বাংলাদেশের দূর্লভ ছবির এলবাম

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বাংলাদেশের দূর্লভ ছবির এলবাম

বাংলাদেশের দূর্লভ ছবির এলবাম বাংলাদেশের দূর্লভ,পুরাতন ছবি এবং তথ্য নিয়েই আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেস্টা৷
(1)

১৯৮১ সালে ঢাকা ইব্রাহিমপুরের পুলপার এলাকা৷
01/06/2026

১৯৮১ সালে ঢাকা ইব্রাহিমপুরের পুলপার এলাকা৷

৭০/৮০ দশকের বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্রান্ডের সিগারেট৷
07/01/2026

৭০/৮০ দশকের বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্রান্ডের সিগারেট৷

১৯০১ সালের ঢাকার রাস্তায় গাড়ির উপস্থিতি ছিল এক বিরল ও উল্লেখযোগ্য ঘটনা। সেই সময়কার ঢাকা আজকের মতো ব্যস্ত, আধুনিক কিংবা য...
07/11/2025

১৯০১ সালের ঢাকার রাস্তায় গাড়ির উপস্থিতি ছিল এক বিরল ও উল্লেখযোগ্য ঘটনা। সেই সময়কার ঢাকা আজকের মতো ব্যস্ত, আধুনিক কিংবা যানজটপূর্ণ শহর ছিল না। তখন এটি ছিল এক শান্ত, জনবিরল, মূলত ব্রিটিশ শাসনের অধীনে একটি প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক নগরী।
১৯০১ সালে ঢাকা ছিল প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ মানুষের একটি ছোট শহর। ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অধীনে এটি ছিল পূর্ববঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা সদর। শহরের মূল এলাকা ছিল সদরঘাট, নবাবপুর, ইসলামপুর, লালবাগ, আরমানিটোলা, ওয়ারী, ওল্ড ঢাকা প্রভৃতি অঞ্চল।
রাস্তা ছিল সরু, কাঁচা বা আধাপাকা, অনেক জায়গায় ঘোড়ার গাড়ি বা পালকিতে চলাচলের উপযোগী। পিচঢালা রাস্তা ছিল হাতে গোনা কয়েকটি — বিশেষ করে নবাব পরিবারের প্রভাবাধীন অঞ্চল ও ব্রিটিশ অফিসারদের বসত এলাকায়।ঐ সময় ‘গাড়ি’ বলতে বোঝানো হতো মূলত ঘোড়ায় টানা গাড়ি (Horse Carriage)। তবে ১৮৯০ দশকের শেষ দিকে ব্রিটিশ অফিসার ও ঢাকার নবাব পরিবারের উদ্যোগে ইউরোপ থেকে আনা মোটরগাড়ি (Motor Car) প্রথম ঢাকায় আসে।
ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, ঢাকায় প্রথম মোটরগাড়ি আসে নবাব সলিমুল্লাহর আমলে। নবাব পরিবার ব্রিটিশদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখতেন, ফলে তারা ইউরোপীয় বিলাসিতা দ্রুত গ্রহণ করতেন।
প্রথম দিকের মোটরগাড়িগুলো ছিল বড় আকারের, কালো বা গাঢ় রঙের, পেট্রোল চালিত, এবং ম্যানুয়াল ইঞ্জিনে চলত। এসব গাড়ি চালাতেন বিদেশি বা বিশেষ প্রশিক্ষিত চালক।
১৯০১ সালের ঢাকায় গাড়ি দেখা যেত খুব কম — সাধারণত নবাব পরিবার, ধনাঢ্য বণিক, কিংবা কোনো ব্রিটিশ অফিসারের বাসভবনের সামনে। রাস্তা দিয়ে গাড়ি চললে লোকজন বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখত। বলা হয়,
“গাড়ির শব্দে তখন পথের মানুষ থেমে যেত, শিশুরা ছুটে আসত দেখতে— এমন ‘লৌহ দানব’ কীভাবে নিজে নিজে চলে!”
বেশিরভাগ মানুষ চলাচল করত পালকি, ঘোড়ার গাড়ি, ঠেলা গাড়ি বা নৌকায়। কারণ ঢাকার চারপাশে তখন অসংখ্য খাল ও নদী ছিল। রাস্তায় যানবাহনের তুলনায় নৌযানই ছিল অধিক জনপ্রিয়।
নবাববাড়ি থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তা
আর্মেনিয়ান স্ট্রিট ও বিক্রমপুর হাউসের এলাকা
ওয়ারী ও গ্যান্ডারিয়া অঞ্চলের কিছু ইউরোপীয় বসতি
পরে মিটফোর্ড রোড (বর্তমান স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এলাকা)
ঢাকায় মোটরগাড়ির আগমন মূলত আধুনিকতার সূচনা নির্দেশ করেছিল। এটি ছিল এমন এক সময় যখন শহরটি ধীরে ধীরে ঐতিহ্যবাহী বণিক নগরী থেকে আধুনিক প্রশাসনিক শহরে রূপ নিচ্ছিল।
১৯০১ সালে মোটরগাড়ি ছিল অভিজাতদের প্রতীক — সাধারণ মানুষের কাছে অদ্ভুত, অচেনা, বিলাসী এক বস্তু। পরে ১৯২০–৩০ দশকে গাড়ির সংখ্যা বাড়তে শুরু করে, যখন ঢাকায় নতুন রাস্তা, অফিস, ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।

