My Bangladesh

My Bangladesh My Bangladesh

দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র যার আনুষ্ঠানিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনাবসানে ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান নামে যে দেশটি সৃষ্টি হয়েছিলো, তার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ পূর্ব পাকিস্তান শোষণ, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দারিদ্র্যপীড়ি

ত বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় ঘটেছে দুর্ভিক্ষ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ; এছাড়াও প্রলম্বিত রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও পুনঃপৌনিক সামরিক অভ্যুত্থান এদেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে। ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক প্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে চলেছে।

বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। কিন্তু আয়তনের হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে ৯৩তম; ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। তবে ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দের তুলনায় বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি (মূল্যস্ফীতি সমন্বয়কৃত) প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে, এবং ১৯৯০-এর শুরুর দিককার তুলনায় দারিদ্র্যহার প্রায় ২০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বাংলাদেশ "পরবর্তী একাদশ" অর্থনীতিসমূহের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য শহরের পরিবর্ধন বাংলাদেশের এই উন্নতির চালিকাশক্তিরূপে কাজ করছে। এর কেন্দ্রবিন্দুতে কাজ করেছে একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ত্বরিৎ বিকাশ।

বাংলাদেশের বর্তমান সীমারেখা নির্ধারিত হয় ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারত বিভাগের সময়, নবগঠিত দেশ পাকিস্তানের পূর্ব অংশ (পূর্ব পাকিস্তান) হিসেবে। দেশটির উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিম সীমানায় ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব সীমানায় মায়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। উল্লেখযোগ্য, বাংলাদেশ ও ভারতীয় অঙ্গরাজ্য পশ্চিমবঙ্গ একত্রে একটি অবিচ্ছিন্ন বাংলাভাষী অঞ্চল গঠন করে যার ঐতিহাসিক নাম “বঙ্গ” বা “বাংলা”। এর পূর্বাংশ বা পূর্ব বাংলা ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ নামীয় পৃথক একটি আধুনিক জাতিরাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রের উর্বর অববাহিকায় অবস্থিত এই দেশটিতে প্রায় প্রতি বছর মৌসুমী বন্যা হয়; আর ঘূর্ণিঝড়ও খুব সাধারণ ঘটনা। নিম্ন আয়ের এই দেশটির প্রধান সমস্যা পরিব্যাপ্ত দারিদ্র। তবে ২০০৫ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে বিশ্বব্যাংকের দেশভিত্তিক তথ্য অনুসারে দেশটি সাক্ষরতা বৃদ্ধি, শিক্ষাক্ষেত্রে লৈঙ্গিক বৈষম্য দূরীকরণ এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।তবে বাংলাদেশে এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে যার মধ্যে রয়েছে পরিব্যাপ্ত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দুর্নীতি, বিশ্বায়নের প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রতলের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলশ্রুতিতে তলিয়ে যাবার শঙ্কা।

এদেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ক ও বিমসটেক-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এছাড়া দেশটি জাতিসংঘ, ডব্লিউটিও, ডব্লিউসিও, ওআইসি ও ডি-৮-এর সদস্য।

ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৩। যাকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে তার নাম লেপা রাডিক। যুগোস্লোভিয়ার ১৭ বছরের তরুণী বিদ্রোহী। তাকে ফাঁসিতে ঝোলা...
20/06/2025

ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৩। যাকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে তার নাম লেপা রাডিক। যুগোস্লোভিয়ার ১৭ বছরের তরুণী বিদ্রোহী। তাকে ফাঁসিতে ঝোলানোর আগে নাৎসিরা জানতে চেয়েছিল সাথী কমরেডদের নাম। সে জবাব দেয় -- "তারা আমার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে এসে নিজেদের নাম জানিয়ে যাবে"। এবং তারা সেটা সত্যি করেছিলো....! ✊🏼✊🏼✊🏼

লাখাই ঐতিহাসিক দত্ত বংশের বাড়ী। বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার স্বজনগ্রাম ( টাউনশীপ) ছিল দত্ত বংশের ...
19/06/2025

