Organization of Science & Innovative Technology - OSIT

Organization of Science & Innovative Technology - OSIT "Organization of Science & Innovative Technology (OSIT) is a science-oriented non-profit research and development organization.

Our mission is to solve social challenges through the fusion of modern science and innovative technology.

******* মানুষের DNA  কিভাবে কাজ করে ?** মানুষের DNA (Deoxyribonucleic Acid) হলো জীবনের "ব্লু-প্রিন্ট" বা রান্নার রেসিপি ...
15/03/2026

******* মানুষের DNA কিভাবে কাজ করে ?

** মানুষের DNA (Deoxyribonucleic Acid) হলো জীবনের "ব্লু-প্রিন্ট" বা রান্নার রেসিপি বইয়ের মতো। আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের ভেতর এই অতি ক্ষুদ্র অণুটি থাকে, যা নির্ধারণ করে আমাদের চোখ কী রঙের হবে, আমরা কতটা লম্বা হবো, বা আমাদের শরীর কীভাবে কাজ করবে।DNA কীভাবে কাজ করে তা বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখা যেতে পারে:১. গঠন: পেঁচানো মই বা ডাবল হেলিক্সDNA দেখতে একটি মোচড়ানো বা পেঁচানো মইয়ের মতো, যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় ডাবল হেলিক্স (Double Helix) বলা হয়। এই মইয়ের দুই পাশের রেলিং তৈরি হয় চিনি (Sugar) এবং ফসফেট দিয়ে। আর মইয়ের ধাপগুলো তৈরি হয় চারটি বিশেষ রাসায়নিক ক্ষারক বা নাইট্রোজেন বেস দিয়ে:A (Adenine)T (Thymine)C (Cytosine)G (Guanine)এখানে একটি মজার নিয়ম আছে: A সবসময় T-এর সাথে জোড়া বাঁধে, আর C সবসময় G-এর সাথে।২. এটি কীভাবে তথ্য জমা রাখে?কম্পিউটার যেমন ০ এবং ১ (Binary code) দিয়ে সব তথ্য জমা রাখে, DNA ঠিক তেমনি এই চারটি অক্ষরের (A, T, C, G) বিন্যাস বা সিকোয়েন্সের মাধ্যমে তথ্য জমা রাখে। এই অক্ষরের নির্দিষ্ট সাজানো অংশকে বলা হয় জিন (Gene)। একটি জিনে লেখা থাকে শরীর কীভাবে একটি নির্দিষ্ট প্রোটিন তৈরি করবে।৩. প্রোটিন তৈরির কারখানা (Central Dogma)DNA নিজে সরাসরি কাজ করে না, বরং সে নির্দেশ দেয়। এর কাজ করার প্রক্রিয়াটি প্রধানত দুটি ধাপে সম্পন্ন হয়:ট্রান্সক্রিপশন (Transcription): কোষের নিউক্লিয়াসের ভেতর DNA থেকে তথ্যের একটি কপি তৈরি হয়, যাকে বলা হয় mRNA।ট্রান্সলেশন (Translation): এই mRNA কোষের রাইবোজোমে (প্রোটিন তৈরির কারখানা) যায়। সেখানে mRNA-র সংকেত অনুযায়ী অ্যামিনো অ্যাসিড জোড়া লেগে তৈরি হয় প্রোটিন।৪. বংশগতি ও অনুলিপি তৈরিযখন একটি কোষ বিভাজিত হয়ে নতুন কোষ তৈরি করে, তখন DNA নিজের হুবহু একটি কপি বা অনুলিপি তৈরি করতে পারে। একে বলা হয় রেপ্লিকেশন (Replication)। এর মাধ্যমেই বাবা-মায়ের বৈশিষ্ট্যগুলো সন্তানের শরীরে পৌঁছে যায়।সংক্ষেপে DNA-র কাজ:কাজবিবরণতথ্য ভাণ্ডারবংশগতির সব তথ্য ধরে রাখা।প্রোটিন সংকেতএনজাইম ও হরমোন তৈরির নির্দেশ দেওয়া।বংশবিস্তারএক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে বৈশিষ্ট্য স্থানান্তর।

আকাশ নীল দেখানোর পেছনে কোনো জাদুকরী রঙ নেই, বরং এটি পদার্থবিজ্ঞানের একটি চমৎকার খেলা। এর মূল কারণ হলো রেলে স্ক্যাটারিং (...
15/03/2026