(ছবিতে ১৯০১ সালের ঢাকার রাস্তায় গাড়ি চলাচলের ছবি৷)

কমলাপুর ( ঢাকা ) রেল ষ্টেশনের জায়গায় বস্তি ২০শে সেপ্টেম্বর,১৯৭৪ সাল । ছবি পরিচিতি - অদূরে লম্বা সাদা কাঁচা রাস্তাটি  মুগ...
29/09/2025

কমলাপুর ( ঢাকা ) রেল ষ্টেশনের জায়গায় বস্তি ২০শে সেপ্টেম্বর,১৯৭৪ সাল । ছবি পরিচিতি - অদূরে লম্বা সাদা কাঁচা রাস্তাটি মুগদা থেকে মান্ডা যাবার রাস্তা,যা বর্তমানের বিশ্বরোড(অতিস দিপংকর রোড ) , সাদা জলাশয়টির স্থানে বর্তমানে মুগদা হাসপাতাল হয়েছে।

সৌজন্যে : বিনয় আমিন৷

১৮৮০ দশকে ঢাকার নবাবদের বাগান বাড়ি১) ইশরাত মঞ্জিল যেটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছিল, ইতিহাসবিদদের মতে বর্তমান বঙ্গবন্ধু...
30/06/2025

১৮৮০ দশকে ঢাকার নবাবদের বাগান বাড়ি

১) ইশরাত মঞ্জিল যেটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছিল, ইতিহাসবিদদের মতে বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সেখানে ছিল এ বাগান বাড়ি আবার অনেকের মতে টিএসসিতে ছিল এ বাড়ি, ভিতরে সে সময়কার ফোয়ারা বিদ্যমান।

২-৩) হাফিজ মঞ্জিল, যেটি নারায়নগঞ্জের হাজীগঞ্জ দূর্গ এলাকায় ছিল।

৪) নবাবদের ঘোড়া শাল বা আস্তাবল, এটি ছিল সম্ভবত এখনকার কাটাবনে।

ঢাকা ধানমন্ডি এলাকা ১৯৬০
01/06/2025

ঢাকা ধানমন্ডি এলাকা ১৯৬০

আঞ্জুমান আরা বেগমচলচ্চিত্র ও আধুনিক গানের শিল্পী১১ জানুয়ারি ১৯৪২ ~ ২৯ মে ২০০৪আকাশের হাতে আছে একরাশ নীলবাতাসের আছে কিছু ...
01/06/2025