লাখাই ঐতিহাসিক দত্ত বংশের বাড়ী। বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার স্বজনগ্রাম ( টাউনশীপ) ছিল দত্ত বংশের বসতি। লাখাই দত্ত বংশ ছিল চক্রপানি দত্তের বংশধর। বৃটিশ আমলে লাখাই দত্ত বংশ পশ্চিমবাংলা,পুর্ব বাংলা এবং আসামের আলোকিত ও শিক্ষিত বংশ ছিল। এই দত্ত বংশে সেই সময়ে ১২০ জন ছিলেন উচ্চ পর্যায়ের অফিসার। জনশ্রুতি রয়েছে, বৃটিশ আমলে শিলং,গৌহাটি,সিলেট থেকে কর্মকর্তারা লাখাই থানায় ভিজিট করতে এলে দত্ত বাড়ীর সামনে এসে গাড়ী থেকে নেমে হেঁটে লাখাই থানায় যেতেন।
লাখাই দত্ত বংশের লোকেরা সিলেট,শিলচর,শিলং,কলকাতা,দিল্লী,
লন্ডন,নিউইয়র্কে বসবাস করতেন এবং চাকুরী করতেন। একমাত্র দুর্গাপুজার সময় হলে সবাই লাখাই বাড়ীতে আসতেন।
লাখাই দত্ত বংশের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিখ্যাত আইনজীবী এবং পন্ডিত ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের বন্ধু এডভোকেট রামকুমার দত্ত,কলকাতা হাইকোর্টের বিখ্যাত আইনজীবী এডভোকেট অবিনাশ চন্দ্র দত্ত,ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী পত্রিকার সম্পাদক ও শ্রীভুমির স্মৃতিকথা বইয়ের লেখক এডভোকেট নগেন্দ্র নাথ দত্ত, ১৯২৬ সালে ভারতের কেন্দ্রীয় আইন সভার নির্বাচিত সদস্য শ্রীশ চন্দ্র দত্ত, লাখাই থানার প্রতিষ্টাতা রায়বাহাদুর এডভোকেট সতীশ চন্দ্র দত্ত যিনি ১৯৩০ সালে ভারতের কেন্দ্রীয় আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন এবং কিছুদিন ভারতবর্ষের স্পীকারের দায়িত্ব পালন করেন। রায়বাহাদুর হেমচন্দ্র দত্ত ১৯৩৭ এবং ১৯৪০ সালে আসাম পার্লামেন্টের মেম্বার নির্বাচিত হন। জ্যোস্না রানী দত্ত একবার আসাম পার্লামেন্টের মেম্বার এবং তিনবার ভারতের পার্লামেন্টের মেম্বার নির্বাচিত হন,কংগ্রেসের রাজনীতিবিদ এডভোকেট ধর্মদাস দত্ত,কংগ্রেস নেতা হরিপদ দত্ত, বঙ্গবন্ধুর শিক্ষক কলকাতা ইসলামিয়া কলেজের অর্থনীতির প্রফেসর ডঃ ভবতোষ দত্ত,ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক কমরেড বারীন দত্ত, ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক নারী নেত্রী হেনা দাশ,ভাষা সৈনিক প্রশান্ত দত্ত,কৃষক নেতা ত্রৈলক্য দত্ত,স্বদেশী আন্দোলনের নেতা সুরেন্দ্রমোহন দত্ত, হিন্দুস্তান টাইমস পত্রিকার সাংবাদিক সত্যব্রত দত্ত,চলচ্চিত্র পরিচালক মন্ময়নাথ দত্ত,ঢাকা জগন্নাথ কলেজের প্রফেসর হেমেন্দ্র কিশোর দত্ত, প্রফেসর ডঃ দিগিন্দ্র চন্দ্র দত্ত,শিলচর গুরুচরন কলেজের প্রিন্সিপাল রথীন্দ্র চন্দ্র দত্ত,কলকাতা প্রেসিডেন্সী কলেজের অধ্যাপক সমরেন্দ্র দত্ত, প্রফেসর মৈত্রেয়ী দত্ত,অধ্যক্ষ সুধীন্দ্র চন্দ্র দত্ত, প্রফেসর ডঃ চিত্ততোষ দত্ত, প্রফেসর দেবশ্রী দত্ত,অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ডঃ অসীম কুমার দত্ত,প্রফেসর ডঃ পুর্ণেন্দু দত্ত,আমেরিকার পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ও বিজ্ঞানী ডঃ রনজিত কুমার দত্ত,ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট প্রকাশ চন্দ্র দত্ত,শিক্ষাবিদ যোগেশ চন্দ্র দত্ত, একাউন্ট জেনারেল বীরেন্দ্র চন্দ্র দত্ত,বিখ্যাত মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার মনীন্দ্র চন্দ্র দত্ত,ইঞ্জিনিয়ার হীরেন্দ্রনাথ দত্ত,ইঞ্জিনিয়ার বীরেন্দ্র চন্দ্র দত্ত, যুগ্ম সচিব বীরেশ চন্দ্র দত্ত,আইন সচিব নির্মল চন্দ্র দত্ত,কর্ণেল অশোক কুমার দত্ত,সিলেট বিভাগের প্রথম FRCS ডাক্তার ডাঃ পরেশ চন্দ্র দত্ত, হবিগঞ্জ জেলার প্রথম আইসিএস অফিসার ও ভারতের কেন্দ্রীয় সচিব শিশির কুমার দত্ত,ভারতবর্ষের কেন্দ্রীয় কাস্টম বোর্ডের চেয়ারম্যান জ্যোর্তিময় দত্ত অমল,বিশিষ্ট চা ব্যবসায়ী সুবোধ চন্দ্র দত্ত,ডাঃ নরেশ চন্দ্র দত্ত,ডাঃ কালীপদ দত্ত,ইঞ্জিনিয়ার বীরেশ চন্দ্র দত্ত,হবিগঞ্জ বারের বিখ্যাত আইনজীবী এডভোকেট সুরেশ চন্দ্র দত্ত,শিলচর বারের বিখ্যাত আইনজীবী এডভোকেট মহেশ চন্দ্র দত্ত,পুলিশ সুপার সুধীর চন্দ্র দত্ত, পুলিশের ডিআইজি দেবী দত্ত,ক্রিকেটার পুন্যব্রত দত্ত,ব্যারিষ্টার অসীম কুমার দত্ত,ব্রাক্ষধর্মের অনুসারী শ্রীনাথ দত্ত,
হবিগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান এডভোকেট অখিল চন্দ্র দত্ত,ডাঃ অলকানন্দা রানী দত্ত, ডাঃ আনন্দিতা রানী দত্ত,ক্যাপ্টেন ডাঃ অমল কুমার দত্ত,নাসা বিজ্ঞানী দেবাশীষ দত্ত,সমাজসেবক দ্বীপ চন্দ্র দত্ত,এডভোকেট নীরেন্দু কুমার দত্ত,সিলেট বারের বিখ্যাত আইনজীবী চারু চন্দ্র দত্ত,শিলচর বারের নামজাদা উকিল সুরেশ চন্দ্র দত্ত,এডভোকেট ইন্দ্র কুমার দত্ত,ব্যারিষ্টার রাজকুমার দত্ত,কমরেড দেবব্রত দত্ত, ব্যারিষ্টার প্রফুল্ল কুমার দত্ত,সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ধীরেন্দ্র চন্দ্র দত্ত,এডভোকেট নবকুমার দত্ত,ডাঃ সুবীর কুমার দত্ত, জেলা জজ নলিনী কুমার দত্ত,লাখাই স্মৃতি বইয়ের লেখক ধীরাজ মোহন দত্ত, ঢাকাস্থ ভারতের সাবেক ডেপুটি হাইকমিশনার মুক্তা দত্তের দাদু সমাজসেবক ও শিক্ষাবিদ শৈলেন্দ্রমোহন দত্ত,জেলসুপার রামেন্দ্র কুমার দত্ত, ত্রিপুরা সরকারের শিক্ষা দপ্তরের
খ্যাতনামা অফিসার কৃষ্ণপদ দত্ত বা কেপি দত্ত,ভারত সরকারের প্রতিরক্ষা গবেষনা ও উন্নয়ন সংস্থার প্রিমিয়ার ইন্সট্রুমেন্টেশন ল্যাবের গ্রেড-১ সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ক্ষিতিপদ দত্ত, হবিগঞ্জ বৃন্দাবন কলেজের ইতিহাসের অধ্যাপক নগেন্দ্র চন্দ্র দত্ত,লাখাই দত্ত বংশের লিপি বইয়ের লেখক ভবানী প্রসাদ দত্ত,পুলিশের গুলিতে নিহত নক্সালপন্থী নেতা শহীদ ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত দত্ত,সমাজসেবক পরিমল দত্ত।
১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে লাখাই দত্ত বংশের লোকেরা নিজ জন্মভুমি ত্যাগ করতে থাকেন।
১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান সামরিক আইন জারী করলে লাখাই দত্ত বংশের লোকেরা একেবারে শুন্য হয়ে যায়। কমরেড বারীন দত্ত ও নারী নেত্রী হেনা দাশ দুই ভাইবোন ঢাকায় অবস্থান করে কমিউনিষ্ট পার্টির রাজনীতির সাথে জড়িত হয়ে পড়েন।
১৯৬০ সালে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খান " টাউনশীপ" প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে লাখাই ঐতিহাসিক দত্ত বাড়ীতে লাখাই থানা পরিষদের কার্যক্রম এই বাড়ী থেকে শুরু হয়। যার কারনে লাখাই ঐতিহাসিক দত্ত বাড়ীর নাম হয় " টাউনশীপ"।
১৯৮৩ সালের ১৫ এপ্রিল লাখাই থানার সদর দপ্তর বামৈ ইউনিয়নের কালাউকে স্থানান্তরিত করা হলে দত্ত বাড়ীর ধালানগুলো অকেজো হয়ে পড়ে।
দত্ত বাড়ীর লাল বিল্ডিং,দুটো সাদা বিল্ডিং,টিনশেডের দুতলা একটি বিল্ডিং যেখানে সাবরেজিষ্টার অফিস ছিল,কাছাড়ী ঘর,জাতীয় বিদ্যালয়,লাইবেরী,ডাক বাংলা,একটি দুর্গা মন্দির ছিল। সবই আছে তবে জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে।
এই লাল বিল্ডিংতে থাকতেন রায়বাহাদুর এডভোকেট সতীশ চন্দ্র দত্ত। এরপর থাকতেন সমাজসেবক দ্বীপ চন্দ্র দত্ত ও তার পরিবারের লোকজন। পরবর্তীতে লাখাই সার্কেল অফিসার ( সি ও) এর বাসভবন ছিল।
লাখাই দত্ত বাড়ীতে লাখাই ১ নং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়,লাখাই ১ নং ইউনিয়ন ভুমি অফিস, লাখাই হাজী করিম হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা,এতিমখানা,মসজিদ,দোকান, মার্কেট, বাড়ীঘর প্রতিষ্টিত হয়েছে।
নেই ঐতিহাসিক দত্ত বংশের কোন স্মৃতি। সব স্মৃতি মুছে ফেলা হয়েছে।
ঐতিহাসিক দত্তবাড়ীর লোকেরা বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন,স্বদেসী আন্দোলন,ভাষা আন্দোলন,
মুক্তিযুদ্ধের সময় গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখেন।
দত্ত বাড়ীর ইতিহাস আজ ধবংসের পথে।
এই ধালানগুলো লাখাই উপজেলা প্রশাসনের দখলে আছে।
লাখাই উপজেলা প্রশাসন নিজে উদ্যোগী হয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে এই লাল বিল্ডিং এ "লাখাই ঐতিহাসিক দত্ত বংশের স্মৃতি বিজড়িত যাদুঘর" করতে পারে।