আকাশ নীল দেখানোর পেছনে কোনো জাদুকরী রঙ নেই, বরং এটি পদার্থবিজ্ঞানের একটি চমৎকার খেলা। এর মূল কারণ হলো রেলে স্ক্যাটারিং (Rayleigh Scattering)।

সহজভাবে বলতে গেলে বিষয়টি কাজ করে এভাবে:

১. সূর্যের আলো এবং প্রিজম এফেক্ট
আমরা সূর্যের আলোকে সাদা মনে করলেও এটি আসলে রংধনুর সাতটি রঙের (বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল) মিশ্রণ। প্রতিটি রঙের আলাদা আলাদা তরঙ্গদৈর্ঘ্য (wavelength) থাকে। লালের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি, আর নীলের সবচেয়ে কম।

২. বায়ুমণ্ডলের ভূমিকা
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন গ্যাস (যেমন নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন) এবং অতি ক্ষুদ্র ধূলিকণা দিয়ে গঠিত। সূর্যের আলো যখন বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে, তখন এই ক্ষুদ্র কণাগুলো আলোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

৩. স্ক্যাটারিং বা বিচ্ছুরণ
বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো (যেমন লাল বা হলুদ) এই বাধাগুলো অনায়াসে পার হয়ে সরাসরি মাটিতে চলে আসে। কিন্তু কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো, বিশেষ করে নীল এবং বেগুনি, বায়ুমণ্ডলের কণাগুলোর সাথে ধাক্কা খেয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

৪. আমরা কেন নীল দেখি, বেগুনি নয় কেন?
বিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য নীলের চেয়েও কম, তাই আকাশ বেগুনি দেখানোর কথা ছিল। কিন্তু দুটি কারণে আমরা নীল দেখি:

সূর্য থেকে আসা আলোতে বেগুনির চেয়ে নীলের পরিমাণ বেশি থাকে।

আমাদের চোখ বেগুনির তুলনায় নীল রঙের প্রতি বেশি সংবেদনশীল।

মজার তথ্য: মহাকাশে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই বলে সেখান থেকে আকাশকে সবসময় কুচকুচে কালো দেখায়!

ল্যাবের দরজা খুলতেই হালকা রাসায়নিক গন্ধ মিশ্রিত তাজা বাতাসে ভরে আসে। সাদা টাইলের দেয়াল আর কাঠের ল্যাব টেবিলগুলোতে ছড়িয...
14/03/2026

ল্যাবের দরজা খুলতেই হালকা রাসায়নিক গন্ধ মিশ্রিত তাজা বাতাসে ভরে আসে। সাদা টাইলের দেয়াল আর কাঠের ল্যাব টেবিলগুলোতে ছড়িয়ে আছে বীকার, ফ্লাস্ক, টেস্ট টিউব ও মাপের সিলিন্ডার। এক পাশে ডেস্কটপ কম্পিউটারের স্ক্রিনে বৈজ্ঞানিক ডেটা চলছে, আর একজন গবেষক মনোযোগের সঙ্গে ফলাফল বিশ্লেষণ করছেন।

অন্য একজন গবেষক কাঠের টেবিলে দাঁড়িয়ে হাতের দস্তানা পরে একটি রাসায়নিক পরীক্ষা করছেন, আর ছোটখাটো চুম্বক, মাইক্রোস্কোপ এবং খাতা-কলম দিয়ে অন্য ছাত্র বা সহকর্মীরা নোট নিচ্ছেন। জানালার সূর্যালোকের আলো সাদা টাইলের দেয়ালে প্রতিফলিত হয়ে পুরো ল্যাবটিকে উজ্জ্বল করেছে। সিলিং ফ্যান ধীরে ধীরে ঘুরছে, আর ল্যাবের ভিতরের হালকা শব্দগুলো — কাচের টকটকানি, কম্পিউটারের হিউম, নোটবুকের পৃষ্ঠা উল্টানো — সব মিলিয়ে একটি জীবন্ত এবং বাস্তব পরিবেশ তৈরি করছে।

ল্যাবটি আধুনিক না হলেও এর বাস্তবতা এবং আন্তরিকতা প্রত্যেকের মনোযোগকে ধরে রাখে। প্রত্যেকটি সরঞ্জাম, প্রতিটি ল্যাব নোট, আর প্রত্যেকটি গবেষক এই সাধারণ ল্যাবকে একটি সৃষ্টিশীল এবং শিক্ষামূলক কেন্দ্রে পরিণত করেছে।

Address

FARIDPUR SADAR
Faridpur
7804

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Organization of Science & Innovative Technology - OSIT posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category