় ।
বেশি খারাপ লাগে যখন মগজ বের করে। আমাদের দেশে
'ইলেক্ট্রিক স' নাই, মাথার খুলি কাটার জন্য। ওরা যেটা করে-
কাঠমিস্ত্রির দোকানে হাতুড়ি বাটাল হয়ত দেখে থাকবেন, ওই হাতুড়ি
বাটাল দিয়ে বাড়ি দিয়ে দিয়ে খুলি ফাটায়; খুলি ভাঙার শব্দটা খুব অদ্ভুত!
তার আগে মাথার মাথার চামড়া সহ চুল মোটামুটি বলা যায় হ্যাঁচকা টানে
খুলে ফেলা হয়। তখন মানুষটাকে আর মানুষ মনে হয় না ।
এক্সামিন শেষে ব্রেইনটাকে পেটের ভেতর পুরে দিয়ে
সেলাই করে দেয়।
সত্যি বলতে কোরবানির সময় গরু ছাগল জবাই থেকে মাংস কাটা
সবই দেখেছি, করেছি।
আমার কাছে মনে হয়েছে গরু ছাগলও অনেক যত্ন নিয়ে
কাটে মানুষ! কারণ ওটার চামড়া দামী, মাংস দামী। চামড়াটা যেন অক্ষত
থাকে, চামড়া যেন থেতলে না যায়; এমন অনেক কিছু
মেইনটেইন করা লাগে। শুধু পোস্ট মর্টেমের সময়
যেভাবে ডেড বডির সাথে বিহেভ করা হয়, সেটা দেখে প্রত্যেক ডাক্তার আর মেডিকেল স্টুডেন্ট মনে মনে এই
দোয়া করতে কখনও ভুলে না- খোদা , আমাকে এমন মৃত্যু দিও না যে আমার মৃতদেহের পোস্ট মর্টেম করার প্রয়োজন
পড়ে ।
!
এইগুলো সাধারণত পাবলিকলি না বলাই ভালো। কিন্তু এতকিছু আজকে
বললাম শুধু নিউজ ফিডে একটা সুইসাইডাল মৃত্যুর খবর বেশ ঘুরপাক
খাচ্ছে দেখে। সেই পুরাতন প্রেম, প্রেমে ব্যর্থতা, হতাশায় ডুবে যাওয়া
এরপর মেয়েটার/ছেলেটার সুইসাইড; মরার আগে ছেলেটাকে/মেয়েটাকে দায়ী করে যাওয়া।
একবার আমার ফ্রেন্ড লিস্টের একটা মেয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছিল
'এই দেশে যতটুকু শালীনতা এখনও আছে ধর্মীয়
মূল্যবোধের কারণেই'।
মেয়েটা হিন্দু; এইরকম স্ট্যাটাস সাধারণত মুসলমানেরাও খুব একটা
ওপেনলি দেয় না।
যাই হোক, সেই সুইসাইডের দোষ কাকে দেব?
মেয়েটাকে?
ছেলেটাকে? নাকি বাবা- মাকে?
আজকাল এইসব ধর্মীয় মূল্যবোধের কথা বলাও
তো মুশকিল। আর কে কাকে শেখাবে! এই জেনারেশনের কাছে এইসব রিলেশন প্রেম-প্রীতিই মূখ্য বিষয়। ব্রেইনের
কর্টেক্স জুড়ে এছাড়া আর কিছু আছে বলেও মনে হয় না।
টাইমলাইন জুড়ে এইসবই দেখি প্রতিদিন । ফেইসবুকে এই রকম
ফ্লার্টিং এর কাহিনী সবাই পড়ে, জানে। তবুও কেন যেন 'আমার ও এইরকম না' এমন অ্যটিচ্যুড প্রত্যেকটা মেয়েই ধারণ করে।
মেয়েদের বলে রাখি- দুনিয়ার সব ছেলেকেই দেহ দান করার পর ফ্লার্ট বলার আগে শুরু থেকেই ফ্লার্ট ভাবাটা সেইফ।
আমি ছেলে হলেও এই কথাই বলব।
নিজের নিপাট ভদ্র কলেজ ফ্রেন্ডটাও যখন এক মেয়ের জীবন নষ্ট করে বলে 'এই
মুহূর্তে আমার বিয়ে করা সম্ভব না', এরপর আরেক মেয়েকে
পারিবারিক ভাবে বিয়ের প্রস্তাব পাঠায় তখন পুরুষ জাতির কাউকে
বিশ্বাস করতে বলার মুখ থাকে না ।
আর যে তোর জীবন নষ্ট করল তার জন্য নিজের জীবন
শেষ না করে দিয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বেঁচে থাক!
নারে , বাপ মায়ের এতদিনের জমানো ভালোবাসা এত সস্তা করে
দেওয়ার অধিকার কেউ তোকে দেয় নাই। আর একদল আছে
এদের প্রতি সিম্প্যাথি দেখিয়ে আহা-উহু করে এই ওয়েকে উৎসাহিত করে ৷
মনে রেখ, তোমার বোনটা বা ভাইটা তোমার ওই আহা উহু
দেখে মনের মধ্যেগেঁথে নেয়-
'Su***de is a noble way to get public sympathy.'
আর হ্যাঁ, যাদের মন এখনও বলে সুইসাইড জিনিসটা মন্দ না;
তাদের বলছি- এই স্ট্যাটাসের প্রথম অংশটা আবার একটু পড়ে নাও।
মনে রেখ , তুমি মরে মনে করছ হিরো হয়ে যাচ্ছ! অথচ
ডোমের ছুরি আর হাতুড়ি বাটালের নিচে তোমার মূল্য কোরবানির
গরুর সমানও থাকে না ।

Address

Jessore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Scientific Heritage -বৈজ্ঞানিক ঐতিহ্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category