থাকতে না চাইলে জোর নেই,ইচ্ছে হলেই হারিয়ে যেতে পারো!মিথ্যা অভিনয়ে থাকার চেয়ে—হাসিমুখে ইতি টানা শ্রেয়।
08/04/2025

থাকতে না চাইলে জোর নেই,
ইচ্ছে হলেই হারিয়ে যেতে পারো!
মিথ্যা অভিনয়ে থাকার চেয়ে—
হাসিমুখে ইতি টানা শ্রেয়।

সত্যিকার অর্থে যে ভালোবাসে, সে কখনো হারিয়ে যায় না।তারা অভিমান করে সাময়িক সময়ের জন্য,এবং নিজেকে আড়াল করে রাখে।তারা ফিরে আ...
05/04/2025

সত্যিকার অর্থে যে ভালোবাসে, সে কখনো হারিয়ে যায় না।
তারা অভিমান করে সাময়িক সময়ের জন্য,
এবং নিজেকে আড়াল করে রাখে।
তারা ফিরে আসে একটা সময়ের পর।
আর যদি ফিরে না আসে, তবে বুঝে নিয়ো-সে তোমাকে কখনো ভালোবাসেনি।

নিজেকে এগিয়ে নিন-তবে মানুষকে, ঠকিয়ে নয়,, মনে রাখবেন মানুষের দীর্ঘশ্বাস খুবই ভয়ংকর!
03/04/2025

নিজেকে এগিয়ে নিন-তবে মানুষকে, ঠকিয়ে নয়,, মনে রাখবেন মানুষের দীর্ঘশ্বাস খুবই ভয়ংকর!

02/04/2025

ছামার ছিজন হ্যাজ কাম!
🥵

১৮২৭ - আজকের দিনে যুক্তরাষ্ট্রে জোসেপ ডিক্সন প্রথম লিড পেন্সিল নির্মাণ করেন। তিনি ম্যাচাচুসেটস অঙ্গ রাজ্যের সালেমে পেন্স...
02/04/2025

১৮২৭ - আজকের দিনে যুক্তরাষ্ট্রে জোসেপ ডিক্সন প্রথম লিড পেন্সিল নির্মাণ করেন। তিনি ম্যাচাচুসেটস অঙ্গ রাজ্যের সালেমে পেন্সিল নির্মাণের কারখানা স্থাপন করেন।

📍বেস্ট ফ্রেন্ড-এর ডেফিনেশন কি.?বন্ধু এর শাব্দিক বিশ্লেষনঃ ব - বুকের সবচেয়ে কাছে।ন - নিজের একান্ত আপন।ধু - ধুয়ার মত রহস্য...
28/10/2024

📍বেস্ট ফ্রেন্ড-এর ডেফিনেশন কি.?