আঞ্জুমান আরা বেগম
চলচ্চিত্র ও আধুনিক গানের শিল্পী
১১ জানুয়ারি ১৯৪২ ~ ২৯ মে ২০০৪

আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল
বাতাসের আছে কিছু গন্ধ
রাত্রীর গায়ে জ্বলে জোনাকী
তটিনীর বুকে মৃদু ছন্দ
আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল
বাতাসের আছে কিছু গন্ধ
রাত্রীর গায়ে জ্বলে জোনাকী
তটিনীর বুকে মৃদু ছন্দ।।

আমার এ দু'হাত শুধু রিক্ত
আমার এ দু'চোখ জলে সিক্ত
বুক ভরা নীরবতা নিয়ে অকারন
বুক ভরা নীরবতা নিয়ে অকারন
আমার এ দুয়ার হলো বন্ধ
আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল
বাতাসের আছে কিছু গন্ধ
রাত্রীর গায়ে জ্বলে জোনাকী
তটিনীর বুকে মৃদু ছন।।

ভেবে তো পাইনা আমি কি হলো আমার
লজ্জা প্রহরে কেন খোলে নাকো দ্বার
ভেবে তো পাইনা আমি কি হলো আমার
লজ্জা প্রহরে কেন খোলে নাকো দ্বার
জানিনা কেমন করে বলবো
খেয়ালে কতই ভেসে চলবো
বলি বলি করে তবুও বলা হলো না
বলি বলি করে তবুও বলা হলো না
জানিনা কিসে এত দ্বন্দ।।

কথাঃ গাজী মাজহারুল আনোয়ার
সুরঃ সত্য সাহা, আয়না ও অবশিষ্ট (১৯৬৭)

এই গানটি ও আরো অনেক বিখ্যাত গান গেয়েছিলেন বাংলাদেশের সঙ্গীতের সোনালী সময়ের সঙ্গীতশিল্পী আঞ্জুমান আরা বেগম, যিনি ১৯৫৮ সালে ১৬ বছর বয়সে প্রথম এবং ১৯৬৪ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত প্রথম গানে কণ্ঠ দেন। ২০০৩ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন।

আঞ্জুমান আরা বেগম, মারা যান ২০০৪ সালের ২৯ মে, তার বাবা কাসিরউদ্দিন তালুকদার নিহত হন ১৯৭১ সালের ২৯ মে। আমি ঠিক জানি না বাবার প্রতি খুব ভালোবাসা থেকে এটা হয়েছে কিনা।

আঞ্জুমান আরা বেগম খুবই গুনী এক পরিবারের মানুষ ছিলেন, তার মায়ের নাম ছিলো জিয়াউন্নাহার তালুকদার, তাঁর বড়বোন জেব-উন-নেসা জামাল একজন গীতিকার ছিলেন এবং আরেক বোন মাহবুব আরা রেডিও ও টেলিভিশনের শিল্পী ছিলেন। সঙ্গীতশিল্পী জিনাত রেহানা তার ভাগ্নি এবং উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লা তার মামাতো বোন।

ছবিসূত্রঃ শামসুদ্দোহা মতিন
তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া
সম্পাদনাঃ ধ্রুব আহসান

গুলিস্তানের কামান ১৯৭৬
25/03/2025

গুলিস্তানের কামান ১৯৭৬

রবীন্দ্রনাথ ১৯৩১-এ দমদম থেকে  ইরানে যাচ্ছেন৷ ছবি : সংগৃহীত৷
17/03/2025

রবীন্দ্রনাথ ১৯৩১-এ দমদম থেকে ইরানে যাচ্ছেন৷

ছবি : সংগৃহীত৷

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে নিরাপদ আশ্রয়ের আশায় একটি পরিবার, পেছনে বন্দুক কাঁধে দুজন মুক্তিযোদ্ধা। ৯ এপ্রিল ১৯৭১ছবি: অ্যান ডি ...
12/03/2025

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে নিরাপদ আশ্রয়ের আশায় একটি পরিবার, পেছনে বন্দুক কাঁধে দুজন মুক্তিযোদ্ধা। ৯ এপ্রিল ১৯৭১

ছবি: অ্যান ডি হেনিং

Address

Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশের দূর্লভ ছবির এলবাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category