বন্ধু এর শাব্দিক বিশ্লেষনঃ
ব - বুকের সবচেয়ে কাছে।
ন - নিজের একান্ত আপন।
ধু - ধুয়ার মত রহস্যময়।

তাহলে কি দাড়ালো, বন্ধু এমন আর্কষনীয় এক জিনিস যা খুবই রহস্যময়। আর মানুষের একটা অতি পুরাতন বদাভ্যাস হল রহস্যের হাতছানিতে সাড়া দিয়ে তার দিকে এগিয়ে যাওয়া।

মোটকথা, মানুষ জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে একজন ভালো বন্ধুর প্রয়োজন অনুভব করে। কারণ, একজন প্রকৃত বন্ধু জীবনের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার অংশীদার হয়। প্রকৃত বন্ধুই পারে আত্মার আত্মীয় হয়ে কিছুক্ষণের জন্য হলেও দুঃখ-কষ্টকে ভুলিয়ে রাখতে। বন্ধুতের একটা বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে দুষ্টামী। যা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।🙂

📍প্রাচীন প্রবাদে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলা হতো- “সম্পর্ক যখন জ্বরে পুড়ে তখন তার নাম হয় ভালবাসা, আর ভালবাসা যখন জ্বরে পুড়ে তার নাম হয় বন্ধুত্ব।”

♦️ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এরিস্টটল বলেছেন, ‘দু'টি দেহে একটি আত্মার অবস্থানই হলো বন্ধুত্ব।'
♦️ এমারসন বলেছেন, 'প্রকৃতির সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টির নাম বন্ধুত্ব।'
♦️ জীবনানন্দ দাশ- “ যদি থাকে বন্ধুর মন �গাং পাড় হইতে কতক্ষন।”
♦️ নিটসে বলেছেন, 'বিশ্বস্ত বন্ধু হচ্ছে প্রাণরক্ষাকারী ছায়ার মতো। যে তা খুঁজে পেলো, সে একটি গুপ্তধন পেলো।'
♦️ হেলেন কেলার - “ অন্ধকারে একজন বন্ধুর সঙ্গে হাঁটা আলোতে একা হাঁটার চেয়ে ভালো ”
♦️ উইলিয়াম শেক্সপিয়র - “ কাউকে সারা জীবন কাছে পেতে চাও? তাহলে প্রেম দিয়ে নয় বন্ধুত্ব দিয়ে আগলে রাখো। কারণ প্রেম একদিন হারিয়ে যাবে কিন্তু বন্ধুত্ব কোনদিন হারায় না ”
♦️ প্লেটো - “ বন্ধুদের মধ্যে সবকিছুতেই একতা থাকে ”

📍বন্ধুত্বের যোগ্যতা যাচাইয়ে নিচের বিষয়গুলি আবশ্যকঃ

# পারস্পরিক বিশ্বাস
# একে অপরের সঙ্গ উপভোগ করা
# সহানুভূতি থাকা
# পারস্পরিক চিন্তাভাবনা ও মূল্যবোধের গুরুত্ব দেওয়া, কম্প্রোমাইজ করার ক্ষমতা থাকা, মানসিক সমর্থন দেওয়া
# অন্যের ভাল কীভাবে হবে এই বাসনা থাকা
# কঠিন সত্যের স্বীকার করে হলেও নিজের সততার প্রমাণ দেওয়া।
# প্রয়োজনে সবার জন্য ইতিবাচক, গভীর কোন সিদ্ধান্তে পৌছাতে নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করা
# তুমি কি করতেছ এটা নিয়ে বন্ধুদের মধ্যে কোন সংশয় না থাকা।
# একে অপরের সাথে ঝগড়া করলে বা মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে, সহনোভুতির সাহয্যে তা মিটিয়ে ফেলা।
👉 তোমাদের বন্ধুত্ব আমৃত্যু এই বন্ধনে আবদ্ধ থাক। এই আশাবাদ….......

26/08/2024

গোমতী নদীর পানি বিপদ সীমার ৩৬সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গতকাল ছিলো ৮৫ সে.মি.।

23/08/2024

Address

Cumilla

Telephone

+8801818101613

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when My Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Museum

Send a message to My Bangladesh:

Share